জি, আর মামলা (Non-G.R Case) এবং সি, আর মামলা (C.R Case) এর মধ্যে পার্থক্যঃ
১) ফরিয়াদি যখন এজাহারের মাধ্যমে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট মামলা রুজু করে তখন এ সকল মামলাকে জি,আর মামলা হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির 154 ধারায় এজাহার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
২) অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির 4(h) ধারায় নালিশের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। নালিশ হল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর কোন অপরাধ সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত অভিযোগ পত্র।
৩) জি,আর মামলা দায়ের করতে হয় থানায় আর সি,আর মামলা দায়ের করতে হয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে।
৪) জি,আর মামলা দায়ের করার সময় অভিযোগ দায়েরকারীকে কোন শপথ বাক্য পাঠ করতে হয়না। অন্যদিকে সি,আর মামলা দায়ের করার সময় ফরিয়াদি যা বলবে সত্য বলবে, কোন মিথ্যা বলবে না এই মর্মে শপথ বাক্য পাঠ করতে হয়।
৫) জি,আর মামলা দায়েরের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এজাহারের ভিত্তিতে অপরাধ সম্পর্কে তদন্তে অগ্রসর হয়ে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেন। অন্যদিকে সি,আর মামলা দায়েরের পর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিয়ে গেরপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন বা তদন্ত করার জন্য তিনি নিজে বা অন্য কাউকে নির্দেশ দিতে পারেন।
৬)জি,আর মামলার ক্ষেত্রে তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান না পেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করতে পারেন। অন্যদিকে নালিশের ক্ষেত্রে আসামীর বিরুদ্দে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান না পেলে আসামীকে অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করা হয়।
৭) জি,আর মামলা শুধু আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে দায়ের করা হয়। অন্যদিকে সি,আর মামলা আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য উভয় প্রকার মামলার ক্ষেত্রে দায়ের করা যায়।
Ad-1
Tuesday, January 22, 2019
Monday, January 7, 2019
রিট কি? কত প্রকার ও কি কি?
বাংলাদেশের আইন ব্যাবস্থা রীট কি(WhatisWrit) ?রীট কত প্রকার ও কি কি?
রীট (Writ) শব্দের অর্থ হল আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ। রীটের উৎপত্তি ও বিকাশ ইংল্যান্ডে। প্রথমে রীট ছিল রাজকীয় বিশেষাধিকার(royal prerogative)। রাজা বা রানী বিচারের নির্ধারক হিসাবে (fountainofjustice)রীট জারী করতে পারত। একমাত্র রাজা বা রানীর রীট জারী করার অধিকার ছিল বলে একে প্রথমে বিশেষাধিকার রীট বলা হত। রাজা বা রানী তাদের কর্মচারী বা অফিসারদের কার্যবালি পালনে বাধ্যকরার জন্য বা কোন অবৈধ কাজ হতে বিরত রাখার জন্য রীট জারী করতেন।পরবর্তি কালে রাজা বা রানীরএই বিশেষাধিকার নাগরিকদের অধিকারে চলে আসে। নাগরিকগণ সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণ ও কাজে ক্ষুদ্ধ হয়ে রাজার কাছে আসত এবং রাজা বা রানী তাদের বিশেষ অধিকার বলে রীট জারী করত।
পরবর্তি কালে রাজা বা রানীর প্রতিনিধি হিসাবে ইংল্যান্ডে দু’ধরনের আদালত গঠিত হয়।
যেমন, চ্যান্সারী আদালত (court of chancery) এবং কিংস বেঞ্চ(kings bench) এসব আদালত নাগরিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রীট জারী করত।
বাংলাদেশের সংবিধান হাইকোর্ট বিভাগকে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে আদি এখতিয়ার দিয়েছে, সেটি হল রীট জারীর এখতিয়ার।
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনাকে কার্যকর করতে পারে।হাইকোর্ট বিভাগের এই এখতিয়ারকে রীট জারীর এখতিয়ার বলে। অর্থাৎ রীট শুধু মাত্র হাইকোর্ট বিভাগ জারী করতে পারে।কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে সংবিধানের৪৪ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত অধিকার বলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার বলবত করার জন্য রীট পিটিশন দায়ের করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ ১০২ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মৌলিক অধিকার বলবত করার জন্য কতিপয় আদেশ-নির্দেশ জারী করতে পারে, তাকে রীট বলে।
বিভিন্ন প্রকারের রীটঃ পাঁচ ধরনের রীট রয়েছে।যেমনঃ
পাঁচ ধরনের রিট আছে:
১। বন্দী প্রদর্শন রিট (Writ of habeas corpus) :
কোনো ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কেউ আটক করলে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা জানার জন্য বন্দীকে আদালতে হাজির করার যে নির্দেশ দেওয়া হয় তাই বন্দী প্রদর্শন রিট।
২। পরমাদেশ বা হুকুমজারি রিট(Writ of mandamus):
কোনো অধ:স্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে কিংবা ব্যর্থ হয় তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত আইনগত দায়িত্ব পালন করতে উক্ত আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে বাধ্য করে তাকে হুকুমজারী রিট বা পরমাদেশ বলে।
৩। নিষেধাজ্ঞামূলক রিট(Writ of prohibition) :
কোনো অধস্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কোনো কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা ব্যক্তি তার এখতিয়ার বর্হিভূত কাজ করতে উদ্দ্যত হয়েছে কিংবা ন্যায় নীতি ভঙ্গ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে ঐ কাজ করা থেকে বিরত রাখেন তাকে নিষেধাজ্ঞামূলক রিট বলে। নিষেধাজ্ঞামূলক রিটকে বিচার বিভাগীয় রিটও বলা হয়।
৪। উৎপ্রেষণ রিট(Writ of certiorari) :
দুটি উদ্দেশ্যে উচ্চতর আদালত উৎপ্রেষণ রিট জারী করতে পারে- ক) অধ:স্তন কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক কৃত ক্ষমতা বহির্ভূত কাজকে বাতিল বা নাকচ করে দেয়া। খ) অধ:স্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা শুনানীর জন্য উচ্চতর আদালত নিজেই গ্রহণ করে এ রিট জারী করতে পারে।
৫। কারণ দর্শাও রিট(Writ of quo-warranto).:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো সরকারি পদ দাবী করে, যে পদের যোগ্যতা তার নাই অথবা অবৈধভাবে যদি কোনো সরকারি পদ দখল করে বসে থাকে, তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে তার পদ দখলের বা দাবীর কারণ দর্শাও নির্দেশ দিয়ে থাকে তাকে কারণ দর্শাও রীট বলে।
রীট (Writ) শব্দের অর্থ হল আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ। রীটের উৎপত্তি ও বিকাশ ইংল্যান্ডে। প্রথমে রীট ছিল রাজকীয় বিশেষাধিকার(royal prerogative)। রাজা বা রানী বিচারের নির্ধারক হিসাবে (fountainofjustice)রীট জারী করতে পারত। একমাত্র রাজা বা রানীর রীট জারী করার অধিকার ছিল বলে একে প্রথমে বিশেষাধিকার রীট বলা হত। রাজা বা রানী তাদের কর্মচারী বা অফিসারদের কার্যবালি পালনে বাধ্যকরার জন্য বা কোন অবৈধ কাজ হতে বিরত রাখার জন্য রীট জারী করতেন।পরবর্তি কালে রাজা বা রানীরএই বিশেষাধিকার নাগরিকদের অধিকারে চলে আসে। নাগরিকগণ সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণ ও কাজে ক্ষুদ্ধ হয়ে রাজার কাছে আসত এবং রাজা বা রানী তাদের বিশেষ অধিকার বলে রীট জারী করত।
পরবর্তি কালে রাজা বা রানীর প্রতিনিধি হিসাবে ইংল্যান্ডে দু’ধরনের আদালত গঠিত হয়।
যেমন, চ্যান্সারী আদালত (court of chancery) এবং কিংস বেঞ্চ(kings bench) এসব আদালত নাগরিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রীট জারী করত।
বাংলাদেশের সংবিধান হাইকোর্ট বিভাগকে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে আদি এখতিয়ার দিয়েছে, সেটি হল রীট জারীর এখতিয়ার।
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনাকে কার্যকর করতে পারে।হাইকোর্ট বিভাগের এই এখতিয়ারকে রীট জারীর এখতিয়ার বলে। অর্থাৎ রীট শুধু মাত্র হাইকোর্ট বিভাগ জারী করতে পারে।কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে সংবিধানের৪৪ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত অধিকার বলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার বলবত করার জন্য রীট পিটিশন দায়ের করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ ১০২ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মৌলিক অধিকার বলবত করার জন্য কতিপয় আদেশ-নির্দেশ জারী করতে পারে, তাকে রীট বলে।
বিভিন্ন প্রকারের রীটঃ পাঁচ ধরনের রীট রয়েছে।যেমনঃ
পাঁচ ধরনের রিট আছে:
১। বন্দী প্রদর্শন রিট (Writ of habeas corpus) :
কোনো ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কেউ আটক করলে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা জানার জন্য বন্দীকে আদালতে হাজির করার যে নির্দেশ দেওয়া হয় তাই বন্দী প্রদর্শন রিট।
২। পরমাদেশ বা হুকুমজারি রিট(Writ of mandamus):
কোনো অধ:স্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে কিংবা ব্যর্থ হয় তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত আইনগত দায়িত্ব পালন করতে উক্ত আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে বাধ্য করে তাকে হুকুমজারী রিট বা পরমাদেশ বলে।
৩। নিষেধাজ্ঞামূলক রিট(Writ of prohibition) :
কোনো অধস্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কোনো কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা ব্যক্তি তার এখতিয়ার বর্হিভূত কাজ করতে উদ্দ্যত হয়েছে কিংবা ন্যায় নীতি ভঙ্গ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে ঐ কাজ করা থেকে বিরত রাখেন তাকে নিষেধাজ্ঞামূলক রিট বলে। নিষেধাজ্ঞামূলক রিটকে বিচার বিভাগীয় রিটও বলা হয়।
৪। উৎপ্রেষণ রিট(Writ of certiorari) :
দুটি উদ্দেশ্যে উচ্চতর আদালত উৎপ্রেষণ রিট জারী করতে পারে- ক) অধ:স্তন কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক কৃত ক্ষমতা বহির্ভূত কাজকে বাতিল বা নাকচ করে দেয়া। খ) অধ:স্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা শুনানীর জন্য উচ্চতর আদালত নিজেই গ্রহণ করে এ রিট জারী করতে পারে।
৫। কারণ দর্শাও রিট(Writ of quo-warranto).:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো সরকারি পদ দাবী করে, যে পদের যোগ্যতা তার নাই অথবা অবৈধভাবে যদি কোনো সরকারি পদ দখল করে বসে থাকে, তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে তার পদ দখলের বা দাবীর কারণ দর্শাও নির্দেশ দিয়ে থাকে তাকে কারণ দর্শাও রীট বলে।
Sunday, November 25, 2018
প্রবাসী ভাইয়ের দূর থেকে বোনের প্রতি বিয়েতে আশীর্বাদ ও উপদেশ

মাথায় হাত রেখে আশির্বাদ করিনি! তাতে কি ! কিছু কিছু আশির্বাদ দূর থেকেও করা যায়। আমি শুনেছি, ভাইয়ের আশির্বাদ কখনো বৃথা যায় না। জানি না , আমি সৎ কিনা এবং জানি না আমার আশির্বাদ তোমার মাথায় পৌঁছুবে কিনা ! তারপর ও দূর থেকে আশির্বাদ করি - BE HAPPY IN YOUR LIFE.
জীবনে এই প্রথম শ্বশুরালয়ে যাইতেছ বলে আমি তোমাকে কতিপয় উপদেশ দিলাম। ইচ্ছা করলে মেনে চলিও । স্বামীকে দেবতার আসনে স্হান দিবে।শ্বশুরকে নিজের পিতা এবং শাশুড়ীকে নিজের মাতা মনে করবে। দেবর কে ছোট ভাই মনে করে আদর করিও। যত সুশ্রী ও সুপুরুষ হোক স্বামী ছাড়া অন্য কারো প্রতি কুনজর দিও না। কথায় কথায় বাপের বাড়ীর কোন ব্যক্তি ও বিষয় নিয়ে অহংকার করো না। সবার শেষে ঘুমাতে যাবে এবং সবার আগে ঘুম থেকে জাগবে। মনে রাখবে, শ্বশুরবাড়ীই তোমার শেষ আশ্রয়স্থল। ফিরে আসার কথা কখনো মাথায় এনো না। সবার মন জয় করে চলতে চেষ্টা করবে, কারণ তুমি ভাল আচরণ করলে অন্যরাও তোমার প্রতি ভাল আচরণ করবে। খাবার এর পছন্দ -অপছন্দ নিয়ে কোন কথা বলবে না এবং সবসময় শালীন পোশাক পড়বে ও শালীন কথা বলবে।স্বামী - সন্তান নিয়ে কখনো একা থাকার চেষ্টা করোনা। কারণ যৌথ পরিবারেই প্রকৃত সুখ। সময় ও মন বুঝে স্বামীকে মনের কথা বলবে, কারণ অসময়ে অনেক ভাল কথার ও আশানুরুপ ফল পাওয়া যায় না। কারো কথায় বা আচরণে মনে কষ্ট পেলে সাথে সাথে জবাব দিয়ে দিও না, ভেবে চিন্তে সময়বুঝে বিষয়টি স্বামীকে বলিও। যা করার বা বলার তিনিই বলবেন। ধর্ম-কর্ম থেকে মোটেও বিচ্যুত হয়ো না, কারণ ধর্ম- কর্ম তোমাকে পাপ থেকে মুক্তি দিবে।বাপের বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য স্বামী ও শ্বাশুড়ীর অনুমতি নিবে। কখনো স্বামীকে ঠকাতে চেষ্টা করো না। কারণ, যে ঠকে সেই বোকা নয়, বিশ্বাসী ছিল। সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা তুমি করেছ। এমন কোন কাজ করো না, যাতে তোমার বাপের বাড়ীর সুনাম ক্ষুন্ন হয় এবং বাপের বাড়ীর অর্জিত জ্ঞান শ্বশুরবাড়ীতে প্রয়োগ করবে। তোমার বাবা - মার যেসব দূর্বলতা আছে সেগুলো গোপন রেখো, জানাজানি হয়ে গেলে তোমার ক্ষতি হবে। কথা বলার সময় খুব সাবধানে ও হুশিয়ারে বলবে। মনে রেখো, বন্দুকের গুলি ও মুখের বুলি একবার বের হলে তা আর ফিরে আসে না। নিজেকে সর্ব জান্তা মনে করিও না। সবাই কে বলবে আমি জানি না, আমাকে শেখান। স্বামীর স্বজন দের নিজের আপন জন মনে করো। মনে রাখবে, তোমার সুখ-দু্ঃখ প্রায় সম্পূর্ণ তোমার আচরণ এর উপর নির্ভর করবে তবে কিছুটা নিয়তি।তুচ্ছ বিষয় গুলোকে এড়িয়ে চলবে এবং যতটুকু সম্ভব সহ্য করবে। কারণ, সহ্যের গুণ আছে। মনে রাখবে মানুষের সব আশা পুরণ হয় না, সব আশা পূরণ হলে মানুষ কখনো ভগবান কে ডাকতো না। তোমার স্বামী তোমাকে অন্ধভাবে ভালবেসে জমি কিনে দিতে পারে, দোকান কিনে দিতে পারে, ব্যাংক ব্যালেন্স দিতে পারে। তুমি তোমার বাবার প্ররোচনায় এগুলো বিক্রি করে দিও না। এই রকম করলে বাকি জীবন স্বামীর সাথে না কাটিয়ে বাবার সাথে কাটাতে হবে।তুমি আত্মসাৎ করে আনলেও তোমার বাবা সেগুলো তোমাকে ভোগ করতে দিবে না। সেগুলো দিয়ে তোমার বোন আর একটা বিয়ে দিবে আর তোমকে ভিলেন বানিয়ে ব্রাক এ চাকরি করতে বলবে নতুবা বাধন বিউটি পার্লারে গিয়ে মানুষের চুল কাটতে দিবে । সবশেষে বলব - সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে।
[Collected]
Tuesday, November 13, 2018
সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -০২
১. শীতের সকাল
ছয়টি ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ। ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্য রকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে শীতের সকাল। শীতের সকালে কুয়াশার চাদর পরিবেশকে করে মনোরম। যখন এই কুয়াশার চাদর ভেদ করে চারদিকে রুপালি আলো ছড়িয়ে পড়ে, তখন বাড়িঘর, গাছপালা ও প্রকৃতি ঝলমল করে ওঠে। শীতের সকালে নানা ধরনের পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। সকাল বেলার রোদে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ, তা সব আনন্দকেই ছাড়িয়ে যায়। এই আনন্দ চারপাশে উত্সবের সমারোহ তৈরি করলেও শীতের সকাল বেলাটা মানুষ লেপ-কাঁথার নিচেই কাটাতে ভালোবাসে। শীতের সকাল অলস আর উত্সবের আমেজে উপভোগ্য হলেও গরিবদের জন্য তা ঠিকই কষ্টের। সূর্যের আলোর তীব্রতা বাড়লে দূর হয় শীতের সকালের আমেজ। শীতের সকাল প্রকৃতিকে এক পবিত্র সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে, যা ছড়িয়ে থাকে সারা বেলা।২. একুশে ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত সর্ববৃহত্ আন্দোলনের নাম। মহান একুশে ফেব্রুয়ারির বেদনা, স্মৃতি, আনন্দ ও মহিমা আমাদের জাতীয় চেতনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এ চেতনা আমাদের ভাষা আন্দোলনের চেতনা। ব্রিটিশ দুঃশাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয় দুটি রাষ্ট্রে। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকেরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে প্রথমেই আমাদের বাংলা ভাষাকে নিয়ে চক্রান্ত শুরু করে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন। এ দেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে ছাত্রসমাজের দুর্বার আন্দোলনের ফলে পাকিস্তানিরা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু দুর্জয় ছাত্রসমাজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করলে পাকিস্তানি শাসকেরা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। হত্যা করে সালাম, বরকত, রফিক, শফিকসহ নাম না জানা আরও অনেককে। জীবনের বিনিময়ে বাংলা ভাষাকে তাঁরা রক্ষা করেন। ফলে বাংলা ভাষা ১৯৫৬ সালে মর্যাদা পায় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে। এর পর থেকে এ দিনটির স্মরণে একুশ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এই বিরল ঘটনাকে সম্মান দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয়। এখন প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বের প্রতিটি দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মুক্তির চেতনা।৩. বাংলা নববর্ষ:
পয়লা বৈশাখ বাঙালির নববর্ষ উত্সব। সম্রাট আকবরের সর্বপ্রথম বাংলা সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষের যাত্রা শুরু হয়। ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই উত্সব সব বাঙালি উদ্যাপন করে থাকে প্রবল উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। একসময় জমিদার ও নবাবেরা নববর্ষে পুণ্যাহ আয়োজন করতেন। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নববর্ষ উদ্যাপন করায় সে আয়োজন দেশময় ছড়িয়ে পড়ে। নববর্ষে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, ঘোড়দৌড় এবং বিভিন্ন লোকমেলার আয়োজন করে সাধারণ মানুষ। সংস্কৃতি সংগঠন ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে নববর্ষে রমনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ধারাবাহিকতায় আমরা আজও নববর্ষ উত্সব মন ও মননে লালন করছি। চারুকলা প্রতিবছর আয়োজন করে মঙ্গল শোভাযাত্রার। এই দিনে ছেলেরা পাজামা-পাঞ্জাবি ও মেয়েরা নানা রঙের শাড়ি পরে পরিবেশ বর্ণিল করে তোলেন। এটি আমাদের জাতীয় উত্সব, সেহেতু আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এ উত্সবের গুরুত্ব ঠিকমতো বোঝা।৪. কম্পিউটার:
আভিধানিক অর্থে কম্পিউটার হলো এক ধরনের যন্ত্র । কিন্থ আজকাল কম্পিউটারকে কেবল গণনাকারী বলা চলে না। এখন তা এমন এক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে র ধারণা দেয় যা অগণিত তথ্য বা উপাত্ত গ্রহণ করে অত্যন্থ দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সংরণ, গণনা বিশ্লেষণ ইত্যাদি করতে পারে। কম্পিউটার যন্ত্রে র মূল আবিষ্কারক চার্লস ব্যাবেজ। মানুষ যেমন মগজে রাখা, স্মৃতি অভিজ্ঞতা, তথ্য ও তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান করে কম্পিউটারের কাজ ও তেমনি। কম্পিউটার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার-যা ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে মহাশূন্য গবেষণায় কাজ করছে। কম্পিউটার জীবনের সর্বেেত্র সাড়া জাগিয়েছে। রোগীর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে এবং পুস্তক প্রকাশনায় কম্পিউটার বিস্ময়কর অবদান রাখতে সম হয়েছে। আজকাল পরীার খাতাও দেখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটার মানুষের বিচিত্র কর্মকার যে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধন করছে তার সুফল অবশ্যই জাতির জন্য সম্প্রসারণ করতে হবে। ১৯৫২ সালে আমেরিকার বিজ্ঞানী জনডন নিউম্যান সর্বপ্রথম কম্পিউটারের আবিস্কারের পরিকল্পনা করেন। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কম্পিউটার তৈরীর কাজ ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে।আধুনিক কম্পিউটারের জনক হচ্ছেন চার্লস ব্যাবেজ। কম্পিউটার মানব জীবনের নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে সর্বাধুনিক কল-কারখানা ও পারমানবিক চুল্লি কম্পিউটারের সাহায্যে নিয়ন্ত্রি ত হচ্ছে। কম্পিউটারের সাহায্যে বর্তমানে বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা ইত্যাদি কম্পোজ ও মুদ্রণের কাজ নির্ভুল এবং দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন। আমাদের দেশেও কম্পিউটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলছে। মানুষ হয়ে পড়ছে কম্পিউটার নির্ভর।৫. স্বাধীনতা দিবস:
স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে বিশেষ একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এ দেশের সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম। এ দিনটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদার অংশ। ১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল। কিন্তু গণমানুষের রায়কে উপেক্ষা করে পাকিস্তানি সরকার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে। এ দেশের মানুষ তা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি আন্দোলন শুরু করে। এ দেশের মানুষের আন্দোলনে ভীত হয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর আক্রমণ চালায়। দেশব্যাপী হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ নানা ধরনের বর্বরতা চালায়। এ দেশের সাহসী বাঙালিও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। প্রতিবছর এ দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরবের ও মর্যাদার।বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর মনে রাখার সহজ টেকনিক
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর মনে রাখুন খুব সহজে"
.............................................
১) জেনেভা,সুইজারল্যান্ড:
ক) যে সংস্থার নাম প্রথমে I/W এবং শেষে U/R/Oআছে তাদের সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: WHO, WTO, ILO, ISO, WIPO, IPU, ITU
WHO = World Health Organisation.
WTO = World Trade Organisation.
ILO = International Labour Organisation.
খ) SARRC এবং CIRDAP ব্যতিত ‘R’ যুক্ত সকল সংস্থার দপ্তর এখানে।
যেমন: OHCHR, UNHCR, UNHRC, ICRM, UNITAR, UNRISD, RED CROSS.
গ) অন্যান্য: কোন সংস্থার নামের সাথে T এবং C যুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNCTAD, ITC.
.
২) ওয়াশিংটস ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র:
‘I’ শুরু এবং A/B/C/D/E দিয়ে শেষ হলে সদর দপ্তর এখানে।
IMF, IFC, IDA, IDB, IBRD, ICSID ব্যাতিক্রম: MIGA, OAS.
.
৩) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র:
কোন সংস্থার নামের সাথে UN এর সাথে E/Fযুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNIFEM.UNICEF, UNFPA
ব্যতিক্রম: UN,UNDP
.
৪) রোম, ইতালি:
যে সকল সংস্থার নামের মাধ্যমে খাদ্য নির্দেশ করে সেগুলোর সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: IFAD, WEP, FAO.
.............................................
১) জেনেভা,সুইজারল্যান্ড:
ক) যে সংস্থার নাম প্রথমে I/W এবং শেষে U/R/Oআছে তাদের সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: WHO, WTO, ILO, ISO, WIPO, IPU, ITU
WHO = World Health Organisation.
WTO = World Trade Organisation.
ILO = International Labour Organisation.
খ) SARRC এবং CIRDAP ব্যতিত ‘R’ যুক্ত সকল সংস্থার দপ্তর এখানে।
যেমন: OHCHR, UNHCR, UNHRC, ICRM, UNITAR, UNRISD, RED CROSS.
গ) অন্যান্য: কোন সংস্থার নামের সাথে T এবং C যুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNCTAD, ITC.
.
২) ওয়াশিংটস ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র:
‘I’ শুরু এবং A/B/C/D/E দিয়ে শেষ হলে সদর দপ্তর এখানে।
IMF, IFC, IDA, IDB, IBRD, ICSID ব্যাতিক্রম: MIGA, OAS.
.
৩) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র:
কোন সংস্থার নামের সাথে UN এর সাথে E/Fযুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNIFEM.UNICEF, UNFPA
ব্যতিক্রম: UN,UNDP
.
৪) রোম, ইতালি:
যে সকল সংস্থার নামের মাধ্যমে খাদ্য নির্দেশ করে সেগুলোর সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: IFAD, WEP, FAO.
Subscribe to:
Comments (Atom)
Recent Post
Most Popular Post
-
অলঙ্কার এর সংজ্ঞাঃ অলঙ্কার কথাটি এসেছে সংস্কৃত 'অলম' শব্দ থেকে।অলম শব্দের অর্থ ভূষণ।ভূষণ অর্থ সজ্জা,গহনা ইত্যাদি। তাই আভিধানিক অর্থে...
-
নৌকাডুবি (১৯০৬) চরিত্র ও তথ্য সমূহ ১. রমেশঃকলকাতা/Law/বাবার চিঠি/ ২. হেমনলিনীঃমাতৃহীন/ ৩. কমলাঃ ৪. ডাক্তার নলিনাক্ষঃ * গঙ্গার প্রবল ঘুর্ণিঝড়...
-
ভূমিকা : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যাঁর নামটি জড়িত, তিনি হলেন সৈয়দ মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর। জন্ম পরিচয় : তিতুমীর ভারতের পশ্চিমবঙ...
-
বলাকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত...
-
উত্তর: অ-ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণের নিয়ম নিম্নরুপ।যথা: ১. 'অ'অথবা নিহিত 'অ'-ধ্বনির পর ই-কার বা উ-কার হলে, তবে অ-ধ্বনির উচ্চারণ...
-
বিষয় : বাংলা সময়------২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-১০০ দ্রষ্টব্য : ডান পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক । নিচের অনুচ্ছেদট...
-
অর্থালঙ্কার: অর্থালঙ্কারের প্রকারভেদ: অর্থালঙ্কার পাঁচ প্রকার।যথা: ১. সাদৃশ্যমূলক ২. বিরোধমূলক ৩. শৃঙ্খলামূলক ৪. ন্যায়মূলক ৫. গূঢ়ার্থ...