Ad-1

Monday, November 12, 2018

বয়স তখন ২৯।সরকারি চাকরি ধরার সময় আর মাত্র এক বছর।সরকারের ভাষ্যে এক বছর পর আমি বুড়ো হয়ে যাব।আমি আর সরকারি চাকরি করার মোটেও যোগ্যতা থাকবে না।এদিকে প্রতি রাতে নীল ভিড়িও দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।যেন এ বছরেই বিয়ে না করলে আমি আমার যৌবন শক্তিকেই হারিয়ে ফেলব।এরকম তীব্র হয়ে উঠেছিল রমণী বাসনা।যেন সে বাসনা পূর্ণ না হলেই হয়ে পড়বে অকেজো যৌবন।তাই ভাবলাম,আগে বিয়েটা করে ফেলি, তারপর সরকারি চাকরি ধরব।লোকে বলে বিয়ে করলে নাকি মন স্থির হয়।ফলে পড়া হবে ভালোই, চাকরি হবে সুলভ।সে বাসনায় বাসনা করলাম আগে বিয়েই করে ফেলব।
তারপর শুরু হলো মেয়ে দেখাদেখি।প্রথমে একটা মেয়েকে নিজে নিজে পছন্দ করলাম,মায়ের পছন্দ হয়নি ও মা এ মুহূর্তে আমাকে বিয়ে করাতে আগ্রহী নয় বলে মেয়েটাকে না করে দিল।
তারপর মাকে বললাম,আমার পছন্দের মেয়ে যখন পছন্দ হচ্ছে না,তবে তুমি একটা পছন্দ করে দাও।মা দেখে বিয়ে করার ক্ষেত্রে আমি ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিয়েছি,তাই মাও অবশেষে মেয়ে দেখা শুরু করল।কিন্তু মায়ের পছন্দগুলো আমার পছন্দ হচ্ছে না।অবশেষে নিজে আরেকটি মেয়েক। পছন্দ করলাম।মায়েরও সে মেয়েটাকে পছন্দ হলো।অবশেষে বিয়ে হলো।
আমরা যৌথ পরিবার।মা,বড় ভাই,বড় ভাবি,ছোট বোন ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়েই বসবাস।এদিকে চট্টগ্রামের বিয়ে বলে কথা।বরের টাকা না থাকলেও ঘাড় মটকাইয়া খরচ করে বংশের মান ও সামাজিক কুসংস্কার মানিয়ে চলতে হয়,আর মেয়ের বাবার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে খরচ করতে হয়।বিয়ের সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে আমাকে আশি হাজার টাকা মতো কর্জ করতে হয়।
বিয়ের পর ভেবেছিলাম দুজনে ক

ঈদের নামাযের নিয়ম

ঈদের নামাযের নিয়ম:
বছরে মাত্র দুইবার ঈদের নামায পড়তে হয়।তাই অনেকে আমরা ঈদের নামাযের নিয়ম জানা সত্ত্বেও ভুলে যাই এবং ভুল করি।নিম্নে এর নিয়ম দেওয়া হলো::::
অনেকের ধারণা নামাজের নিয়ত আরবিতে করা জরুরি। এমনটি ঠিক নয়। যে কোনো ভাষাতেই নামাজের নিয়ত করা যায়। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট। ঈদের দিন ইমামের পেছনে কিবলামুখী দাঁড়িয়ে মনে এই নিয়ত করে নিবে—‘আমি অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করছি।’ এরপর
১. উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বেধে নিবে। হাত বাঁধার পর ছানা অর্থাত্ ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা’ শেষ পর্যন্ত পড়ে নেবে।
২. এরপর আল্লাহু আকবার বলে হাত কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দেবে।
৩. দ্বিতীয়বারও একই নিয়মে তাকবির বলে হাত ছেড়ে দেতে হবে।
৪. ইমাম সাহেব তৃতীয়বার তাকবির বলে হাত বেঁধে আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য যে কোনো সূরা তিলাওয়াত করবেন। এ সময় মুক্তাদিরা নীরবে দাঁড়িয়ে থাকবেন।
৫. এরপর ইমাম সাহেব নিয়মমত রুকু-সিজদা সেরে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবেন। মুক্তাদিরা ইমাম সাহেবের অনুসরণ করবেন।
৬. দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব প্রথমে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সূরা পড়বেন।
৭. এরপর আগের মতো তিন তাকবির বলতে হবে। প্রতি তাকবিরের সময়ই উভয় হাত কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
৮. চতুর্থ তাকবির বলে হাত না ওঠিয়েই রুকুতে চলে যেতে হবে।
৯. এরপর অন্যান্য নামাজের নিয়মেই নামাজ শেষ করে সালাম ফেরাতে হবে।
১০. ঈদের নামাজ শেষে ইমাম সাহেব খুতবা পাঠ করবেন। জুমার খুতবার মতো এই খুতবা শোনা মুসল্লিদের জন্য ওয়াজিব। খুতবার সময় কথাবার্তা বলা, চলাফেলা করা, নামাজ পড়া সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১১. কারও ঈদের নামাজ ছুটে গেলে কিংবা যে কোনো কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় একাকী তা আদায় বা কাজা করার কোনো সুযোগ নেই।
১২. তবে চার বা তার অধিক লোকের ঈদের নামাজ ছুটে গেলে তাদের জন্য ঈদের নামাজ পড়ে নেয়া ওয়াজিব।
বি:দ্র: জানাযা ও ঈদের নামাযের মধ্যে অন্যতম পার্থক্য হলো ঈদের নামাযে তকবির বলার সময় হাত উঠাতে হয়,জানাযায় হাত উঠাতে হয় না।

Tuesday, November 6, 2018

আইনের প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজি শব্দ

আইনের প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজি শব্দ যা ভাইবা প্রস্তুতির জন্যও খুবই প্রয়োজন:

অর্ডিনান্স (Ordinance): গৃহনির্মাণ, নিরাপত্তা, জোনিং ইত্যাদি বিষয়ক ব্যাপারে যে-সব বিধি কর্পোরেশন, সরকার বা অন্যান্য অধিকারিক সংস্থা জারী করে।

আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।

আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত।

এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।

ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য।

উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র।

ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা।

একস্‌ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।

এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্যায় কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

এফ.আই.আর. (F.I.R.): এটি ফাস্র্ট ইন্ফরমেশন রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পর উত্পীড়িত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।

এফিডেভিট (Affidevit): হলফপত্র বা শপথনামা: শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা।

এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ: বিশ্বাসভরে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাত করা।

ওয়ারেণ্ট (Warrant): সাধারণ ভাবে কাউকে আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ করতে হয়।

কনটেমপ্ট অফ কোর্ট (Contempt of Court) বা আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।

কনভেয়্যান্স (Conveyance): কোনও জমির সত্ব এক বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার দলিল।

করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti): যার ওপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।

কুইড প্রো কো (Quid pro quo): এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য কিছু'। অর্থাত্, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।

কোডিসিল (Codicil): উইল বা ইচ্ছাপত্রের সংশোধন।

ক্যাপিটল ক্রাইম (Capital crime): যে অপরাধের দণ্ড হল মৃত্যু।

ক্রিমিন্যাল ইনস্যানিটি (Criminal insanity): ভালো ও মন্দের তফাত্ বোঝার অক্ষমতা; কোনও কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক অক্ষমতা।

ক্লাশ একশন (Class action): যে মামলা এক বা একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে আনে।

জয়েণ্ট এণ্ড সেভারেল লায়াবিলিটি (Joint and several liability): আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদা ভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অসমর্থ হয়।

জয়েন্ট টেনানসি(Joint tenancy): যুগ্মভাবে সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে 'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো মালিকানা পায়।

জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারি ভাবে প্রকাশ করেন।

জুভেনাইল ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile delinquency): বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।

ডমিসাইল (Domicile): স্থায়ী বাসস্থান।

ডিফামেশন (Defamation): মানহানি।

ডিসকভারি (Discovery): মামলা শুরু হবার আগে তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার উপায়গুলি।

ডিসমিস্যাল (Dismissal): মামলার খারিজ।

নেগলিজেন্স (Negligence): সাধারণভাবে একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।

নোটারি পাবলিক (Notary Public): সরকারী কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো, স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা, ইত্যাদি।

পেটেণ্ট (Patent): উদ্ভাবকদের দেয় অধিকার - যার বলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর উদ্ভাবন বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ তৈরী, ব্যবহার বা বিক্রি করে লাভবান হতে পারে না।

প্লি (Plea): আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের স্বপক্ষে প্রথম উচ্চারিত কথা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তরে সে নিজেকে, 'দোষী' বা 'নির্দোষী' বলতে পারবে।

প্লি বার্গেইনিং (Plea bargaining): ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরকারী পক্ষের একটা সমঝোতায় আসার জন্য আলোচনা। এর উদ্দেশ্য দীর্ঘ-স্থায়ী মামলা (যার ফল অনিশ্চিত) না চালিয়ে দুপক্ষেরই সময় ও অর্থের সাশ্রয় করা। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম অপরাধের জন্য নিজেকে দোষী বলে স্বীকার করে ও সরকার তার অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু বিচারক এই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে মামলা চালাবার নির্দেশ দিতে পারেন।

পাওয়ার অফ এটোর্নি (Power of attorney): একটি দলিল - যার ভিত্তিতে একজনের হয়ে দলিলে উল্লেখিত বিভিন্ন কাজ অন্য কেউ করতে পারে।

প্রাইমা ফেসি (Prima Facie Evidence): যে প্রমাণ অন্য কোন ভাবে খণ্ডিত না হলে ঘটনার সত্যতা প্রতিষ্ঠা করার পক্ষে যথেষ্ঠ।

প্রাইমা ফেসি কেস (Prima Facie Case): যে মামলা এতই সম্পূর্ণ যে বিচার-কার্যের জন্য ন্যুনতম প্রমাণ দাখিলের প্রয়োজন হয়।

প্রোবেট (Probate): আদালতের যে কার্যবলীর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাপত্র (উইল) বৈধ বা অবৈধ ধার্য করা হয়। সাধারণভাবে প্রোবেট কথাটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয় - ইচ্ছাপত্র-সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যগুলিকেও এর মধ্যে ধরা হয়। যেমন, ধনসম্পত্তির একত্রিকরণ, ঋণ পরিশোধ, সরকারি কর দেওয়া ও ইচ্ছাপত্র অনুসারে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার মধ্যে সম্পত্তির বণ্টন।

প্রোবেট কোর্ট (Probate Court): যে আদালতের তত্বাবধানে ধনসম্পত্তি-র ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়।

ফ্রড (Fraud): ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সত্য ঘটনাকে মিথ্যা করে বলা।

ফ্রী অন এ পারসন্স ওউন রেকগনিজেন্স (Free on a person's own recognizance): যখন জামিন বা মুচলেকা ছাড়া সাময়িক ভাবে কাউকে মুক্তি দেওয়া হয় তাঁর ব্যক্তিগত পরিচিতির জন্য এবং আদালতে তিনি হাজিরা দেবেন এই প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে।

বেইল (Bail) বা জামিন: আদালতকে টাকা বা মুচলেকা দিয়ে আটক ব্যক্তিকে স্বল্প-মেয়াদের জন্য খালাস করানো এবং আদালতে আটক ব্যক্তির হাজিরার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেওয়া।

বেইল বন্ড (Bail Bond): অভিযুক্ত আদালতে হাজির হবে বলে যে শপথপত্রে সই করে। সময়মত হাজিরা না দিতে পারলে শপথপত্র অনুযায়ী অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দিতে হয়।

এন্টিসিপেটরি (Anticipatory bail): এন্টিসিপেটরি বেইল হল আদালত প্রদত্ত নির্দেশ যাতে বলা হয় ব্যক্তি বিশেষকে জামিন দিতে। সেই ব্যক্তি গ্রেফ্তার হবার আগেই এই নির্দেশ জারী করা হয়।কোন ব্যক্তি যদি সন্দেহ করে যে, তাকে মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফ্তার করা হবে, সেক্ষেত্রে সে আদালতের কাছে এন্টিসিপেটরি বেইল-এর জন্য আবেদন করতে পারে।

বাই-লস (By-laws): কোনও এসোসিয়েশন বা কর্পোরেশন যে বিধি বা নিয়ম মেনে চলবে বলে ঠিক করে।

মার্ডার (Murder) বা খুন: বে-আইনীভাবে হত্যার জন্য মানুষের জীবনহানি করা। যদি খুনটি পূর্ব-পরিকল্পিত হয়, তাহলে তাকে 'মার্ডার অফ দ্য ফাস্র্ট ডিগ্রি' বলা হয়। যদি হঠাত্ মুহূর্তের ইচ্ছাবশত খুন বা মরুক বাঁচুক তোয়াক্কা না করে আঘাত করা হয় - তাহলে সেই খুনকে বলা হবে 'মার্ডার অফ দ্য সেকেণ্ড ডিগ্রি'।

মিটিগেটিং সারকামস্ট্যান্সেস (Mitigating circumstances) : যে পারিপাশ্র্বিক অবস্থার বিচারে অন্যায়ের ভার কিছুটা লাঘব হয়।

মিসট্রায়াল (Mistrial): কোন অপরিহার্য বিষয়ে ত্রুটি ঘটায় যে মামলা খারিজ হয়।

ম্যালপ্রাক্টিস (Malpractice): পেশার কাজে অবৈধ আচরণ।

রিট (Writ): রিট হল মানুষের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা দানের জন্য সাংবিধানিক আদেশ। রিট পাঁচ রকম: হেবিয়াস কর্পাস, ম্যাণ্ডেমাস, প্রহিবিশন, কো ওয়ারেণ্টো এবং সার্টিওযারি। সংবিধানের ৩২ নং অধ্যায়ের ক্ষমতায় সুপ্রিম কোর্ট এবং ২২৬ নং অধ্যায়ের ক্ষমতায় হাইকোর্ট রিট জারি করতে পারে।

লারসেনি (Larceny): মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বা ধোঁকা দিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা।

লায়াব্ল (Liable) : আইনত দায়ী।

সমন (Summon): সমন হল কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট দিনে ও নির্দিষ্ট সময় আদালতে হাজিরা দেবার জন্য আদালত প্রদত্ত আদেশ।

সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স (Circumstantial evidence): প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ছাড়া অন্য যে-কোন প্রমাণ (যেমন, আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া - যা থেকে কারোর উপস্থিতি সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্তে আসা যায়)

সার্টিওরারি (Certiorari): উচ্চ আদালতকে দিয়ে নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের চেষ্টা।

স্ট্যাচুট অফ লিমিটেশন (Statute of Limitation): এই সংবিধি অনুসারে - যে-ঘটনার জন্য মামলার প্রশ্ন উঠছে, সেটি ঘটে যাবার পর একটি নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলে বাদীর মামলা আনার কোন অধিকার থাকে না।

হস্টাইল উইটনেস (Hostile witness) বা সাক্ষী-বিপরীত: যে সাক্ষীর বিবৃতি যে-পক্ষ তাকে সাক্ষী দেওয়াতে আনছে তাদের বিপক্ষে যায়।

হিয়ারসে (Hearsay) বা জনশ্রুতি, কানাঘুষো: কোনও সাক্ষীর বিবৃতি যে, আসল ঘটনা নিজে ঘটতে দেখে নি, কিন্তু অন্যের কাছ থেকে শুনেছে। হিয়ারসে আদালতে সাধারণ ভাবে গ্রাহ্য করা হয় না।

হেবিয়াস কর্পাস (Habeas corpus): কোন ব্যক্তি যদি মনে করে তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, তাহলে সে হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন করতে পারে। সেই আবেদন গ্রাহ্য হলে আদালত কারাগার-কর্তৃপক্ষকে হুকুম (রিট অফ হেবিয়াস কর্পাস) দেবে কয়েদীকে আদালতে নিয়ে আসতে - যাতে আদালত বিচার করে দেখতে পারে যে, তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে কিনা। হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন কারারুদ্ধ ব্যক্তি নিজে অথবা অন্য কেউ তার জন্য করতে পারে। এই আবেদনে দেখাতে হবে যে, আদালত কারারুদ্ধ ব্যক্তিকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বা আইনের অপপ্রয়োগ করে কারাদণ্ড দিয়েছে। অনেক সময়ে কোন বিচারক কাউকে আদালত-অবমাননার দায়ে জেলে পাঠাতে চাইলে, সেই ব্যক্তি হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন জানাতে পারে।

ম্যাণ্ডেমাস (Mandamus): ল্যাটিন অর্থ 'আমরা হুকুম দিচ্ছি'। বস্তুত এটি কোনও সরকারি সংস্থাকে দেওয়া একটি আদেশ। সরকারি সংস্থা যখন আইন অনুসারে কোনও কাজ করায় গাফিলতি করছে, তখন তাকে আইন অনুযায়ী কাজ করার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া।

রিট অফ সার্টিওরারি (Writ of certiorari): সুপ্রিম কোর্টের নিম্ন আদালত থেকে আসা আপীল শুনানী করার সিদ্ধান্ত।

কো ওয়ারাণ্টো (quo warranto): কথাটির ল্যাটিন অর্থ 'কোন ওয়ারেণ্টের বলে?'। এটি যাঁকে পাঠানো হয় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া তিনি যে কাজ করার অধিকার আছে বলে দাবী করছেন, সেই অধিকার কোথা থেকে তাঁর উপর বর্তেছে|

রিট অফ প্রহিবিশন (Writ of Prohibition): উচ্চ আদালত (সাধারণতঃ সুপ্রিম কোর্ট) থেকে নিম্ন আদালতের উপর হুকুম যে, মামলার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া - কারণ সেই মামলা নিম্ন আদালতের এক্তিয়ার বহির্ভূত।

Monday, November 5, 2018

ধ্বনি ও বর্ণ

★বাংলা_ব্যাকরণ
ধ্বনি_ও_বর্ণ
* পৃথিবীতে ভাষার সংখ্যা - সাড়ে তিন হাজারের উপরে।
* বাংলা ভাষার অবস্থান - চতুর্থ।
* ভাষার পরিবর্তন ঘটে - দেশ,কাল ও পরিবেশ ভেদে।
* ভাষার রুপ হচ্ছে - ২টি।
১. ভাষার/শব্দের ক্ষুদ্রতম একক/অংশ"ধ্বনি"।
২. ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।
৩. বাক্যের মৌলিক উপদান শব্দ।
৪. ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি।
৫. মাত্রাহীন বর্ণ--১০টি(স্বর বর্ণ ৪টি=এ, ঐ, ও, ঔ,
ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি→ঙ,ঞ,ৎ,ং, ঃ, ঁ,
৬. অর্ধমাত্রা--০৮টি(স্বরবর্ণে ১টি →ঋ, ব্যঞ্জনবর্ণে
৭টি→খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)
৭. পূর্ণমাত্রা--৩২টি(স্বরবর্ণে ৬টি,ব্যঞ্জনবর্ণে ২৬টি)
৮. মৌলিক স্বরবর্ণ ৭টি(উ,ই,এ,ও,অ্যা,অ,আ) দ্বি-স্বর ২টি ঐ ও ঔ। ঐ=অ/ও+ই, ঔ=ও+উ।
৯. স্পৃষ্ট বা বর্গীয় বর্ণ ২৫টি
১০. যৌগিক স্বরবর্ণ ২৫টি
১১. হ্রস্বস্বর-৪টি(অ,ই,উ,ঋ)
১২. দীর্ঘস্বর-৭টি(আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)
১৩. কার ১০টি(অ ব্যতিত)
১৪. ফলা ৬টি(য,র,ন,ণ,ম,ব ফলা)
১৫. উষ্মধ্বনি ৪টি(শ,ষ,স,হ---"হ"ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি)
১৬. নাসিক্য বর্ণ ৫টি(ঙ,ঞ,ণ,ন,ম)
১৭. অঘোষ বর্ণ বর্গের ১ম ২টি(ক,খ) এবং বর্গের ১ ও ৩ নং বর্ণ অল্পপ্রাণ(ক,গ)।
১৮. ঘোষ বর্গের শেষ ৩টি(গ,ঞ,ঙ) বর্ণ এবং ২য় ও ৩য় বর্ণটি মহাপ্রাণ(খ,ঘ)
১৯. পরাশ্রয়ী বর্ণ বা ধ্বনি ৩টি(ং,ঃ,ঁ)
২০. কম্পনজাত বর্ণ : র।
২১. পাশ্বিক বর্ণ : ল
২২. তাড়নজাত ধ্বনি :ড়,ঢ়।
২৩. শুদ্ধ উচ্চারণ→প্রোতিকখা,আওভায়ক্


Sunday, November 4, 2018

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা প্রথম মডেল টেস্ট

মডেল টেস্ট - ০১
বিষয় : বাংলা প্রথম পত্র
শ্রেণি : ষষ্ঠ 
পূর্ণমান -৭০+৩০
নিচের উদ্দীপকগুলো পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও যে কোন সাতটি [ প্রতিটি বিভাগ খেকে কমপক্ষে দুইটি করে দিতে হবে।]
গদ্যাংশ
১। ফাতিমা সুমন সাহেবের বাসায় কাজ করে। বয়স মাত্র ১০ বছর বলে কোনো কাজই সে ভালো করে করতে
পারে না। সে জন্য গৃহকর্ত্রী হোসনে আরা তাকে পছন্দ করে না। মাঝেমধ্যে বাসনকোসন ধুতে গিয়ে সে ভেঙে
ফেলে। হোসনে আরা তাই বিরক্ত হয়ে ফাতিমাকে তাড়িয়ে দিয়ে বড় কাজের মেয়ে রাখে।
(ক) আকাশ বাসী শব্দের অর্থ কী?
(খ) মিনু তার শত্রুকে কিভাবে শাস্তি দেয়?
(গ) উদ্দীপকে ফাতিমার সঙ্গে মিনুর অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) ফাতিমার পরিণতি আর মিনু গল্পের মিনুর পরিণতি ভিন্ন উক্তিটি বিচার করো।
২. রহিমা খাতুন নিজের বাসগৃহে প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষর জ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই
তিনি এ কাজ করেন। ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহিমা সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী
মহিলাকে পুরস্কার দেন। এতে উৎসাহী হয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। নিজের ছোট গণ্ডির মধ্যে দায়িত্ববোধ ও
মানবসেবার লক্ষ্যে তিনি এই মহৎ কাজ চালিয়ে যান।
ক) সেবাকাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ) মাদার তেরেসা গাউন ছেড়ে শাড়ি পরেছিলেন কেন?
গ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে 'মাদার তেরেসা'র কোন ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে-
বর্ণনা করো।
ঘ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদাম তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক; কিন্তু তাঁদের
লক্ষ্য ছিল অভিন্ন- কথাটির সত্যতা যাচাই করো।
৩. গোলাম মওলা একজন শিল্পপতি। তিনি মাটির তৈরি ফুলদানি, নৌকা, গরুর গাড়ি, ফলমূল ও বিভিন্ন
মনীষীর প্রতিকৃতি দিয়ে তার বাড়ির ড্রইংরুম সাজিয়েছেন। তিনি মনে করেন, লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা
প্রত্যেকেরই কর্তব্য।
ক. শ্যেন চোখে মানে কী?
খ. পালমশাই একজন জাত শিল্পী। এখানে পালমশাইকে জাত শিল্পী বলার কারণ কী?
গ. মাওলা সাহেবের ড্রইংরুমে সজ্জিত মাটির জিনিসপত্র দ্বারা 'কত দিকে কত কারিগর'- রচনার কোন দিকটি
ইঙ্গিত করে, ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মাওলা সাহেবের বক্তব্যের সঙ্গে তুমি কি একমত? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
১.  দিনের বেলা আকাশ সচরাচর থাকে নীল। আবার কখনো সাদা বা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশে কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা। কখনো বা সারা আকাশ ভেসে যায় লাল আলোতে। আকাশের নীল চাঁদোয়াটা গ্যাসভর্তি ফাঁকা জায়গা। সেখানে আছে গ্যাস, বাষ্প ও ধূলিকণা।
ক. আব্দুল্লাহ আল মুুতী কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
খ. আকাশে বিভিন্ন সময় রং খেলা করে কেন?
গ. আকাশ নীল দেখার কারণগুলো বর্ণনা করো।
ঘ. ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশে কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা— ‘উদ্দীপক’ ও ‘আকাশ’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

২. রহিমা খাতুন নিজের বাসগৃহে প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষর জ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই তিনি এ কাজ করেন। ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহিমা সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী মহিলাকে পুরস্কার দেন। এতে উৎসাহী হয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। নিজের ছোট গণ্ডির মধ্যে দায়িত্ববোধ ও মানবসেবার লক্ষ্যে তিনি এই মহৎ কাজ চালিয়ে যান।
ক) সেবাকাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ) মাদার তেরেসা গাউন ছেড়ে শাড়ি পরেছিলেন কেন?
গ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে মাদার তেরেসার কোন ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে- বর্ণনা করো।
ঘ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদাম তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক; কিন্তু তাঁদের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন- কথাটির সত্যতা যাচাই করো।

পদ্যাংশ
৪.ক) পাহাড়টাকে হাত বুলিয়ে লাল দিঘির ঐপার
এগিয়ে দেখি জোনাকিদের বসেছে দরবার
আমায় দেখে কলকলিয়ে দিঘির কালো জল বললো,এসো আমরা সবাই না-ঘুমানোর দল।
খ।)বাঁশ বাগানের আধখানা চাঁদ / থাকবে ঝুলে একা,
ঝোপে ঝাড়ে বাতির মতো / জোনাক যাবে দেখা।
ক) পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা পাঠের উদ্দেশ্য কী?
খ) কবি আল মাহমুদের দৃষ্টিতে প্রকৃতির সঙ্গে মানুুষের সম্পর্ক বর্ণনা করো।
গ) কবিতাংশ দুটিতে পল্লী প্রকৃতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ) কবিতাংশ দুটিতে নিসর্গপ্রীতি ফুটে উঠেছে উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
৫.খাল-বিল, নদী-নালা আর পুকুরে ভরা এই দেশ। ছোটবেলায় সাঁতার কাটা শিখেছিলেন নাজির সাহেব।
সন্তানদের নিয়ে তিনি এখন শহরে থাকছেন। গ্রামের বাড়িতেও আগের সেই খাল-বিল, পুকুর নেই। সন্তানদের
সাঁতার কাটা শেখাতে পারছেন না। নাজির সাহেব আক্ষেপ করে বলেন, এভাবে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটলে
আমাদের আগেকার জীবনযাত্রা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কেবল কাগজে-কলমেই থাকবে।
ক. প্রতিদিন কে আলোর খেলা খেলছে?
খ. কাজল বিলে পানকৌড়িকে নাইতে দেওয়ার আহ্বান দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ. উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে বাঁচতে দাও কবিতার শিশুর কাজটির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে বাঁচতে দাও কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে। মন্তব্যটি
প্রমাণ করো।
৬.মধুমতি একটি অবহেলিত গ্রাম। জনসংখ্যা কম নয়। তবু শিক্ষার হার কম হওয়ায় এগোতে পারছে না
গ্রামটি। রশিদ সাহেব গ্রামের অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য গ্রামবাসীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ
হলেন। গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত করলেন। রশিদ সাহেব আজ নেই, তবু মধুমতি গ্রামের প্রতিটি
মানুষ তাঁকে তাঁর কীর্তির জন্য শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
ক. চির শিশু শব্দের অর্থ কী?
খ. মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়-এই বাক্যের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
গ. বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে মুজিব কবিতার ভাবগত দিক তুলে ধরো।
ঘ. মধুমতি গ্রামটি যেন মুজিব কবিতার স্বাধীন বাংলার কথাটির সার্থকতা প্রমাণ করে।
৭. ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ
দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ?
বরকতের রক্ত।
হাজার যুগের সূর্যতাপে
জ্বলবে এমন লাল যে,
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে
কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে !
ক) কান্নারা সব কোথায় ডুকরে ওঠে?
খ) ফাগুন মাস সবুজ আগুন জ্বলে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ) উদ্দীপকের সাথে 'ফাগুন মাস'- কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ অংশটুকু ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকের ভাবার্থটি যেন 'ফাগুন মাস'- কবিতার ভাবার্থেরই প্রতিচ্ছবি উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
আনন্দপাঠ
৮। বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। আর এই মহান যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে মকসুদ আলি
বীরের আসনে আসীন করে নিজে চিরদিনের জন্য শ্রদ্ধার পাত্র হওয়ার গর্ববোধ করেন।
ক) 'কাঠের পা'- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
খ) মুক্তিযোদ্ধারা কেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান?
গ) উদ্দীপকের মকসুদ আলির সঙ্গে নয়নের বাবার কী কী বৈসাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকের বীর মুক্তিযোদ্ধা মকসুদ আলি কি নয়নের বাবার প্রতিফলন? আলোচনা কর।
৯. একাত্তরের আত্মারা আজ শ্লোগান তুলেছে মঞ্চে
'তুই রাজাকার ','তুই রাজাকার '
লুকিয়ে থেকে পার পাবিনা হাটে মাঠে গঞ্জে।
আলোর মশাল বাঙালির হাতে জেগেছে স্বদেশ
আত্মারা তাই কণ্ঠ মিলায় সাবাশ বাংলাদেশ।
ক) তৈলচিত্রটি কোথায় ছিল?
খ) রাজা দুর্ভাগ্য এড়াতে পারেননি কেন?
গ) উদ্দীপকে 'অমি ও আইসক্রিম অলা'- গল্পের ফুটে ওঠা দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকে 'অমি ও আইসক্রিম অলা'- গল্পের চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে কী-- তোমার মতামত দাও।
১০. গাহি সাম্যের গান-
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান।
............................................................
তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্র খুঁজে পাবে সখা, খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
ক) কসমোপলিটান শব্দের অর্থ কী?
খ) লন্ডন সবার তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে কেন?
গ) উদ্দীপকে প্রতিফলিত দিকটি 'ওকিং মসজিদে ঈদের জামাত'- গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকে 'ওকিং মসজিদে ঈদের জামাত'- গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র '- তোমার মতামত দাও।
১১. হযরত মুহাম্মদ (স) সভ্যতার আলো দিয়ে মানবমুক্তির পথ দেখান এবং আল্লাহর একত্ববাদ প্রচার
করেন।আরবভূমি যখন ভয়াবহ অন্ধকার অজ্ঞতার কবলে নিপতিত ঠিক সে সময়েই হযরত মুহাম্মদ (স) এর
আবির্ভাব।
ক) সৌদি আরবের শ্রেষ্ঠ সম্পদ কী?
খ) কাকে এবং কেন 'মরুসূর্য 'উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
গ) উদ্দীপক ও 'রসুলের দেশে '- রচনাটি এক ও অভিন্ন" - উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ) মহামানব হযরত মুহাম্মদ (স) কে অনুসরণ করে আদর্শে পরিণত হয়েছিলেন আব্দুল আজিজ'- মূল্যায়ন
করো।

নৈর্ব্যক্তিক অংশ - ৩০ টি
১। প্রাচীনকালে বাঙালির প্রিয় মাছ ছিল—
ক. রুই. খ. কাতল গ. পাবদা ঘ. ইলিশ
২। বেশির ভাগ লোকজনের কাঁচা বাড়িতে বসবাসের কারণ কী ছিল?
ক. অর্থের অভাব খ. গৃহ সরঞ্জামের অভাব
গ. রুচিবোধের অভাব। ঘ. অন্যের অনুকরণ
৩। সাধারণ লোক জুতা পরত না। কারণ তা তাদের—
ক. ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ছিল না খ. অপছন্দ ছিল
গ. কাছে বোঝা মনে হতো ঘ. ব্যবহারে রাষ্ট্রের নিষেধ ছিল
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও
দেওয়ান সুজা একজন রাজা ছিলেন। তাঁর রাজ্য তিনটি পরগনায় বিভক্ত ছিল। প্রতিটি পরগনার শাসনভার
তাঁর অনুগত একজন নায়েবের ওপর ন্যস্ত ছিল। তিনি পশ্চিম ভারতীয় পোশাক পরতে ও মোগলাই খাবার
খেতে বেশি পছন্দ করতেন।
৪। দেওয়ান সুজার রাজ্যে নায়েবদের পরিচয় কী?
ক. জমিদার খ. সামন্ত গ. ভূস্বামী ঘ. সুবেদার
৫। দেওয়ান সুজার স্বভাবের মধ্যে ফুটে উঠেছে—
i. আধুনিকতা ii. অনুকরণপ্রিয়তা iii. প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i খ. ii গ. iii ঘ. ii ও iii
৬. মাদার তেরেসা কখন ঢাকায় আসেন?
ক. ভাষা আন্দোলনের সময় খ. মুক্তিযুদ্ধকালে
গ. স্বাধীনতার পরে ঘ. স্বাধীনতার পূর্বে
৭. নিচের কোনটি মাদার তেরেসার পারিবারিক পদবি?
ক. বোজাঝিউ খ. বার্নাই। গ. নিকোলাস ঘ. তেরেসা
৮. মাদার তেরেসাকে পরিবার থেকে কোন নামটি দেওয়া হয়?
ক. অ্যাগনেস গোনজা বোজাঝিউ। খ. দ্রাণাফিল গোনজা বোজাঝিউ

গ. অ্যানেস বার্নাই বোজাঝিউ। ঘ. দ্রাণাফিল বার্নাই বোজাঝিউ
৯. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কোনটি?
ক. ১৯১০-১৯১৪ সালে
খ. ১৯১৪-১৯১৮ সালে
গ. ১৯২০-১৯২৪ সালে ঘ. ১৯২৪-১৯২৮ সালে
১০ বায়ুমণ্ডলে কয়টি বর্ণহীন গ্যাস রয়েছে?
ক) দশটি খ) বারোটি গ) বিশটি ঘ) তেরোটি
১১. হরহামেশা '- অর্থ কী?
১২. 'মিশেল'- অর্থ কী?
১৩. পৃথিবীর উপরের অংশকে কী বলে?
১৪. মিশনারী শব্দের অর্থ কী?
১৫. মাদার তেরেসা কত সালে ঢাকায় আসে?
১৬. সৈয়দ শামসুল হক এর পেশা কি ছিল?
১৭. . সৈয়দ শামসুল হক কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
১৮. জয়নুল আবেদিন কে ছিলেন?
১৯. আনিসুজ্জামান এর জন্ম কত সালে?
২০. শীর্ণ শব্দের অর্থ কী?
২১. মখমলের কাপড় কারা ব্যবহার করতো?
২২. প্রাচীনকালে এদেশে যাতায়াতের প্রধান উপায় কি ছিল?
২৩. মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য কে ডাকবে?
২৪. স্বাধীন বাংলার স্থপতি কে?
২৫. শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
২৬. 'নাইতে '- বলতে কি বুঝ?
২৭. ব্যাবিলনের বর্তমান নাম কী?
২৮. বেঁচে থাকার প্রধান আশ্রয় কি?
২৯. আল মাহমুদের প্রকৃত নাম কী?
৩০. ওকিং মসজিদে খোতবা পড়া হয়েছিল কোন ভাষায়?
বাংলা - ১০
৩১. 'বাঁচতে দাও'- কবিতায় নীল আকাশে কে মেলছে পাখা?
৩২. কবি শামসুর রাহমান এর পেশা কি ছিল?
৩৩. বাঁচতে দাও'- কবিতায় নরম রোদে কোন পাখি নাচ জুড়েছে?
৩৪. গহিন'-শব্দের অর্থ কী?
৩৫. সুজন মাঝি কোথায় নৌকা বাইছে?
৩৬. শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
৩৭. বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় --------------- বছরের।
৩৮ সেকালে মেয়েরা কোথায় চড়তো?
৩৯. 'পল্লব' ও 'কৃশ'- শব্দের অর্থ কী?
৪০. সামন্ত '- অর্থ কী?

Most Popular Post