Ad-1

Monday, July 27, 2026

অফিস পলিটিক্স: ৩টি অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ

বাদল সৈয়দ

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন পড়াতাম। সে সূত্রে সে আমার ছাত্র। ভালো একটি কর্পোরেট চাকরি করত। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানও হয়েছিল। 

হঠাৎ একদিন তার মেসেজ পেলাম। সে লিখেছে- ‘স্যার, অফিস পলিটিক্সের শিকার হয়ে আমার চাকরি চলে গেছে। এখন ছোটখাট ব্যবসা করার চেষ্টা করছি। আমার জন্য দোয়া করবেন।‘

প্রায় প্রত্যেক চাকরিজীবীকে অফিস পলিটিক্সের শিকার হতে হয়। তাই ভাবলাম এ ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লিখি।

অফিস পলিটিক্স অনেক ধরনের হতে পারে। প্রথমে দুটো সত্য ঘটনা বলি।

১ ) আমার চাকরিজীবনের প্রথম দিকের ঘটনা। একজন কমিশনার একটি ভুল করলে তাঁকে সচিব মহোদয় ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ঢাকায় ডেকে পাঠালেন। কমিশনার সাহেব অবলীলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বললেন, ‘স্যার, সিদ্ধান্তটি আমার নয়, আমার এক অতি উৎসাহী ডেপুটি কমিশনারের। আমি সেটা আপনার কাছে অনুমোদনের জন্য ফরোয়ার্ড করেছি মাত্র।'

সে হতভাগ্য ডেপুটি কমিশনার ছিল আমার এক ব্যাচমেট। কাজটিতে তার কোনো ভূমিকাই ছিল না। কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে তার অন্যতম দায়িত্ব ছিল আঞ্চলিক অফিসের চিঠিপত্র হেড অফিসে পাঠানো। সে শুধু সেটাই করেছিল।

কমিশনার সাহেবের কথা শুনে সচিব মহোদয় বললেন- 'তুমি যদি তোমার ছোকরা ডেপুটি কমিশনারের কথায় চলো, তাহলে তো সবার আগে তোমাকে স্যাক করা উচিত।‘

সে সচিবের নাম ছিল, আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী।  

চাকরিজীবনে এ রকম বলির পাঁঠা হওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়। কিন্তু মুয়ীদ চৌধুরী স্যারের মতো সুবিবেচক সর্বোচ্চ বস সবার ভাগ্যে জোটে না। 

(সে সময় সেখানে উপস্থিত ঢাকার একজন কমিশনার পরে আমাদের ঘটনাটি জানিয়েছিলেন)

২ ) আমার এক তরুণ আত্মীয় খুব নামকরা মাল্টিন্যাশনালে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। সে একবার তার বসের সাথে চমৎকার একটি আইডিয়া  শেয়ার করল। বস খুব নির্লিপ্ত ভাব করলেন। তাঁর আচরণ দেখে আমার আত্মীয় ব্যাপারটি নিয়ে আর এগোলো না।  ভাবল, আইডিয়াটি কাজের না। কিন্তু পরের টিম মিটিংয়ে সে খুব বিস্ময়ের সাথে দেখল, বস তার আইডিয়াটিকে নিজের আইডিয়া বলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে উপস্থাপন করছেন!

অফিস পলিটিক্সের দুটো উদাহরণ দিলাম। এছাড়াও এ পলিটিক্স আরো অনেক রকম হতে পারে।

যেমন-

ক) বসের কানভারি করা হয়। 

খ) ইচ্ছে করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা হয় বা সরবরাহ করা হয় না।যাতে সহকর্মী ঠিকভাবে কাজটি করতে না পারেন।

গ) মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে সুনাম নষ্ট করা হয়।

ঘ) অনেক সময় অফিসে কয়েকটি গ্রুপ থাকে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে লেগে থাকে।

ঙ) ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, ইমেইল থেকে দূরে রাখা হয়, যাতে সহকর্মী অফিসিয়াল ব্যাপারে আপ টু ডেট না থাকেন।

কীভাবে মোকাবেলা করবেন?

১) নিজস্ব আইডিয়া একান্তে শেয়ার না করে মিটিংয়ে উপস্থাপন করুন।

২) কোনো কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য না পেলে তা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সহকর্মীকে মেইল করুন এবং তার রেকর্ড রাখুন। প্রয়োজনে ব্যাপারটি বসকেও জানিয়ে রাখুন।

৩) মিথ্যা গুজব ছড়ালে তা যদি গুরুতর না হয় নির্লিপ্ত থাকুন। এটাই হলো বদনামকারীদের মুখে সবচেয়ে কঠিন চপেটাঘাত। তবে তা যদি খুব ক্ষতিকর হয় তবে সে ব্যাপারে নিজেই বসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানান। এতে আপনার সৎ সাহস প্রমাণিত হবে।

৪) অফিস গ্রুপিংয়ে কোনো পক্ষই অবলম্বন করবেন না।

৫) কেউ জানাবে, তার জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই অফিসের ব্যাপারে আপ টু ডেট থাকুন। 

৬) মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। অফিস পলিটিক্সে মাথা গরম করলে হেরে যাবেন। ঠাণ্ডা মাথার পায়ের নিচে পৃথিবী গড়াগড়ি দেয়, আর গরম মাথার মানুষ মাটিতে গড়াগড়ি খায়।

৭) সহকর্মীদের সাথে ব্যক্তিগত দুর্বলতা শেয়ার করবেন না। তা পরে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে। ( খুব বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত হলে ব্যতিক্রম হতে পারে )

৮) আপনার রিপোর্টিং অথরিটিই আপনার ইমিডিয়েট বস। তাঁর মাধ্যমেই টপ ম্যানেজমেন্ট আপনার মূল্যায়ন করবেন। তাই তাঁর সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখুন। তাঁকে কাজের অগ্রগতি ও ব্যর্থতা নিজেই জানান। তা হলে তাঁর কান ভারী করা সহজ হবে না।

৯) সবার সাথে সৌজন্য বজায় রাখুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শুভাকাঙ্ক্ষী সিনিয়র কারো পরামর্শ নিন।

১০ ) নিজ ব্যক্তিত্ব ধরে রাখুন। কারণ, সমুদ্রের ঢেউ যেমন শক্তভাবে বাঁধাই করা তীরে বাড়ি খেয়ে সমুদ্রেই ফিরে যায়, ঠিক তেমনি ব্যক্তিত্বের উচ্চতার সাথে ধাক্কা খেয়ে চক্রান্তও ফিরে যায়।

অফিস এক ধরনের দাবার বোর্ড। আপনি না চাইলেও এখানে কেউ কেউ আপনার বিরুদ্ধে চাল দিতে পারে। সেটা ঠেকাতে হলে আপনাকেও পাল্টা চাল দিতে হবে।

তবে মনে রাখবেন- 

'One careless move can cost the king.'

'একটা ভুল চাল আপনার রাজাকে রাজ্যহারা করবে।'

আরেকটি কথা, দয়া করে অফিস পলিটিক্সের প্রথম চাল আপনি দেবেন না। শুধু প্রয়োজনে আত্মরক্ষায় পাল্টা চাল দেবেন।

অফিস পলিটিক্সের প্রথম চাল দেয় নোংরা লোকেরা।

Thursday, June 18, 2026

উপন্যাস: ১৯৭১

হুমায়ুন আহমেদ 

হুমায়ূন আহমেদের  '১৯৭১'  উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা একটি অসাধারণ ও হৃদয়স্পর্শী আখ্যান। এই উপন্যাসের কাহিনি মূলত নীলগঞ্জ নামের একটি ছোট গ্রামকে কেন্দ্র করে, যেখানে ১৯৭১ সালের ১লা মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রবেশ করে। উপন্যাসে কোনো বড় যুদ্ধের সরাসরি বর্ণনা নেই, বরং একটি গ্রামের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার এবং সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব ও সাহসের চিত্র ফুটে উঠেছে।

উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে দেওয়া হলো:

 ★ মেজর এজাজ আহমেদ:  পাকিস্তানি বাহিনীর কমান্ডিং অফিসার। সে কাকুল মিলিটারি একাডেমির একজন কৃতী ক্যাডেট ছিল।তার বয়স ৩৫। উপন্যাসে তাকে একজন কঠোর ও নির্মম সেনা কর্মকর্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে, যে পাকিস্তানি বাহিনীর হয়ে গ্রামের নিরীহ মানুষের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।

 ★ নীলু সেন:  গ্রামের একমাত্র বিশাল দালান বা প্রাসাদের মালিক। তিনি অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী একজন মানুষ এবং গ্রামের যেকোনো বিচার-সালিশে তার উপস্থিতি অপরিহার্য। তিনি গ্রামের একজন প্রভাবশালী ও সম্মানিত ব্যক্তি।

 ★  আজিজ মাস্টার:  নীলগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার।বয়স ৩৮ । তাকে উপন্যাসে একজন বিদেশি বা অন্য অঞ্চলের মানুষ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যিনি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছেন।

 ★  জয়নাল মিয়া:  নীলগঞ্জের সবচেয়ে সম্পদশালী ব্যক্তি। প্রচুর জমিজমা ও ব্যবসা থাকার কারণে গ্রামে তার বেশ প্রতিপত্তি রয়েছে।


 ★ বদিউজ্জামান (বদি):  মীর আলির বড় ছেলে।মধুবন বাজারে তার মণিহারী দোকান আছে। উপন্যাসের শুরুতেই তাকে তার বাবার সঙ্গে সম্পর্কের সূত্রে পাওয়া যায়।


 ★ নিজাম:  গ্রামের এক পাগল, যে অন্যদের মতোই পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার শিকার হয়।

এছাড়া উপন্যাসে গ্রামের সাধারণ মানুষ, মসজিদের ইমাম এবং স্কুলের শিক্ষকদের চরিত্রগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যারা কোনো অন্যায় না করা সত্ত্বেও পাকিস্তানি বাহিনীর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

 উপন্যাসের প্রেক্ষাপট: 

উপন্যাসটির মূল শক্তি এর পরিবেশনা। এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট দিনের গল্প—১লা মে। লেখক খুব দক্ষতার সঙ্গে দেখিয়েছেন কীভাবে একটি শান্ত গ্রামে হঠাৎ পাকিস্তানি সৈন্যরা হাজির হয়ে নিরীহ গ্রামবাসীর জীবন ওলটপালট করে দেয়। মুক্তি বাহিনীকে খুঁজে বের করার অজুহাতে তাদের নিষ্ঠুরতা, নারীদের লাঞ্ছনা এবং ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলো উপন্যাসে অত্যন্ত জীবন্ত হয়ে উঠেছে। উপন্যাসের শেষ পরিণতিতে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের অসহায়ত্বের এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।

আপনি কি এই উপন্যাসের কোনো নির্দিষ্ট চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক বা অন্য কোনো বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে চাচ্ছেন?


Monday, June 8, 2026

কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৪

প্রশ্নপত্র

পূর্ণমান-১০০

সময়-৩ ঘন্টা

নির্দেশনা: বাংলা বা ইংরেজিতে উত্তর দেয়া যাবে। সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান পাশে উল্লেখ করা আছে।

মান

১। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আয়করের অবদানের উপর ১০ (দশ) টি বাক্য লিখুন।

২। একজন কর আইনজীবী হিসেবে করদাতাকে আপনি যে সকল সেবা প্রদান করবেন তার উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

৩। একজন কর আইনজীবী হিসেবে আয়কর রাজস্ব আহরণে আপনার ভূমিকা ও গুরুত্বের উপর ১০ (দশ) টি বাক্য লিখুন।

৪। উৎস করের ২ (দুই) টি উদাহরণ দিন এবং উৎস করের উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

৫। দানকরের উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

৬। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution)-ADR এর উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

৭। উপ কর কমিশনারের আদেশে করদাতা সংক্ষুদ্ধ হলে একজন কর আইনজীবী হিসেবে করদাতাকে আপনি কি পরামর্শ ৫ দিবেন- তার উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

৮। জনাব আবদুর রহিম একজন সরকারী কর্মচারী। ২০২৪-২০২৫ করবর্ষে তার মোট করযোগ্য আয় টা: ২০,০০,০০০/- ৫ তিনি টা: ৩০,০০০/- বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাবেন। জনাব আবদুর রহিমের প্রদেয় কর নিরূপণ করুন।

৯। আয়কর আইন, ২০২৩ কিভাবে সংশোধন করা যায়- তার উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

১০। করদিবসের উপর ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

১১। ০১/০৭/২০২৩ তারিখে মজুদ (Opening Inventory) টা: ৫০০/-। ২০২৩-২০২৪ আয়বর্ষে ক্রয় টা: ৭০০/-, অন্তর্মুখী পরিবহণ (Carriage Inward) টা: ৫০/-, মজুরী (Wages) টা: ২০/-, ৩০/০৬/২০২৪ তারিখে মজুদ (Closing Inventory) টা: ২০০/-1 Cost of Goods Sold (COGS) পরিগণনা করুন।

১২। ২০২৩-২০২৪ আয়বর্ষে নীট বিক্রয় টা: ১,০০০/-1 Cost of Goods Sold (COGS) টা: ৮০০/-, অন্যান্য পরিচালন ব্যয় (Other Operating Expenses) টা: ১৫০/-। গ্রস মুনাফা (Gross Profit), Gross Profit এর হার (GP Rate), এবং নীট মুনাফা (Net Profit) পরিগণনা করুন।

১২

১৩। জুলাই ২০২৪ গণঅভ্যুত্থান এর উপর ১০ (দশ) টি বাক্য লিখুন।

১৪। এক কথায় প্রকাশ করুন:

(ক) যা বপন করা হয়েছে (খ) দান করিবার ইচ্ছা (গ) নূপুরের ধ্বনি (ঘ) আহারে সংযম করা (৩) কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী।

১৫। 'পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই'- এ প্রসঙ্গে ৫ (পাঁচ) টি বাক্য লিখুন।

১৬। ইংরেজিতে অনুবাদ করুন:

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটি পরিবেশকে দূষিত করে। ধূমপান বিভিন্ন রোগের কারণ। ধূমপান করলে ক্যান্সার, হৃদরোগ ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ হয়। যারা ধূমপান করে, তারা বেশিদিন বাঁচতে পারে না। এটি ব্যয়বহুলও। এছাড়া, বাংলাদেশে জনবহুল স্থানে প্রকাশ্যে ধূমপান করলে প্রচলিত আইনে জরিমানার বিধান রয়েছে। তাই সবার ধুমপান পরিহার করা উচিত।

১৭। Write an application to the Deputy Commissioner of Taxes, Circle-01, Taxes Zone-01. Dhaka for the Tax Clearance Certificate of the assessment year 2024-2025.

১৮। Fill in the blanks with the correct form of verb.

(i) The Sun in the east. (rises/rising/rise/risen)

(ii) The singer expressed her feeling by a song. (sing/sang/singing/sings)

iii) The boy went to the book shop to his text book. (bought/buying/buys/buy)

( (iv) The work is to be immediately. (do/done/does/did)

(v) I am looking forward to .....with you. (work/working/worked/works)

Sunday, June 7, 2026

ঘুমের ৩ সময়, ৩ প্রভাব! ⏰

=====================

১. الْحَيْلُولَةُ:- এটি হলো ফজর সালাতের পর ঘুমানো।

​প্রভাব: এই ঘুম রিযিকের (জীবিকা) মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে (অর্থাৎ, রিযিক বা বরকত কমে যায়)।


​২. الْقَيْلُولَةُ:- এটি হলো যোহর সালাতের পর ১০ মিনিটের মতো হালকা ঘুমানো (ঝিমুনো)।

​প্রভাব: এটি একটি অত্যন্ত উপকারী সুন্নাত।


​৩. الْعَيْلُولَةُ:- এটি হলো আসর সালাতের পর ঘুমানো।

​প্রভাব: এই ঘুম শরীরে বিভিন্ন রোগব্যাধি এবং বুকে সংকীর্ণতা বা অবসাদ (শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি) সৃষ্টি করে।



Recent Post

অফিস পলিটিক্স: ৩টি অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ

বাদল সৈয়দ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন পড়াতাম। সে সূত্রে সে আমার ছাত্র। ভালো একটি কর্পোরেট চাকরি করত। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানও হয়েছিল।...

Most Popular Post