Ad-1
Monday, September 2, 2019
কাজী নজরুল ইসলাম এর পরিচিতি
১৮৯৯ সালের ২৪ মে জন্ম ১৩০৬ সালের ১১ জৈষ্ঠ্য।জন্মস্থান পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রাম। : কাজী আমিনুল্লাহ।পিতা কাজী ফকির আহমদ,তিনি মসজিদের ইমাম ও একটা মাঝারের খাদেম ছিলেন।মাতা জাহেদা খাতুন।ওনি দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।৪ ভাই ২ বোন।নজরুল সর্বশেষ সন্তান।
ডাকনাম; দুখু মিয়া।
ছদ্মনাম : ধুমকেতু।
উপাধি : জাতীয় কবি।
খ্যাতি : তারুণ্যের কবি,সাম্যের কবি, বিদ্রোহী কবি।
১৯০৮ : তার বাবা মারা যান।তারপর বাবার সে মসজিদে মোয়াজ্জিন ও খাদেমের চাকরি নেয়।
১৯১০ : তার চাচার মাধ্যমে লেটো গান(কাব্য,নৃত্য,গানের সমন্বয়) দলে যোগ দেন।এর সুবাদে বাসুদেব কবিয়াল ও শেখ চকোর গোদর এর সঙ্গে পরিচয় হয়।চকোর গোদর তাঁকে 'ব্যাঙাচিকবি' বলে ডাকত।
১৯১৩ সালে চায়ের দোকানে চাকরি করেন।
১৯১৪ সালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরামপুর হাই স্কুলে ভর্তি হয়।
১৯১৬ সালে প্রথম কবিতা প্রকাশ হয়, কবিতার নাম ছিল 'ক্ষমা'পরবর্তী নাম হয় 'মুক্তি ' কবিতা।
১৯১৭ সালে ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে যোগ দেন।তাঁর দক্ষতার কারণে তিনি সাধারণ সৈনিক থেকে হাবিলদার পদে উন্নীত হয়।
১৯২০ সালে ইরাকে গিয়ে যুদ্ধ করার কথা, কিন্তু ইতোমধ্যে বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ায় ৪৯ নং বাঙালি পল্টন ভেঙে দেওয়া হয়।যার ফলে তিনি কলকাতায় ৩২ নং কলেজ স্ট্রিট রোডের একটা বাসায় চলে আসেন।এ সময় তাঁর মুসলিম সাহিত্য পরিষদের সাহিত্যিকদের সঙ্গে পরিচয় হয়।
[বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ : বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সদস্য ছিলেন ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
২. আকরাম খাঁ
৩. মনিরুজ্জামান
৪. কমরেড মুজাফফর আহমেদ
৫. কাজী ইমদাদুল হক
৬. কাজী মোতাহের হোসেন।
'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' এর সুবাদে 'মুসলিম সাহিত্য সমিতি ' এর লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হয়।
১৯১৯ সালে কমরেড মুজাফফর আহমেদ ও কাজী নজরুল দুজনে মিলে একটি পত্রিকার সম্পাদনা করেন।পত্রিকার নাম 'নবযুগ'।এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন শে রে বাংলা এ কে ফজলুল হক। কিন্তু সেখানে একটি প্রবন্ধ 'মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে' প্রবন্ধ প্রকাশের জের ধরে ঐ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নজরুলের 'খেয়াপারের তরণী' কবিতাটা।যার সমালোচনা মোহিতলাল মজুমদার লেখেন,যার ফলে নজরুল আরও জনপ্রিয় হয়ে যায়।
১৯২১ এ সালটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এ বছরেই নজরুল মুসলিম সাহিত্য সমিতির প্রকাশক আলী আকবর খাঁনের সঙ্গে কুমিল্লায় আসেন।সেখানে গিরিবালার সঙ্গে তার পরিচয় হয়,গিরিবালার বোন/মেয়ে আশালতা সেন গুপ্ত। নজরুলের সঙ্গে বিয়ে হয় আলী আকবর খানের বোন সৈয়দা খাতুন এর সঙ্গে।পরে নজরুল তাঁর নাম দেয় নার্গিস।পুরো নাম নার্গিস আছার খানম।শর্ত ছিল ঘরজামাই থাকতে হবে,তাই বাসর রাতে তিনি পালিয়ে যান।পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেয় গিরিবালার কাছে।সেখানে আশালতার সঙ্গে পরিচয়।এই
১৯২১ সালেই তিনি প্রথম শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন।এ
১৯২১ সালেই তার বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক 'বিজলী' পত্রিকায়।
১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদনায় 'ধুমকেতু' পত্রিকা।এতে প্রকাশিত হয়েছিল 'আনন্দময়ীর আগমণে' - প্রবন্ধ।এতে প্রকাশিত হয় 'যুগবাণী' প্রবন্ধও প্রকাশিত হয়।
১৯২৩ সালে তাকে কারাবন্দী করা হয় এবং এক বছর কারাবন্দী করে রাখা হয়।এতে তিনি লিখেন 'রাজবন্দীর জবানবন্দী '।
১৯২৪ সালে আশালতা সেন গুপ্তকে বিয়ে করেন।নজরুল তাকে একটি সুন্দর নাম দিয়েছিল, নাম হলো 'প্রমীলা'। এটার অর্থ নারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
১৯২৮ সালে লিখেন একটি বিখ্যাত কবিতা।যেটি 'শিখা' পত্রিকায় 'নতুনের গান' কবিতার শিরোনামে প্রকাশিত হয়।১৯৯৬ সালে সেই কবিতার ২১ লাইন বাংলাদেশের 'রণসঙ্গীত' হিসেবে গৃহীত হয়।
১৯৩৪ সালে 'ধ্রুব ' নাটকে 'নারদ' চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন।
১৯৪২ সালে ৪৩ বছর বয়সে 'পিক ডিজিজ' নামে রোগে আক্রান্ত হয়।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরের দেশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
১৯৭২ সালে 'জাতীয় কবি'-র মর্যাদা দেওয়া হয়।
১৯৭৬ সালে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
নজরুলের যা কিছু প্রথম;
প্রথম রচনা : বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী(১৯১৯).
প্রথম গ্রন্থ : ব্যাথার দান(১৯২২).
প্রথম কবিতা ; মুক্তি(১৯১৯).
প্রথম কাব্যগ্রন্থ : অগ্নিবীণা (১৯২২).
প্রথম উপন্যাস : মৃত্যুক্ষুধা(১৯৩০)
প্রথম নাটক : ঝিলিমিলি(১৯২৭)
প্রথম প্রবন্ধ : তুর্কি মহিলার ঘোমটা খোলা(১৯১৯)
প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ : যুগবাণী (১৯২৭).
প্রথম জেয়াপ্ত গ্রন্থ : বিষের বাঁশি।
পদক;
১৯৪৫ সালে 'জগত্তারিণী' পদক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় দেয়।
১৯৬০ সালে 'পদ্মভূষণ' পদক দেওয়া হয়, এটা ভারত সরকার কর্তৃক সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
১৯৬৯ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় দেন ডি.লিট উপাধি দেওয়া হয়।
১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেন ডি.লিট উপাধি।
১৯৭৫ একুশে পদক।
১৯৭৭ স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন।
বাজেয়াপ্ত গ্রন্থসমূহ
১. বিষের বাঁশি
২. ভাঙার গান
৩. যুগবাণী
৪. চন্দ্রবিন্দু
৫. প্রলয়শিখা।
★'অগ্নিবীণা ' উৎসর্গ করেন বারীন্দ্রকুমার ঘোষ কে।
'বাঁধনহারা' উৎসর্গ করেন নলীনি কান্ত সরকারকে।
১৩ বার বাংলাদেশে আসেন।
কাজী নজরুল এর প্রথম:
উপন্যাস: ==========বাধন হারা,
কবিতা:============== মুক্তি,
কাব্য:============== অগ্নিবীণা,
ছোট গল্প:=========== হেনা,
নাটক: =============ঝিলিমিলি
প্রবন্ধ গ্রন্থ:============ যুগবাণী(1921),
প্রবন্ধ:=========== তুর্কি মহিলার ঘোমটা খোলা
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকাঃ====== লাঙ্গল, ধূমকেতু, নবযুগ।
***কাজী নজরুলের পিতার নাম কী====কাজী ফকির আহমদ।
*** রণসঙ্গীত হিসাবে মূল কবিতাটির কত চরণ গৃহীত====২১ চরণ।
***রণসঙ্গীত কী শিরোনামে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়==নতুনের গান শিরোনামে ঢাকার শিখা পত্রিকায় ১৯২৮ প্রকাশিত হয়।
***কাজী নজরুলের কোন গ্রন্থে এই সঙ্গীত অন্তর্ভুক্ত আছে==সন্ধ্যা কাব্য গ্রন্থে।
***কাজী নজরুল কোন দৈনিক পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন==‘সান্ধ্য দৈনিক নবযুগ’ (১৯২০)
*** এই পত্রিকার সঙ্গে আর কোন দুজন রাজনৈতিক নেতা যুক্ত ছিলেন==কমরেড মুজাফফর আহমদ ও শেরে বাংলা ফজলুল হক।
*** কাজী নজরুলের সম্পদনায় কোন অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা বের হত===‘ধূমকেতু’ (১৯২২)
** ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের কোন বাণী ছাপা হয়===‘আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু/আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু-’।
*** রবীন্দ্রনাথ তাঁর কোন গীতিনাট্য নজরুলকে উৎসর্গ করেন=== বসন্ত।
*** হুগলি জেলে কর্মকর্তাদের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে নজরুল অনশন করলে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে কী লিখে টেলিগ্রাফ পাঠান= Give up hunger strike. Our literature claims you.
** কাজী নজরুল জেল থেকে মুক্তি পান কবে==১৯২৩-এর ১৫ অক্টোবর।
** কাজী নজরুল ইসলাম কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগ দেন কখন==১৯২৫-এ ফরিদপুর কংগ্রেসের প্রাদেশিক সম্মেলনে।
**নজরুল সম্পাদিত ‘লাঙ্গল’ পত্রিকার প্রকাশকাল কত== ১৯২৫ সাল।
***কাজী নজরুলকে জাতীয় সংবর্ধনা দেয়া হয় কোথায় এবং কখন==১৯২৯-এর ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার অ্যালবার্ট হলে।
** নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী===ব্যথার দান(প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯২২)
**নজরুলের প্রথম প্রকাশিত নাটকের নাম কী==ঝিলিমিলি (১৩৩৪, নওরোজ।
*** নজরুলের প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম কী===বিষের বাঁশী
** নজরুলের মোট কয়টি গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত হয়, কী কী===৫টি। বিশের বাঁশী, ভাঙার গান, প্রলয় শিখা, চন্দ্রবিন্দু, যুগবাণী।
*** জেলে বসে লেখা জবানবন্দির নাম কী===রাজবন্দির জবানবন্দি। রচনার তারিখ ১৯২৩ ।
**‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্গত=====সিন্ধু হিন্দোল কাব্যের।
***কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীনা’ কাব্য নিষিদ্ধ হয়===রক্তাম্বরধারিনী মা।
**** নজরুলের কোনটি পত্রোপন্যাসের পর্যায়ভুক্ত====বাঁধনহারা।
*** বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে নজরুলকে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনায়ন করা হয় কত সালে===১৯৭২-এর ২৪ মে।
**** কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো কী কী===অগ্নি-বীণ১৯২২,)বিষের বাঁশি (১৯২৪)ভাঙার গান (১৯২৪)সাম্যবাদী (১৯২৫)সর্বহারা (১৯২৬) ফণি-মনসা (১৯২৭)জিঞ্জির (১৯২৮)সন্ধ্যা (১৯২৯),প্রলয় শিখা (১৯৩০)ইত্যাদি।
*** কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলোর নাম উল্লেখ কর===== বাঁধনহারা’ (১৯২৭),মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১)।
*** কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলোর নাম কর====ব্যথার দান (১৯২২), রিক্তের বেদন (১৯২৫), শিউলিমালা (১৯৩১)।
***বিবিসির বাংলা বিভাগ কর্তৃক জরিপকৃত (২০০৪) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় নজরুলের স্থান কত===তৃতীয়।
*** বাল্যকাল তিনি কী নামে পরিচিত ছিলেন====দুখু মিয়া।
***কাজী নজরুল ইসলাম কী নামে খ্যাত===বিদ্রোহী কবি।
***বাংলা ভাষায় কে প্রথম ইসলামী গান ও গজল রচনা করেন====কাজী নজরুল ইসলাম।
***কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ সালে কত নং বাঙালি পল্টনে যোগ দেন===৪৯ নং
***১৯৩৩ সালে প্রকাশিত ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থ কার নামে উৎসর্গ করেন--===মিসেস এম রহমান
***‘চন্দ্রবিন্দু’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা===গল্প
***‘ভাঙ্গার গান’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা===কাব্যগ্রন্থ।
***আবুল মনসুর আহমদ এর কোন গ্রন্থে কাজী নজরুল ইসলাম ভূমিকা রচনা করেছেন===আয়না
**কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি নাটকের নাম করুন==ঝিলমিলি,আলেয়া,পুতুলের বিয়ে
*** কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতাটি কোনটি==প্রলয়োল্লাস।
***১৯৩০ সালে কোন কবিতার জন্য নজরুল ইসলাম ৬ মাসের জন্য কারাবরণ করেন======প্রলয় শিখা
*** কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমমূলক রচনা কোনটি=== শিউলীমালা
***‘আমি সৈনিক’ রচনাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত===দুর্দিনের যাত্রী।
***কত সলে কবি নজরুলকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়===১৯৭৪ সালে।
***কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী এবং কত সালে প্রকাশিত হয়===অগ্নিবীণা, ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
*** এ পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা কত=== ৫১টি
*** কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন===সঞ্চিতা।
***কাজী নজরুলের ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়===লাঙ্গল।
***কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম আশালতা সেন গুপ্তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন===১৯২৪ সালে
***১৯২২ সালে ধূমকেতুর শারদীয় সংখ্যায় কী কী প্রকাশের জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে এক বৎসর কারাবণ করতে হয়===আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা এবং ‘বিদ্রোহীর কৈফিয়াৎ’ প্রকাশের জন্য।
***কত সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি নজরুলকে ডক্টরেট উপাধি প্রদান করে==১৯৭৪ সালে
***নজরুল ইসলামের কবিতা সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়==বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকায়।
***বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে দুটি বৃক্ষ আছে। তার একটি রবীন্দ্রনাথের নামে অপরটি কার নামে==কাজী নজরুল ইসলামের নামে।
**** ‘যাকে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নি’- এই বিখ্যাত গানের চরণটি নজরুল কাকে উদ্দেশ্য করে রচনা করেছেন===নার্গিসকে।
***নার্গিসের বাড়ি কোথায়===কুমিল্লা জেলার দৌলতপুরে।
*** মুসলিম ও হিন্দু এতিহ্যকে একীভূত করার উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর ছেলের নাম কী রাখেন====কৃষ্ণ-মোহাম্মদ
*** নজরুল মায়ের মত সম্মান করতো কোন মহিলাকে=বিরজা সুন্দরী নামে কুমিল্লার এক হিন্দু মহিলাকে।
*** তিনি মৃত্যুবরণ করেন কবে===২৯ আগষ্ট, ১৯৭৬; ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ।
ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা
গীতিকার ও সুরকার : আব্দুর রাহমান বয়াতি
দে দে পাল তুলে দে
মাঝি হেলা করিস না
ছেড়ে দে নৌকা
অামি যাবো মদিনা
দুনিয়ায় নবী এলো
মা অামিনার ঘরে
হাসিলে হাজার মানিক
কাঁদিলে মুক্তা ঝড়ে
ও দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
অামার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা...
ও নূরের রৌশনীতে
দুনিয়া গেছে ভরে
সে নূরের বাতি জ্বলে
মদিনার ঘরে ঘরে
দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
অামার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা.......
দে দে পাল তুলে দে
কারো কারো মতে; কর্পোরেট বাউলগণ ও তাদের পৃষ্ঠপোষকগণ কর্তৃক সত্যের অপলাপ করা হয়েছে।
এটা প্রথম লেখা হয় ১৯৯৮ সালে। এটি লিখেছেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলার মাওলানা নিজাম উদ্দিন। প্রথম সুর গীতিকার নিজেই দেন। ৯৮ সালে চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের সংগঠন "মদীনা ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম" এর উদ্যোগে ক্যাসেটে এটি প্রকাশিত হয়। গেয়েছেন মাওলানা একরাম, যিনি এখন চট্টগ্রাম বন্দর মসজিদের ইমাম।
অবশ্য কর্পোরেট বাউলগণ কিছু কথা পরিবর্তন করে নিয়েছে।
দে দে পাল তুলে দে
মাঝি হেলা করিস না
ছেড়ে দে নৌকা
অামি যাবো মদিনা
দুনিয়ায় নবী এলো
মা অামিনার ঘরে
হাসিলে হাজার মানিক
কাঁদিলে মুক্তা ঝড়ে
ও দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
অামার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা...
ও নূরের রৌশনীতে
দুনিয়া গেছে ভরে
সে নূরের বাতি জ্বলে
মদিনার ঘরে ঘরে
দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
অামার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা.......
দে দে পাল তুলে দে
কারো কারো মতে; কর্পোরেট বাউলগণ ও তাদের পৃষ্ঠপোষকগণ কর্তৃক সত্যের অপলাপ করা হয়েছে।
এটা প্রথম লেখা হয় ১৯৯৮ সালে। এটি লিখেছেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলার মাওলানা নিজাম উদ্দিন। প্রথম সুর গীতিকার নিজেই দেন। ৯৮ সালে চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের সংগঠন "মদীনা ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম" এর উদ্যোগে ক্যাসেটে এটি প্রকাশিত হয়। গেয়েছেন মাওলানা একরাম, যিনি এখন চট্টগ্রাম বন্দর মসজিদের ইমাম।
অবশ্য কর্পোরেট বাউলগণ কিছু কথা পরিবর্তন করে নিয়েছে।
Wednesday, August 28, 2019
ভালোবাসা রং বদলায়
সুবর্ণা মুস্তফার সাথে একবার হুমায়ুন ফরিদীর প্রচণ্ড ঝগড়া হলো, রাগ করে সুবর্ণা অন্য রুমে গিয়ে দরজা আটকে শুয়ে পড়লেন।
সুবর্ণা সকালে উঠে দরজা খুলে দেখেন, যেই রুমে ঝগড়া হয়েছিল, সেই রুমের মেঝে থেকে ছাদের দেয়াল পর্যন্ত একটি কথাই লিখে পুরো রুমকে ভরে ফেলা হয়েছে, কথাটি হল- 'সুবর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি'|
এতো ভালোবাসাও তাদের বিচ্ছেদ ঠেকাতে পারেনি, ২০০৮ সালে ডিভোর্স হয়। কারণ ভালোবাসা রং বদলায়..!
জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন-
'প্রেম ধীরে মুছে যায়; নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।'
এই জীবনানন্দকে একবার দেখেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে লাবণ্যপ্রভা। সাহিত্যের ছায়া থেকে একশ হাত দূরে থেকেও সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র এই লাবণ্য।
সেও কিছুকাল পরে টের পায় তার স্বাধীনতা হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তির জন্য ছটফট করতে থাকে। দুর্বিষহ হয়ে উঠে দুজনের জীবন। প্রেম সত্যি একসময় মুছে যায়।
গুলতেকিন নামের ক্লাস টেনের সেই কিশোরী হুমায়ুনের প্রেমে অন্ধ হয়ে বিয়ে করে ফেলে।
বিয়ের পরে সে জানতে পারে যে লেখক হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে খুবই সাধারণ। বাস্তব জীবনে সে চাঁদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে না, কবিতা আওড়ায় না। তার মধ্যে আলাদা কিছু নেই। সে আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ।
স্বপ্ন ভঙ্গের মতো ব্যাপার"
গুলতেকিন বারবার বলতে থাকে- 'তোমার লেখাই ভালো, অন্যকিছু ভালো না।'
আসলেই ভালোবাসা রং বদলায়!
নন্দিতা রায়ের 'বেলাশেষে' সিনেমায় এই কঠিন ব্যাপারটা খুব সহজভাবে বুঝানো হয়েছে-
'হাতের ওপর হাত রাখা খুব সহজ,
সারাজীবন বইতে পারা সহজ নয়!'
সহজ না হওয়ার কারণ ঐ একটাই-
'ভালোবাসা রং বদলায়' 🙃
আসলে প্রেম ভালবাসার সহজলভ্যতার এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিরল দুটি জিনিস-
"মনের মানুষ" এবং "মানুষের মন"।
এই দু'টোর উপর বিশ্বাস থাকা ভাল এবং উচিতও বটে। তবে সেটা কেবলই নিজের মধ্যে। কখনোই এগুলো নিয়ে অতি আত্মবিশ্বাসী বড়াই দেখানোও উচিত নয়।
কারণ হাওয়ার দিক পরিবর্তন হয়ে কখন কোনদিকে বয়ে যায় সেটা সর্বদাই অনিশ্চিত। হোক সেটা প্রকৃতির হাওয়া অথবা মনের।
আসলেই ভালবাসা রং বদলায়।
[কৃতজ্ঞতা স্বীকার: কুটিবাড়ি নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত ]
সুবর্ণা সকালে উঠে দরজা খুলে দেখেন, যেই রুমে ঝগড়া হয়েছিল, সেই রুমের মেঝে থেকে ছাদের দেয়াল পর্যন্ত একটি কথাই লিখে পুরো রুমকে ভরে ফেলা হয়েছে, কথাটি হল- 'সুবর্ণা, আমি তোমাকে ভালোবাসি'|
এতো ভালোবাসাও তাদের বিচ্ছেদ ঠেকাতে পারেনি, ২০০৮ সালে ডিভোর্স হয়। কারণ ভালোবাসা রং বদলায়..!
জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন-
'প্রেম ধীরে মুছে যায়; নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।'
এই জীবনানন্দকে একবার দেখেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে লাবণ্যপ্রভা। সাহিত্যের ছায়া থেকে একশ হাত দূরে থেকেও সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র এই লাবণ্য।
সেও কিছুকাল পরে টের পায় তার স্বাধীনতা হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তির জন্য ছটফট করতে থাকে। দুর্বিষহ হয়ে উঠে দুজনের জীবন। প্রেম সত্যি একসময় মুছে যায়।
গুলতেকিন নামের ক্লাস টেনের সেই কিশোরী হুমায়ুনের প্রেমে অন্ধ হয়ে বিয়ে করে ফেলে।
বিয়ের পরে সে জানতে পারে যে লেখক হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে খুবই সাধারণ। বাস্তব জীবনে সে চাঁদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে না, কবিতা আওড়ায় না। তার মধ্যে আলাদা কিছু নেই। সে আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ।
স্বপ্ন ভঙ্গের মতো ব্যাপার"
গুলতেকিন বারবার বলতে থাকে- 'তোমার লেখাই ভালো, অন্যকিছু ভালো না।'
আসলেই ভালোবাসা রং বদলায়!
নন্দিতা রায়ের 'বেলাশেষে' সিনেমায় এই কঠিন ব্যাপারটা খুব সহজভাবে বুঝানো হয়েছে-
'হাতের ওপর হাত রাখা খুব সহজ,
সারাজীবন বইতে পারা সহজ নয়!'
সহজ না হওয়ার কারণ ঐ একটাই-
'ভালোবাসা রং বদলায়' 🙃
আসলে প্রেম ভালবাসার সহজলভ্যতার এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিরল দুটি জিনিস-
"মনের মানুষ" এবং "মানুষের মন"।
এই দু'টোর উপর বিশ্বাস থাকা ভাল এবং উচিতও বটে। তবে সেটা কেবলই নিজের মধ্যে। কখনোই এগুলো নিয়ে অতি আত্মবিশ্বাসী বড়াই দেখানোও উচিত নয়।
কারণ হাওয়ার দিক পরিবর্তন হয়ে কখন কোনদিকে বয়ে যায় সেটা সর্বদাই অনিশ্চিত। হোক সেটা প্রকৃতির হাওয়া অথবা মনের।
আসলেই ভালবাসা রং বদলায়।
[কৃতজ্ঞতা স্বীকার: কুটিবাড়ি নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত ]
মডেল টেস্ট
রচনামূলক প্রশ্ন (মান : ৭০)
১। যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো : ১০
(ক) বই পড়া
(খ) গ্রাম্য মেলা
২।
যেকোনো একটি বিষয়ে পত্র লেখো : ১০
(ক) শিক্ষা সফরে যাওয়ার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে তোমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র লেখো।
(খ) বিদ্যালয়ের শেষ দিনটিতে তোমার মনের অবস্থা বর্ণনা করে বন্ধুর নিকট একটি পত্র লেখো।
৩। (ক) সারাংশ লেখো : ১০ অপরের জন্য তুমি প্রাণ দাও—আমি বলতে চাই নে। অপরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুঃখ তুমি দূর করো। অপরকে একটুখানি সুখ দাও। অপরের সঙ্গে একটুখানি মিষ্টি কথা বলো। পথের অসহায় মানুষটির দিকে একটু করুণ চাহনি নিক্ষেপ করো, তাহলেই অনেক হবে। চরিত্রবান মানবতাসম্পন্ন মানুষ নিজের চেয়ে পরের অভাবে বেশি অধীর হন।
পরের দুঃখ ঢেকে রাখতে গৌরব বোধ করেন।
অথবা, (খ) সারমর্ম লেখো :
কবি, তবে উঠে এসো যদি থাকে প্রাণ
তবে তাই লহ সাথে, তবে তাই করো আজি দান।
বড় দুঃখ, বড় ব্যথা, সম্মুখেতে কষ্টের সংসার
বড়ই দরিদ্র, শূন্য, বড় ক্ষুদ্র, বন্ধ অন্ধকার।
অন্ন চাই প্রাণ চাই আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ু,
চাই বল, চাই স্বাস্থ্য আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু,
সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য মাঝারে কবি
একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।
৪। যেকোনো একটি ভাব সম্প্রসারণ করো : ১০
(ক) অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,
তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।
(খ) দুর্নীতি জাতীয় জীবনের সকল উন্নতির অন্তরায়।
৫। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রতিবেদন লেখো : ১০
(ক) ‘খাদ্যে ভেজালের কারণ ও প্রতিকার’ শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
(খ) সম্প্রতি তোমার বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
৬। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : ১০
(ক) শ্রমের মর্যাদা
(খ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
(গ) কম্পিউটার ও আধুনিক জীবন
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (মান : ৩০)
১। ‘উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ’—বাক্যে অনুসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহার হয়েছে?
(ক) হেতু (খ) ব্যতিরেকে
(গ) পরে (ঘ) সঙ্গে
২। রিপা ব্যাকরণে ভালো—‘ব্যাকরণে’ কোন কারক?
(ক) বিষয়াধিকরণ (খ) কর্মকারক
(গ) ভাবাধিকরণ (ঘ) করণকারক
৩। ‘বোঁটা আলগা’ ফল গাছে থাকে না। এখানে ‘বোঁটা আলগা’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
(ক) কর্মকারকে প্রথমা (খ) অধিকরণে প্রথমা
(গ) অপাদানে প্রথমা (ঘ) কর্তৃকারকে প্রথমা
৪। চেষ্টায় সব হয়—এখানে ‘চেষ্টা’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
(ক) কর্মে দ্বিতীয়া (খ) করণে সপ্তমী
(গ) অপাদানে ষষ্ঠী (ঘ) অধিকরণে সপ্তমী
৫। কোনটি অসম্পূর্ণ ধাতু?
(ক) রাখ্ (খ) উঠ্
(গ) বট্ (ঘ) কর্
৬। ‘ঘুরা’—এর আদিগণ কোনটি?
(ক) ঝিমা (খ) খোঁচা
(গ) উঁচা (ঘ) দৌড়া
৭। পাতিসনে শিলাতলে পদ্মপাতা—বাক্যটিতে কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
(ক) আদেশ (খ) উপদেশ
(গ) অনুরোধ (ঘ) অভিশাপ
৮। অনুজ্ঞা কোন কালে ব্যবহৃত হয়?
(ক) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ (খ) ভবিষ্যৎ ও অতীত
(গ) বর্তমান ও অতীত (ঘ) নিত্যবৃত্ত ও ঘটমান অতীত
৯। ‘কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা। ’ এই বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়া কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) সমকাল (খ) নিরন্তরতা
(গ) সমাপ্তি (ঘ) সূচনা
১০। ‘আকাশে চাঁদ উঠলে আড্ডা ভাঙে’—অসমাপিকা ক্রিয়াঘটিত বাক্যে কোন ধরনের কর্তা ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) এক কর্তা (খ) নিরপেক্ষ কর্তা
(গ) ব্যতিহার কর্তা (ঘ) প্রযোজক কর্তা
১১। ‘বাবা রোজ বাজারে যেতেন’—উক্ত বাক্যটি কোন অতীত কাল?
(ক) সাধারণ অতীত (খ) নিত্যবৃত্ত অতীত
(গ) ঘটমান অতীত (ঘ) পুরাঘটিত অতীত
১২। কিসের ভেদে ক্রিয়ারূপের কোনো পার্থক্য হয় না?
(ক) বচনভেদে (খ) পুরুষভেদে
(গ) অর্থভেদে (ঘ) প্রয়োগভেদে
১৩। প্রশ্ন জিজ্ঞাসায় ক্রিয়ার কোন ভাব হয়?
(ক) নির্দেশকভাবে (খ) অনুজ্ঞাভাব
(গ) সাপেক্ষভাব (ঘ) আকাঙ্ক্ষাভাব
১৪। তোমাকে দেখে প্রীত হলাম—কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
(ক) যৌগিক ক্রিয়া (খ) প্রযোজক ক্রিয়া
(গ) মিশ্র ক্রিয়া (ঘ) অনুক্ত ক্রিয়া
১৫। ‘শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে। ’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
(ক) নাম ধাতুর ক্রিয়া (খ) প্রযোজক ক্রিয়া
(গ) যৌগিক ক্রিয়া (ঘ) মিশ্র ক্রিয়া
১৬। কোন বাক্যটির ক্রিয়া অকর্মক?
(ক) আকাশে চাঁদ উঠেছে (খ) মেয়েটি হাসে
(গ) বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি (ঘ) চুপ করে থাক
১৭। যেমন কর্ম তেমন ফল—বাক্যে কোন ধরনের অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) নিত্য সম্বন্ধীয় (খ) অনুকার
(গ) অনন্বয়ী (ঘ) বাক্যালঙ্কার
১৮। উঃ! পায়ে বড্ড লেগেছে—এই অনন্বয়ী অব্যয় কী প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) ঘৃণা (খ) বিরক্তি
(গ) যন্ত্রণা (ঘ) উচ্ছ্বাস
১৯। সামীপ্যবাচক সর্বনাম কোনগুলো?
(ক) সব, সকল, তাবৎ (খ) এরা, ইহারা, ইনি
(গ) ওই, ওই সব, সব (ঘ) নিজে, খোদ, আপনি
২০। ‘এ এক বিরাট সত্য’—এখানে ‘সত্য’ কোন পদরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) বিশেষণ (খ) বিশেষ্য
(গ) নাম বিশেষণ (ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ
২১। ‘ধিক তারে, শত ধিক নির্লজ্জ যে জন’—এ বাক্যে ‘নির্লজ্জ’ কোন বিশেষণের উদাহরণ?
(ক) ক্রিয়া বিশেষণ (খ) বাক্যের বিশেষণ
(গ) অব্যয়ের বিশেষণ (ঘ) বিশেষণীয় বিশেষণ
২২। ‘কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেছে’—এ বাক্যে ‘কালো পদটি কী বাচক বিশেষণ?
(ক) গুণ (খ) অবস্থা
(গ) উপাদান (ঘ) রূপ
২৩। কোনটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য?
(ক) সমিতি (খ) গরু
(গ) বীরত্ব (ঘ) গীতাঞ্জলি
২৪। শৈশব—এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
(ক) শিশু + ষ্ণ (খ) শিশু + ষ্ণ্য
(গ) শিশু + অব (ঘ) শৈ + শব
২৫। ‘মুক্তি’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?
(ক) মুচ্ + ক্তি (খ) মুক + তি
(গ) মুচ্ + তি (ঘ) মু + ক্তি
২৬। ‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন কেষ্টা বেটাই চোর’—এখানে ‘হারায়’ কোন ধাতু?
(ক) নাম ধাতু (খ) সংযোগমূলক ধাতু
(গ) কর্মবাচ্যের ধাতু (ঘ) ভাববাচ্যের ধাতু
২৭। হের ওই দুয়ারে দাঁড়িয়ে কে?—বাক্যে ব্যবহৃত ‘হের’ ধাতুটি কোন ভাষার?
(ক) আরবি (খ) হিন্দি
(গ) ফারসি (ঘ) অজ্ঞাতমূল
২৮। ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ কোন শ্রেণির উপসর্গ?
(ক) ফারসি
রচনামূলক প্রশ্ন (মান : ৭০)
১। যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো : ১০
(ক) বই পড়া
(খ) গ্রাম্য মেলা
২।
যেকোনো একটি বিষয়ে পত্র লেখো : ১০
(ক) শিক্ষা সফরে যাওয়ার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে তোমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র লেখো।
(খ) বিদ্যালয়ের শেষ দিনটিতে তোমার মনের অবস্থা বর্ণনা করে বন্ধুর নিকট একটি পত্র লেখো।
৩। (ক) সারাংশ লেখো : ১০ অপরের জন্য তুমি প্রাণ দাও—আমি বলতে চাই নে। অপরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুঃখ তুমি দূর করো। অপরকে একটুখানি সুখ দাও। অপরের সঙ্গে একটুখানি মিষ্টি কথা বলো। পথের অসহায় মানুষটির দিকে একটু করুণ চাহনি নিক্ষেপ করো, তাহলেই অনেক হবে। চরিত্রবান মানবতাসম্পন্ন মানুষ নিজের চেয়ে পরের অভাবে বেশি অধীর হন।
পরের দুঃখ ঢেকে রাখতে গৌরব বোধ করেন।
অথবা, (খ) সারমর্ম লেখো :
কবি, তবে উঠে এসো যদি থাকে প্রাণ
তবে তাই লহ সাথে, তবে তাই করো আজি দান।
বড় দুঃখ, বড় ব্যথা, সম্মুখেতে কষ্টের সংসার
বড়ই দরিদ্র, শূন্য, বড় ক্ষুদ্র, বন্ধ অন্ধকার।
অন্ন চাই প্রাণ চাই আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ু,
চাই বল, চাই স্বাস্থ্য আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু,
সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য মাঝারে কবি
একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।
৪। যেকোনো একটি ভাব সম্প্রসারণ করো : ১০
(ক) অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,
তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।
(খ) দুর্নীতি জাতীয় জীবনের সকল উন্নতির অন্তরায়।
৫। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রতিবেদন লেখো : ১০
(ক) ‘খাদ্যে ভেজালের কারণ ও প্রতিকার’ শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
(খ) সম্প্রতি তোমার বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
৬। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : ১০
(ক) শ্রমের মর্যাদা
(খ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
(গ) কম্পিউটার ও আধুনিক জীবন
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (মান : ৩০)
১। ‘উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ’—বাক্যে অনুসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহার হয়েছে?
(ক) হেতু (খ) ব্যতিরেকে
(গ) পরে (ঘ) সঙ্গে
২। রিপা ব্যাকরণে ভালো—‘ব্যাকরণে’ কোন কারক?
(ক) বিষয়াধিকরণ (খ) কর্মকারক
(গ) ভাবাধিকরণ (ঘ) করণকারক
৩। ‘বোঁটা আলগা’ ফল গাছে থাকে না। এখানে ‘বোঁটা আলগা’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
(ক) কর্মকারকে প্রথমা (খ) অধিকরণে প্রথমা
(গ) অপাদানে প্রথমা (ঘ) কর্তৃকারকে প্রথমা
৪। চেষ্টায় সব হয়—এখানে ‘চেষ্টা’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
(ক) কর্মে দ্বিতীয়া (খ) করণে সপ্তমী
(গ) অপাদানে ষষ্ঠী (ঘ) অধিকরণে সপ্তমী
৫। কোনটি অসম্পূর্ণ ধাতু?
(ক) রাখ্ (খ) উঠ্
(গ) বট্ (ঘ) কর্
৬। ‘ঘুরা’—এর আদিগণ কোনটি?
(ক) ঝিমা (খ) খোঁচা
(গ) উঁচা (ঘ) দৌড়া
৭। পাতিসনে শিলাতলে পদ্মপাতা—বাক্যটিতে কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
(ক) আদেশ (খ) উপদেশ
(গ) অনুরোধ (ঘ) অভিশাপ
৮। অনুজ্ঞা কোন কালে ব্যবহৃত হয়?
(ক) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ (খ) ভবিষ্যৎ ও অতীত
(গ) বর্তমান ও অতীত (ঘ) নিত্যবৃত্ত ও ঘটমান অতীত
৯। ‘কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা। ’ এই বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়া কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) সমকাল (খ) নিরন্তরতা
(গ) সমাপ্তি (ঘ) সূচনা
১০। ‘আকাশে চাঁদ উঠলে আড্ডা ভাঙে’—অসমাপিকা ক্রিয়াঘটিত বাক্যে কোন ধরনের কর্তা ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) এক কর্তা (খ) নিরপেক্ষ কর্তা
(গ) ব্যতিহার কর্তা (ঘ) প্রযোজক কর্তা
১১। ‘বাবা রোজ বাজারে যেতেন’—উক্ত বাক্যটি কোন অতীত কাল?
(ক) সাধারণ অতীত (খ) নিত্যবৃত্ত অতীত
(গ) ঘটমান অতীত (ঘ) পুরাঘটিত অতীত
১২। কিসের ভেদে ক্রিয়ারূপের কোনো পার্থক্য হয় না?
(ক) বচনভেদে (খ) পুরুষভেদে
(গ) অর্থভেদে (ঘ) প্রয়োগভেদে
১৩। প্রশ্ন জিজ্ঞাসায় ক্রিয়ার কোন ভাব হয়?
(ক) নির্দেশকভাবে (খ) অনুজ্ঞাভাব
(গ) সাপেক্ষভাব (ঘ) আকাঙ্ক্ষাভাব
১৪। তোমাকে দেখে প্রীত হলাম—কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
(ক) যৌগিক ক্রিয়া (খ) প্রযোজক ক্রিয়া
(গ) মিশ্র ক্রিয়া (ঘ) অনুক্ত ক্রিয়া
১৫। ‘শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে। ’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
(ক) নাম ধাতুর ক্রিয়া (খ) প্রযোজক ক্রিয়া
(গ) যৌগিক ক্রিয়া (ঘ) মিশ্র ক্রিয়া
১৬। কোন বাক্যটির ক্রিয়া অকর্মক?
(ক) আকাশে চাঁদ উঠেছে (খ) মেয়েটি হাসে
(গ) বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি (ঘ) চুপ করে থাক
১৭। যেমন কর্ম তেমন ফল—বাক্যে কোন ধরনের অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) নিত্য সম্বন্ধীয় (খ) অনুকার
(গ) অনন্বয়ী (ঘ) বাক্যালঙ্কার
১৮। উঃ! পায়ে বড্ড লেগেছে—এই অনন্বয়ী অব্যয় কী প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) ঘৃণা (খ) বিরক্তি
(গ) যন্ত্রণা (ঘ) উচ্ছ্বাস
১৯। সামীপ্যবাচক সর্বনাম কোনগুলো?
(ক) সব, সকল, তাবৎ (খ) এরা, ইহারা, ইনি
(গ) ওই, ওই সব, সব (ঘ) নিজে, খোদ, আপনি
২০। ‘এ এক বিরাট সত্য’—এখানে ‘সত্য’ কোন পদরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) বিশেষণ (খ) বিশেষ্য
(গ) নাম বিশেষণ (ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ
২১। ‘ধিক তারে, শত ধিক নির্লজ্জ যে জন’—এ বাক্যে ‘নির্লজ্জ’ কোন বিশেষণের উদাহরণ?
(ক) ক্রিয়া বিশেষণ (খ) বাক্যের বিশেষণ
(গ) অব্যয়ের বিশেষণ (ঘ) বিশেষণীয় বিশেষণ
২২। ‘কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেছে’—এ বাক্যে ‘কালো পদটি কী বাচক বিশেষণ?
(ক) গুণ (খ) অবস্থা
(গ) উপাদান (ঘ) রূপ
২৩। কোনটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য?
(ক) সমিতি (খ) গরু
(গ) বীরত্ব (ঘ) গীতাঞ্জলি
২৪। শৈশব—এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
(ক) শিশু + ষ্ণ (খ) শিশু + ষ্ণ্য
(গ) শিশু + অব (ঘ) শৈ + শব
২৫। ‘মুক্তি’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?
(ক) মুচ্ + ক্তি (খ) মুক + তি
(গ) মুচ্ + তি (ঘ) মু + ক্তি
২৬। ‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন কেষ্টা বেটাই চোর’—এখানে ‘হারায়’ কোন ধাতু?
(ক) নাম ধাতু (খ) সংযোগমূলক ধাতু
(গ) কর্মবাচ্যের ধাতু (ঘ) ভাববাচ্যের ধাতু
২৭। হের ওই দুয়ারে দাঁড়িয়ে কে?—বাক্যে ব্যবহৃত ‘হের’ ধাতুটি কোন ভাষার?
(ক) আরবি (খ) হিন্দি
(গ) ফারসি (ঘ) অজ্ঞাতমূল
২৮। ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ কোন শ্রেণির উপসর্গ?
(ক) ফারসি
Saturday, August 24, 2019
বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা বাগধারা সমূহ
অ
* অতি আশা বাঘের বাসা( অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না)
* অন্ধের নড়ি( একমাত্র অবলম্বন)
* অরণ্যে রোদন (বৃথা ক্রন্দন)* অকালবোধন (অসময়ে আহ্বান)
আ
* আঠারো মাসে বছর( দীর্ঘসূত্রিতা)
* আমড়া কাঠের ঢেকি( অপদার্থ)
* আসলে মুষল নেই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া( উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বনে অভাব)
* আটে পিঠে দড় তবে ঘোড়ার উপর চড়( প্রস্তুতি অর্জনের শেষে কাজে হাত দেয়া উচিত)
* আড়িপাতা( গোপনে শোনা)
* আষাড়ে গল্প (অবিশ্বাস্য কাহিনী)
ই
* ইতর বিশেষ( পার্থক্য)
* ইদুঁর কপালে( নিতান্ত মন্দ ভাগ্য)
ঈ
* ঈদের চাঁদ (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
উ
* উড়নচণ্ডী( অমিতব্যয়ী)
এ
* এলাহি কান্ড( বিরাট ব্যাপার)
* একাদশে বৃহস্পতি( মহা সৌভাগ্য)
ও
* ওজার ব্যাটা বনগরু( পন্ডিত এর মূর্খ পুত্র)
ক
* ক অক্ষর গোমাংস - (বর্ণজ্ঞানহীন)
* কলির সন্ধ্যা - ( কষ্টের সূচনা)
* কড়ায় গন্ডায়( পুরোপুরি)
* কাঠের পুতুল( নির্বাক,অসার)
* কাঠের পুতুল( নির্বাক,অসার)
* কান পাতলা- যেসব কথায় বিশ্বাস করে।
* কানাকড়ির সম্পর্ক- তুচ্ছ সম্পর্ক
* কালনেমির লঙ্কাভাগ( দুর্লভ বস্তু লাভের আগে তা উপভোগ করার অলীক কল্পনা)
খ
* খন্ড প্রলয় (তুমুল কান্ড)
* খন্ড প্রলয় (তুমুল কান্ড)
গ
* গাছে কাঁঠাল গোপে তেল( প্রাপ্তির পূর্বেই ভোগের আয়োজন)
* গুড়েবালি( আশায় নৈরাশ্য)
* গোকুলের ষাঁড় - ( স্বেচ্ছাচারী)
ঘ
* ঘর জাত করা ( অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করা)
* ঘাট মানা ( দোষ স্বীকার করা)* ঘটিরাম ( মূর্খ বা অযোগ্য)
* ঘুটে পোড়ে গোবর হাসে ( নিজের কথা না ভেবে অপরের দুঃখে খুশি হওয়া)
* ঘুটে পোড়ে গোবর হাসে ( নিজের কথা না ভেবে অপরের দুঃখে খুশি হওয়া)
* ঘোড়া রোগ-- অবস্থার অতিরিক্ত ভাবনা
চ
* চড় মেরে গড়( অপমানের পর সম্মান প্রদর্শন)
* চশমখোর( লজ্জাহীন)
* চিত্রগুপ্তের খাতা( সবকিছু লিখিত খাতা)
* চিত্রগুপ্তের খাতা( সবকিছু লিখিত খাতা)
* চোখের চামড়া- লজ্জা
ছ
* ছ আংগুলের আংগুল( অতিরিক্ত)
* ছেড়া চুলে খোপা বাধা( বৃথা চেষ্টা)
জ
* জিলাপির প্যাচ( কূটবুদ্ধি)
ড
ডামাডোল - ( তীব্র গণ্ডগোল)
ত
* তামার বিষ( অর্থের কুপ্রভাব)
* তালকানা - (বোধহীন)- তালকানা ছেলেটি পকেটে কলম রেখে সারা ঘরে খুঁজছে।
* তীর্থের কাক ( প্রতীক্ষারত)
থ
* থোর-বড়ি-খাঁড়া খাঁড়া-বড়ি-থোর( বৈচিত্র্যহীন, একঘেয়ে)
* থোর-বড়ি-খাঁড়া খাঁড়া-বড়ি-থোর( বৈচিত্র্যহীন, একঘেয়ে)
দ
* দূর্বা গজানো -(উৎখাত)
প
* পর্বতের মূষিক প্রসব - ( বিরাট সম্ভাবনা)
* পাকা ধানে মই - (বিপুল ক্ষতি করা)
* পায়াভারি- অহঙ্কার
* পাথরে পাঁচ কিল( উন্নত অবস্থা
* পেট গরম( অরুচি হওয়া)
ব
* ব্যাঙের সর্দি- অসম্ভব কিছু
* বিদুরের খুদ - গরিবের সামান্য উপহার
* * বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেড়া - ভাগ্যক্রমে প্রত্যাশিত সুযোগ লাভ
* ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ -( অপরিমিত অপব্যয়)
ম
* মন না মতি = মানবচিত্তের অস্থিরতা
* মগের মুল্লুক - অরাজক)
* মণিহারা ফণী ( প্রিয় বস্তু হারানোয় অস্থিরচিত্ত ব্যক্তি)* মাকাল ফল - (অন্তঃসারশূন্য)
* ম্যাও ধরা -(দায়িত্ব নেওয়া) শরীরের উপর যে এত অত্যাচার করছ, অসুখ হলে ম্যাও ধরবে কে?
য
* যার কর্ম তারে সাজে অন্য লোকের লাঠি বাজে ( পটু লোকের পক্ষে যা সহজ অপটু লোকের পক্ষে তা করা অসম্ভব)
র
র
* রগচটা( যে একটুতেই রাগে)
* রাখডাক - ( গোপন কথা)
*রাবণের গোষ্ঠী - (বড় পরিবার)
ল
* লম্বা দেওয়া - (চম্পট দেয়া)
শ
* শিয়ালের ডাক( অশুভ লক্ষণ)
* শাঁখের করাত( উভয় সংকট)
* শিখণ্ডী খাড়া করা( আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা)
* শিখণ্ডী খাড়া করা( আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা)
* শাপে বর( অকল্যাণই কল্যাণ)
ষ
* ষোল আনা- সার্থক/ সম্পূর্ণ
স
* সবেধন নীলমণি - ( একমাত্র অবলম্বন)
* সাপের হাঁচি বেদে চেনে( অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে ফাঁকি দেওয়া যায় না)
* সোনার পাথর বাটি( অসম্ভব বস্তু)* সুলুখ সন্ধান -- খোঁজ খবর ।
* সোনার কাঠি রুপোর কাঠি = বাঁচা-মরার একমাত্র উপায়
হ
* হরিষে বিষাদ= আনন্দে বেদনা
* হরি ঘোষের গোয়াল( অলস ও নিষ্কর্মা লোকজনের কোলাহলপূর্ণ আড্ডা)
* হাড়ে বাতাস লাগা( স্বস্তিবোধ করা)
* হাড়-হদ্দ( নাড়ি নক্ষত্র)
প্রায় সমার্থ দেয় এমন বাগধারা
১) মারা যাওয়া অর্থে---
অক্কা পাওয়া, গঙ্গা পাওয়া, পটল তোলা, পঞ্চত্ব প্রাপ্ত, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া।
২) অপদার্থ অর্থে---
আমড়া কাঠের ঢেঁকি, কায়েতের ঘরে ঢেঁকি, কচু বনের কালাচাঁদ, ষাড়ের গোবর, ঊনপাঁজরে, অগাকান্ত, অঘাচন্ডী, অঘারাম, ঘটিরাম।
৩) উভয় সংকট অর্থে---
করাতের দাঁত, শ্যাম রাখি না কুল রাখি, সাপের ছুঁচো গেলা, শাঁখের করাত, রাম ভজি কি রহিম ভজি, দুই নৌকায় পা, জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ।
৪) সুসময়ের বন্ধু অর্থে ---
১) মারা যাওয়া অর্থে---
অক্কা পাওয়া, গঙ্গা পাওয়া, পটল তোলা, পঞ্চত্ব প্রাপ্ত, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া।
২) অপদার্থ অর্থে---
আমড়া কাঠের ঢেঁকি, কায়েতের ঘরে ঢেঁকি, কচু বনের কালাচাঁদ, ষাড়ের গোবর, ঊনপাঁজরে, অগাকান্ত, অঘাচন্ডী, অঘারাম, ঘটিরাম।
৩) উভয় সংকট অর্থে---
করাতের দাঁত, শ্যাম রাখি না কুল রাখি, সাপের ছুঁচো গেলা, শাঁখের করাত, রাম ভজি কি রহিম ভজি, দুই নৌকায় পা, জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ।
৪) সুসময়ের বন্ধু অর্থে ---
শরতের শিশির, দুধের মাছি, লক্ষ্মীর বরযাত্রী, সুখের পায়রা, বসন্তের কোকিল
৫) হতভাগ্য অর্থে---
আট কপালে, আট কপালিয়া, ইঁদুর কপালে, ফাঁটা-কপাল
৬) প্রতারণা অর্থে----
মামদোবাজি, চোখে ধূলি দেয়া, বাঙালকে হাইকোট দেখানো।
৭) ক্ষণস্থায়ী অর্থে---
বালির বাঁধ, জলের দাগ, খলের পিরিত, তাসের ঘর।
৫) হতভাগ্য অর্থে---
আট কপালে, আট কপালিয়া, ইঁদুর কপালে, ফাঁটা-কপাল
৬) প্রতারণা অর্থে----
মামদোবাজি, চোখে ধূলি দেয়া, বাঙালকে হাইকোট দেখানো।
৭) ক্ষণস্থায়ী অর্থে---
বালির বাঁধ, জলের দাগ, খলের পিরিত, তাসের ঘর।
চলবে...
Subscribe to:
Comments (Atom)
Recent Post
Most Popular Post
-
অলঙ্কার এর সংজ্ঞাঃ অলঙ্কার কথাটি এসেছে সংস্কৃত 'অলম' শব্দ থেকে।অলম শব্দের অর্থ ভূষণ।ভূষণ অর্থ সজ্জা,গহনা ইত্যাদি। তাই আভিধানিক অর্থে...
-
নৌকাডুবি (১৯০৬) চরিত্র ও তথ্য সমূহ ১. রমেশঃকলকাতা/Law/বাবার চিঠি/ ২. হেমনলিনীঃমাতৃহীন/ ৩. কমলাঃ ৪. ডাক্তার নলিনাক্ষঃ * গঙ্গার প্রবল ঘুর্ণিঝড়...
-
ভূমিকা : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যাঁর নামটি জড়িত, তিনি হলেন সৈয়দ মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর। জন্ম পরিচয় : তিতুমীর ভারতের পশ্চিমবঙ...
-
উত্তর: অ-ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণের নিয়ম নিম্নরুপ।যথা: ১. 'অ'অথবা নিহিত 'অ'-ধ্বনির পর ই-কার বা উ-কার হলে, তবে অ-ধ্বনির উচ্চারণ...
-
বিষয় : বাংলা সময়------২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-১০০ দ্রষ্টব্য : ডান পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক । নিচের অনুচ্ছেদট...
-
অর্থালঙ্কার: অর্থালঙ্কারের প্রকারভেদ: অর্থালঙ্কার পাঁচ প্রকার।যথা: ১. সাদৃশ্যমূলক ২. বিরোধমূলক ৩. শৃঙ্খলামূলক ৪. ন্যায়মূলক ৫. গূঢ়ার্থ...
-
বলাকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত...