Ad-1

Friday, January 17, 2020

২য় বর্ষ ভাইবা প্রস্তুতি

দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারকে তিনটি বিশেষ শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।যথা -
১। বিষয়বস্তুর উপর এখতিয়ার
২। আর্থিক এখতিয়ার ও
৩। আঞ্চলিক এখতিয়ার।

দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার মামলা দাবীর মূল্যমান সমূহ:-
১৮৭৭ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী বর্নিত:
১। সহকারী জজ্ আদালত - ২ লক্ষ টাকা হতে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
২। সিনিয়র সহকারী জজ্ আদালত - ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
৩। যুগ্ম জেলা জজ্ আদালত ২৫ লক্ষ টাকা হতে যেকোন মূল্যমান।
৪। জেলা জজ্ আদালত সর্বোচ্ছ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত।
৫। পারিবারিক আদালতের মূল্যমান অনির্দিষ্ট।

#দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে দন্ডের বিধান -
দন্ডবিধি বর্নিত ধারা - ৫৩ মতে
১। মৃত্যুদণ্ড ( সর্বোচ্ছ)
২। যাবজ্জীবন কারাদন্ড
৩। মেয়াদকালীন কারাদন্ড
৪। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও
৫। অর্থদণ্ড।

আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় --- আনিসুল হক।
বর্তমান এটর্নি জেনারেল - মাহবুবে আলম
প্রধান বিচারপতির নাম কি -
বর্তমান কে নিয়োগপ্রাপ্ত হন-

Saturday, January 4, 2020

মসজিদেরই পাশে আম কবর দিও ভাই

- কাজী নজরুল ইসলাম
মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই।
যেন গােরে থেকেও মােয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।।
আমার গােরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,
পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।
গাের - আজাব থেকে এ গুনাহগার পাইবে রেহাই।।

কত পরহেজগার খােদার ভক্ত নবীজীর উম্মত
ঐ মসজিদে করে রে ভাই, কোরান তেলাওয়াত।
সেই কোরান শুনে যেন আমি পরান জুড়াই।।

কত দরবেশ ফকির রে ভাই, মসজিদের আঙ্গিনাতে
আল্লার নাম জিকির করে লুকিয়ে গভীর রাতে,
আমি তাদের সাথে কেঁদে কেঁদে
(আল্লার নাম জপতে চাই) ।।

“টমাস আলভা এডিসন"



পিতৃহারা ৭-৮ বছর বয়সের ছেলেটি স্কুল হতে বাড়ীতে এসে মাকে বলল,
"মা, প্রিন্সিপাল আমাকে আদর করে কিছু ক্যান্ডি দিয়েছে। আর,তােমার জন্য এই চিঠিটা।"
মা চিঠিখানা খুলে পড়ে কেঁদে ফেললেন।
মায়ের চোখে জল দেখে ছেলেটি বলল, "মা,
কাঁদছ কেনাে?"
চোখ মুছতে মুছতে মা বললেন, 'বাবা, এটা আনন্দের কান্না!"বলেই ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "আমার জিনিয়াস বাবা, তােকে চিঠিটা পড়ে শােনাই।"
মা আনন্দের সাথে চিৎকার করে স্যারের লেখার ভাষা বদলে নিজের মত করে পড়তে লাগলেন, "ম্যাম,
আপনার ছেলেটি সাংঘাতিক জিনিয়াস।আমাদের ছােট্ট শহরে ওকে শিক্ষা দেওয়ার মত শিক্ষক আমাদের নেই।তাই, যদি পারেন আপনার ছেলেকে বড় শহরে কোনাে স্কুলে ভর্তি করে দিলে ভালাে হয়। এই ছেলেটি একদিন বিশ্বে প্রচুর সুনাম অর্জন করবে।"
পত্রখানা পড়েই মা, ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "এই জিনিয়াস ছেলেটিকে আমি নিজেই পড়াব।"
মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তথা সমগ্র পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন।
"টমাস আলভা এডিসন"
বৈদ্যুতিক বাল্ব, শব্দ রেকর্ডিং, মুভি ক্যামেরা বা চলমান ছবি ইত্যাদি সহ হাজারাে আবিষ্কার তাঁর।
মায়ের মৃত্যুর পর টমাস এডিসন একদিন সেই ছােট্ট গ্রামে মায়ের সেই ছােট্ট বাড়ীতে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের সময় স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের দেয়া চিঠিটা পেল। চিঠিখানা পড়ে টমাস কেঁদে দিল।
তাতে লেখা ছিল,
"ম্যাডাম,আপনার ছেলে টমাস এডিসন একজন মেন্টালি রিটার্ডেড।সে এতটাই নির্বোধ যে, তাকে শিক্ষা দেওয়ার মত ক্ষমতা আমাদের নেই।
কার'ও আছে বলেও আমাদের জানা নেই। আপনার ছেলের কারণে আমাদের স্কলটির সুনাম ক্ষুন্ন হবে।তাই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনার ছেলেকে স্কুল থেকে ঙংস্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হল।"
শিক্ষনীয়ঃ-
সন্তানের সাথে সর্বদাই পজিটিভ আচরন করবেন। বাসস্থান হল সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
(Collected)

Friday, December 13, 2019

খণ্ডবাক্য কাকে বলে? আশ্রিত খণ্ডবাক্য কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ আলােচনা করাে।

জটিল বা মিশ্র বাক্যে ছােট ছােট একাধিক বাক্য থাকে একে খণ্ডবাক্য বলে। খণ্ডবাক্য প্রধানত দুই প্রকার-
১.প্রধান খণ্ডবাক্য
২.আশ্রিত খণ্ড বাক্য।
যে খণ্ডবাক্য অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনাে খণ্ডবাক্যের উপর নির্ভরশীল নয়, তাকে প্রধান খণ্ডবাক্য বলে।
যে খণ্ডবাক্য অর্থ প্রকাশের জন্য প্রধান খণ্ডবাক্যের উপর নির্ভরশীল, তাকে আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
আশ্রিত খণ্ডবাক্য আবার তিন প্রকার। যথা-
ক. বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য : যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য বিশেষ্য পদের কাজ করে, তাকে বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। যেমন—
আমি জানি।
প্রধান খণ্ডবাক্য।
সে কেমন লােক।
বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য
খ. বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য : যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনাে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ এবং অবস্থা প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন—
যে এ সভায় অনুপস্থিত,
বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক
সে বড় দুর্ভাগা।
***যেখানে, যখন,যেভাবে,যেন দিয়ে থাকলে বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য পাওয়া যায়।
গ.ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য : যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহূত হয়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন—যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
***ক্রিয়াকে কখন, কোথায়, কিভাবে,কেন,কতটুকু দ্বারা প্রশ্ন করে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য পাওয়া যায়।

Monday, November 18, 2019

এলএল.বি(শেষ বর্ষ), পরীক্ষা, ২০১৬,ভূমি ও রেজিষ্ট্রেশন আইন

বাংলাদেশে ভূমি আইন, রেজিষ্ট্রেশন আইন ও
সরকারী দাবি আদায় আইন।
বিষয় কোড : ৫১৩১১৩
সময়: ৪ ঘন্টা
পূর্ণমান: ১০০
[প্রতিটি প্রশ্নের মান সমান। ক বিভাগ থেকে তিনটি এবং খ বিভাগ থেকে একটি এবং গ বিভাগ থেকে একটি মােট পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।]

ক-বিভাগ
১। (ক) কেন ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেগুলেশন গৃহীত হয়েছিল?
(খ) “চিরস্তায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ছিল ভূ-সম্পত্তির অধিকারী অভিজাত শ্রেণীর অভিজাত্যের ম্যাগনাকার্টা পক্ষান্তরে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ছিল কৃষক প্রজাদের জন্য ম্যাগনাকার্টাস্বরূপ- এই উক্তিটির সত্যতা কতখানি? তােমার জবাবের যৌক্তিকতা প্রদর্শন কর।।
২.ব্রিটিশ ভারতে প্রবর্তিত এলুভিয়ন ও ডিলুভিয়ন সম্পর্কিত আইন আলােচনা কর। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে এই আইনের কি কি পরিবর্তন সাধিত হয়েছে? এ পরিবর্তনসমূহের যৌক্তিকতা কি ছিল? নদী বা সমুদ্রগর্ভে আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাওয়া একটি জমি একইস্থানে পুনরুত্থিত এবং তা সনাক্ত করার উপযােগী হলে তুমি কিভাবে তার দাবি নির্ধারণ করবে?
৩.১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী কোন কোন শ্রেণীর জমি একজন প্রজা দখলে রাখতে পারবে তা বর্ণনা কর। এ আইনের ওয়াকফ, ওয়াকফ-
আল-আওলাদ ও দেবােত্তর সম্পত্তির অবস্থা কি? এ প্রকারের সম্পত্তি কি অধিগ্রহণ করা
যায়? প্রখ্যাত মামলার আলােকে আলােচনা কর।
৪। (ক) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের মামলায় কোন কোন ব্যক্তি আবশ্যকীয় পক্ষ? একজন আবশ্যকীয় পক্ষ বাদ গেলে তার
ফলাফল কি হবে?
(খ) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৯৪৯ সালের অ-কৃষি
প্রজাস্বত্ব আইনে বর্ণিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিধানের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।
৫.১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের বিধানমতে অকৃষি প্রজার সংজ্ঞা দাও। যে সকল উদ্দেশ্যে একজন অ-কৃষি প্রজা অকৃষি জমি দখলে রাখতে পারে তা উল্লেখ কর।
বারাে বছরের কম সময়ের জন্য এবং বারাে বছর এর জন্য অধিকৃত অকৃষি প্রজাস্বত্বের
পরিণতিসমূহের গুরুত্ব উল্লেখ কর।

খ-বিভাগ।
৬.কি কি কারণে একটি দলিল নিবন্ধন প্রত্যাখান করা যায়? সাব-রেজিস্ট্রার যার দলিল নিবন্ধন করতে অস্বীকার করেছেন এমন একজন ক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপীল বা আবেদন। রেজিস্ট্রার কর্তৃক না মঞ্জুরের ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালতের হস্তক্ষেপের এখতিয়ার কতখানি তা আলােচনা কর।
৭.(ক) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে আলােচনা কর।
(খ) একজন অনধিকারী ব্যক্তির দাখিলকৃত বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশনযােগ্য দলিল সাব-
রেজিস্ট্রার রেজিস্ট্রি করে দিলে এ রেজিস্ট্রেশন কি রেজিস্ট্রেশন আইন বৈধ হবে?এক্ষেত্রে দলিলের দাবিদার ব্যক্তির প্রতিকার কি?

গ-বিভাগ।
৮.১৯১৩ সালের সরকারী দাবী আদায় আইন পাসের উদ্দেশ্যগুলি কি? এই উদ্দেশ্যগুলি কি পূর্ণ হয়েছে? এই আইনের ৭ ধারায় নােটিশ জারীর ফলাফল কি? কখন এবং কিভাবে
একটি সার্টিফিকেট নাকচ বা সংশােধিত হতে পারে? তুমি কি এই আইনের কোন সংশােধন নির্দেশ কর? যদি কর তবে সেগুলি কি?
৯। (ক) ‘ডিমান্ড নােটিশ ' বলতে কি বুঝায়? এটা কিভাবে ৭ ধারার নােটিশ থেকে পৃথক?
(খ) সাটিফিকেট জারীতে নিলাম হলে কখন এবং কিভাবে সার্টিফিকেট অফিসার তা রদ
করতে পারেন?


Most Popular Post