Ad-1

Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts
Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts

Tuesday, December 23, 2025

১৯৭১ সালে ভারতের লুটপাটের খতিয়ান

১৯৭১ সালে ভারতের লুটপাটের খতিয়ান এবং ভারতের কাছে বাংলাদেশের পাওনার পরিমাণ

--------------------------------------------

১। যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। 

যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)

২। শস্য লুট:

ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

৩। পাট (৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।

৪।  ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: 

১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা। 

যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।

সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)

৩.বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন! 

(সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)

যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা। 

এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ। (সূত্র: আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, ৪৯৮ পৃষ্ঠা)

৫। ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হতো। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন,

জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে’। (সূত্র: আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: ৫২ পৃষ্ঠা)

৬. আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৯-১২৬ পৃষ্ঠা)

৭।  ১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্র: এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ, ১৪-৪৪ পৃষ্ঠা)

৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো, 

বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি। (সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)

৯।  জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, ৫২৮-৫৩১ পৃষ্ঠা)

১০. “ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে।” (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, ৯২৩ পৃষ্ঠা)

এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।

ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্সসহ।

তারপরও আবার উল্লেখ করার কারণ খুব চিন্তা হয়

১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই,

অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিলো,

তার ফলাফল কথিত আছে, ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিলো।

এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই সন্ত্রাসী আমেরিকা লুট করতে চাচ্ছে, তাহলে এখন কত রক্ত ঝরবে?

আর কতদিন মানুষ জেগে জেগে ঘুমাবে?

সময় থাকতে জেগে ওঠার বিকল্প নেই; বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেই।

মিটিয়ে দিতে হবে ভারতীয় ও আমেরিকান কৃষ্টি-কালচার। ঈমানী জযবায় উদ্দীপ্ত হওয়ার জন্য চাই নেক ফায়েজ-তাওয়াজ্জু

Monday, December 15, 2025

ছবি নিরীক্ষা ১৯৭১

 

রাজাকার, দাড়ি টুপি ও অন্যান্য কুপানো সামগ্রী 


এই ছবিটা বাংলাদেশের মহান মুঅক্তিযুদ্ধের একটা গুরুত্বপূর্ণ ছবি। কিন্তু এই ছবিকে "বাঙালী" জাতীয়তাবাদী শাহবাগীরা মিসইউজ করে এই ছবির ক্রেডিবিলিটি নষ্ট করে দিছে। 


ছবিটার শাহবাগী তাফসীর হল- একজন পাকিস্তানি সৈনিক একজন লোককে নিরীক্ষণ করছে সে "মুসলমানি" করছে কি না?


এই প্রশ্নের মাঝে তারা তাদের "বাঙালী জাতীয়তাবাদী "  প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেছে, যা প্রকারান্তরে ইসলামোফোবিয়া। 


ছবিটার মূল সোর্স ভারতীয় ফটোগ্রাফার কিশোর পারেখ, যিনি মুক্তিযুদ্ধের এরকম ২২ টা গুরুত্বপূর্ণ ছবি  দিয়ে একটা বই লিখেছেন। বইটার নাম হলো "Bangladesh : A Brutal Birth"। এই বইয়ের ২২ পৃষ্ঠায় (আমার সংগ্রহে কাছে যেটা আছে) এই ছবির (চিত্র ১) বর্ণনায় লেখা আছে- 

"Indian troops grimly round up villagers suspected to be Pakistani spies they peer into Lungis in search of weapons."


খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, একজন ভারতীয় সৈন্য একজন মানুষকে নিরীক্ষা করছে তার লুঙ্গির আড়ালে কোন অস্ত্র আছে কি না? সেই বর্ণনা ঠিক উল্টো করে "ভারতীয় সৈন্য" এর জায়গায় পাকিস্তানি সৈন্য এবং  "অস্ত্র আছে কিনা" পরীক্ষা করার পরিবর্তে "মুসলমান বা হিন্দু কি না" বসিয়ে দেয়া হলো। 


এই কাজটা করেছে দৈনিক বাংলা পত্রিকা তাদের ডিসেম্বর ১৯৭২ এর "জেনোসাইড ইস্যু" সং্খ্যায়। এই ছবির নিচে তারা লিখে দেয় "ওরা মানুষ, বর্বরদের কাছে সেটা বড় কথা নয়- বড় কথা ছিলো ওরা হিন্দু না মুসলমান। তাই উলঙ্গ করে দেখছে।" (চিত্র ২)

নমুনা স্বরূপ এই ধারার একটা ফেইসবুক পোস্ট (চিত্র ৩) সং যুক্ত করা হলো। 


এই ছবির সত্যতা নিয়ে গবেষণা করেছেন ড. নায়ানিমা মুখার্জি, যিনি একজন লেখক ও নৃবিজ্ঞানী। তিনি কিশোরের ছেলের ইন্টারভিউ নেন এবং তিনি তাত মাধ্যমে নিশ্চিত হন এই ছবির ক্যাপশন একটা প্রোপাগান্ডা। তিনি বলেন ব্যবহৃত অস্ত্রটির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে সৈন্যটা একজন ভারতীয়। এই বিষয় নিয়ে তার গবেষণার শিরোনাম হলো " The absent piece of skin: Gendered, racialized

and territorial inscriptions of sexual violence

during the Bangladesh war" যা কেম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়। 


Tuesday, February 27, 2024

বাংলা ভাষার রক্ষক মুসলিমরা

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।

ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”

মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।

বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।

মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।


সুত্র: খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব, ১৯৯৫ পৃ. ৩২, বাংলাপিডিয়া

Tuesday, February 20, 2024

সুখী হওয়ার উপায়

আমরা ব্যক্তি,পরিবার, বন্ধু ও কর্মক্ষেত্র দ্বারা আক্রান্ত হই।তা থেকে........ 

★ মুক্তির উপায় :-----

১. শত্রুকে কাজে লাগানো।

২. সময় চূড়ান্তভাবে মেনে চলা।

৩. সঞ্চয় থাকতে হবে।

৪. কাজের মধ্যে কাজ করতে হবে।(Work in work)


★ সুখী হওয়ার উপায় :-----

১. নিজে না করে কাজ করা/কাজ না করে কাজ করা।

২. টেনশন বিক্রি। 

৩. Minimum investment maximum profit.

৪. খরচ না করে খরচ বাঁচানো।

৫. ভাগ্যের উপর বিশ্বাস। 

৬. পাপ থেকে বিরত থাকা।কথায় আছে,

     "পরিশ্রম ধন আনে,পূণ্য আনে সুখ"

৭. আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।

৮. প্রতিকারের উপায় না থাকলে সহ্য করতে হয়।


Monday, January 22, 2024

বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস

১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।

২)  পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।

৩)  একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।

৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।

৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।

৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।

৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।

৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।

৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।

১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।

১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।

১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।

১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।

১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।

১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।

১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।

১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।

১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।

১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।

২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।

২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।

২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।

২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।

২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।

২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।

২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।

২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।

২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!

২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়। 

৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

ধন্যবাদ জানাই সময় নিয়ে পুরোটা লিখা পড়ার জন্য।


Friday, January 19, 2024

জীবনকে কেমন করে কাটাবেন?

মাইকেল জ্যাকসন ১৫০ বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন। কারো সাথে হাত মেলাবার সময় দস্তানা পরতেন, মুখে মাস্ক লাগাতেন।

নিজের দেখাশোনা করার জন্য বাড়িতে ১২ জন ডাক্তার নিযুক্ত করে ছিলেন,যারা তার মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত প্রতিদিন পরিক্ষা করতো। খাবার ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষা করে খাওয়ানো হত। প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর জন্য ১৫ জন লোক ছিল। মাইকেল জ্যাকসন ১৫০ বছর বেঁচে থাকার লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ছিলেন। Oxygen যুক্ত বেডে ঘুমাতেন।

নিজের জন্য Organ Donar রেডি করে রেখেছিলেন। যাদের সমস্ত খরচ নিজে বহন করতেন,যাতে হঠাৎ দরকার পড়লেই তারা Kidney, Lungs, Eye etc organ মাইকেলকে দিতে পারে। পারলেন না হেরে গেলেন। মাত্র ৫০ বছরে জীবনে। 25th June 2009 সালে ওনার হৃৎপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে গেল। নিজের ঘরে থাকা ১২ জন ডাক্তারের চেষ্টা কোনো কাজেই লাগলোনা।

Los Angeles, California র সমস্ত ডাক্তার একত্রে চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারলেন না।

জীবনের শেষ ২৫ বছর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একপাও চলতেন না।

যে নিজেকে ১৫০ বছর বাঁচার স্বপ্ন দেখাতেন। তার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।

মাইকেল জ্যাকসনের অন্তিমযাত্রা 2.5 million লোক Live দেখেছিল,যেটা আজ পর্যন্ত সব থেকে বড় Live telecast ছিল। তার মৃত্যু দিন অর্থাৎ 25th June 2009, 3.15pm Wekipedia, Twitter, AOL's Instant messagenger বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। Google's এ 8 lakh লোক একসাথে মাইকেল জ্যাকসন সার্চ করে ছিল। অতিরিক্ত সার্চের জন্য Google traffic জ্যাম হয়ে গিয়েছিল, প্রায় আড়াই ঘণ্টা Google কাজ করেনি।

মৃত্যুকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গিয়ে নিজেই চ্যালেঞ্জের কাছে হেরে গেলেন।

সাজানো পৃথিবীর,সাজানো জীবন স্বাভাবিক মৃত্যুর বদলে সাজানো মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করে।এটাই নিয়ম।


(কিসের অহংকার, কিসের গর্ব,চারদিনের এই জীবনে একদিন শুন্য হাতে, খালি পায়ে পৌছে যাবেন মৃত্যুর কাছে  )

এবার একটু ভাবুন।

১. আমরা কি Builder, Engineer, Designer, Caterer, Decorator's দের জন্য রোজগার করে যাচ্ছি?

২. দামি বাড়ি,গাড়ি, বিলাসবহুল বিয়ে দেখিয়ে কাকে আমরা Impressed করছি?

৩. আপনার নিজের কি মনে আছে দুদিন আগে কারো বিয়েতে কি কি খেয়ে ছিলেন?

৪. জীবনের শুরু সময়ে কেন আমরা পশুর মত খেটে যাচ্ছি?

৫. আগামী কত Generation এর ‌জন্য খাওয়া দাওয়া, লালন পালনের ব্যবস্থা করে যাবো?

৬. আমাদের বেশিরভাগেরই 2টা করে সন্তান,কারো আবার একটা। আমাদের জীবনের প্রয়োজন কতটা আর কতটা পেতে চাই এটা কি ভেবেছেন?

৭. আপনার কি মনে হয় আপনার সন্তানেরা রোজকার করতে পারবনা,তাই তাদের জন্য অতিরিক্ত Savings করা কি এতই দরকার?

৮. আপনি কি সারা সপ্তাহে 1 দিনও নিজের পরিবার, বন্ধু বান্ধব,এমনকি নিজের জন্য খরচ করেন?

৯. আপনার মাসিক আয়ের 5% ও নিজের খুশি ও আনন্দের জন্য ব্যয় করেন?

১০. আমরা অর্থ উপার্জনের সাথেসাথে জীবনের আনন্দ কেন পাচ্ছিনা?


উত্তর হবে না না না!!!!!!!!!

ভাবতে ভাবতে হয়তো আগেই Slipp Disc, কোলস্টেরল, অনিদ্রা আপনার হার্ট ব্লক করে দেবে।

সারমর্ম

নিজের আনন্দের জন্য সময় দিন। আমরা কেউই কোনো সম্পত্তির মালিক নই, কেবল কিছু কাগজপত্রে অস্থায়ীরূপে আমাদের নাম লেখা থাকে।

যখন আমরা বলি "এই জায়গার মালিক আমি"

সৃস্টিকতা' তখন ব্যাঙ্গের হাসি হাসেন।

কারো সুন্দর গাড়ী,বাহারী পোশাক দেখে তার উপর বিচার করবেন না। 

ধনী হওয়া অপরাধ নয়, কেবল শুধুমাত্র অর্থের জন্যই ধনী হওয়া অপরাধ। জীবনকে Control করুন নাহলে জীবন একদিন আপনাকে Control করবে।"

সংগৃহীত -

Saturday, November 11, 2023

যেমন পাত্র তেমন শিক্ষা দেওয়া উচিত

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।" 

সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।। 

শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!

হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।। 

শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌। 

"ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।। 

- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌। 

-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।" 

হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।

শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।। 

হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।। 

ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।। বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।। 

প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।। 

চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!! 

তারা মেনে নিতে পারলো না।। 

-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।" 

ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।। 

প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ  মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।" 

মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।। 

বাচ্চা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"

মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।" 

হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।। 

শিয়াল বলে -- "কি হয়েছে সেটা তো বলো ??" 

হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।" 

শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।

শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না‌।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"

-- "উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।" 

-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।" 

মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*

 প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।

আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।

[সংগৃহীত]


Wednesday, October 18, 2023

সময় ও বিভিন্ন জয়ন্তী সম্পর্কে গণনার একক জেনে নিই


Every 25 years = Silver Jubilee --- রজত জয়ন্তী।
Every 50 years = Golden jubilee --- সুবর্ণজয়ন্তী / স্বর্ণ জয়ন্তী ।
Every 60 years = Diamond Jubilee --- হীরক জয়ন্তী।
Every 75 years = Platinum Jubilee --- প্লাটিনাম জয়ন্তী।
Every 100 years = Centenary jubilee--- শতবার্ষিকী পূর্তি।
Century --- শতাব্দী।
Centennial -- শতবার্ষিকী।
Every 150 years = Sesquicentennial celebration---সার্ধশত বাষির্কী
Every 175 years = Dodransbicentennial / Dodransbicentennial celebration---
বিঃদ্রঃ
Dodrans is a Latin contraction of de-quadrans which means "a whole unit less a quarter" (de means "from"; quadrans means "quarter"). 175 years is a quarter century less than the next whole (bi)century or 175 = (−25 + 200).
Every 200 years = Bicentenary/ Bicentennial celebration--- দ্বিশতবার্ষিকী।
Every 300 years = tercentennial / tercentenary celebration---ত্রিশতবার্ষিকী।
Every 400 years = Quatercentenary / Quatricentennial celebration---চারশত বছর পূর্তি।
Every 500 years = Quincentenary / Quincentennial celebration----পঞ্চশতবার্ষিকী ।
Every 600 years = Sexcentenary / sexcentennial celebration---৬০০ বছর পূর্তি।
Every 700 years = Septcentennial ---৭০০ বছর পূর্তি।
Every 800 years = Octocentenary ---৮০০ বছর পূর্তি।
Every 900 years = Nonacentennial ---৯০০ বছর পূর্তি।
Every 1000 years = Millennial ---১০০০ বছর পূর্তি।
( যদি টাইপিং মিস্টেক হয়, ক্ষমা প্রার্থী)
......To be continued
Wʀɪᴛᴛᴇɴ & Eᴅɪᴛᴇᴅ Bʏ : S M Shamim Ahmed

Sunday, September 24, 2023

__তুর্কীরা তাদের সন্তানদের "সিংহ-বাঘ" এর পরিবর্তে নেকড়ের সাথে তুলনা করে থাকে

কারণঃ-

১]>>>নেকড়েকে আরবিতে "ইবনে আল-বার" বলা হয় যার অর্থ "ভাল ছেলে" কারণ যখন তার বাবা-মা বৃদ্ধ হয়, তখন তারা তাদের জন্য শিকার করে এবং তাদের যত্ন নেয়। 

 ২]>>>নেকড়ে" কখন ও তার স্বাধীনতার সাথে আপোষ করে না এবং কারও দাস হয় না, যখন সিংহ সহ প্রতিটি প্রাণীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বস করা যায়, কিন্তু নেকড়েকে করা যায়না ।

৩]>>>নেকড়ে কখনও মৃত খাবার খায় না এবং পুরুষ নেকড়ে মহিলা নেকড়ের দিকে তাকায় না। তারা এত বিশ্বস্ত যে পুরুষ নেকড়ে তার একমাত্র স্ত্রী নেকড়ে ব্যতিত অন্য কারো সাথে সম্পর্ক করেনা। এবং স্ত্রী নেকড়েও তার অংশীদার নেকড়ের অনুগত থাকে ।

Friday, June 9, 2023

বিখ্যাত মনীষীর উক্তি

 অনেকসময় যে দুর্গ হাজারো সেনা দিয়েও ধ্বংস করা যায় না সেটা মুখ দিয়ে বের হওয়া একটা শব্দ দিয়ে ধ্বসে যায়।" [আর্তগ্রুল]

সিংহ শিকার করে আর ঈগল উপর থেকে অপেক্ষায় থাকে কখন শিকারকে ছোঁ মেরে নিয়ে যাবে। [আর্তগ্রুল]

★  ভেবেচিন্তে কথা বলো যখন তুমি সবার সামনে থাকো ,

      নিজেকে যাচাই করো যখন তুমি একা থাকো। [আর্তগ্রুল]

সাহসী মৃত্যুর চেয়ে সাহসিকতা নিয়ে বেঁচে থাকাটা খুব কঠিন।[আর্তগ্রুল] 

আনাড়ি গাধা তাবুতে পৌছার আগেই পিঠ থেকে তার বোঝা ফেলে দেয়। [সেলজান হাতুন]

★  মৌমাছির মুখে যেমন মধু থাকে তেমনি তার পিছনে হুলও থাকে। [সেলজান হাতুন] 

★  কথা রুপার মতো আর চুপ থাকাটা স্বর্ণের মতো মূল্যবান। [আর্তগ্রুল] 

★  যুদ্ধ কেবল তাদের দ্বারা জয়ী হয় না যারা শত্রুর বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করে।[আর্তগ্রুল] 

★  বলা হয় যে, যে হাতে একবার কলম ওঠে তাতে আর তলোয়ার ওঠে না। 

★  যখন নেকড়ে বুড়ো হয়ে যায় তখন সে তার নিজের সন্তানের খোরাক হয়। [হাইমে আনা] 

★  ঢাল ভাগ্যের তীরকে ঠেকাতে পারে না। [আর্তগ্রুল] 

★ "একটি দলে শিয়ালের সংখ্যা যতই হোক না কেন,

     তা কখনো নেকড়েদের ভয় দেখাতে পারে না"  [উসমান গাজী-১৯০]

 যে নেকড়ে চল্লিশটি কুকুরের ঘেউ ঘেউয়ে ভয় পায়,সে নেকড়ে নয়। [বারবারুসা] 

 একজন বুদ্ধিমান সুলতান তিনি যিনি নিজে আলেমের কাছে যান,

     আর একজন বোকা আলেম তিনি যিনি সুলতানের কাছে ছুটে যান। [ সুলতান মালেক শাহ]

 বুদ্ধি এবং সাহসিকতা যদি দেখাতে পার,তবে বিজয় তোমারই থাকবে। [আল্প আরসালান] 

 দুটি জিনিস আমাদের ধ্বংস করতে পারে,

      এক, শত্রুর কাছ থেকে যে করুণা আসে,

      দুই, বিশ্বাসঘাতকতা যা বন্ধুর কাছ থেকে আসে। [আল্প আরসালান] 

 খাবারকে বিষে পরিণত করতে এবং বিষকে মধুতে পরিণত করতে পারে শক্তিশালী শব্দ। [বারবারুসা] 

যারা মহাকাশে পৌছাতে পারে না, তারা বিশ্বও শাসন করতে পারে না। [সুলতান মালেক শাহ]

শ্রদ্ধা মেধা থেকে আসে,বয়স থেকে নয়।   [আহমেদ সেঞ্জার]

যারা কাজ করে না,তারা শয়তানের ভাই।

    আর যাদের প্রচেষ্টা আছে, আশা তাদের মাঝেই নিহিত।        [শায়খ এদেবালি]

মতবিরোধ স্বল্পস্থায়ী বিষয়, ভ্রাতৃত্বই হলো চিরস্থায়ী।        [গুন্দুজ বে]

 জালিমরা যদি লাগাতার জুলুম করে যাই, এর অর্থ তাদের পরিণতি ঘনিয়ে আসছে। [উসমান] 

 যদি সে তরবারী খাপমুক্ত করে ,ভয় পেয়ো না।

     কিন্তু যখন সে কথা বলবে ,তখন ভীত হবে। [নিকুলা,উসমান প্রসঙ্গে] 

বুদ্ধি মানুষের অন্তরকে সত্যের দিকে নির্দেশনা দেয়, সেই বুদ্ধি ও মনের সিদ্ধান্তকে বিচক্ষণতা বলে।

[সুলতান মালেক শাহ]

নির্লজ্জ লোকের কথায় কাজ করা উচিত নয়।[সেঞ্জার]

পরাজয় নিশ্চিত জেনেও যুদ্ধে যাওয়াটা সাহসিকতা নয়,নির্বুদ্ধিতা। [বারবারোজ ]

সমস্যা মুখোমুখি হলে অপেক্ষার পথ বেঁচে নাও।   [ওরহান গাজী]

তুর্কিদের/মুসলমানদের হত্যা করেও থামাতে পারবে না।

তাদের নেতৃত্বে তোমার পা-ছাটা কোন লোককে বসিয়ে দাও,তবে তুমি সফল হবে। [উসমান গাজী]

আমরা আমাদের পূর্বসূরীদের কর্মফল ভোগ করছি,আর আমাদের উত্তরসূরীরা আমাদের কর্মফল ভোগ করবে।        [নিজামুল মুলক]

আমি নেতা হয়েছি শুধু আমার সাহসিকতার জন্য নয়,বরং সকল কাজে বুদ্ধি ও সাহসিকতাকে লাগিয়েছি বলে।  [বারবারুসা]

 তাদবীর আমাদের হাতে,আর তাকদীর আল্লাহর হাতে। [কুমার আবদাল] 

 এমনকি যদি কোন মানুষের স্বর্ণের তৈরি পাহাড়ও থাকে , তবুও সে তার ভাগ্যের যা আছে তার চেয়ে বেশি ব্যয় করতে পারবে না"- [আহমেদ সেঞ্জার] 


  একজন নারী যদি জানতো- পুরুষেরা তার দিকে কীভাবে তাকায় - তবে সে কাপড় দিয়ে নয় লোহা দিয়ে নিজের পোশাক তৈরী করতো...!!    -হযরত আলী (রা)

অসৎ লোকের ধন দৌলত পৃথীবিতে সৃষ্ট জীবের বিপদ আপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
—- হযরত আলী (রঃ)

তুমি জান্নাত চেয়ো না বরং তুমি দুনিয়াতে এমন কাজ করো যেন জান্নাত তোমাকে চায়....
হযরত আলী (রাঃ)

বিকাশের ক্ষেত্র না পেলে প্রতিভা ও শক্তি ক্রমশ ম্লান হয়ে বিনষ্ট হয়- শেখ সাদী

 Supervision is the touchstone of success.

 The eyes are useless when the mind is blind.

 একদিন সোনা লোহা কে  বললোআমাদের দু'জনেকেই  লোহার হাতুড়ি মারা হয়, কিন্তু তুমি এতো চেঁচামেচি করো কেনো?? লোহা তখন বললোনিজেকে যখন নিজের কেউ আঘাত করে! তখন  ব্যাথা অসহ্য লাগে😭

গ্রামীণ প্রবাদ-প্রবচন,

"টডি নডি ছ আনা
গায়ের জোরে ন আনা
বুদ্ধিয়ে হাজার
কপালে অপার।"

 প্রিয়তমা ওগো, যখনই রাখি ঠোঁট তোমার ঠোঁটে,

লুকায়িত অস্ত্র আমার সহসা কাঁপিয়া উঠে।। [ সংগৃহীত ]


★ If you know yourself and your enemy then you need not fear the results of a thousand battles.
 [Sun zhu,The Art of War]

Recent Post

ভাব-সম্প্রসারণ

৯।   বার্ধক্য তাহাই   -   যাহা পুরাতনকে   , মিথ্যাকে ,   মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে ।   ১০। বিদ্যার সঙ্গে জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্প...

Most Popular Post