Ad-1

Tuesday, October 15, 2019

বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, বাংলা ১ম পত্র থেকে বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হলো।
বঙ্গবাণী
১। ‘দেশি ভাষা’ বলতে বোঝানো হয়েছে কোনটি?
ক. সংস্কৃত খ. বাংলা গ. প্রাকৃতিক ঘ. আরবি-ফারসি ভাষা
২। ‘হিন্দুর অক্ষর’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
ক. সংস্কৃত ভাষা খ. বাংলা গ. হিন্দি ভাষা ঘ. গুজরাটি ভাষা
৩। ‘সংস্কৃত ভাষা’ নিয়ে হিংসা করে কারা?
ক. বাংলা ভাষার প্রতি মমতা নেই যার খ. আরবি ভাষার প্রতি মমতা যার গ. মারফতের জ্ঞান নেই যার ঘ. স্বভাষার প্রতি প্রেম নেই যার
৪। আবদুল হাকিমের মতে কাদের জন্ম পরিচয় নেই?
ক. যারা আরবি ভাষাকে হিংসা করে খ. যারা সংস্কৃত ভাষাকে হিংসা করে গ. যারা বাংলা ভাষাকে হিংসা করে ঘ. যারা ফরাসি ভাষাকে হিংসা করে
৫। ‘বঙ্গবাণী’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. বাংলা খ. বাংলা বাক্য গ. বাংলা কথা ঘ. বাংলা ভাষা
৬। কোন ভাষার উপদেশ হিতকর?
ক. মাতৃভাষার খ. বিদেশি গ. সংস্কৃত ঘ. আরবি ভাষার
৭। কবি আবদুল হাকিমের কোন ভাষায় বাক্য সাধনায় পরিশ্রম সার্থক হয়?
ক. আরবি ভাষায় খ. হিন্দি গ. সংস্কৃত ঘ. বাংলা ভাষায়
৮। কবি আবদুল হাকিমকে কারা বাংলা ভাষায় বাক্য রচনার জন্য অনুরোধ করেন?
ক. যারা আরবি ভাষা পড়তে পারে না খ. যারা হিন্দি ভাষা পড়তে পারে না গ. যারা বই পড়তে পারে না ঘ. যারা শাস্ত্র পড়তে পারে না
৯। ‘বঙ্গবাণী’ কবিতার মূল উপজীব্য কোনটি?
ক. দেশপ্রেম খ. ভাষাপ্রেম গ. জাতিপ্রেম ঘ. সংস্কৃতি প্রেম
১০। মধ্যযুগীয় পরিবেশে দুর্লভ কোনটি?
ক. কপোতাক্ষ নদ খ. বাংলা আমার গ. তিতাস ঘ. বঙ্গবাণী
১১। ‘বঙ্গবাণী কবিতায় নিরঞ্জন বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
ক. নির্মল খ. দেবতা গ. আল্লাহ ঘ. ফেরেশতা
১২। বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে কোনটিতে?
ক. তিতাস খ. কপোতাক্ষ গ. সাত সাগরের মাঝি ঘ. বঙ্গবাণী
১৩. কবি আবদুল হাকিমের রাগ নেই কোন ভাষায়?
ক. ফরাসি ভাষায় খ. হিন্দি গ. সংস্কৃত ঘ. বাংলা ভাষায়
১৪। কবি আবদুল হাকিমের কাব্য রচনার উদ্দেশ্য কোনটি?
ক. শিক্ষিত মানুষের তুষ্টি খ. কবিদের মনোতুষ্টি গ. আত্মপ্রচার ঘ. সাধারণ মানুষের তুষ্টি.

কপোতাক্ষ নদ

১। ‘সতত, হে নদ, তুমি পড়ো মোর মনে’—কার কথা মনে পড়ে?
ক. বাংলাদেশের কথা খ. ব্রহ্মপুত্র নদের কথা
গ. যশোরের সাগরদাঁড়ির কথা ঘ. কপোতাক্ষ নদের কথা
২। কবি নিশার স্বপনে মায়ামন্ত্র ধ্বনির মতো কী শোনেন?
ক. নদীর কলকল ধ্বনি খ. পাখির কাকলি
গ. কোকিলের কুহুতান ঘ. দোয়েলের গান
৩। কপোতাক্ষের কলকল ধ্বনিতে কবির কী জুড়ায়?
ক. অন্তর খ. চোখ খ কান ঘ. মন
৪। কবিতায় কবি ‘ভ্রান্তির ছলনে’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?
ক. ভুলের ছলনায় খ. মায়ার গ. স্বপনের ঘ আশার ছলনায়
৫। কবির কাছে ভ্রান্তির ছলনা কোনটি?
ক. নিশার স্বপন খ. স্নেহের তৃষ্ণা গ. নদীর কলকল ঘ. মায়া মন্ত্রধ্বনি
৬। কপোতাক্ষ নদ প্রজা হিসেবে কাকে রাজরূপ কর দেয়?
ক. নদীকে খ. সাগরকে গ. উপসাগরকে ঘ. দেশের রাজাকে
৭। ‘আর কি হবে দেখা?’ এখানে কবির কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক. ছলনা খ. প্রত্যাশা গ. সন্দেহ ঘ. উৎকণ্ঠা
৮। শৈশবের বেদনা-বিধুর স্মৃতি কবির মনে কী জাগিয়েছে?
ক কাতরতা খ. কান্না গ. বেদনা ঘ. আবেগ
৯। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতায় অষ্টকে ভাবের প্রবর্তনা হিসেবে কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক. দেশপ্রেম খ. প্রকৃতিপ্রেম গ. স্মৃতিকাতরতা ঘ. দুঃখ-বেদনা
১০। ‘কপোতাক্ষ নদ’ সাগরকে কী দেয়?
ক. জল দেয় খ. বিনিময় গ. জলরূপ কর দেয় ঘ. মাছ দেয়।

Monday, October 14, 2019

বাংলা প্রথম মডেল টেস্ট -১০

[সূত্র:CS/MAXE TSET/9102/TON DETCELES]
বিষয় : বাংলা প্রথম পত্র
শ্রেণি : দশম
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন
মান : ৪০
১। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় সম্মানিত নগরীর নাম কী?
ক. মক্কা             খ. মদিনা             গ. তায়েফ             ঘ. জেরুজালেম
   উদ্দীপকটি পড়ে নিচের ২ ও ৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :
তিন দিন হতে খাইতে না পাই, নাই কিছু মোর ঘরে
দারা পরিবার বাড়িতে আমার উপোস করিয়া মরে।
হে দয়াল নবী, দাও কিছু মোরে নহিলে পরানে মরি—
২। এই বক্তব্যের বিপরীত ভাবধারণ করেছে কোন চরিত্রটি?
ক. অভাগী              খ. মমতাদি         গ. নিরূপমা                 ঘ. সর্বজয়া
৩। উক্ত চরিত্রের বৈশিষ্ট্য নিচের কোন চরণে প্রকাশ পেয়েছে?
ক. বাগ্দী দুলের ঘরে কেউ কখনো ওষুধ খেয়ে বাঁচে না।
খ. হ্যাঁ, আমি রাঁধুনী। আমায় রাখবেন। আমি রান্না ছাড়া ছোট ছোট কাজও করব।
গ. ও রকম একটা বড় মানুষের আশ্রয়—এ গাঁয়ে তোমার আছে কী? শুধু ভিটে কামড়ে পড়ে থাকা।
ঘ. শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দিব।
৪।‘নিমের হাওয়া ভালো, থাক কেটো না’—বিজ্ঞজনদের এ কথা বলার কারণ কী?
ক. নিমগাছের বাহ্যিক উপকারিতার কারণে        খ. নিমগাছের ঔষধি গুণের কারণে
গ. নিমগাছের বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে                ঘ. নিমগাছ পরিবেশবান্ধব বলে
৫. ব্যথিত পিতৃহৃদয়কে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য নিরূপমা কী করতে চাইল?
ক. দাঁতে দাঁত চেপে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে মনস্থির করল
খ. দিন কতক বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য অধীর হয়ে উঠল
গ. পণের বাকি টাকা শোধ না করতে মনস্থ করল
ঘ. নিরূপমার স্বামীকে যে পণের টাকা চান না, সে কথাটি পিতাকে জানিয়ে দিল
৬. দুলে সম্প্রদায়ের কাজ কী?
i. মৃতদেহ সত্কার করা                ii. পালকি বহন করা         iii. জুতা-ব্যাগ সেলাই করা
নিচের কোনটি সাঠিক?
ক. i             খ. ii            গ. iii              ঘ. ii ও iii
৭.কিসের লক্ষ্য অব্যর্থ বলে অপু বিশ্বাস করে?
ক. দুই পয়সা দামের পিস্তলটির          খ. শুকনো নাটা ফলের
গ. খাপরাগুলির                                    ঘ. কড়ির চুপড়ির কড়িগুলোর
৮.কোন কথাটি নিরেট সত্য?
i. কার্যক্ষেত্রে নেমে কাজ করবার শক্তি ভদ্র সম্প্রদায়ের নেই
ii. দেশের দুর্দশা, জাতির দুর্গতি ভদ্র সম্প্রদায় বোঝে।
iii. দেশের দুর্গতি, দুর্ভাগ্যের কথা লোককে বুঝিতে তাদের কাঁদাতে পারে।
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও iii                 খ. ii ও iii                 গ. i                  ঘ. i, ii ও iii
৯. বাংলাদেশের উৎসব : নববর্ষ গ্রন্থটি কে সম্পাদনা করেছেন?
ক. কবীর চৌধুরী          খ. মোবারক হোসেন            গ. ড. এনামুল হক      ঘ. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
১০.‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য কোনটি?
ক. বই পড়ায় আগ্রহ সৃষ্টি করা             খ. সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বারোপ করা
গ. জ্ঞানার্জনের জন্য উপদেশ দেওয়া        ঘ. শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন করা
১১. মোতাহার হোসেন চৌধুরীর গদ্যে কার প্রভাব লক্ষণীয়?
ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়         খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর        গ. প্রমথ চৌধুরী     ঘ. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
১২.‘আসল কথা এই যে, ছোটগল্প আকারে ছোট হইবে বলিয়া ইহাতে জীবনের পূর্ণাবয়ব আলোচনা থাকিতে পারে না’—এ কথা কে বলেছেন?
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর          খ. শ্রীশ চন্দ্র দাশ        গ. এডগার অ্যালানপো    ঘ. এইচ জি ওয়েলস
১৩. ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতার ষষ্ঠকের মিলবিন্যাস কিরূপ?
ক. কখ, কখ, খক         খ. কখ, গঘ, ঙচ        গ. গঘ, গঘ, গঘ             ঘ. ঘঙ, ঘঙ, চচ
১৪. আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কোনটি নয়?
ক. অতীতের সুখময় দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করা        খ. মিথ্যা সুখের আশা করে দুঃখ বাড়ানো
গ. ভবিষ্যৎ জীবনের ওপর নির্ভর করা                    ঘ. সংসারকে সমরাঙ্গন মনে না করা
১৫.‘মানুষ’ কবিতার কোন চরণে কবির আক্ষেপ প্রকাশ পেয়েছে?
ক. ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়
খ. তব মসজিদ-মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবি
গ. ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা দেওয়া দ্বার
ঘ. হায়রে ভজনালয়, তোমার মিনারে চড়িয়া ভণ্ড গাহে স্বার্থের জয়
১৬. নারীর সহায় সম্বল সম্ভ্রম বিসর্জিত হওয়ার কথা কোন চরণে ব্যক্ত হয়েছে?
ক. সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল                খ. সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর
গ. মোল্লা বাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে নড়বড়ে খুঁটি ধরে দগ্ধ ঘরের
ঘ. হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে বসে আছে পথের ধারে
১৭. ‘আমার দেশের মাটির গন্ধে
ভরে আছে সারা মন’—চরণটির সাথে সাদৃশ্য বাক্য কোনটি?
i. হাত রাখো বৈঠায় লাঙলে
দেখো আমার হাতের স্পর্শ লেগে আছে কেমন গভীর
ii. দেখো, মাটিতে আমার গন্ধ
iii. আমার শরীরে লেগে আছে এই স্নিগ্ধ মাটির
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii          খ. i ও iii             গ. ii ও iii                 ঘ. i, ii ও iii
১৮.‘আমার সাধ না মিটিল, আশা না পুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা।
উদ্ধৃতাংশটির বিপরীত অনুভব কোন চরণে ফুটে উঠেছে?
i. সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি
ii. সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে
iii. এশিরিয়া ধুলো আজ বেবিলন ছাই হয়ে আছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii                  খ. i ও iii                 গ. ii ও iii                              ঘ. i, ii ও iii
১৯. ‘পল্লী জননী’ কবিতায় মায়ের কাছ থেকে অঙ্গীকার আদায়ের কথা কোন চরণে ফুটে উঠেছে?
ক. করিমের সাথে খেলিবারে গেলে দিবে নাত তুমি গাল
খ. শোন মা, আমার লাটাই কিন্তু রাখিও যতন করে
গ. ফুলঝুড়ি সিকা সাজাইয়া রেখো আমার সমুখ পরে
ঘ. রাখিও ঢ্যাঁপের মোয়া বেঁধে তুমি সাত-নরি সিকা ভরে
২০. ‘তিনি অত্যাচারী ইংরেজ ও হিন্দু জমিদারদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন’—কার কথা বলা হয়েছে?
ক. ক্ষুদিরাম              খ. তিতুমীর                     গ. সূর্যসেন                     ঘ. হাজী শরিয়ত
২১. ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় কবি নির্মলেন্দু গুণ তাঁর বর্ণনাকে আরো অর্থবহ করতে কোন কোন কবির কবিতার চরণ নৈপুণ্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছেন?
ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও বিষ্ণু দে                খ. কাজী নজরুল ইসলাম ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিষ্ণু দে                    ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম
২২. মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তিশালী আক্রমণ বোঝাতে ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় কবি কোন চরণটি ব্যবহার করেছেন?
ক. তোদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়েছি নয় মাসে
খ. কার রক্ত ছুঁয়ে শেষে হয়ে গেল ঘৃণার কার্তুজ
গ. ভাই-বোন কে ঘুমায়? জাগে, নীল কমলেরা জাগে
ঘ. এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে
২৩.‘বানর একটা’ কথাটি কে বলেছে?
ক. মধু                  খ. রানি              গ. রাজাকার কুদ্দুস                     ঘ. মতিউর
২৪. খোদেজা পীরের পক্ষ নিয়েছে কেন?
ক. পীরের অভিশাপের ভয়ে                      খ. বাঙালি নারী বলে
গ. ছেলেকে হারানোর ভয়ে                         ঘ. নির্ঝঞ্ঝাট থাকার জন্য
২৫. ‘বহিপীর’ নাটকের অপ্রধান চরিত্র দুটি হলো—
ক. চাকর ও হকিকুল্লাহ                     খ. খোদেজা ও হকিকুল্লাহ    
গ. হাতেম আলি ও হকিকুল্লাহ          ঘ. হকিকুল্লাহ ও তাহেরা
২৬.‘বহিপীর নাটকটিতে প্রতিফলিত ও সমাজচিত্রের সময়কাল কত?
ক. ১৮ শতকের শেষভাগ বা ১৯ শতকের সূচনালগ্ন
খ. ১৯ শতকের শেষ ভাগ বা ২০ শতকের সূচনালগ্ন
গ. ২০ শতকের শেষ ভাগ বা ২১ শতকের সূচনালগ্ন
ঘ. ১৭ শতকের শেষ ভাগ বা ১৮ শতকের সূচনালগ্ন
২৭. ‘ব্যক্তিগতভাবে আপনার খোঁজ-খবর নিতে পারি নাই’—কার খোঁজ-খবরের কথা বলা হয়েছে?
ক. তাহেরার।             খ. পীর সাহেবের                গ. হাতেম আলির।              ঘ. খোদেজার
২৮. খোদেজার মতে কোনটি খারাপ নয়?
ক. তাহেরার পীর সাহেবের শর্ত মেনে নেওয়া                খ. তাহেরার পীরের কাছে ফিরে যাওয়া
গ. পীর সাহেবের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য নেওয়া        ঘ. পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়া
২৯.‘এই উপন্যাসে আরও একজনের উপস্থিতি স্পষ্ট’—সেই মানুষটি কে?
ক. শিল্পী শাহাবুদ্দিন             খ. বঙ্গবন্ধু                  গ. বুধার মা                     ঘ. মধু
৩০. বিদেশি মিলিটারিদের প্রতি বুধার ঘৃৎণা ও আক্রোশ কোন বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে?
ক. আমার হাত দিয়েই তোমাদের একটা কিছু পাওনা হবে
খ. ওদের চোখে চোখ পড়লে ওর দৃষ্টি কেঁপে ওঠে না
গ. আমরা লড়াই না করলে গ্রামটা একদিন ভূতের বাড়ি হবে
ঘ. তোমার সঙ্গে আমি কেন যাব? গাঁয়ে থাকবে কে?
৩৯। বুধা মনের আনন্দে পথের ধুলো মাখে—
ক. সারা গায়ে             খ. দুই হাতে             গ. দুই পায়ে                        ঘ. মাথায়






Sunday, October 13, 2019

মানবতা আজ দালালের খপ্পরে

জানতাম,মানবতা মানে এক স্রষ্টাতে বিশ্বাস।
জানতাম,মানবতা মানে,
"সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নেই।"
জানতাম,মানবতা মানে,
"গাহি সাম্যের গান
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই নহে কিছু মহীয়ান।"
জানতাম,মানবতা মানে,
"মিথ্যা শুনিনি ভাই
এই হৃদয়ের চেয়ে বড় মন্দির কোন কাবা গৃহ নেই।"
জানতাম,মানবতা মানে,
"জাতের কিরুপ দেখলাম না এ নজরে।"
জানতাম,মানবতা মানে,
"শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা।"
জানছি, মানবতা মানে, সুবিধাবাদী।
মানবতা মানে,এক প্রকার দালালী।
যারা সবচেয়ে বেশি দেখত,
আজ তারা সবচেয়ে বেশি অন্ধ।
যারা সবচেয়ে বেশি বলত কথা
তারা আজ সবচেয়ে বোবা।
মানবতা আইলানকে ১০০ ডিগ্রি
পাওয়ারি চশমা দিয়ে দেখে।
কিন্তু করিমকে দেখে না।
মানবতা আজ বন্য পশুকে (হাতি) দেখে
কিন্তু নিস্পাপ শিশুকে দেখে না।
"বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসা
নদীতে ফানার মতো লাশ ভাসা"
এসব আজ,বিশ্বে শুধু কবিতার লাইন।
তাই,
মানবতা আজ অন্ধ।
মানবতা আজ বোবা।
মানবতা আজ বধির।
মানবতা আজ ভাসছে সাগরে,
মানবতা আজ পুড়ছে আগুনে,
মানবতা আজ তীব্র রক্তাক্ত,
মানবতা আজ ক্ষত বিক্ষত,
মানবতা আজ........
মানবতা আজ........
মানবতা আজ আর্তনাদ.....
মানবতা আজ ত্রাহি ত্রাহি রব করছে
আকাশে বাতাসে।
জানতাম, দেওয়ালের এক প্রান্তে আঘাতে
অন্য প্রান্ত আহত হতো।
তবে কি আজ দেওয়ালের একতা নেই???
নাকি দেওয়ালের অনুভূতিও আজ নষ্ট???
নাকি সবকিছু আজ নষ্ট দালালের খপ্পরে
আর নষ্টদের দখলে?
(৩০.১১.২০১৬ খ্রি:)

Thursday, October 3, 2019

ইসলামে অমুসলিমদের সুরক্ষাঃ

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুন্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি মুহাম্মদ ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে লড়াই করব।’ –সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২

তিনি (সা.) আরও বলেছেন, ‘অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমকে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেই ওই ঘ্রাণ পাওয়া যাবে।’ –সহিহ বোখারি : ৩১৬৬

অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ -সুনানে নাসাঈ : ৪৭৪৭

রাসূলুল্লাহ (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনের চিরাচরিত নিয়ম ছিল, যখন কোনো সেনাবাহিনী প্রেরণ করার প্রয়োজন হতো, তখন যুদ্ধ সম্পর্কিত বিভিন্ন নসিহত, দিকনির্দেশনার পাশাপাশি একথা অবশ্যই বলে দিতেন যে, ‘যুদ্ধকালীন সময়ে বা যুদ্ধের পর কোনো মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয় ভেঙে ফেলবে না।’ -মুসান্নাফ আবি শায়বা : ৩৩৮০৪

Tuesday, October 1, 2019

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-সময়ের চেয়ে আধুনিক বাঙ্গালি!

‘নষ্টে মৃতে প্রব্রজিতে, ক্লীবে চ পতিতে পতৌ’

অর্থাৎ, স্বামী নিখোঁজ বা মৃত্যুবরণ করলে কিংবা নপুংসক বা পতিত হলে স্ত্রী আবার বিয়ে করতে পারেন।

বিদ্যাসাগর সংস্কৃত এই বাক্যটি পেয়েই বলে উঠেছিলেন, ‘পেয়েছি পেয়েছি’। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যিনি ঊনিশ শতকের সমাজ সংস্কারক, যিনি নিজ সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন – তার অন্যতম এক সংস্কারকাজ ছিল বিধবা বিবাহ প্রচলনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা।

সেসময় তিনি রাত দিন একাকার করে শাস্ত্র পড়তেন। বীরসিংহ গ্রামে একদিন বিদ্যাসাগরের মা ভগবতীদেবী প্রতিবেশী এক কিশোরী কন্যার অকালে বিধবা হয়ে যাওয়া দেখে, আকুল হয়ে পুত্রের কাছে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বিধবাদের বাঁচার কি কোনো উপায় আছে?

বিদ্যসাগর জানান, বিধবাদের বিয়ে শাস্ত্র সিদ্ধ। তিনি এই বিষয়ে লিখবেন কিন্তু সমাজে বেশ একটা হট্টগোল হতে পারে এনিয়ে। কারণ, বিধবারা আবার বিয়ে করবে, কোনো পুরুষ বিধবা নারীকে বিয়ে করবে- একথা সেইসময়কার সমাজে কেউ ভাবা দূরে থাক, কল্পনাতেও বোধহয় আনতে পারত না।

বিধবা বিবাহ প্রচলনের প্রতি বিদ্যাসাগরের ব্যক্তিগত উপলব্ধি জন্মায় সম্ভবত আরো আগে। ছোট বেলায় গ্রামে রাইমনি নামে এক সঙ্গী ছিল তার। রাইমনির বিয়ে হয়ে গেল খুব অল্প বয়সেই৷ স্বামীর বাড়ি চলে যায় সে। কিছু বছর বাদে রাইমনি বিধবা হয়ে গ্রামে ফিরে আসে একমাত্র ছেলে গোপালকে সাথে নিয়ে।

বিদ্যাসাগরও একদিন গ্রামে ফিরে দেখলেন রাইমনি ফিরে এসেছে কিন্তু তার সারা মুখে যেন স্থায়ী বিষণ্ণতার ছাপ। সেদিন একাদশী, রাইমনি উপবাস করছিল। তার দিকে যেন তাকানোই যায় না। কি যে কষ্ট চোখে মুখে…বিদ্যাসাগর তখন উপলব্ধি করলেন, হিন্দু বিধবা নারীদের বৈধব্য থেকে মুক্তি দিতে হলে, পুনর্বিবাহ দেয়া ছাড়া গতি নেই।

বিদ্যাসাগর সেসব দিনে রাত দিন পড়তেন। শাস্ত্র পড়তে গিয়েই তিনি সেই সংস্কৃত বাক্যটি খুঁজে পেয়েছিলেন। সেটা ১৮৫৩ সালের কথা।

বিদ্যাসাগর

পরের বছর, সময়টা যখন ১৮৫৪ সাল, ডিসেম্বর মাসে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে “সমাজোন্নতি বিধায়িনী সুহৃদ সমিতি” নামক সভা হয়। এই সভায় হিন্দু বিধবার পুনর্বিবাহ, বহুবিবাহ রোধ ও বাল্যবিবাহ বর্জন নিয়ে কিশোরীচাঁদ মিত্রের প্রস্তাব উঠে। অক্ষয়কুমার দত্ত প্রস্তাব সমর্থন করেন। প্রস্তাবের প্রতিলিপি পাঠানো হয় বৃটিশ লিগ্যাল কাউন্সিলে।

১৮৫৫ সালে বের হয় বিদ্যাসাগরের বইটি। বিধবা বিবাহ নিয়ে লেখা তার প্রথম বইয়ের দুই হাজার কপি অল্পসময়ে শেষ হয়ে গেল। এই বই নিয়ে বেশ আলোড়ন তৈরি হয়। সংস্কারবিরুদ্ধ সমাজ থেকে প্রতিবাদ আসে। সমালোচনা আসে। বিদ্যাসাগরও পালটা জবাব চালিয়ে যেতে থাকেন।

সেবছরই অক্টোবরে ৯৮৬ জনের সই নিয়ে বিদ্যাসাগর সরকারের কাছে বিধবা বিবাহ প্রচলনের দাবি তুলেন। সমাজ যেন দুইভাগে ভাগ হয়ে গেল। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও বিদ্যাসাগরের বিপক্ষে ছিলেন তখন। সবদিক থেকে সমালোচনার তীর ধেয়ে আসছিল বিদ্যাসাগরের দিকে।

কিন্তু এই আন্দোলনও থেমে ছিল না। ১৮৫৬ সালে বর্ধমান থেকেও বিধবা বিবাহের সমর্থকদের আবেদন গেল সরকারের কাছে। বর্ধমানের রাজা মহতাব সিং বিদ্যাসাগরের পক্ষে সই করলেন। দীনবন্ধু মিত্র, প্যারিচাঁদ মিত্র, রাজনারায়ণ বসু, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মদনমোহন তর্কালঙ্কার প্রমুখও বিদ্যাসাগরের পক্ষে প্রস্তাব সমর্থন দিয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেন।

কিন্তু, প্রতিবাদে বিরোধী পক্ষের সই পড়লো আরো বেশি। সতর্ক করা হলো এই বলে, বিধবা বিবাহ চালু হলে ভারতে ধর্মদ্রোহ হবে।
কিন্তু, তারপরেও ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই সরকার বিধবা বিবাহ অনুমোদন দিয়ে আইন পাশ করলো! লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেন।

এবার দেখা দিলো, নতুন ফ্যাঁকড়া। বিধবাদের বিয়ে দিতে কেউ চাচ্ছে না, বিধবাদের বিয়ে করার মতো আগ্রহী কাউকেও দেখা যাচ্ছে না।

বিধবা বিবাহ, বিদ্যাসাগর
এগিয়ে এলেন বিদ্যাসাগরই। তিনি দৃঢ় ছিলেন, বলেছিলেন, “বিধবার বিয়ে হবে, আমিই দিব।”
*
১৮৫৬ সালেরই ৭ ডিসেম্বর। কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের রাজকৃষ্ণ বন্দোপাধ্যয়ের বাড়িতে নিমন্ত্রিত ৮০০ জন মানুষ। এলাহী কান্ড একেবারে। বিধবা বিবাহ হবে। পাত্র সংস্কৃত কলেজের এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি, তারপর মুর্শিদাবাদের জজ। পাত্রী দশ বছরের বিধবা মেয়ে যার বিয়ে হয়েছিল চার বছর বয়সে! বিদ্যাসাগর নিজের অর্থ খরচ করে জমকালো আয়োজন করে প্রথম বিধবা বিবাহ দেন।

এরপর বিধবা বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরকেই যেন সমাজ সব ভার দিয়ে দিয়েছে। আর কেউ এগিয়ে না এলেও বিধবা বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রে পাওয়া যায় বিদ্যাসাগরকে। তিনি নিজে ঋণে জর্জরিত হন। কিন্তু বিধবাদের বিয়ে দিতে কখনো পিছু হটেননা। ষাটজন বিধবার বিবাহ একাই দিয়েছিলেন তিনি।

এমনকি অনেকের মতের৷ বিরুদ্ধে গিয়ে নিজ পুত্র নারায়ণচন্দ্রকেও বিয়ে দেন বিধবা কন্যা ভবসুন্দরীর সাথে। ১৮৭০ সালের কথা। এই বিয়ে বিদ্যাসাগরের স্ত্রী, মা কেউই মানতে চাননি। কিন্তু, তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মুখে যা বলতেন ঠিক সেটাই করে দেখাতেন। যা অন্যের জন্যেও সমান, তার থেকে নিজেকে আলাদা করে দেখতেন না। তাই নিজের পুত্রকেও বিধবা নারীর সাথে বিবাহ দিতে তার একটুও হীনমন্যতা জাগেনি। এমনই মানুষ ছিলেন বিদ্যাসাগর।
*
তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রেও সংস্কার আনেন নিজ উদ্যোগে। একটা মানুষ তার সমস্ত সম্পত্তি বন্ধক রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে পারে, এমন ক্ষ্যাপাটে লোকের কথা এই যুগেও ভাবা যায় না। কিন্তু, একজন বিদ্যাসাগর ছিলেন যিনি সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা মানুষ। তিনি৷ নিজের সমস্ত সম্পত্তি বন্ধক রেখে শংকর ঘোষ লেনে মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউট তৈরি করেছিলেন, যা প্রথম বেসরকারি বাংলা কলেজ এবং একই সাথে প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ কলেজও বটে!

তিনি হিন্দুশাস্ত্রবিদ হলেও ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা তার স্বপ্ন ছিল। সংস্কৃত কলেজে থাকাকালীন সময়ে ওই কলেজের দ্বার তিনি উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন শুদ্রদের জন্যে, যারা নিচুজাত বলে সেই কলেজে ঢোকার অনুমতি পেতো না। তিনি চেয়েছিলেন মাতৃভাষায় শিখবে, শিক্ষিত হবে বাঙ্গালি। তাই, বাংলা বর্ণমালাকে সংস্কৃত ব্যাকরণের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ভাবেন তিনি। তাই তিনি লিখেন বর্ণপরিচয় নামক গ্রন্থ। যে গ্রন্থের লিপিসংস্কার পরবর্তীতে বাংলা লিপির আদর্শ হয়ে দাঁড়ায়।
*
সাহিত্যকেও তিনি সমৃদ্ধ করেন, সাহিত্যেও তিনি সংস্কার আনেন। মধ্যযুগীয় রীতি থেকে বেরিয়ে বাংলাকে আধুনিক করতে তার যত প্র‍য়াস। তিনি বাংলাতে সহজ ও আধুনিক ভাষারীতি চর্চা করেন। সহজবোধ্য গদ্যে তার লেখাগুলো।

তিনি পাঠ্যপুস্তকের অভাব দূর করার জন্য লিখেছেন বর্ণ পরিচয়, বোধোদয়, কথামালা, আখ্যানমঞ্জরী, বেতাল পঞ্চবিংশতি ইত্যাদি বই। আবার গদ্যে শৃঙ্খলা, বিন্যাস ও সাহিত্যের বাহন করে তুলবার জন্য লেখেন শকুন্তলা, সীতার বনবাস, মহাভারত, ভ্রান্তিবিলাস প্রভৃতি বই।

বর্ণপরিচয়

বাংলায় যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্নের ব্যবহার প্রথম শুরু করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’তে তিনি প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন। এর আগে বাংলায় যতিচিহ্নের প্রচলন ছিল না।

এই চিহ্নের ব্যবহারের ফলে ভাষা লিখন এবং বোঝার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয়। বাংলাকে আরেকটু এগিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে এটা ছিল অনন্য সংযোজন।
*
রবীন্দ্রনাথ বিদ্যাসাগরকে খুব বড় মানুষ বলে কদর করতেন। তিনি বলেন, “তাঁহার প্রধান কীর্তি বঙ্গভাষা। বিদ্যাসাগর বাংলাভাষার প্রথম যথার্থ শিল্পী ছিলেন।”

রবীন্দ্রনাথ এও লিখেছিলেন যে, “আমাদের এই অবমানিত দেশে ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এমন অখণ্ড পৌরুষের আদর্শ কেমন করিয়া জন্মগ্রহণ করিল, আমরা বলিতে পারি না।”

অর্থাৎ, ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এই মাপের একজন মানুষের জন্ম বঙ্গদেশে হয়েছে এটা বেশ বিস্ময়কর। জীবদ্দশায় তিনি প্রতিকূলতা স্বত্তেও, সমাজের বিরুদ্ধেও গিয়েও যে সংস্কার করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন, এমন সাহস বিরল।

আত্না বড় না হলে, বড় মনের মানুষ না হলে এতো বেশি স্বচ্ছতা আর স্পষ্টতা কারো মধ্যে থাকে না, যা ছিল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মধ্যে। তাই বলি, তিনি এমন এক সময়ের প্রতিনিধি, যখন তার সমাজ প্রস্তুত ছিল না, কিন্তু তিনি একাই সমাজকে প্রস্তুত করে তুলেছেন, সমাজের গতিপথ বদলে দিয়েছেন, ভাষাকে পূর্ণতা দিয়েছেন। তিনি তাই একজন সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা মহাপুরুষ!
সংগৃহীত : অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

Most Popular Post