Ad-1

Wednesday, February 19, 2025

হজম শক্তি বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়:



১) প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয় এবং পাকস্থলীর এসিড ব্যালান্স ঠিক থাকে।

২) খাবারের সঙ্গে আদা, জিরা, গোলমরিচ ও ধনে ব্যবহার করলে পাচনতন্ত্রের এনজাইম উৎপাদন বাড়ে এবং হজমশক্তি উন্নত হয়।

৩) প্রতিদিন কমপক্ষে দুই লিটার পরিমাণ পানি পান করলে অন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

৪) খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং গ্যাসের সমস্যা কমে।

৫) টক দই বা ফারমেন্টেড খাবার খেলে অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়, যা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৬) খাবারের পরপরই শুয়ে না পড়ে ১০-১৫ মিনিট স্বাভাবিকভাবে হাঁটলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কমে।

৭) প্রতিদিন কিছু সময় ইয়োগা বা স্ট্রেচিং করলে অন্ত্রের সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।

৮) পেঁপে, আনারস ও কলার মতো এনজাইম সমৃদ্ধ ফল খেলে হজমের গতি বৃদ্ধি পায় এবং পেট ফাঁপা কমে।

৯) অতিরিক্ত চা, কফি, কোল্ড ড্রিংক্স গ্রহণ কমালে পাকস্থলীর প্রদাহ কমে এবং হজমশক্তি স্বাভাবিক থাকে।

১০) প্রসেসড ও প্যাকেটের খাবার এড়িয়ে চলুন।

১১) বেশি রাত করে খাওয়া এড়িয়ে চলুন এবং রাতের খাবার হালকা রাখুন, এতে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে।

১২) মানসিক চাপ কমালে হজমশক্তি উন্নত হয়, কারণ অতিরিক্ত মানসিক চাপ হজমের এনজাইম ক্ষরণ কমিয়ে দেয় এবং গ্যাস, অ্যাসিডিটি বাড়ায়।

১৩) ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, যেমন শাকসবজি, ফলমূল ও গোটা শস্য বেশি পরিমাণে খেলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

১৪) নিয়মিত ঘুমের সময় ঠিক রাখুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিন, কারণ ঘুমের অভাব হজমশক্তি দুর্বল করে দেয়।

১৫) প্রতিদিন এক চিমটি মৌরি চিবিয়ে খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং বদহজমের সমস্যা কমে।

১৬) সপ্তাহে অন্তত দুই-তিন দিন গরম ভেষজ চা, যেমন আদা-লেবু চা বা পুদিনা চা পান করলে হজমশক্তি ভালো থাকে।

১৭) অতিরিক্ত তেল-মশলা এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বাড়ায়।

১৮) নিয়মিত শরীরচর্চা, বিশেষ করে হাঁটা ও হালকা ব্যায়াম করলে অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত হয় এবং হজমশক্তি স্বাভাবিক থাকে।

Friday, February 14, 2025

প্রাথমিক_চিকিৎসার_জন্য_ঘরে_রাখতে_পারেন



এই ১০ টি ঔষধ আপনারা সবাই  বাসায় রাখবেন-

১.Sergel 20mg. গ্রস্টিকের সমস্যা হলে খালি পেটে খাবেন।

২.viset 50mgবা Algin50mg যে কোন পেট ব্যথ্যা বা মহিলাদের পিরিয়ডের সময় ব্যথ্যা হলে খাবেন।

৩.Napa Extra বা Napa Extrend জ্বর বা ব্যথ্যা হলে খাবেন।

৪.Ecosprin 75mg.বুকে চাপ চাপ ব্যথ্যা হলে খাবেন।

৫.Flazyl400mg বা Filmet400mg.পাতলা পায়খানা হলে খাবেন।

৬.Tufnil 200mgপ্রচন্ড মাথা ব্যথ্যা হলে খাবে।

৭.Rolac10mg বা Tory 90mg দাঁত ব্যথ্যা হলে খাবেন।

৮.Rupa10 mgবা Fexo 120 mg স্বদি ঠান্ডা, কাশি বা এলার্জি হলে খাবেন।

৯. Emistat 8mg বমি হলে খাবেন।

১০. Tenoloc 50mgবা Amdocal 5mg হঠাৎ প্রেশার বেড়ে গেলে খাবেন।

প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে ঔষধ গুলো হাতের কাছে রেখে দিবেন,(প্রয়োজনে ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হবেন।)

Collected

Thursday, February 13, 2025

গাজরের উপকারিতা


মাঝে মধ্যেই পেট কামড়ে ধরে, পেটের ব্যাথায় থাকা দায় হয়ে পড়ে। এগুলির কারণ হতে পারে কৃমি (Worm)। বর্তমানে কৃমির সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। মূলত, রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে গেলে অনেক সময় কৃমির সমস্যা বেড়ে আমাদের শরীরে নানান সমস্যা দেখা দেয়। তবে পেট ব্যথা ও মাথা যন্ত্রণাই (Stomach ache and headache) নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য বেশ কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছে, কৃমি বাসা বাঁধলে অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়ার মত সমস্যাগুলি দেখা যায়। পাশাপাশি রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সিও এর মধ্যে রয়েছে। কাজেই সুস্থ থাকতে তড়িঘড়ি শরীর থেকে কৃমি বের করে দেওয়াই উচিত। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে? জানেন কি, সাধারণ ঘরোয়া খাবারেই (Home remedies to get rid of worms) এদের তাড়ানো সম্ভব! ভাবছেন কীভাবে? দেখুন-

গাজর: কৃমির সমস্যা দূর করতে রোজ সকালে খালি পেটে খাওয়া শুরু করুন গাজর। গাজরে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বিটা ক্যারোটিন এবং জিঙ্ক কৃমি আটকাতে সাহায্য করে। এটি আপনার সমস্যা রুখতে সাহায্য করবে। .

 নিমপাতা: কৃমির জন্য তেতো খেতে বলেন বয়স্ক মানুষরা। এজন্য আপনাকে কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরের দিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে সেই জল খেয়ে নিন। তবে যে পাত্রে পাতাবাটা রাখবেন, তাতে যেন হাওয়া-বাতাস না ঢুকতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখুন।

লবঙ্গ: লবঙ্গের থাকা অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কৃমির ডিম মেরে দিতে সহায়ক। কৃমির হাত থেকে বাঁচতে প্রতিদিন ১-২টি লবঙ্গ খান। এছাড়া এক কাপ গরম জলে এক চা চামচ লবঙ্গের গুঁড়ো মিশিয়ে ১০-২০ মিনিট জ্বাল দিন। তার পরে সেই জল পান করুন। .

 কুমড়োর বীজ: কৃমি দূর করতে মিষ্টি কুমড়োর বীজও উপকারী। এজন্য কয়েকটি কুমড়োর বীজ হালকা করে ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এবার সম পরিমাণ জল ও নারকেলের দুধের মিশ্রণের মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এই জল পান করুন।

Friday, February 7, 2025

ছোলার উপকারিতা



১.যৌনশক্তি বাড়াতে: যৌনশক্তি বাড়াতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গরুত্বপূর্ণ। রাতে ছোলা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে প্রতিদিন খেলে যৌনশক্তি বাড়বে।শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

২.ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

৩.হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৪.রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্টভাল রাখতেও সাহায্য করে।

৫.রক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

৬.ক্যান্সার রোধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়।আর তা্ই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্হ থাকুন।

৭.ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল।  

৮.অস্থির ভাব দূর করে ছোলা : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

৯.জ্বালাপোড়া দূর করে ছোলা : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

১০.ব্যথা দূর করে ছোলা : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী।  

*ছোলার আরও কিছু উপকারিতা নিচে দেয়া হলো-

যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ছোলা, টক দই, সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকের ডায়েটেশিয়ানরা। কেননা ছোলার আঁশ শরীরে ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে আমাদের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল সবই খেতে হয়। যার মধ্যে প্রাণিজ প্রোটিন ফার্স্ট ক্লাস আর সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন হিসেবে আমরা ডাল ও বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা বাদ দেয়া যাবে না। সেই জন্য মাছ, মাংস কমিয়ে প্রোটিনের সেই চাহিদা যদি ছোলা থেকে পূরণ করা যায় তবে সহসাই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারবেন।

ছোলা আমাদের দেশে সাধারণত দুভাবে খাওয়া হয়। একটি হচ্ছে আস্ত ছোলা, যেটাকে আমরা অনেক সময় ভেজে খাই বা সিদ্ধ করে খাই। আরেকটি হচ্ছে ছোলার ছাতু। আমাদের গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় ছোলাকে গুঁড়ো করে এই ছাতু ব্যবহার করা হয়। যাঁদের ওজন বাড়ানো প্রয়োজন হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এবং বাচ্চাদের খাবারে এই ছোলার ছাতু ব্যবহার হয়ে থাকে।

ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। ছোলায় আমিষের পরিমাণ মাংস বা মাছের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্য তালিকায় ছোলা থাকলে মাছ-মাংস পরিমাণে কম থাকলেও চলে। আমাদের দেশের মত উন্নয়নশীল দেশে ছোলাকে মাছ বা মাংসের বিকল্প হিসাবেও ভাবা যেতে পারে। ছোলার ডাল, তরকারিতে ছোলা, সেদ্ধ ছোলা ভাজি, ছোলার বেসন, ছোলা ভুনা— নানান উপায়ে ছোলা খাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। খাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়িই হজম হয়ে গ্লুকোজ হয়ে রক্তে চলে যায় না; বেশ সময় নেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়াও আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ সবই শরীরের জন্য কাজে লাগে। ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠ কাঠিন্যে উপকারী। খাবারের আঁশ হজম হয় না। একইভাবে খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই মলের পরিমাণ বাড়ে এবং মল নরম থাকে। 

এতে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়। মলত্যাগ করা সহজ হয়। নিয়মিত মলত্যাগ হয়ে যায় বলে ক্ষতিকর জীবাণু খাদ্যনালীতে থাকতে পারে না। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে। খাদ্যের আঁশ রক্তের চর্বি কমাতেও সহায়ক। 

আরও নানান শারীরিক উপকারিতা আছে খাদ্য-আঁশে। দেরীতে হজম হয়, এরূপ একটি খাবার হচ্ছে ছোলা। ছোলা দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরে শক্তি যোগান দিতে সক্ষম। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলা থেকে প্রায় ৩৬০ ক্যালরিরও বেশি শক্তি পাওয়া যায়। ছোলা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

*ছোলার অপকারিতা:

কাঁচা ছোলার উপকারিতা সবারই জানা। তবে যে কোনো কিছুই হোক, নিয়ম করে খাওয়াটা জরুরি। না হয় হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কাঁচা ছোলারও অপকারিতা রয়েছে। কাঁচা ছোলার অপকারিতা ও কিভাবে এটি খাওয়া উচিত তা নিচে দেয়া হলো-

১. কাঁচা ছোলা ভেজে খেতে আমরা সবাই খুব পছন্দ করি। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক নয়। অনেকেরই ওজন বৃদ্ধি পায়, মোটা হয়ে যায় বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা কাঁচা ছোলা খেতে পারেন। কিন্তু কোনোভাবেই কাঁচা ছোলা ভেজে খাবেন না।

২. যাদের বমির সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য কাঁচা ছোলা খাবেন না।

৩. তেল, মসলা দিয়ে তৈরি করা ছোলা খেতেও অনেকেই পছন্দ করে থাকি। যাকে চানা মসলাও বলা হয়ে থাকে। যাদের ওজন বেশি তারা এ ধরনের ছোলা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ অতিরিক্ত তেল মসলা তাদের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

৪. যাদের হজম শক্তি কম থাকে, তারা কাঁচা ছোলা সহজে হজম করতে পারে না। এছাড়াও যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে। যাদের রক্তের ডায়ালসিস চলছে, যাদের শরীরে কিটেনিন ও ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেশি রয়েছে তারা যেকোনো রকমের ছোলা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. কাঁচা ছোলা রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলা এ কাঁচা ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার করে পেঁয়াজের সঙ্গে চিবিয়ে খেতে হবে। যারা প্রথম অবস্থায় কাঁচা ছোলা খাওয়া শুরু করতে চান তারা ভেজানো ছোলা কিছু সময় সেদ্ধ করেও খেতে পারেন। এ ছোলা বাড়িতে ডালের মতো রান্না করেও খেতে পারেন।

Wednesday, February 5, 2025

শব্দের শেষে S যোগে কী কী অর্থ হতে পারে

Time = সময়,     Times = বারবার,

 Food = খাদ্য,     Foods = খাবারের তালিকা,

 Wood = কাঠ,৷    Woods = বন, 

Good = ভালো,    Goods = পণ্য,

Water = পানি,৷     Waters = জলাশয়, 

Manner = পদ্ধতি,  Manners =আচার-আচরণ, 

Custom = প্রথা,   Customs = শুল্ক, 

Colour = রং,        Colours = পতাকা, 

Iron = লোহা,         Irons = লোহার শিকল, 

Sand = বালু,         Sands = মরুভূমি,

 Arm = বাহু,         Arms = অস্ত্র, 

Corn = ভুট্টা,        Corns = পায়ের শিকল, 

Beside = পাশে,    Besides = তাছাড়া,

Time = সময়,     Times = বারবার,

 Food = খাদ্য,     Foods = খাবারের তালিকা,

 Wood = কাঠ,৷    Woods = বন, 

Good = ভালো,    Goods = পণ্য,

Water = পানি,৷     Waters = জলাশয়, 

Manner = পদ্ধতি,  Manners =আচার-আচরণ, 

Custom = প্রথা,   Customs = শুল্ক, 

Colour = রং,        Colours = পতাকা, 

Iron = লোহা,         Irons = লোহার শিকল, 

Sand = বালু,         Sands = মরুভূমি,

 Arm = বাহু,         Arms = অস্ত্র, 

Corn = ভুট্টা,        Corns = পায়ের শিকল, 

Beside = পাশে,    Besides = তাছাড়া,

Collected... 

Recent Post

হজম শক্তি বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়:

১) প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয় এবং পাকস্থলীর এসিড ব্যালান্স ঠিক থাকে। ২) খাবারের সঙ্গে আদা, জিরা, গোলমরিচ...

Most Popular Post