পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ ও বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
পাঁচ ধাপে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ:
১. রেজিস্ট্রেশন
অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগে ১০ বছরের অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে ছয় মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হয়। শিক্ষানবিশকালে আইন বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন, মামলার ফাইল প্রস্তুত, মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক আইন, নজির ও প্রয়োগ, মামলা পরিচালনা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। শিক্ষানবিশকে তাঁর সিনিয়রের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চুক্তি করতে হয়। চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করে সংযুক্তি হিসেবে চুক্তিপত্রটি কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়। বার কাউন্সিলের অনুকূলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ জমা দিতে হবে ৮০০ টাকা।
২. তালিকাভুক্তির আবেদন
শিক্ষানবিশ চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস পূর্ণ হলে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদন ফরমের জন্য জমা দিতে হবে ৩৫০ টাকা। ফরমটি পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে লাগবে ছয় মাস শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হয়েছে এই মর্মে সিনিয়রের দেওয়া সনদ, শিক্ষানবিশকালে সিনিয়র পরিচালিত পাঁচটি দেওয়ানি ও পাঁচটি ফৌজদারি মামলার তালিকা, দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া চারিত্রিক প্রশংসাপত্র, সিনিয়র সত্যায়িত সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্রের ফটোকপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি, ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কাগজপত্র ও তাতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পাদিত হলফনামা। এনরোলমেন্ট ফি বাবদ গুনতে হবে দুই হাজার ৪০০ টাকা।
৩. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর বার কাউন্সিল থেকে দেওয়া হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের, প্রশ্নও থাকবে ১০০টি। পাস নম্বর ৫০। সিভিল প্রোসিডিউর কোড থেকে ২০টি, স্পেসিফিক রিলিফ অ্যাক্ট থেকে ১০টি, ক্রিমিনাল প্রোসিডিউর থেকে ২০টি, পেনাল কোড থেকে ২০টি, এভিডেন্স অ্যাক্ট থেকে ১৫টি, লিমিটেশন অ্যাক্ট থেকে ১০টি এবং পেশাগত নীতি, বার কাউন্সিল অর্ডার ও নিয়মাবলি, লিগ্যাল ডিসিশন ও রিপোর্ট থেকে পাঁচটি প্রশ্ন থাকবে।
৪. লিখিত পরীক্ষা
প্রিলিমিনারি পাসের পর অংশ নিতে হবে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায়। চার ঘণ্টার এ পরীক্ষায় দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন থেকে তিনটি প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে দুটি। ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন এবং তামাদি আইন থেকে দুটি করে প্রশ্ন থাকবে, লিখতে হবে একটি করে। ১৫ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে প্রতিটি প্রশ্নে। বাকি ১০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে বার কাউন্সিল আদেশের ওপর। প্রশ্ন থাকবে দুটি, উত্তর দিতে হবে একটির।
৫. মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাকা হবে মৌখিক পরীক্ষায়। দেওয়ানি কার্যবিধি ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন, তামাদি আইন, বার কাউন্সিল আদেশ আইনের ওপর প্রশ্ন করা হবে ৫০ নম্বরের। পাস নম্বর ২৫। মৌখিক পরীক্ষার সময় উল্লিখিত ১০ মামলার বিষয়ে কেস ডায়েরি দাখিল করতে হবে। তবে ব্যারিস্টারদের কেস ডায়েরি দাখিলের প্রয়োজন পড়ে না। এসব ধাপ সাফল্যের সঙ্গে অতিক্রম করলে আপনি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন।
#বার কাউন্সিলের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড করার নিয়ম:
বার কাউন্সিল এর অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ফরম ফিলাপের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে ভোগেন। আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ ও বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত নিয়মগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো-
প্রথমবার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (১০০০ টাকার) এবং একটা নীল (৩৭০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Enrollment Form (Application for enrollment as Advocate, Form A) নিয়ে এবং সাথে আপনার S.S.C, H.S.C এবং Law এর সার্টিফিকেট এবং মার্কসিট (এক কপি করে), তারপর ৪ কপি ছবি (Passport size) এবং একটা এফিডেবিট (এফিডেবিট আপনে চাইলে বার কাউন্সিল অফিস থেকে ও নিতে পারবেন এবং মনে রাখবেন এফিডেবিট নোটারি করতে হয়) নিয়ে আপনার সিনিয়রের কাছে যাবেন এইগুলো সত্যায়িত এবং Enrollment Form এ সিগনেচার করার জন্য (Enrollment Form আগে ফটোকপি করে তার উপর ড্রাফট করবেন যাতে মূল ফরমে ভুল না হয়) । তারপর ভালো ভাবে ফিলাপ করে এক কপি ফটোকপি করে নিবেন। তারপর ফরমের ২ টা কপি ( ১ টা মেইনকপি এবং আরেকটা ফটোকপি) নিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ যাবেন সেইখানে অফিস মেইনকপি রেখে দিবে এবং ফটোকপিতে সিল মেরে আপনাকে দিয়ে দিবে।
দ্বিতীয়বার বার কাউন্সিল এ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপের নিয়মঃ
শুরুতে বাংলামটর নামবেন। তারপর রুপায়ন ট্রেড সেন্টার এ প্রবেশ করে লিফট এর →৪র্থ ফ্লোর নেমে, সেইখান থেকে একটা হলুদ (৫০০ টাকার) এবং একটা নীল (১৫০০ টাকার) স্লিপ নিয়ে ফিলাপ করে →পঞ্চম ফ্লোর উঠে বাংকে টাকা জমা দিয়ে আবার →৪র্থ ফ্লোর গিয়ে সেইখান থেকে Re-Appear Form নিয়ে ফিলাপ করে এবং সাথে গতবারের এডমিট কার্ড এর ফটোকপি এবং সত্যায়িত (নিজের সিনিয়র দ্বারা) ৩ কপি ছবি দিয়ে বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ জমা দিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড যারা পাননি তাদের করনিয়ঃ
রেজিস্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সিরিয়াল বেশ লম্বা। সকাল সকাল গেলে অল্প সময় কাজ সেরে নেওয়া সম্ভব হবে।
পাবলিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন এবং ইনটিমিশন জমা যাদের ৬ মাসের বেশি তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া শুরু করেছে বার কাউন্সিল। তবে কিছু ক্ষেত্রে কার্ড না দিয়ে পরবর্তীতে উনাকে কবে দিবে সেই ডেট দিয়ে দিচ্ছে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করেছেন তাদের মধ্য থেকে যারা ইনটিমিশন ১৬ বা ১৭ সালে প্রথম দিকে জমা দিয়েছেন তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড রেডি হয়ে আছে বিধায় দিয়ে দিচ্ছে, তবে ১৭ সালের শেষের দিকে বা ১৮ সালে যারা জমা দিয়েছেন তাদের কার্ড বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী নোটিশ দিয়ে আলাদা আলাদা ডেট দিয়ে তাদেরকে একসাথে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া হবে। এসব নিয়ে বার কাউন্সিল সাধারণত আলাদাভাবে নোটিশ দিয়ে থাকে। আপনারা নোটিশ অথবা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে রাখবেন।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড না পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ করণীয় ও সতর্কতা [প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য]
এরকম অনেক পরিচিত শিক্ষানবিশ আছেন, যারা কিনা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে প্রায় দেড় বছর হতে চললো ইন্টিমেশন জমা দিয়েছেন। কিন্তু তারা এখনো রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাননি। তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে একটি ছোট্ট কিন্তু আছে! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনারা একবার অবশ্যই নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করবেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ আপনাদের নামের তালিকা বার কাউন্সিলে পাঠিয়েছে কিনা। আপনারা জানেন যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন বিভাগকে একটি তালিকা পাঠিয়ে দিতে হয় বার কাউন্সিলে, যে তালিকার ভিত্তিতেই আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ যোগাড় করুন যে, তাদের পাঠানো তালিকায় আপনার নাম ঠিকমতো গেছে কিনা। তাদেরকে খানিকটা চাপের ওপর রাখুন। নইলে শেষমুহূর্তে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন নাকি রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবেন? রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রাপ্তির বিষয়ে ‘শুভস্য শীঘ্রম’ হবেন দয়া করে!
অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষার ফরম ফিলাপঃ
শুরুতেই একটা কথা জেনে রাখুন যে, যে বা যারাই হাতে রেজিস্ট্রেশন কার্ড পেয়ে থাকেন, তারাই বার কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক নোটিশ ছাড়াই যেকোনো সময় পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সেরে রাখতে পারেন। ফরম ফিলাপ করে সংশ্লিষ্ট টাকা জমা দিয়ে দিলে বার কাউন্সিল তা রিসিভ করতে বাধ্য থাকে। তবে ঘটনাচক্রে যদি দেখা যায় যে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ফরম ফিলাপ এর সময় ফরম ফিলাপের কোনো নতুন মূল্য নির্ধারণ বা পুণ:নির্ধারণ করা হয়, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ঘাটতি টাকাও জমা দিতে হবে।
বার কাউন্সিল সর্বশেষ ভাইভা পরীক্ষার সময়ে ঘোষণা দিয়েছিলো যে, যারা রেজি. কার্ড হাতে পেয়েছেন, তারা নভেম্বর ২০ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ২০ তারিখের মধ্যে ফরম ফিলাপ করে রাখতে পারেন। তখন অনেকেই যারা রেজি. কার্ড হাতে পাননি, অথচ ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে, তারা ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন যে তাদের কী হবে! এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না! কেননা, বার কাউন্সিল যাদের রেজি. কার্ড ইস্যু করেনি, তাদেরও রেজি. কার্ড ইস্যু করে তাদেরকে ফরম ফিলাপের প্রয়োজনীয় সময় প্রদান করেই ফরম ফিলাপের আরো পর্যাপ্ত সময় দেবে।
তো, এই ফরম ফিলাপের চলমান সময়ের ভেতরেই বার কাউন্সিলের ভবন স্থানান্তর, কাগজপত্র বা ফাইলসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণের ঝুঁকি এবং অন্যান্য বিবিধ কারণে ফরম ফিলাপের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়েছে যে, পরবর্তীতে যথাসময়ে আবারো ফরম ফিলাপের নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিশেষভাবে উল্লেখ ছিলো যে, ‘‘পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত সকল প্রার্থীকেই ফরম ফিলাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হইবে মর্মে আশ্বস্ত করা যাইতেছে।”
তার মানে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি স্থগিত আছে। কিন্তু ঐ যে শুরুতেই বললাম, যারা অলরেডি রেজি কার্ড হাতে পেয়েছেন তারা যদি ফরম ফিলাপ করে রাখেন তাতে কোন অসুবিধা নাই, বার কাউন্সিল তা গ্রহণ করে নেবে।
সংগৃহীত : ফেসবুক থেকে
#তথ্য_সংগ্রহ_করেছেন: ফারিয়া আপু।
#বি.দ্রঃবানান ভুল হলে ক্ষমা করবেন।ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে কমেন্টে জানান।
Ad-1
Friday, May 31, 2019
Wednesday, May 29, 2019
বিদ্যুৎ শক খেলে কি করবেন?
আজ গ্রামের বাড়ীতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ এক বাড়ীতে চিল্লাচিল্লি, কান্নাকাটির আওয়াজ পেলাম। সবাই দৌড়াচ্ছে সেখানে। কি মনে করে আমিও গেলাম। ১৫/১৬ বছরের একটি মেয়ে বিদ্যুৎ শক খেয়েছে। তার পালস, শ্বাস প্রশ্বাস, নড়াচড়া সবই বন্ধ। মারা গেছে ভেবে কান্নাকাটি শুরু করেছে সবাই।
আমি দ্রুত পালস (এমনকি ক্যারোটিড), শ্বাস প্রশ্বাস, বুকে কান লাগিয়ে (যেহেতু স্টেথো ছিল না) হার্ট সাউন্ডও পেলাম না। সাথে সাথেই কার্ডিয়াক মেসেজ দিলাম, মাউথ টু মাউথ ব্রিদিং একজনকে শিখিয়ে দিয়ে সেটা দিতে বললাম। ৫/৭ মিনিটের মধ্যে তার পালস, হার্ট সাউন্ড, শ্বাস ফিরে এল। জিহ্বা দেখাল, চোখও খুলল। বেঁচে গেল সে।
কি করবেন আপনি?
১। যদি বিদ্যুতের তারে লেগে থাকে তবে ভারী সেন্ডেল পায়ে শুকনা বাঁশ বা কাঠ দিয়ে সেটা সরিয়ে দিন। বিদ্যুতায়িত অবস্থায় সরাসরি তাকে ধরতে যাবেন না। নইলে আপনিও বিপদে পড়ে যাবেন।
২। দ্রুত তাকে বালিশ ছাড়া, কাপড় চোপড় খুলে (যথা সম্ভব) মাটিতে শুইয়ে দিন। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যাবে।
৩। মূখ, নাকে কোন ময়লা, থু থু আছে কিনা বা জিহ্বা উলটে গিয়েছে কিনা দেখে নিন। থাকলে হাতের কাছে যাই পান (কাপড়) দিয়ে পরিস্কার করে দিন, জিহ্বা উলটে থাকলে মূখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তা সোজা করে দিন। এরপর দুই চোয়ালের মাঝে দুই দিকে চাপ দিয়ে মূখ খোলা অবস্থায় মূখ দিয়ে ফু দিতে থাকুন (আর্টিফিসিয়াল ব্রিদিং, মাউথ টু মাউথ)।
৪। একই সাথে বুকের ঠিক মাঝখানে একটু বায়ে (যেখানে হার্ট থাকে) হাতের তালুর গোড়ালি দিয়ে একটু ধাক্কা (ব্লো) দিন। এরপর ডান হাতের উপর বা হাত রেখে ১-২-৩.... ১-২-৩ এভাবে চাপ দিতে থাকুন। এটা মিনিটে ৭২ বারের মত করতে হয়। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার টিক টিক এর চেয়ে একটু বেশি।
৫। ৩ ও ৪ পদ্ধতি ৫/৭ মিনিটের মত করে পালস, হার্ট সাউন্ড (যদি সম্ভব হয়), শ্বাস প্রশ্বাস দেখুন। যদি ফিরে আসে তবে বন্ধ করুন। আর ফিরে না এলে আবার ৩, ৪ রিপিট করুন।
৬। হাত, পা, শরীর হালকা মেসেজ করে দিতে পারেন।
৭। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে Hartsol saline 1000 ml ২৫/৩০ ফোটা প্রতি মিনিটে দিতে পারেন। খেতে পারলে পানি, খাবার স্যালাইন, দুধ, ডাবের পানি এসব খেতে দিন।
নিরাপদ থাকুন, সুস্থ্য থাকুন!!!
কার্টেসিঃ শ্রদ্ধেয় ডাঃ Hriday Ranjan Roy স্যার
আমি দ্রুত পালস (এমনকি ক্যারোটিড), শ্বাস প্রশ্বাস, বুকে কান লাগিয়ে (যেহেতু স্টেথো ছিল না) হার্ট সাউন্ডও পেলাম না। সাথে সাথেই কার্ডিয়াক মেসেজ দিলাম, মাউথ টু মাউথ ব্রিদিং একজনকে শিখিয়ে দিয়ে সেটা দিতে বললাম। ৫/৭ মিনিটের মধ্যে তার পালস, হার্ট সাউন্ড, শ্বাস ফিরে এল। জিহ্বা দেখাল, চোখও খুলল। বেঁচে গেল সে।
কি করবেন আপনি?
১। যদি বিদ্যুতের তারে লেগে থাকে তবে ভারী সেন্ডেল পায়ে শুকনা বাঁশ বা কাঠ দিয়ে সেটা সরিয়ে দিন। বিদ্যুতায়িত অবস্থায় সরাসরি তাকে ধরতে যাবেন না। নইলে আপনিও বিপদে পড়ে যাবেন।
২। দ্রুত তাকে বালিশ ছাড়া, কাপড় চোপড় খুলে (যথা সম্ভব) মাটিতে শুইয়ে দিন। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যাবে।
৩। মূখ, নাকে কোন ময়লা, থু থু আছে কিনা বা জিহ্বা উলটে গিয়েছে কিনা দেখে নিন। থাকলে হাতের কাছে যাই পান (কাপড়) দিয়ে পরিস্কার করে দিন, জিহ্বা উলটে থাকলে মূখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তা সোজা করে দিন। এরপর দুই চোয়ালের মাঝে দুই দিকে চাপ দিয়ে মূখ খোলা অবস্থায় মূখ দিয়ে ফু দিতে থাকুন (আর্টিফিসিয়াল ব্রিদিং, মাউথ টু মাউথ)।
৪। একই সাথে বুকের ঠিক মাঝখানে একটু বায়ে (যেখানে হার্ট থাকে) হাতের তালুর গোড়ালি দিয়ে একটু ধাক্কা (ব্লো) দিন। এরপর ডান হাতের উপর বা হাত রেখে ১-২-৩.... ১-২-৩ এভাবে চাপ দিতে থাকুন। এটা মিনিটে ৭২ বারের মত করতে হয়। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার টিক টিক এর চেয়ে একটু বেশি।
৫। ৩ ও ৪ পদ্ধতি ৫/৭ মিনিটের মত করে পালস, হার্ট সাউন্ড (যদি সম্ভব হয়), শ্বাস প্রশ্বাস দেখুন। যদি ফিরে আসে তবে বন্ধ করুন। আর ফিরে না এলে আবার ৩, ৪ রিপিট করুন।
৬। হাত, পা, শরীর হালকা মেসেজ করে দিতে পারেন।
৭। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে Hartsol saline 1000 ml ২৫/৩০ ফোটা প্রতি মিনিটে দিতে পারেন। খেতে পারলে পানি, খাবার স্যালাইন, দুধ, ডাবের পানি এসব খেতে দিন।
নিরাপদ থাকুন, সুস্থ্য থাকুন!!!
কার্টেসিঃ শ্রদ্ধেয় ডাঃ Hriday Ranjan Roy স্যার
Thursday, May 16, 2019
স্ত্রী সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া
স্ত্রী সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া ও সেহরীর পর স্ত্রী সহবাস করা ৷
প্রশ্নঃজনাব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে কি সেহরী খাওয়া যাবে? আর সেহরী খাওয়ার পর যদি আযানের পুর্বে স্ত্রী সহবাস করা হয় তাহলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে? অনুগ্রহপুর্বক জানাবেন ৷
উত্তরঃ ফরজ গোসল অবস্থায় পানাহার করা বৈধ ৷ তবে অযু করে নেয়া সুন্নত ৷ অতএব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে ৷ তবে উত্তম হল, সময় থাকলে আগে গোসল করে নেয়া, তারপর সেহরী খাওয়া ৷
আর রমযানে সুবহে সাদেকের পুর্ব পর্যন্ত খানাপীনা, স্ত্রী-সহবাস সবকিছু বৈধ। যদিও সেহরী খাওয়ার পর হয়। তবে অবশ্যই নামাযের আগে গোসল করে মসজিদে জামাতের সহিত নামায আদায় করতে হবে ৷
-মেশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ১৭৪; ফতোয়ায়ে দারুল
উলুম। ৬/৪৯৬; মাসায়েলে রোজা ৫৭৷
#সংগৃহীত
প্রশ্নঃজনাব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে কি সেহরী খাওয়া যাবে? আর সেহরী খাওয়ার পর যদি আযানের পুর্বে স্ত্রী সহবাস করা হয় তাহলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে? অনুগ্রহপুর্বক জানাবেন ৷
উত্তরঃ ফরজ গোসল অবস্থায় পানাহার করা বৈধ ৷ তবে অযু করে নেয়া সুন্নত ৷ অতএব স্ত্রী সহবাসের পর গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে ৷ তবে উত্তম হল, সময় থাকলে আগে গোসল করে নেয়া, তারপর সেহরী খাওয়া ৷
আর রমযানে সুবহে সাদেকের পুর্ব পর্যন্ত খানাপীনা, স্ত্রী-সহবাস সবকিছু বৈধ। যদিও সেহরী খাওয়ার পর হয়। তবে অবশ্যই নামাযের আগে গোসল করে মসজিদে জামাতের সহিত নামায আদায় করতে হবে ৷
-মেশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ১৭৪; ফতোয়ায়ে দারুল
উলুম। ৬/৪৯৬; মাসায়েলে রোজা ৫৭৷
#সংগৃহীত
Monday, April 29, 2019
বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্যাংশ
পদ্যাংশ
নদীর স্বপ্ন
মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।
তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা চড়ে
দরজা দুটো একটুকু ফাঁক করে।
আমি যাচ্ছি রাঙা ঘোড়ার পরে
টগবগিয়ে তোমার পাশে পাশে।
(ক) বুদ্ধদেব বসু কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? ১
(খ) ছোট পাখিকে আকাশের মুখের তিল বলা হয়েছে কেন? ২
(গ) উদ্দীপকের কিশোরটির সঙ্গে ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতার বালকটির যে সাদৃশ্য আছে, তা তুলে ধরো।
(ঘ) “উদ্দীপকটি ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।”—উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো। ৪
প্রার্থী
ক. ‘প্রার্থী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
খ. কবি সূর্যের কাছে উত্তাপ ও আলো চেয়েছেন কেন?
গ. উদ্দীপকের রাকিবের দেখা দৃশ্যের সঙ্গে ‘প্রার্থী’ কবিতাটি কিভাবে সম্পর্কিত? তুলনামূলক আলোচনা করো।
ঘ. কবির চিন্তা উদ্দীপকের রাকিবের পরিবর্তিত পরিকল্পনা ও লক্ষ্যের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে—মূল্যায়ন করো।
জাগো তবে অরণ্য কন্যারা
২৫. নওরিনদের বাসার পেছনে চৌধুরীদের বিশাল বাগান। সেই বাগানে ফলের গাছসহ নাম না জানা অনেক বৃক্ষরাজি রয়েছে। প্রতিদিন বাগানের পাখির কলকাকলিতে তার ঘুম ভাঙে। একদিন সকালে উঠে সে দেখল চৌধুরী সাহেব বহুতল বাসভবন তৈরির পরিকল্পনায় রাতারাতি বাগানের সব গাছ কেটে ফেলেছেন। এই দৃশ্য দেখে নওরিনের মন খুবই বিষণ্ন হয়ে গেল। পাখিরা আর এখানে ডাকবে না। এভাবেই হয়তো পৃথিবীর এ সবুজ অরণ্য শেষ হয়ে যাবে।
(ক) কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের নাম কী? ১
(খ) মাটি অরণ্যের পানে চায় কেন? ২
(গ) উদ্দীপকটির সঙ্গে ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো। ৩
(ঘ) “নওরিনের বিষণ্নতার কারণ আর ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার কবির বিষণ্নতা যেন একই সূত্রে গাঁথা”—বিশ্লেষণ করো। ৪
২৬. বাবার চাকরিসূত্রে এক পাহাড়ি সবুজ গ্রামে বড় হয়েছে মনির। অনেক দিন পর আবার সেই শৈশবের স্মৃতিঘেরা স্থানে বেড়াতে এসে সে খুব হতাশ হলো। কারণ সেই পাহাড়ি গ্রামটি আর আগের মতো নেই। গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করা হয়েছে। ভূমিদস্যুরা এখানকার পাহাড়, গ্রাম ও প্রকৃতির সব সৌন্দর্য নষ্ট করে ইটের ভাটা তৈরি করেছে। ছোটবেলার পাহাড়ি বন্ধু সৌমিকের খবর নিয়ে জানল—তারা আর আগের টিলায় থাকে না। জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়ায় তারা বনের গহিনে চলে গেছে। মনির ব্যথিত মনে ভাবতে লাগল, তার শৈশবের গ্রামটি যদি আগের মতো বৃক্ষঘেরা সবুজ থাকত।
ক. কবি সুফিয়া কামাল এখন আর কিসের গান শুনতে পান না?
খ. ‘জাগাও মুমূর্ষু ধরা প্রাণ’—উক্তির মাধ্যমে কবি কাকে এবং কেন জাগার জন্য আহ্বান করেছেন?
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
ঘ. শৈশবের গ্রাম থেকে মনিরের হৃদয়ের যে হাহাকার তা যেন ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার কবির হাহাকারের প্রতিচ্ছবি।
Friday, April 26, 2019
সরকার চাইলে দিতে পারে আপনার বেড় রুমেও নিরাপত্তা;কিন্তু কীভাবে???
গাড়িতে করে টেম্পুতে চড়ে নিউ মার্কেট থেকে আসছিলাম নতুন ব্রিজের দিকে।জনৈক বলল;"একটা বাড়িতে খুন হয়েছে,সেটা সরকারের দোষ।"
আরেকজন বলল সেটা সরকারের দোষ নয়,সরকার কি আপনার বেড় রুমে নিরাপত্তা দেবে নাকি?
আরেকজন বলল; প্রশাসন ঠিক থাকলে সব অটোমেটিক ঠিক হয়ে যাবে।দেশের অভিভাবক ঠিক নেই;আপনি আর আমি কি করবো?যে সবচেয়ে বেশি অন্যায় করে ক্ষমতায় আসে,মানুষ তার কাছেই ন্যায় বিচার চায়।এটাই হলো দেশ,আমাদের বাংলাদেশ।
এবার আসি নিরাপত্তা বিষয়ে কিছু কথা বলি।
আসলে সরকারের কাছ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার বা পাওয়ার আগে নিজেকে নিজের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা প্রথমে রাখতে হবে।কথায় আছে ; Self help is the best help.তাই নিজেকেই প্রথমে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করতে হবে।সেই নিরাপত্তা ভেঙ্গে কেউ যদি কোন অন্যায় করে সে অপরাধের শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব।যেমন;
শহরের কোন বাসায় বা কোন এক অন্ধকার রাস্তার মধ্যে একজন আরেকজনকে হত্যা করে সেখানে পৃথিবীর কোন সরকারের পক্ষে সঠিক বিচার করে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি।কারণ কাকে,কিভাবে,দোষী সাব্যস্ত করবে সেটা অনেক দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়।অপরাধীকে ধরা কোন মতেই সম্ভব নয়।সম্ভব হলেও নি:সন্দেহে সে অপরাধী তা বিচার করে রায় প্রকাশ করা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়ে।এত কথা বলার কারণ হলো,তার একটি সুন্দর সমাধান বের করা।
সমাধান কী?
আমাকে যদি এক মাসের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দেওয়া হয়,কিংবা একটা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র করে দেওয়া হয়,আমি প্রতিটি পরিবাররের, প্রতিটি ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারব এবং দেব।অনেকেই এটা পড়ে হয়তো হাঁসবেন বা পড়ে মনে মনে হাঁসছেন।হাঁসার কিছু নেই,আমি ব্যক্তির বেড়রুমেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে দেব।
কিন্তু কীভাবে?
১. প্রথম কাজ হবে,দেশের ডিজিটাল ডিভাইস তথা সিসিটিভি ক্যামেরার সরঞ্জামের দাম কমিয়ে দেব।এর শুল্ক কমিয়ে দেব।প্রয়োজনে তাতে ভর্তুকি দেব।
২. সকল নাগরিকের সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো বাধ্য করে দেব।বিশেষ করে সকল বাড়িওয়ালাদের বাধ্য করবো,তারা যেন এক মাসের মধ্যে বিল্ডিংয়ের গেটে ও সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পথে যেন তারা সিসি ক্যামেরা লাগায়।
৩. যে সকল বাড়ির মালিক তা লাগাবে তাদের বাড়ির এক বছরের হোল্ডিং টেক্সের ৫% ছাড় দেওয়া হবে।এটা গেল বাড়ির নিরাপত্তার কথা।
এবার আসি রাস্তায় কিভাবে নিরাপত্তা দেবে?
১. যে দোকান মেইন রোড়ের পাশে থাকবে কিংবা যে কোন অলিতে গলিতে থাকবে প্রতিটি দোকান যেন সিসি ক্যামেরা লাগায় তা নিশ্চিত করবো।
২. এই সিসি ক্যামেরার একটা থাকবে দোকানের ভিতরে,আরেকটা থাকবে দোকানের বাইরে রাস্তার দিকে।এখন প্রশ্ন আসতে পারে দোকানে বেচা-কেনা নেই অত।সিসি ক্যামেরা লাগাবো কি করে?সেক্ষেত্রে তাদের প্রতি পরামর্শ থাকবে দুই বা তিন দোকান মিলে সিসি ক্যামেরা লাগাতে হবে।এতে তাদের সিটি কর্পোরেশনে টেক্স থেকে মোটের উপর ১০% কম দিতে পারবে ১ বা ২ মাস পর্যন্ত।
৩. দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে পূর্ব শর্ত হিসেবে থাকবে দোকানের বাইরে ও ভিতরে এবং দোকান রাস্তার পাশে থাকলে রাস্তার দিকে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে কি না তা যাচাই করে নিশ্চিত হয়ে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করব।
সুতারাং উপর্যুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিলে বাড়ির ভিতরে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে বাড়ির বাইরেও নিশ্চিত ধাকবে,দোকানে যেমন নিশ্চিত থাকবে দোকানের বাইরে যে কোন অলি-গলির মধ্যেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।এরপরও কেউ অপরাধ করে থাকলে, হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ ভিড়িও ফোটেজ থেকে একটিতেও হলে ধরা পড়বে।সরকারের দায়িত্ব হলো, সত্যিকারের অপরাধী শাস্তি নিশ্চিত করা।যা সরকার সহজে করতে পারবে, এবং মানুষের বেড় রুমেও নিরাপত্তা দিতে পারবে।এভাবে আমার স্বপ্ন সার্থক হবে।
লেখক:
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা,
বাংলার ভুবন
আরেকজন বলল সেটা সরকারের দোষ নয়,সরকার কি আপনার বেড় রুমে নিরাপত্তা দেবে নাকি?
আরেকজন বলল; প্রশাসন ঠিক থাকলে সব অটোমেটিক ঠিক হয়ে যাবে।দেশের অভিভাবক ঠিক নেই;আপনি আর আমি কি করবো?যে সবচেয়ে বেশি অন্যায় করে ক্ষমতায় আসে,মানুষ তার কাছেই ন্যায় বিচার চায়।এটাই হলো দেশ,আমাদের বাংলাদেশ।
এবার আসি নিরাপত্তা বিষয়ে কিছু কথা বলি।
আসলে সরকারের কাছ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার বা পাওয়ার আগে নিজেকে নিজের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা প্রথমে রাখতে হবে।কথায় আছে ; Self help is the best help.তাই নিজেকেই প্রথমে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করতে হবে।সেই নিরাপত্তা ভেঙ্গে কেউ যদি কোন অন্যায় করে সে অপরাধের শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব।যেমন;
শহরের কোন বাসায় বা কোন এক অন্ধকার রাস্তার মধ্যে একজন আরেকজনকে হত্যা করে সেখানে পৃথিবীর কোন সরকারের পক্ষে সঠিক বিচার করে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি।কারণ কাকে,কিভাবে,দোষী সাব্যস্ত করবে সেটা অনেক দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়।অপরাধীকে ধরা কোন মতেই সম্ভব নয়।সম্ভব হলেও নি:সন্দেহে সে অপরাধী তা বিচার করে রায় প্রকাশ করা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়ে।এত কথা বলার কারণ হলো,তার একটি সুন্দর সমাধান বের করা।
সমাধান কী?
আমাকে যদি এক মাসের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দেওয়া হয়,কিংবা একটা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র করে দেওয়া হয়,আমি প্রতিটি পরিবাররের, প্রতিটি ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারব এবং দেব।অনেকেই এটা পড়ে হয়তো হাঁসবেন বা পড়ে মনে মনে হাঁসছেন।হাঁসার কিছু নেই,আমি ব্যক্তির বেড়রুমেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে দেব।
কিন্তু কীভাবে?
১. প্রথম কাজ হবে,দেশের ডিজিটাল ডিভাইস তথা সিসিটিভি ক্যামেরার সরঞ্জামের দাম কমিয়ে দেব।এর শুল্ক কমিয়ে দেব।প্রয়োজনে তাতে ভর্তুকি দেব।
২. সকল নাগরিকের সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো বাধ্য করে দেব।বিশেষ করে সকল বাড়িওয়ালাদের বাধ্য করবো,তারা যেন এক মাসের মধ্যে বিল্ডিংয়ের গেটে ও সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পথে যেন তারা সিসি ক্যামেরা লাগায়।
৩. যে সকল বাড়ির মালিক তা লাগাবে তাদের বাড়ির এক বছরের হোল্ডিং টেক্সের ৫% ছাড় দেওয়া হবে।এটা গেল বাড়ির নিরাপত্তার কথা।
এবার আসি রাস্তায় কিভাবে নিরাপত্তা দেবে?
১. যে দোকান মেইন রোড়ের পাশে থাকবে কিংবা যে কোন অলিতে গলিতে থাকবে প্রতিটি দোকান যেন সিসি ক্যামেরা লাগায় তা নিশ্চিত করবো।
২. এই সিসি ক্যামেরার একটা থাকবে দোকানের ভিতরে,আরেকটা থাকবে দোকানের বাইরে রাস্তার দিকে।এখন প্রশ্ন আসতে পারে দোকানে বেচা-কেনা নেই অত।সিসি ক্যামেরা লাগাবো কি করে?সেক্ষেত্রে তাদের প্রতি পরামর্শ থাকবে দুই বা তিন দোকান মিলে সিসি ক্যামেরা লাগাতে হবে।এতে তাদের সিটি কর্পোরেশনে টেক্স থেকে মোটের উপর ১০% কম দিতে পারবে ১ বা ২ মাস পর্যন্ত।
৩. দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে পূর্ব শর্ত হিসেবে থাকবে দোকানের বাইরে ও ভিতরে এবং দোকান রাস্তার পাশে থাকলে রাস্তার দিকে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে কি না তা যাচাই করে নিশ্চিত হয়ে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করব।
সুতারাং উপর্যুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিলে বাড়ির ভিতরে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে বাড়ির বাইরেও নিশ্চিত ধাকবে,দোকানে যেমন নিশ্চিত থাকবে দোকানের বাইরে যে কোন অলি-গলির মধ্যেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।এরপরও কেউ অপরাধ করে থাকলে, হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ ভিড়িও ফোটেজ থেকে একটিতেও হলে ধরা পড়বে।সরকারের দায়িত্ব হলো, সত্যিকারের অপরাধী শাস্তি নিশ্চিত করা।যা সরকার সহজে করতে পারবে, এবং মানুষের বেড় রুমেও নিরাপত্তা দিতে পারবে।এভাবে আমার স্বপ্ন সার্থক হবে।
লেখক:
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা,
বাংলার ভুবন
Subscribe to:
Comments (Atom)
Recent Post
Most Popular Post
-
অলঙ্কার এর সংজ্ঞাঃ অলঙ্কার কথাটি এসেছে সংস্কৃত 'অলম' শব্দ থেকে।অলম শব্দের অর্থ ভূষণ।ভূষণ অর্থ সজ্জা,গহনা ইত্যাদি। তাই আভিধানিক অর্থে...
-
নৌকাডুবি (১৯০৬) চরিত্র ও তথ্য সমূহ ১. রমেশঃকলকাতা/Law/বাবার চিঠি/ ২. হেমনলিনীঃমাতৃহীন/ ৩. কমলাঃ ৪. ডাক্তার নলিনাক্ষঃ * গঙ্গার প্রবল ঘুর্ণিঝড়...
-
ভূমিকা : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যাঁর নামটি জড়িত, তিনি হলেন সৈয়দ মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর। জন্ম পরিচয় : তিতুমীর ভারতের পশ্চিমবঙ...
-
বলাকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত...
-
বিষয় : বাংলা সময়------২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-১০০ দ্রষ্টব্য : ডান পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক । নিচের অনুচ্ছেদট...
-
অর্থালঙ্কার: অর্থালঙ্কারের প্রকারভেদ: অর্থালঙ্কার পাঁচ প্রকার।যথা: ১. সাদৃশ্যমূলক ২. বিরোধমূলক ৩. শৃঙ্খলামূলক ৪. ন্যায়মূলক ৫. গূঢ়ার্থ...
-
উত্তর 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ অ-এর মতো হলে তাকে অ-বিবৃত বা স্বাভাবিক উচ্চারণ বলে।অ-ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণে ঠোঁট তেমন বাঁকা বা গোল হয় না।যে...