Ad-1
Monday, June 10, 2019
রিট কি?কত প্রকার ও কি কি?
কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে আমাদের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনাকে কার্যকর করতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগের এই এখতিয়ার কে রিট জারীর এখতিয়ার বলে। অর্থাৎ রিট শুধু মাত্র হাইকোর্ট বিভাগ জারী করতে পারে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৩ এ উল্লেখিত মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত অধিকারবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য রিট পিটিশন দায়ের করা যায় এবং হাইকোর্ট বিভাগ ১০২ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য কতিপয় আদেশ নির্দেশ জারী করতে পারে, যাকে রিট বলে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৩ এ আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও জীবনের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, চলাফেরার অধিকার, সমাবেশের অধিকার, সংগঠনের অধিকার, চিস্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার, গ্রেফতার বা আটক সর্ম্পকে রক্ষাকবচ ইত্যাদি অধিকারগুলোকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু রাষ্ট্রই মৌলিক অধিকার লংঘন করতে পারে তাই শুধুমাত্র রাষ্ট্র কিংবা রাষ্টীয় কোনো সংস্থায় কর্মরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে রিট করা যায়।
হাইকোর্ট এই রিট বিষয়ে অবারিত ক্ষমতা ব্যাবহার করতে পারে অর্থাৎ বিষয় বিবেচনা করে যেকোনো আদেশ দিতে পারে কোনো কিছুই আদালতকে বারিত করে না ।
এক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা হলো বেসরকারি কোনো সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারির বিরুদ্ধে রিট করা যায় না অর্থাৎ প্রাইভেট সংস্থা যদি মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করে তাহলে তা হবে অপরাধ, তখন রিট মামলা করা যায় না। মামলা করতে হবে দেওয়ানী আদালতে।
পাঁচ ধরনের রিট আছে:
১। বন্দী প্রদর্শন রিট:
কোনো ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কেউ আটক করলে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা জানার জন্য বন্দীকে আদালতে হাজির করার যে নির্দেশ দেওয়া হয় তাই বন্দী প্রদর্শন রিট।
২। পরমাদেশ বা হুকুমজারি রিট:
কোনো অধ:স্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে কিংবা ব্যর্থ হয় তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত আইনগত দায়িত্ব পালন করতে উক্ত আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে বাধ্য করে তাকে হুকুমজারী রিট বা পরমাদেশ বলে।
৩। নিষেধাজ্ঞামূলক রিট:
কোনো অধস্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কোনো কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা ব্যক্তি তার এখতিয়ার বর্হিভূত কাজ করতে উদ্দ্যত হয়েছে কিংবা ন্যায় নীতি ভঙ্গ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে ঐ কাজ করা থেকে বিরত রাখেন তাকে নিষেধাজ্ঞামূলক রিট বলে। নিষেধাজ্ঞামূলক রিটকে বিচার বিভাগীয় রিটও বলা হয়।
৪। উৎপ্রেষণ রিট:
দুটি উদ্দেশ্যে উচ্চতর আদালত উৎপ্রেষণ রিট জারী করতে পারে- ক) অধ:স্তন কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক কৃত ক্ষমতা বহির্ভূত কাজকে বাতিল বা নাকচ করে দেয়া। খ) অধ:স্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা শুনানীর জন্য উচ্চতর আদালত নিজেই গ্রহণ করে এ রিট জারী করতে পারে।
৫। কারণ দর্শাও রিট:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো সরকারি পদ দাবী করে, যে পদের যোগ্যতা তার নাই অথবা অবৈধভাবে যদি কোনো সরকারি পদ দখল করে বসে থাকে, তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে তার পদ দখলের বা দাবীর কারণ দর্শাও নির্দেশ দিয়ে থাকে তাকে কারণ দর্শাও রীট বলে।
Friday, May 31, 2019
নবজাতকের কিছু সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
নবজাতক ও শিশুদের মায়েরা প্রায়ই কিছু সমস্যা নিয়ে আসেন, যার একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে আশ্বস্ত করা। এই সমস্যাগুলো খুবই সাধারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওষুধ লাগে না, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভুল কিংবা অতিচিকিৎসার সম্মুখীন হতে হয়। মায়েদের সচেতনতার জন্য এমন কিছু আপাত ‘নিরীহ’ সমস্যার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
১। নবজাতকের চামড়ায় লাল ছোপ : থমা টক্সিকাম। এই লাল ছোপ দাগ দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় দিন বয়সে দেখা যায়, প্রথম সপ্তাহের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যায়। কোন ওষুধের প্রয়োজন নেই। এছাড়া লালের মাঝে সাদা সাদা দানা, ঠোঁটে, আঙুলে, হাতে পানি দানা উঠতে পারে। এগুলোও কোন ওষুধ ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।
২। দুধ বমি : দুধ খাওয়ার সময় বাতাস খেয়ে ফেলা, কাশি দেয়া, অতিরিক্ত কান্না এসবের জন্য নবজাতক শিশু দুধ বমি করতে পারে। এই বাচ্চাদের খাদ্যনালী এবং পাকস্থলীর সংযোগস্থল বড়দের চেয়ে আলগা হয়ে থাকে। শিশুর ওজন বৃদ্ধি এবং বিকাশ সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চললে চিন্তার কিছু নেই। ছয় মাস থেকে দুই বছরের মধ্যে এই সমস্যা ওষুধ ছাড়াই সেরে যায়।
৩। পায়খানার তারতম্য : নবজাতক যদি শুধুমাত্র বুকের দুধ খায়, ওজন বৃদ্ধি এবং বিকাশ সঠিক থাকে তাহলে মলত্যাগের ধরণ নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ বাচ্চা এমনকি দিনে কুড়ি পঁচিশবার পায়খানা করতে পারে, আবার চার পাঁচদিনে একবার করেও মলত্যাগ করতে পারে। দুটিই স্বাভাবিক বলে ধরা যায়।
৪। নাভির হার্নিয়া : অনেক শিশুর নাভির হার্নিয়া যদিও ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, কিন্তু এক বছরের মধ্যে বিনা ওষুধে মিলে যায়।
৫। গলায় আওয়াজ, বুক ঘরঘর করা : ‘ল্যারিন্গোম্যালাশিয়া’ সমস্যা হলে জন্মগতভাবে শিশুর গলার স্বরনালী নরম থাকে, নিঃশ্বাস নেয়ার সময় সরু হয়ে যায়, ঘরঘর শব্দ হয়। মা এসে বলে, বাচ্চা নাক ডাকে, কিংবা সারাক্ষণ ঠা-া (ঘরঘরকে বুকে কফ জমে থাকা ভেবে) লেগে থাকে। এই মায়েদের নিশ্চিন্ত করে বলা যায়, বারো থেকে আঠারো মাসের মধ্যে এই সমস্যা মিশে যাবে। কোন ওষুধের প্রয়োজন নেই।
৬। কান্না আর ঘুম নিয়ে উদ্বেগ : কান্না শিশুদের একমাত্র ভাষা। অনেক কারণেই এই নবজাতক শিশু কান্না করতে পারে। ক্ষুধা, বিরক্তি, ঘুম, পেশাব পায়খানা, অবস্থার পরিবর্তন, মায়ের সঙ্গলাভ অনেক কারণেই সম্পূর্ণ সুস্থ বাচ্চা অতিরিক্ত কান্না করতে পারে। এছাড়া অনেক মা বলে থাকেন বাচ্চা পেট মোচড় দিয়ে কান্না করে। এক্ষেত্রে বাচ্চাকে কাঁধে নিয়ে ঢেঁকুর তোলানো যেতে পারে। ওষুধের (যেমন- সিমিথিকন, গ্রাইপ ওয়াটার, ফেনোবারবিটন) কিংবা কৌটার দুধের কোন ভূমিকা নেই। চব্বিশ ঘণ্টায় কমপক্ষে পাঁচ ছয়বার পেশাব করলে পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে ধরে নেয়া যায়। ঘুমের ব্যাপারে বলা যায়, জন্মের পরপর নবজাতক শিশু দিনে আঠারো কুড়ি ঘণ্টা ঘুমাতে পারে, যা বয়স বাড়ার সাথে কমতে থাকে। আবার হালকা ঘুমের স্বাভাবিক বাচ্চাও প্রচুর পাওয়া যায়।
৭। মেয়ে নবজাতকের যোনি পথ দিয়ে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক কারণে রক্ত যেতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই।
৮। অপরিপক্ব মস্তিষ্কের জন্য অনেক শিশুর পা কাঁপতে থাকে, যা ধরলে থেমে যায়। কোন ওষুধ লাগে না।
৯। জন্মের দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় দিনের মধ্যে একধরনের জন্ডিস হয়, যা খুব বেশি মাত্রায় বাড়ে না, ধীরে ধীরে কমে যায়। বাচ্চা অন্য সবদিক দিয়ে ভালো থাকলে কিছুই করা লাগে না। বলে রাখা ভালো, নবজাতকের জন্ডিস কমাতে রোদের কোন ভূমিকা কোন গবেষণায় পাওয়া যায়নি।
১০। শিশু হাম : ছয় থেকে চব্বিশ মাসের বাচ্চাদের হালকা ভাইরাল জ্বরের তৃতীয় দিনের মাথায় শরীরে লাল দানা দেখা যায়, আবার খুব দ্রুত মিশে যায়। আমরা এগুলোকে বলে থাকি জঙঝঊঙখঅ ওঘঋঅঘঞটগ কিংবা ইঅইণ গঊঅঝখঊঝ। এক্ষেত্রেও কোন ওষুধের প্রয়োজন নেই।
আসলে মা’কে আশ্বস্ত করলেই অধিকাংশ নবজাতক ও শিশুর সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। শিশু চিকিৎসক আরেকটি ব্যাপার দেখবেন, এই লক্ষণগুলোর সাথে অন্য কোন গুরুতর সমস্যা লুকিয়ে আছে কিনা। যেমন-নাভির হার্নিয়ার সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য, কান্নার শব্দে অস্বাভাবিকত্ব থাকলে অন্য আরেকটি ভয়ানক অসুস্থতার লক্ষণ নির্দেশ করতে পারে। আশা করতে পারি, যে সমস্যায় কোন ওষুধ লাগে না, সে সমস্যাতেই শিশু যেন অতিরিক্ত, অপ্রয়োজনীয় ওষুধে অসুস্থ হয়ে না পড়ে।
ডাঃ আহাদ আদনান,
সহকারি রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ।
আইসিএমএইচ, মাতুয়াইল, ঢাকা।
সংগৃহীত : দৈনিক ইনকিলাব।
পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ:
পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ ও বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ:
১. রেজিস্ট্রেশন
অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগে ১০ বছরের অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে ছয় মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হয়। শিক্ষানবিশকালে আইন বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন, মামলার ফাইল প্রস্তুত, মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক আইন, নজির ও প্রয়োগ, মামলা পরিচালনা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। শিক্ষানবিশকে তাঁর সিনিয়রের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চুক্তি করতে হয়। চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করে সংযুক্তি হিসেবে চুক্তিপত্রটি কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়। বার কাউন্সিলের অনুকূলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ জমা দিতে হবে ৮০০ টাকা।
২. তালিকাভুক্তির আবেদন
শিক্ষানবিশ চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস পূর্ণ হলে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদন ফরমের জন্য জমা দিতে হবে ৩৫০ টাকা। ফরমটি পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে লাগবে ছয় মাস শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হয়েছে এই মর্মে সিনিয়রের দেওয়া সনদ, শিক্ষানবিশকালে সিনিয়র পরিচালিত পাঁচটি দেওয়ানি ও পাঁচটি ফৌজদারি মামলার তালিকা, দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া চারিত্রিক প্রশংসাপত্র, সিনিয়র সত্যায়িত সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্রের ফটোকপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি, ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কাগজপত্র ও তাতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পাদিত হলফনামা। এনরোলমেন্ট ফি বাবদ গুনতে হবে দুই হাজার ৪০০ টাকা।
৩. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর বার কাউন্সিল থেকে দেওয়া হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের, প্রশ্নও থাকবে ১০০টি। পাস নম্বর ৫০। সিভিল প্রোসিডিউর কোড থেকে ২০টি, স্পেসিফিক রিলিফ অ্যাক্ট থেকে ১০টি, ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর থেকে ২০টি, পেনাল কোড থেকে ২০টি, এভিডেন্স অ্যাক্ট থেকে ১৫টি, লিমিটেশন অ্যাক্ট থেকে ১০টি এবং পেশাগত নীতি, বার কাউন্সিল অর্ডার ও নিয়মাবলি, লিগ্যাল ডিসিশন ও রিপোর্ট থেকে পাঁচটি প্রশ্ন থাকবে।
৪. লিখিত পরীক্ষা
প্রিলিমিনারি পাসের পর অংশ নিতে হবে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায়। চার ঘণ্টার এ পরীক্ষায় দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন থেকে তিনটি প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে দুটি। ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন এবং তামাদি আইন থেকে দুটি করে প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে একটি করে। ১৫ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে প্রতিটি প্রশ্নে। বাকি ১০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে বার কাউন্সিল আদেশের ওপর। প্রশ্ন থাকবে দুটি, উত্তর দিতে হবে একটির।
৫. মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাকা হবে মৌখিক পরীক্ষায়। দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন, তামাদি আইন, বার কাউন্সিল আদেশ আইনের ওপর প্রশ্ন করা হবে ৫০ নম্বরের। পাস নম্বর ২৫। মৌখিক পরীক্ষার সময় উল্লিখিত ১০ মামলার বিষয়ে কেস ডায়েরি দাখিল করতে হবে। তবে ব্যারিস্টারদের কেস ডায়েরি দাখিলের প্রয়োজন পড়ে না। এসব ধাপ সাফল্যের সঙ্গে অতিক্রম করলে আপনি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন।
#বার কাউন্সিলের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড করার নিয়ম:
বার কাউন্সিল এর অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ফরম ফিলাপের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে ভোগেন। আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ ও বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত নিয়মগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো-
প্রথমবার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (১০০০ টাকার) এবং একটা নীল (৩৭০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Enrollment Form (Application for enrollment as Advocate, Form A) নিয়ে এবং সাথে আপনার S.S.C, H.S.C এবং Law এর সার্টিফিকেট এবং মার্কসিট (এক কপি করে), তারপর ৪ কপি ছবি (Passport size) এবং একটা এফিডেবিট (এফিডেবিট আপনে চাইলে বার কাউন্সিল অফিস থেকে ও নিতে পারবেন এবং মনে রাখবেন এফিডেবিট নোটারি করতে হয়) নিয়ে আপনার সিনিয়রের কাছে যাবেন এইগুলো সত্যায়িত এবং Enrollment Form এ সিগনেচার করার জন্য (Enrollment Form আগে ফটোকপি করে তার উপর ড্রাফট করবেন যাতে মূল ফরমে ভুল না হয়) । তারপর ভালো ভাবে ফিলাপ করে এক কপি ফটোকপি করে নিবেন। তারপর ফরমের ২ টা কপি ( ১ টা মেইনকপি এবং আরেকটা ফটোকপি) নিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ যাবেন সেইখানে অফিস মেইনকপি রেখে দিবে এবং ফটোকপিতে সিল মেরে আপনাকে দিয়ে দিবে।
দ্বিতীয়বার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (৫০০ টাকার) এবং একটা নীল (১৫০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে বাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Re-Appear Form নিয়ে ফিলাপ করে এবং সাথে গতবারের এডমিট কার্ড এর ফটোকপি এবং সত্যায়িত (নিজের সিনিয়র দ্বারা) ৩ কপি ছবি দিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ জমা দিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড যারা পাননি তাদের করনিয়ঃ
রেজিস্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সিরিয়াল বেশ লম্বা। সকাল সকাল গেলে অল্প সময় কাজ সেরে নেওয়া সম্ভব হবে।
পাবলিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন এবং ইনটিমিশন জমা যাদের ৬ মাসের বেশি তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া শুরু করেছে বার কাউন্সিল। তবে কিছু ক্ষেত্রে কার্ড না দিয়ে পরবর্তীতে উনাকে কবে দিবে সেই ডেট দিয়ে দিচ্ছে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন তাদের মধ্য থেকে যারা ইনটিমিশন ১৬ বা ১৭ সালে প্রথম দিকে জমা দিয়েছেন তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড রেডি হয়ে আছে বিধায় দিয়ে দিচ্ছে, তবে ১৭ সালের শেষের দিকে বা ১৮ সালে যারা জমা দিয়েছেন তাদের কার্ড বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী নোটিশ দিয়ে আলাদা আলাদা ডেট দিয়ে তাদেরকে একসাথে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া হবে। এসব নিয়ে বার কাউন্সিল সাধারণত আলাদাভাবে নোটিশ দিয়ে থাকে। আপনারা নোটিশ অথবা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে রাখবেন।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড না পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ করণীয় ও সতর্কতা [প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য]
এরকম অনেক পরিচিত শিক্ষানবিশ আছেন, যারা কিনা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে প্রায় দেড় বছর হতে চললো ইন্টিমেশন জমা দিয়েছেন। কিন্তু তারা এখনো রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাননি। তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে একটি ছোট্ট কিন্তু আছে! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনারা একবার অবশ্যই নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করবেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ আপনাদের নামের তালিকা বার কাউন্সিলে পাঠিয়েছে কিনা। আপনারা জানেন যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন বিভাগকে একটি তালিকা পাঠিয়ে দিতে হয় বার কাউন্সিলে, যে তালিকার ভিত্তিতেই আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ যোগাড় করুন যে, তাদের পাঠানো তালিকায় আপনার নাম ঠিকমতো গেছে কিনা। তাদেরকে খানিকটা চাপের ওপর রাখুন। নইলে শেষমুহূর্তে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন নাকি রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবেন? রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তির বিষয়ে ‘শুভস্য শীঘ্রম’ হবেন দয়া করে!
অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার ফরম ফিলাপঃ
শুরুতেই একটা কথা জেনে রাখুন যে, যে বা যারাই হাতে রেজিস্ট্রেশন কার্ড পেয়ে থাকেন, তারাই বার কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক নোটিশ ছাড়াই যেকোনো সময় পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সেরে রাখতে পারেন। ফরম ফিলাপ করে সংশ্লিষ্ট টাকা জমা দিয়ে দিলে বার কাউন্সিল তা রিসিভ করতে বাধ্য থাকে। তবে ঘটনাচক্রে যদি দেখা যায় যে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ফরম ফিলাপ এর সময় ফরম ফিলাপের কোনো নতুন মূল্য নির্ধারণ বা পুণ:নির্ধারণ করা হয়, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ঘাটতি টাকাও জমা দিতে হবে।
বার কাউন্সিল সর্বশেষ ভাইভা পরীক্ষার সময়ে ঘোষণা দিয়েছিলো যে, যারা রেজি. কার্ড হাতে পেয়েছেন, তারা নভেম্বর ২০ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ২০ তারিখের মধ্যে ফরম ফিলাপ করে রাখতে পারেন। তখন অনেকেই যারা রেজি. কার্ড হাতে পাননি, অথচ ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে, তারা ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন যে তাদের কী হবে! এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না! কেননা, বার কাউন্সিল যাদের রেজি. কার্ড ইস্যু করেনি, তাদেরও রেজি. কার্ড ইস্যু করে তাদেরকে ফরম ফিলাপের প্রয়োজনীয় সময় প্রদান করেই ফরম ফিলাপের আরো পর্যাপ্ত সময় দেবে।
তো, এই ফরম ফিলাপের চলমান সময়ের ভেতরেই বার কাউন্সিলের ভবন স্থানান্তর, কাগজপত্র বা ফাইলসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণের ঝুঁকি এবং অন্যান্য বিবিধ কারণে ফরম ফিলাপের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়েছে যে, পরবর্তীতে যথাসময়ে আবারো ফরম ফিলাপের নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিশেষভাবে উল্লেখ ছিলো যে, ‘‘পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত সকল প্রার্থীকেই ফরম ফিলাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হইবে মর্মে আশ্বস্ত করা যাইতেছে।”
তার মানে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি স্থগিত আছে। কিন্তু ঐ যে শুরুতেই বললাম, যারা অলরেডি রেজি কার্ড হাতে পেয়েছেন তারা যদি ফরম ফিলাপ করে রাখেন তাতে কোন অসুবিধা নাই, বার কাউন্সিল তা গ্রহণ করে নেবে।
সংগৃহীত : ফেসবুক থেকে
#তথ্য_সংগ্রহ_করেছেন: ফারিয়া আপু।
#বি.দ্রঃবানান ভুল হলে ক্ষমা করবেন।ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে কমেন্টে জানান।
পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ:
১. রেজিস্ট্রেশন
অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগে ১০ বছরের অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে ছয় মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হয়। শিক্ষানবিশকালে আইন বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন, মামলার ফাইল প্রস্তুত, মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক আইন, নজির ও প্রয়োগ, মামলা পরিচালনা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। শিক্ষানবিশকে তাঁর সিনিয়রের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চুক্তি করতে হয়। চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করে সংযুক্তি হিসেবে চুক্তিপত্রটি কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়। বার কাউন্সিলের অনুকূলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ জমা দিতে হবে ৮০০ টাকা।
২. তালিকাভুক্তির আবেদন
শিক্ষানবিশ চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস পূর্ণ হলে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদন ফরমের জন্য জমা দিতে হবে ৩৫০ টাকা। ফরমটি পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে লাগবে ছয় মাস শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হয়েছে এই মর্মে সিনিয়রের দেওয়া সনদ, শিক্ষানবিশকালে সিনিয়র পরিচালিত পাঁচটি দেওয়ানি ও পাঁচটি ফৌজদারি মামলার তালিকা, দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া চারিত্রিক প্রশংসাপত্র, সিনিয়র সত্যায়িত সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্রের ফটোকপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি, ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কাগজপত্র ও তাতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পাদিত হলফনামা। এনরোলমেন্ট ফি বাবদ গুনতে হবে দুই হাজার ৪০০ টাকা।
৩. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর বার কাউন্সিল থেকে দেওয়া হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের, প্রশ্নও থাকবে ১০০টি। পাস নম্বর ৫০। সিভিল প্রোসিডিউর কোড থেকে ২০টি, স্পেসিফিক রিলিফ অ্যাক্ট থেকে ১০টি, ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর থেকে ২০টি, পেনাল কোড থেকে ২০টি, এভিডেন্স অ্যাক্ট থেকে ১৫টি, লিমিটেশন অ্যাক্ট থেকে ১০টি এবং পেশাগত নীতি, বার কাউন্সিল অর্ডার ও নিয়মাবলি, লিগ্যাল ডিসিশন ও রিপোর্ট থেকে পাঁচটি প্রশ্ন থাকবে।
৪. লিখিত পরীক্ষা
প্রিলিমিনারি পাসের পর অংশ নিতে হবে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায়। চার ঘণ্টার এ পরীক্ষায় দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন থেকে তিনটি প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে দুটি। ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন এবং তামাদি আইন থেকে দুটি করে প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে একটি করে। ১৫ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে প্রতিটি প্রশ্নে। বাকি ১০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে বার কাউন্সিল আদেশের ওপর। প্রশ্ন থাকবে দুটি, উত্তর দিতে হবে একটির।
৫. মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাকা হবে মৌখিক পরীক্ষায়। দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন, তামাদি আইন, বার কাউন্সিল আদেশ আইনের ওপর প্রশ্ন করা হবে ৫০ নম্বরের। পাস নম্বর ২৫। মৌখিক পরীক্ষার সময় উল্লিখিত ১০ মামলার বিষয়ে কেস ডায়েরি দাখিল করতে হবে। তবে ব্যারিস্টারদের কেস ডায়েরি দাখিলের প্রয়োজন পড়ে না। এসব ধাপ সাফল্যের সঙ্গে অতিক্রম করলে আপনি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন।
#বার কাউন্সিলের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড করার নিয়ম:
বার কাউন্সিল এর অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ফরম ফিলাপের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে ভোগেন। আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ ও বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত নিয়মগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো-
প্রথমবার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (১০০০ টাকার) এবং একটা নীল (৩৭০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Enrollment Form (Application for enrollment as Advocate, Form A) নিয়ে এবং সাথে আপনার S.S.C, H.S.C এবং Law এর সার্টিফিকেট এবং মার্কসিট (এক কপি করে), তারপর ৪ কপি ছবি (Passport size) এবং একটা এফিডেবিট (এফিডেবিট আপনে চাইলে বার কাউন্সিল অফিস থেকে ও নিতে পারবেন এবং মনে রাখবেন এফিডেবিট নোটারি করতে হয়) নিয়ে আপনার সিনিয়রের কাছে যাবেন এইগুলো সত্যায়িত এবং Enrollment Form এ সিগনেচার করার জন্য (Enrollment Form আগে ফটোকপি করে তার উপর ড্রাফট করবেন যাতে মূল ফরমে ভুল না হয়) । তারপর ভালো ভাবে ফিলাপ করে এক কপি ফটোকপি করে নিবেন। তারপর ফরমের ২ টা কপি ( ১ টা মেইনকপি এবং আরেকটা ফটোকপি) নিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ যাবেন সেইখানে অফিস মেইনকপি রেখে দিবে এবং ফটোকপিতে সিল মেরে আপনাকে দিয়ে দিবে।
দ্বিতীয়বার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (৫০০ টাকার) এবং একটা নীল (১৫০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে বাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Re-Appear Form নিয়ে ফিলাপ করে এবং সাথে গতবারের এডমিট কার্ড এর ফটোকপি এবং সত্যায়িত (নিজের সিনিয়র দ্বারা) ৩ কপি ছবি দিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ জমা দিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড যারা পাননি তাদের করনিয়ঃ
রেজিস্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সিরিয়াল বেশ লম্বা। সকাল সকাল গেলে অল্প সময় কাজ সেরে নেওয়া সম্ভব হবে।
পাবলিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন এবং ইনটিমিশন জমা যাদের ৬ মাসের বেশি তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া শুরু করেছে বার কাউন্সিল। তবে কিছু ক্ষেত্রে কার্ড না দিয়ে পরবর্তীতে উনাকে কবে দিবে সেই ডেট দিয়ে দিচ্ছে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন তাদের মধ্য থেকে যারা ইনটিমিশন ১৬ বা ১৭ সালে প্রথম দিকে জমা দিয়েছেন তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড রেডি হয়ে আছে বিধায় দিয়ে দিচ্ছে, তবে ১৭ সালের শেষের দিকে বা ১৮ সালে যারা জমা দিয়েছেন তাদের কার্ড বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী নোটিশ দিয়ে আলাদা আলাদা ডেট দিয়ে তাদেরকে একসাথে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া হবে। এসব নিয়ে বার কাউন্সিল সাধারণত আলাদাভাবে নোটিশ দিয়ে থাকে। আপনারা নোটিশ অথবা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে রাখবেন।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড না পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ করণীয় ও সতর্কতা [প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য]
এরকম অনেক পরিচিত শিক্ষানবিশ আছেন, যারা কিনা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে প্রায় দেড় বছর হতে চললো ইন্টিমেশন জমা দিয়েছেন। কিন্তু তারা এখনো রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাননি। তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে একটি ছোট্ট কিন্তু আছে! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনারা একবার অবশ্যই নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করবেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ আপনাদের নামের তালিকা বার কাউন্সিলে পাঠিয়েছে কিনা। আপনারা জানেন যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন বিভাগকে একটি তালিকা পাঠিয়ে দিতে হয় বার কাউন্সিলে, যে তালিকার ভিত্তিতেই আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ যোগাড় করুন যে, তাদের পাঠানো তালিকায় আপনার নাম ঠিকমতো গেছে কিনা। তাদেরকে খানিকটা চাপের ওপর রাখুন। নইলে শেষমুহূর্তে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন নাকি রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবেন? রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তির বিষয়ে ‘শুভস্য শীঘ্রম’ হবেন দয়া করে!
অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার ফরম ফিলাপঃ
শুরুতেই একটা কথা জেনে রাখুন যে, যে বা যারাই হাতে রেজিস্ট্রেশন কার্ড পেয়ে থাকেন, তারাই বার কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক নোটিশ ছাড়াই যেকোনো সময় পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সেরে রাখতে পারেন। ফরম ফিলাপ করে সংশ্লিষ্ট টাকা জমা দিয়ে দিলে বার কাউন্সিল তা রিসিভ করতে বাধ্য থাকে। তবে ঘটনাচক্রে যদি দেখা যায় যে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ফরম ফিলাপ এর সময় ফরম ফিলাপের কোনো নতুন মূল্য নির্ধারণ বা পুণ:নির্ধারণ করা হয়, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ঘাটতি টাকাও জমা দিতে হবে।
বার কাউন্সিল সর্বশেষ ভাইভা পরীক্ষার সময়ে ঘোষণা দিয়েছিলো যে, যারা রেজি. কার্ড হাতে পেয়েছেন, তারা নভেম্বর ২০ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ২০ তারিখের মধ্যে ফরম ফিলাপ করে রাখতে পারেন। তখন অনেকেই যারা রেজি. কার্ড হাতে পাননি, অথচ ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে, তারা ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন যে তাদের কী হবে! এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না! কেননা, বার কাউন্সিল যাদের রেজি. কার্ড ইস্যু করেনি, তাদেরও রেজি. কার্ড ইস্যু করে তাদেরকে ফরম ফিলাপের প্রয়োজনীয় সময় প্রদান করেই ফরম ফিলাপের আরো পর্যাপ্ত সময় দেবে।
তো, এই ফরম ফিলাপের চলমান সময়ের ভেতরেই বার কাউন্সিলের ভবন স্থানান্তর, কাগজপত্র বা ফাইলসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণের ঝুঁকি এবং অন্যান্য বিবিধ কারণে ফরম ফিলাপের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়েছে যে, পরবর্তীতে যথাসময়ে আবারো ফরম ফিলাপের নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিশেষভাবে উল্লেখ ছিলো যে, ‘‘পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত সকল প্রার্থীকেই ফরম ফিলাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হইবে মর্মে আশ্বস্ত করা যাইতেছে।”
তার মানে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি স্থগিত আছে। কিন্তু ঐ যে শুরুতেই বললাম, যারা অলরেডি রেজি কার্ড হাতে পেয়েছেন তারা যদি ফরম ফিলাপ করে রাখেন তাতে কোন অসুবিধা নাই, বার কাউন্সিল তা গ্রহণ করে নেবে।
সংগৃহীত : ফেসবুক থেকে
#তথ্য_সংগ্রহ_করেছেন: ফারিয়া আপু।
#বি.দ্রঃবানান ভুল হলে ক্ষমা করবেন।ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে কমেন্টে জানান।
Wednesday, May 29, 2019
বিদ্যুৎ শক খেলে কি করবেন?
আজ গ্রামের বাড়ীতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ এক বাড়ীতে চিল্লাচিল্লি, কান্নাকাটির আওয়াজ পেলাম। সবাই দৌড়াচ্ছে সেখানে। কি মনে করে আমিও গেলাম। ১৫/১৬ বছরের একটি মেয়ে বিদ্যুৎ শক খেয়েছে। তার পালস, শ্বাস প্রশ্বাস, নড়াচড়া সবই বন্ধ। মারা গেছে ভেবে কান্নাকাটি শুরু করেছে সবাই।
আমি দ্রুত পালস (এমনকি ক্যারোটিড), শ্বাস প্রশ্বাস, বুকে কান লাগিয়ে (যেহেতু স্টেথো ছিল না) হার্ট সাউন্ডও পেলাম না। সাথে সাথেই কার্ডিয়াক মেসেজ দিলাম, মাউথ টু মাউথ ব্রিদিং একজনকে শিখিয়ে দিয়ে সেটা দিতে বললাম। ৫/৭ মিনিটের মধ্যে তার পালস, হার্ট সাউন্ড, শ্বাস ফিরে এল। জিহ্বা দেখাল, চোখও খুলল। বেঁচে গেল সে।
কি করবেন আপনি?
১। যদি বিদ্যুতের তারে লেগে থাকে তবে ভারী সেন্ডেল পায়ে শুকনা বাঁশ বা কাঠ দিয়ে সেটা সরিয়ে দিন। বিদ্যুতায়িত অবস্থায় সরাসরি তাকে ধরতে যাবেন না। নইলে আপনিও বিপদে পড়ে যাবেন।
২। দ্রুত তাকে বালিশ ছাড়া, কাপড় চোপড় খুলে (যথা সম্ভব) মাটিতে শুইয়ে দিন। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যাবে।
৩। মূখ, নাকে কোন ময়লা, থু থু আছে কিনা বা জিহ্বা উলটে গিয়েছে কিনা দেখে নিন। থাকলে হাতের কাছে যাই পান (কাপড়) দিয়ে পরিস্কার করে দিন, জিহ্বা উলটে থাকলে মূখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তা সোজা করে দিন। এরপর দুই চোয়ালের মাঝে দুই দিকে চাপ দিয়ে মূখ খোলা অবস্থায় মূখ দিয়ে ফু দিতে থাকুন (আর্টিফিসিয়াল ব্রিদিং, মাউথ টু মাউথ)।
৪। একই সাথে বুকের ঠিক মাঝখানে একটু বায়ে (যেখানে হার্ট থাকে) হাতের তালুর গোড়ালি দিয়ে একটু ধাক্কা (ব্লো) দিন। এরপর ডান হাতের উপর বা হাত রেখে ১-২-৩.... ১-২-৩ এভাবে চাপ দিতে থাকুন। এটা মিনিটে ৭২ বারের মত করতে হয়। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার টিক টিক এর চেয়ে একটু বেশি।
৫। ৩ ও ৪ পদ্ধতি ৫/৭ মিনিটের মত করে পালস, হার্ট সাউন্ড (যদি সম্ভব হয়), শ্বাস প্রশ্বাস দেখুন। যদি ফিরে আসে তবে বন্ধ করুন। আর ফিরে না এলে আবার ৩, ৪ রিপিট করুন।
৬। হাত, পা, শরীর হালকা মেসেজ করে দিতে পারেন।
৭। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে Hartsol saline 1000 ml ২৫/৩০ ফোটা প্রতি মিনিটে দিতে পারেন। খেতে পারলে পানি, খাবার স্যালাইন, দুধ, ডাবের পানি এসব খেতে দিন।
নিরাপদ থাকুন, সুস্থ্য থাকুন!!!
কার্টেসিঃ শ্রদ্ধেয় ডাঃ Hriday Ranjan Roy স্যার
আমি দ্রুত পালস (এমনকি ক্যারোটিড), শ্বাস প্রশ্বাস, বুকে কান লাগিয়ে (যেহেতু স্টেথো ছিল না) হার্ট সাউন্ডও পেলাম না। সাথে সাথেই কার্ডিয়াক মেসেজ দিলাম, মাউথ টু মাউথ ব্রিদিং একজনকে শিখিয়ে দিয়ে সেটা দিতে বললাম। ৫/৭ মিনিটের মধ্যে তার পালস, হার্ট সাউন্ড, শ্বাস ফিরে এল। জিহ্বা দেখাল, চোখও খুলল। বেঁচে গেল সে।
কি করবেন আপনি?
১। যদি বিদ্যুতের তারে লেগে থাকে তবে ভারী সেন্ডেল পায়ে শুকনা বাঁশ বা কাঠ দিয়ে সেটা সরিয়ে দিন। বিদ্যুতায়িত অবস্থায় সরাসরি তাকে ধরতে যাবেন না। নইলে আপনিও বিপদে পড়ে যাবেন।
২। দ্রুত তাকে বালিশ ছাড়া, কাপড় চোপড় খুলে (যথা সম্ভব) মাটিতে শুইয়ে দিন। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যাবে।
৩। মূখ, নাকে কোন ময়লা, থু থু আছে কিনা বা জিহ্বা উলটে গিয়েছে কিনা দেখে নিন। থাকলে হাতের কাছে যাই পান (কাপড়) দিয়ে পরিস্কার করে দিন, জিহ্বা উলটে থাকলে মূখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তা সোজা করে দিন। এরপর দুই চোয়ালের মাঝে দুই দিকে চাপ দিয়ে মূখ খোলা অবস্থায় মূখ দিয়ে ফু দিতে থাকুন (আর্টিফিসিয়াল ব্রিদিং, মাউথ টু মাউথ)।
৪। একই সাথে বুকের ঠিক মাঝখানে একটু বায়ে (যেখানে হার্ট থাকে) হাতের তালুর গোড়ালি দিয়ে একটু ধাক্কা (ব্লো) দিন। এরপর ডান হাতের উপর বা হাত রেখে ১-২-৩.... ১-২-৩ এভাবে চাপ দিতে থাকুন। এটা মিনিটে ৭২ বারের মত করতে হয়। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার টিক টিক এর চেয়ে একটু বেশি।
৫। ৩ ও ৪ পদ্ধতি ৫/৭ মিনিটের মত করে পালস, হার্ট সাউন্ড (যদি সম্ভব হয়), শ্বাস প্রশ্বাস দেখুন। যদি ফিরে আসে তবে বন্ধ করুন। আর ফিরে না এলে আবার ৩, ৪ রিপিট করুন।
৬। হাত, পা, শরীর হালকা মেসেজ করে দিতে পারেন।
৭। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে Hartsol saline 1000 ml ২৫/৩০ ফোটা প্রতি মিনিটে দিতে পারেন। খেতে পারলে পানি, খাবার স্যালাইন, দুধ, ডাবের পানি এসব খেতে দিন।
নিরাপদ থাকুন, সুস্থ্য থাকুন!!!
কার্টেসিঃ শ্রদ্ধেয় ডাঃ Hriday Ranjan Roy স্যার
Thursday, May 16, 2019
স্ত্রী সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া
স্ত্রী সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া ও সেহরীর পর স্ত্রী সহবাস করা ৷
প্রশ্নঃজনাব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে কি সেহরী খাওয়া যাবে? আর সেহরী খাওয়ার পর যদি আযানের পুর্বে স্ত্রী সহবাস করা হয় তাহলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে? অনুগ্রহপুর্বক জানাবেন ৷
উত্তরঃ ফরজ গোসল অবস্থায় পানাহার করা বৈধ ৷ তবে অযু করে নেয়া সুন্নত ৷ অতএব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে ৷ তবে উত্তম হল, সময় থাকলে আগে গোসল করে নেয়া, তারপর সেহরী খাওয়া ৷
আর রমযানে সুবহে সাদেকের পুর্ব পর্যন্ত খানাপীনা, স্ত্রী-সহবাস সবকিছু বৈধ। যদিও সেহরী খাওয়ার পর হয়। তবে অবশ্যই নামাযের আগে গোসল করে মসজিদে জামাতের সহিত নামায আদায় করতে হবে ৷
-মেশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ১৭৪; ফতোয়ায়ে দারুল
উলুম। ৬/৪৯৬; মাসায়েলে রোজা ৫৭৷
#সংগৃহীত
প্রশ্নঃজনাব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে কি সেহরী খাওয়া যাবে? আর সেহরী খাওয়ার পর যদি আযানের পুর্বে স্ত্রী সহবাস করা হয় তাহলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে? অনুগ্রহপুর্বক জানাবেন ৷
উত্তরঃ ফরজ গোসল অবস্থায় পানাহার করা বৈধ ৷ তবে অযু করে নেয়া সুন্নত ৷ অতএব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে ৷ তবে উত্তম হল, সময় থাকলে আগে গোসল করে নেয়া, তারপর সেহরী খাওয়া ৷
আর রমযানে সুবহে সাদেকের পুর্ব পর্যন্ত খানাপীনা, স্ত্রী-সহবাস সবকিছু বৈধ। যদিও সেহরী খাওয়ার পর হয়। তবে অবশ্যই নামাযের আগে গোসল করে মসজিদে জামাতের সহিত নামায আদায় করতে হবে ৷
-মেশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ১৭৪; ফতোয়ায়ে দারুল
উলুম। ৬/৪৯৬; মাসায়েলে রোজা ৫৭৷
#সংগৃহীত
Subscribe to:
Comments (Atom)
Recent Post
Most Popular Post
-
অলঙ্কার এর সংজ্ঞাঃ অলঙ্কার কথাটি এসেছে সংস্কৃত 'অলম' শব্দ থেকে।অলম শব্দের অর্থ ভূষণ।ভূষণ অর্থ সজ্জা,গহনা ইত্যাদি। তাই আভিধানিক অর্থে...
-
নৌকাডুবি (১৯০৬) চরিত্র ও তথ্য সমূহ ১. রমেশঃকলকাতা/Law/বাবার চিঠি/ ২. হেমনলিনীঃমাতৃহীন/ ৩. কমলাঃ ৪. ডাক্তার নলিনাক্ষঃ * গঙ্গার প্রবল ঘুর্ণিঝড়...
-
ভূমিকা : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যাঁর নামটি জড়িত, তিনি হলেন সৈয়দ মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর। জন্ম পরিচয় : তিতুমীর ভারতের পশ্চিমবঙ...
-
উত্তর: অ-ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণের নিয়ম নিম্নরুপ।যথা: ১. 'অ'অথবা নিহিত 'অ'-ধ্বনির পর ই-কার বা উ-কার হলে, তবে অ-ধ্বনির উচ্চারণ...
-
বিষয় : বাংলা সময়------২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-১০০ দ্রষ্টব্য : ডান পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক । নিচের অনুচ্ছেদট...
-
অর্থালঙ্কার: অর্থালঙ্কারের প্রকারভেদ: অর্থালঙ্কার পাঁচ প্রকার।যথা: ১. সাদৃশ্যমূলক ২. বিরোধমূলক ৩. শৃঙ্খলামূলক ৪. ন্যায়মূলক ৫. গূঢ়ার্থ...
-
বলাকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত...