Ad-1

Monday, April 29, 2019

বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্যাংশ


পদ্যাংশ

নদীর স্বপ্ন

২৩. মনে কর যেন বিদেশ ঘুরে
মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।
তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা চড়ে
দরজা দুটো একটুকু ফাঁক করে।
আমি যাচ্ছি রাঙা ঘোড়ার পরে
টগবগিয়ে তোমার পাশে পাশে।
(ক) বুদ্ধদেব বসু কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? ১
(খ) ছোট পাখিকে আকাশের মুখের তিল বলা হয়েছে কেন? ২
(গ) উদ্দীপকের কিশোরটির সঙ্গে ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতার বালকটির যে সাদৃশ্য আছে, তা তুলে ধরো।
(ঘ) “উদ্দীপকটি ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।”—উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো। ৪

প্রার্থী

২৪. একজন উদীয়মান ব্যবসায়ী। এবারের শীতের ছুটিতে দেশের বাইরে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করল সে। কিন্তু বিমানবন্দরে টিকিট কাটতে যাওয়ার পথে সে দেখল, রাস্তার পাশে অসংখ্য মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। এ দৃশ্যটি তার বেড়াতে যাওয়ার উৎসাহ দমিয়ে ফেলল। সে তার পরিকল্পনা বদলে তথ্যচিত্র বানানোর উদ্যোগ নিল। আর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাল পরিচতজনরা।
ক. ‘প্রার্থী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
খ. কবি সূর্যের কাছে উত্তাপ ও আলো চেয়েছেন কেন?
গ. উদ্দীপকের রাকিবের দেখা দৃশ্যের সঙ্গে ‘প্রার্থী’ কবিতাটি কিভাবে সম্পর্কিত? তুলনামূলক আলোচনা করো।
ঘ. কবির চিন্তা উদ্দীপকের রাকিবের পরিবর্তিত পরিকল্পনা ও লক্ষ্যের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে—মূল্যায়ন করো।

জাগো তবে অরণ্য কন্যারা


২৫. নওরিনদের বাসার পেছনে চৌধুরীদের বিশাল বাগান। সেই বাগানে ফলের গাছসহ নাম না জানা অনেক বৃক্ষরাজি রয়েছে। প্রতিদিন বাগানের পাখির কলকাকলিতে তার ঘুম ভাঙে। একদিন সকালে উঠে সে দেখল চৌধুরী সাহেব বহুতল বাসভবন তৈরির পরিকল্পনায় রাতারাতি বাগানের সব গাছ কেটে ফেলেছেন। এই দৃশ্য দেখে নওরিনের মন খুবই বিষণ্ন হয়ে গেল। পাখিরা আর এখানে ডাকবে না। এভাবেই হয়তো পৃথিবীর এ সবুজ অরণ্য শেষ হয়ে যাবে।
(ক) কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের নাম কী? ১
(খ) মাটি অরণ্যের পানে চায় কেন? ২
(গ) উদ্দীপকটির সঙ্গে ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো। ৩
(ঘ) “নওরিনের বিষণ্নতার কারণ আর ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার কবির বিষণ্নতা যেন একই সূত্রে গাঁথা”—বিশ্লেষণ করো। ৪

২৬. বাবার চাকরিসূত্রে এক পাহাড়ি সবুজ গ্রামে বড় হয়েছে মনির। অনেক দিন পর আবার সেই শৈশবের স্মৃতিঘেরা স্থানে বেড়াতে এসে সে খুব হতাশ হলো। কারণ সেই পাহাড়ি গ্রামটি আর আগের মতো নেই। গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করা হয়েছে। ভূমিদস্যুরা এখানকার পাহাড়, গ্রাম ও প্রকৃতির সব সৌন্দর্য নষ্ট করে ইটের ভাটা তৈরি করেছে। ছোটবেলার পাহাড়ি বন্ধু সৌমিকের খবর নিয়ে জানল—তারা আর আগের টিলায় থাকে না। জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়ায় তারা বনের গহিনে চলে গেছে। মনির ব্যথিত মনে ভাবতে লাগল, তার শৈশবের গ্রামটি যদি আগের মতো বৃক্ষঘেরা সবুজ থাকত।
ক. কবি সুফিয়া কামাল এখন আর কিসের গান শুনতে পান না?
খ. ‘জাগাও মুমূর্ষু ধরা প্রাণ’—উক্তির মাধ্যমে কবি কাকে এবং কেন জাগার জন্য আহ্বান করেছেন?
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
ঘ. শৈশবের গ্রাম থেকে মনিরের হৃদয়ের যে হাহাকার তা যেন ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ কবিতার কবির হাহাকারের প্রতিচ্ছবি।

Friday, April 26, 2019

সরকার চাইলে দিতে পারে আপনার বেড় রুমেও নিরাপত্তা;কিন্তু কীভাবে???

গাড়িতে করে টেম্পুতে চড়ে নিউ মার্কেট থেকে আসছিলাম নতুন ব্রিজের দিকে।জনৈক বলল;"একটা বাড়িতে খুন হয়েছে,সেটা সরকারের দোষ।"
আরেকজন বলল সেটা সরকারের দোষ নয়,সরকার কি আপনার বেড় রুমে নিরাপত্তা দেবে নাকি?
আরেকজন বলল; প্রশাসন ঠিক থাকলে সব অটোমেটিক ঠিক হয়ে যাবে।দেশের অভিভাবক ঠিক নেই;আপনি আর আমি কি করবো?যে সবচেয়ে বেশি অন্যায় করে ক্ষমতায় আসে,মানুষ তার কাছেই ন্যায় বিচার চায়।এটাই হলো দেশ,আমাদের বাংলাদেশ।
এবার আসি নিরাপত্তা বিষয়ে কিছু কথা বলি।
আসলে সরকারের কাছ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার বা পাওয়ার আগে নিজেকে নিজের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা প্রথমে রাখতে হবে।কথায় আছে ; Self help is the best help.তাই নিজেকেই প্রথমে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করতে হবে।সেই নিরাপত্তা ভেঙ্গে কেউ যদি কোন অন্যায় করে সে অপরাধের শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব।যেমন;
শহরের কোন বাসায় বা কোন এক অন্ধকার রাস্তার মধ্যে একজন আরেকজনকে হত্যা করে সেখানে পৃথিবীর কোন সরকারের পক্ষে সঠিক বিচার করে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি।কারণ কাকে,কিভাবে,দোষী সাব্যস্ত করবে সেটা অনেক দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়।অপরাধীকে ধরা কোন মতেই সম্ভব নয়।সম্ভব হলেও নি:সন্দেহে সে অপরাধী তা বিচার করে রায় প্রকাশ করা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়ে।এত কথা বলার কারণ হলো,তার একটি সুন্দর সমাধান বের করা।
সমাধান কী?
আমাকে যদি এক মাসের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দেওয়া হয়,কিংবা একটা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র করে দেওয়া হয়,আমি প্রতিটি পরিবাররের, প্রতিটি ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারব এবং দেব।অনেকেই এটা পড়ে হয়তো হাঁসবেন বা পড়ে মনে মনে হাঁসছেন।হাঁসার কিছু নেই,আমি ব্যক্তির বেড়রুমেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে দেব।
কিন্তু কীভাবে?
১. প্রথম কাজ হবে,দেশের ডিজিটাল ডিভাইস তথা সিসিটিভি ক্যামেরার সরঞ্জামের দাম কমিয়ে দেব।এর শুল্ক কমিয়ে দেব।প্রয়োজনে তাতে ভর্তুকি দেব।
২. সকল নাগরিকের সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো বাধ্য করে দেব।বিশেষ করে সকল বাড়িওয়ালাদের বাধ্য করবো,তারা যেন এক মাসের মধ্যে বিল্ডিংয়ের গেটে ও সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পথে যেন তারা সিসি ক্যামেরা লাগায়।
৩. যে সকল বাড়ির মালিক তা লাগাবে তাদের বাড়ির এক বছরের হোল্ডিং টেক্সের ৫% ছাড় দেওয়া হবে।এটা গেল বাড়ির নিরাপত্তার কথা।
এবার আসি রাস্তায় কিভাবে নিরাপত্তা দেবে?
১. যে দোকান মেইন রোড়ের পাশে থাকবে কিংবা যে কোন অলিতে গলিতে থাকবে প্রতিটি দোকান যেন সিসি ক্যামেরা লাগায় তা নিশ্চিত করবো।
২. এই সিসি ক্যামেরার একটা থাকবে দোকানের ভিতরে,আরেকটা থাকবে দোকানের বাইরে রাস্তার দিকে।এখন প্রশ্ন আসতে পারে দোকানে বেচা-কেনা নেই অত।সিসি ক্যামেরা লাগাবো কি করে?সেক্ষেত্রে তাদের প্রতি পরামর্শ থাকবে দুই বা তিন দোকান মিলে সিসি ক্যামেরা লাগাতে হবে।এতে তাদের সিটি কর্পোরেশনে টেক্স থেকে মোটের উপর ১০% কম দিতে পারবে ১ বা ২ মাস পর্যন্ত।
৩. দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে পূর্ব শর্ত হিসেবে থাকবে দোকানের বাইরে ও ভিতরে এবং দোকান রাস্তার পাশে থাকলে রাস্তার দিকে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে কি না তা যাচাই করে নিশ্চিত হয়ে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করব।
সুতারাং উপর্যুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিলে বাড়ির ভিতরে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে বাড়ির বাইরেও নিশ্চিত ধাকবে,দোকানে যেমন নিশ্চিত থাকবে দোকানের বাইরে যে কোন অলি-গলির মধ্যেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।এরপরও কেউ অপরাধ করে থাকলে, হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ ভিড়িও ফোটেজ থেকে একটিতেও হলে ধরা পড়বে।সরকারের দায়িত্ব হলো, সত্যিকারের অপরাধী শাস্তি নিশ্চিত করা।যা সরকার সহজে করতে পারবে, এবং মানুষের বেড় রুমেও নিরাপত্তা দিতে পারবে।এভাবে আমার স্বপ্ন সার্থক হবে।
লেখক:
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা,
বাংলার ভুবন

Friday, April 19, 2019

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৯ এর প্রিলিমিনারি টেস্ট (কলেজ পর্যায়)

১. মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কে কত সালে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
২. 1971 সালে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য কোন 2 নারীকে 'বীর প্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
৩. থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কি?
৪. ওপেক এর সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
৫. জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা কত?
৬. কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান প্রযুক্তিকে কি বলা হয়?
৭. 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয় কোন শহরকে?
৮. বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর অবক্ষয়ের জন্য কোন গ্যাস এর ভূমিকা সর্বোচ্চ?
৯. বাংলাদেশ স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
১০. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীতে চাকরি রত ছিলেন?
১১. বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
১২. 'মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা' গানের রচয়িতা কে?
১৩. বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
১৪. আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?
১৫. ক্রেমলিন কী?
১৬. বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক 7 মার্চের ভাষণ কোন তারিখে ইউনেস্কো মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
১৭. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কি?
১৮. পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থল এর নাম কি?
১৯. সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
২০. ফিফা বিশ্বকাপ 2022 কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
২১. সি আর এর সদর দপ্তর কোথায়?
২২. বিশ্বে জ্বালানি তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি?
২৩. জি 7 এর একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?
২৪. প্রাকৃত শব্দের ভাষাগত অর্থ---
২৫. গৌড়ীয় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন---
২৬. উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
২৭. ব্রজবুলিতে কোন কবি পদাবলী রচনা করেন?
২৮. মনীষা শব্দের বিপরীত শব্দ---
২৯. রত্ন> রতন হওয়ার সন্ধি সূত্র---
৩০. শীকর শব্দের অর্থ?
৩১. কোন বানানটি শুদ্ধ?
৩২. লালসালু উপন্যাসের রচনাকাল কোনটি?
৩৩. টপ্পা কি?
৩৪. 'ঙ'-ধ্বনিটির সঠিক উচ্চারণ কি?
৩৫. নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ গ্রন্থ?
---- কবিতার কথা
৩৬. সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্ন রূপে ব্যবহৃত হয়---
৩৭. বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে---
৩৮. 'আমার গানের মালা আমি করবো কারে দান।' বাক্যটিতে কারে'- শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?
৩৯.'নির্মোক' কোন শব্দগুচ্ছের সংকুচিত রূপ?
৪০. I can not spare an instant - বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
৪১. 'প্রসূন'-এর প্রতিশব্দ হলো---
৪২. 'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো'- বাক্যে হাত ব্যবহৃত হয়েছে----
৪৩. 'অনেক'- শব্দটি----
--- ন ঞ তৎপুরুষ।
৪৪. 'ঢাক ঢাক গুড গুড'- বাগধারাটির অর্থ কি?
৪৫. 'নীরোগ'- শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
৪৬. " সুন্দর মানুষকে নিজের দিকে টানে"- বাক্যটিতে 'সুন্দর' শব্দটি কোন পদ?
৪৭. মৌলিক শব্দ কোনটি?
----কালো।
৪৮. Epicurism'- এর যথার্থ পরিভাষা---
৪৯. Choose the correct answer---
--- I have many works to perform.
৫০. Naseem will discuss the issue with Rafiq
--- over
৫১. ৫২. 'কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার করল'- the best translation is
--- the authority took him to task.
৫৩. The verb form of 'deceit'- is
৫৪. Slow and steady---------- the race
----- win
৫৫. 'a rolling stone gathers no moss.'here 'rolling' is
--- an adjective.
56. What would be the right synonym of 'initiative'?
57. He Prohibited me----
58. " call to mind"- means
---- remember
59. Identify the correct passive form of "he made me laugh."
---I was made laughing by him.
60. Choose the correct sentences;
----All of the boys got prize.
61.He fathered the plan.The word 'father' is
---a Verb
62. Price for bicycles can run---------Tk 2000.
63. Walk fast lest you -------- miss the bus.
---should.
64. The idiom 'put up with'- means
--- tolerate
65. Choose the correct alternative to correct the sentence---- he------- to see us if we had been able to do.
--- would have come.
66. Identify the correct sentence.
-- he is better and superior to me.
67. Select the meaning of the word' stagflation'-
68. The world' permissive' means
69. What would be the right antonyms of 'anihilate'----
70. The synonym of the world' scanty'- is
---ample.
71. I have applied for the post of a lecturer----- english
---in.
72. The principal along with his students--------- planting trees for 2 hours.
---- has been.
73. Who is one is the correct sentences:
Two third of the students got degrees.

Sunday, April 7, 2019

Reveiw,revision ,appeal পরিচিতি

Reveiw,revision ,appeal পরিচিতি

Reveiw,revision ,appeal এই তিনটা শব্দই বহুল পরিচিত আর গুরুত্বপূর্ণও বটে,এই টার্মগুলো ছাড়া ন্যায়বিচার কখনই প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনা।প্রজাতন্ত্রের সংবিধান,ফৌজদারী কার্যবিধি(১৮৯৮) দেওয়ানী কার্যবিধি সহ ট্রাইব্যুনালের আইনে গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়গুলো নিয়ে স্পষ্ট আলোচনা করা হয়েছে।

Reveiw এবং revision এই দুইটা শব্দের অর্থ এবং আবেদন প্রায় একই রকম মনে হলেও এক নয় কোনভাবেই, রয়েছে একটা সূক্ষ পার্থক্য। Reveiw এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় পর্যবেক্ষন, পরিদর্শন, পুনঃপরীক্ষা আর revision শব্দের অর্থ হচ্ছে "পুণঃপরীক্ষা করা" ব্যাকরন অনুযায়ী যা একটা ক্রিয়া পদ।

Reveiw করার বিষয়টা নিশ্চিত করা হয়েছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৫ দিয়ে,ওখানে বলা হয়েছে আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে আর আপীল বিভাগ কতৃক প্রণিত বিধান মেনে আপীল বিভাগ কতৃক ঘোষিত যেকোনো রায় পুনর্বিবেচনা করার এখতিয়ার উক্ত বিভাগের থাকবে; তেমনই বাংলাদেশের যেকোন আদালত নিজের যেকোনো রায় পুনর্বিবিবেচনা করতে পারে এখতিয়ারবলে, এই বিষয়টাই আবার নিশ্চিত করেছে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৪। রিভিউ বিষয়টাকে তুলনা করতে পারেন আপনার পরীক্ষার খাতার সাথে।ধরুন আপনি একটা পাবলিক প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলেন।পরিক্ষার হলে বসে আর কারও খাতা না দেখতে পারলেও নিজের খাতাটা কিন্তু নিজে দেখতে পারবেন বার বার,যেটাকে আমরা রিভাইজ বলি, এই জিনিসটাই ঘটে আদালতের reveiw এর সময়।আদালত একটা রায় দিলো পরে মামলার পক্ষদ্বয়ের যেকোন পক্ষ আবেদন করলো আবার রায়টা ভালো করে পুনঃপরীক্ষা করে দেখার জন্য। খুব সাম্প্রতিক ঘটনা একটা;জামায়াত নেতা"কামারুজ্জা মানের"রায় দিয়েছে আপীল বিভাগ,কামরুজ্জামানের পক্ষের আইনজিবী বলছেন আসামীপক্ষের রিভীউ করার সুযোগ রয়েছে অর্থাৎ আপীল রায়ের উপর আসামীপক্ষ একটা পিটিশন দায়ের করবে যে রায়টা আবার পরীক্ষা করে দেখা হউক এবং এই পিটিশনটা আর কোথাও করা যাবেনা শুধু আপীল বিভাগেই করা যাবে"সংবিধানের ১০৫"অনুচ্চছেদ দিয়ে। আরেকটা বিষয় মনে রাখতে হবে রিভিউয়ের সময় নতুন করে স্বাক্ষী প্রমান হাজির করার এখতিয়ার নেই। revision শব্দটাও প্রায় একই অর্থে ব্যাবহৃত হয় তবে পার্থক্যটা হচ্ছে এ ক্ষেত্রে উচ্চতর আদালত একটা তদারকি ক্ষমতা প্রয়োগ করে সাধারনত। এতে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৩৯, ৪৩৯ ক,ধারাগুলো প্রজোয্য। ৪৩৫ অনুযায়ী উচ্চ আদালত তার অধিনস্থ যেকোনো নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারেন। যেমন যেকোন আদালতের সকল জুডিশিয়াল অথবা এক্সিকিউটিব ম্যাজিস্ট্র্যাট সাধারনত দায়রা আদালতের অধিনস্থ। সুতরাং দায়রা আদালত যদি মনে করে যে কোনো ম্যাজিস্ট্র্যাট ; এক্সকিউটিভ অথবা জুডিশিয়াল একটা রায়ে আইনগত কোন ভূল (de jure)করেছে সেক্ষেত্রে তিনি নথি তলব করতে পারেন।
একটা উদাহরন দেখুন ধরি 'ক' নামের এক ব্যক্তিকে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্র্যাট ৭ বছরের কারাদন্ড দিয়ে দিলেন এখানে একটা আইনগত ভূল আছে সি,আর,পি,সি ৩২ ধারা অনুযায়ী একজন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্র্যাট দিতে পারেন মাত্র ৩ বছরের কারাদন্ড উচ্চ আদালত এটা তদারকি করে দেখলো।Reveiw আর revision এর মধ্যে আরেকটা পার্থক্য হচ্ছে Reveiw করতে হয় আবেদনকারীর আবেদন সাপেক্ষ অপরদিকে revision করা যায় আবেদনকারীর আবেদনসাপেক্ষে অথবা উচ্চ আদালতের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা প্রয়োগ করেও।revision এর সময়ও নতুন করে স্বাক্ষি প্রমান আনার সুযোগ নেই।

appeal শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পূনর্বিচার প্রার্থী হওয়া।প্রজাতন্ত্রের সংবিধান অনুচ্ছেদ ৯৪(১) আপীল বিভাগ নামের একটা আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে, অনুচ্ছেদ ১০৩(১) এ বলেছে হাইকোর্ট বিভাগের রায় আদেশ বা ডিক্রি আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী বা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের রয়েছে। ফৌজদারী অথবা দেওয়ানী কার্যবিধি কোথাও আপীলের কোন স্পষ্ট সংজ্ঞা দেয়া নেই তবে এটা বলা যেতে পারে নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে নিয়ে একটা মামলাকে আবার খতিয়ে দেখার নামই আপীল, আর এক্ষেত্রে question of fact,question of law(de facto,de jure) সবই দেখতে হবে।
ধরি একটা আদালতে একটা রায় হলো যেখানে question of fact(ঘটনা বর্ণনা) করতে আদালত ভূল করেছে সুতরাং এখানে অবশ্যই ন্যায়বিচার পথভ্রষ্ট হবে কারন ঘটনাটাই যেখানে মিথ্যা সেখানে আইনগত প্রশ্ন সঠিক হওয়ারতো কোনো প্রশ্নই আসেনা। question of fact নিয়ে ঘাটা-ঘাটি করলে question of law নিয়েও ভাবতে হবে নতুন করে। এসকল ক্ষেত্রে ঐ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সে যার অধনস্থ সেই আদালতে আপীলের আবেদন করা যাবে।এক্ষেত্রে উচ্চ আদালত স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা(sou moto)প্রয়োগ করতে পারেনা হতে হবে পক্ষদ্বয়ের যেকোনো পক্ষের আবেদন সাপেক্ষে।

দেওয়ানী কার্যবিধি প্রাথমিক আলোচনাঃ

দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮
Code of Civil Procedure-1908
প্রাথমিক আলোচনাঃ
»দেওয়ানী কার্যবিধি ১৮৫৯ সালে প্রথম প্রণয়ন করা হয়।যা পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ। তবে এর কিছু ধারা ও আদেশে প্রতিকারের বিধান রয়েছে বিধায় এটিকে পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) বলা হয়। ১৮৮২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধি নামে একটি আইন ছিল, যার কোন আদেশ ছিল না। ধারা ছিল ৬৫৩টি এবং বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ২৬ মার্চ দেওয়ানী কার্যবিধি কার্যকর করা হয়।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»দেওয়ানী কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০১২সালে।
এক নজরেঃ
ইংরেজি নাম- Code of Civil Procedure
১৯০৮ সালের ৫নং আইন
কার্যকাল- ১লা জানুঃ ১৯০৯
মোট ধারা- ১৫৮টি
আদেশ- ৫১টি
তফসিল- ৫টি
অধ্যায়- ১১টি
পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)

আইনের প্রকৃতিঃ সাধারণত আইনের প্রকৃতি ২ ধরনের-
১। পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)
২। তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)

পদ্ধতিগত আইনঃ
»যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত যে নিয়ম বা পদ্ধতিঅনুসরণের উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন বলে।
[যেমন] ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি,সাক্ষ্য আইন, তামাদি আইন।
তত্ত্বগত আইনঃ
»যে আইনে কোনো অধিকার বা শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে সেই আইনকে তত্ত্বগত আইন বলে।
[যেমন] দন্ডবিধি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।দেওয়ানী কার্যবিধিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
ধারা ও আদেশ।

মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»ধারাতে বলা আছে ক্ষমতার কথা পক্ষান্তরে আদেশে বলা আছে পদ্ধতির কথা।
»ধারা পরিবর্তন করতে পারে জাতীয় সংসদ,পক্ষান্তরে আদেশ পরিবর্তন করতে পারে মহামান্য হাইকোর্ট।
সংজ্ঞাসমূহ (Definitions)
[ধারা ২(১)] বিধি
[ধারা ২(২)] ডিক্রি
[ধারা ২(৩)] ডিক্রিদার
[ধারা ২(৪)] জেলা
[ধারা ২(৫)] বিদেশী আদালত
[ধারা ২(৬)] বিদেশী রায়
[ধারা ২(৭)] সরকারি উকিল
[ধারা ২(৮)] বিচারক
[ধারা ২(৯)] রায়
[ধারা ২(১০)] সাব্যস্ত দেনাদার
[ধারা ২(১১)] বৈধ প্রতিনিধি
[ধারা ২(১২)] অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা
[ধারা ২(১৩)] অস্থাবর সম্পত্তি
[ধারা ২(১৪)] আদেশ
[ধারা ২(১৫)] উকিল
[ধারা ২(১৭)] সরকারি কর্মকর্তা
[ধারা ২(১৮)] নিয়মাবলী
[ধারা ২(১৯)] কর্পোরেশনের শেয়ার
ধারা ২(২০)] স্বাক্ষর
[আদেশ ১(১)] (বাদি) যিনি আরজি দাখিলের মাধ্যমে নালিশ দায়ের করেন।
[আদেশ ১(৩)] (বিবাদি) যিনি জবাব দাখিল করেন।
[আদেশ ৪(১)] আরজি যে পদ্ধতিতে দাখিল করা হয়।
মোকদ্দমার পক্ষসমূহঃ
[আদেশ ১] দেওয়ানী মোকদ্দমায় সাধারণত ২ ধরনের পক্ষ থাকে-
» বাদি পক্ষ এবং
» বিবাদী পক্ষ।

মোকদ্দমার পক্ষভুক্তঃ
একটি দেওয়ানী মোকদ্দমার এক বা একাধিক বাদি বা বিবাদী থাকতে পারে-
»যিনি মোকদ্দমা দায়ের করেন তা হলো বাদী এবং
»যার বিপক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো বিবাদী
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
» যার বিপক্ষে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না, তবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তির জন্য তার উপস্থিতি প্রয়োজন তাকে বলা হয় মোকাবিলা বিবাদী।

উল্লেখ্য,
»মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষ
»মোকদ্দমার যথাপোযুক্ত পক্ষ।
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষঃ
»মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন এবং উক্ত উপস্থিতি ছাড়া কোন ডিক্রি দেওয়া যায় না তা হলো মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষ।
মোকদ্দমার যথাপোযুক্ত পক্ষঃ
»কোন মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির উপস্থিতি ছাড়া আদালত কার্যকরী কোন আদেশ দিতে পারে, কিন্তু পূর্নাঙ্গ বা চূড়ান্ত রায় দিতে পারে না তা হলো
মোকদ্দমার যথাপোযুক্ত পক্ষ।

[আদেশ ১(৯)] ভ্রান্তভাবে পক্ষভূক্ত করা বা না করা-
»পক্ষ-সমূহের অপসংযোগ।
»পক্ষ-সমূহের অসংযোগ।
উল্লেখ্য,
»যাদের পক্ষভূক্তির প্রয়োজন ছিল না, অথচ পক্ষভূক্ত করা হয়েছে তা পক্ষ-সমূহের অপসংযোগ।
»যাদের পক্ষভূক্তির প্রয়োজন ছিল, অথচ পক্ষভূক্ত করা হয়নি তা পক্ষ-সমূহের অসংযোগ।

[ধারা ২(২)] ডিক্রি
»ডিক্রি হলো আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, যেটা চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার তর্কিত বিষয় নিয়ে পক্ষদ্বয়ের অধিকার নির্ণয় করে।ডিক্রি ২ প্রকার-
»প্রাথমিক ডিক্রি (Preliminary Decree)
»চূড়ান্ত ডিক্রি (Final Decree)
উল্লেখ্য,
»ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে।
»মামলা যখন চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়, তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।

মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»আরজি নাকচ বা খারিজ ও ১৪১ ধারার প্রত্যার্পণের আদেশ ডিক্রির সমতুল্য।
»আরজির মাধ্যমে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করা হয় এবং ডিক্রির মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি হয়।

[ধারা ২(৩)] ডিক্রিদার
»আদালত যার পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাকে ডিক্রিদার বলে।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»আদালত যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাকে ডিক্রিদায়িক বলে।
[ধারা ২(৯)] রায়
»ডিক্রি বা আদেশ দেওয়ার জন্য আদালত যে যুক্তি প্রদর্শন করে তা হলো রায়।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»ডিক্রির মূল ভিত্তি হলো রায়।
»রায় প্রদানের ৭ দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রদান করতে হবে।
»আরজি দাখিল হতে ডিক্রির আগ পর্যন্ত সবই রায়।
[ধারা ২(৮)] বিচারক
»জজ অর্থ দেওয়ানি আদালতে সভাপতিত্বকারী অফিসার।
»মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান দেওয়ানী আদালতে সভাপতিত্বকারি ব্যক্তি।
»আদালতের প্রধান কর্মকর্তা জজ এবং মূল কর্মকর্তা সেরেস্তাদার।
[ধারা ২(১৫)] উকিল
»অন্যের পক্ষে হাজির হয়ে যুক্তিতর্কের পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তিকে উকিল বলে।
»মুক্তারও উকিলের অন্তর্ভূক্ত হবে। মোক্তার হলো ৭ বৎসর কোন ব্যক্তি কোন আইনজীবির সহিত আইন বিষয় পরিচালনা করেন।
[ধারা ২(৭)] সরকারি উকিল
»সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারের পক্ষে যিনি মামলা পরিচালনা করেন তাকে সরকারি উকিল বলে।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»শুধুমাত্র দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে GP বলে।
[ধারা ২(১৪)] আদেশ
»আদেশ বলতে কোন দেওয়ানী আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা ডিক্রি নয়। মামলা চলাকালীন আদালত যে সব সিদ্ধান্ত দেন তা আদেশ।
আদেশ ২ প্রকার-
»আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)
»আপিলঅযোগ্য আদেশ (Non-Appealable Order)
[ধারা ২(১১)] বৈধ প্রতিনিধি
»বৈধ প্রতিনিধি বলতে সেই ব্যক্তিকে বুঝায় যিনি আইনত মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করেন এবং যিনি প্রতিনিধি হিসেবে মামলা করেন

Most Popular Post