Ad-1

Sunday, November 25, 2018

প্রবাসী ভাইয়ের দূর থেকে বোনের প্রতি বিয়েতে আশীর্বাদ ও উপদেশ


মাথায় হাত রেখে আশির্বাদ করিনি! তাতে কি ! কিছু কিছু আশির্বাদ দূর থেকেও করা যায়। আমি শুনেছি, ভাইয়ের আশির্বাদ কখনো বৃথা যায় না। জানি না , আমি সৎ কিনা এবং জানি না আমার আশির্বাদ তোমার মাথায় পৌঁছুবে কিনা ! তারপর ও দূর থেকে আশির্বাদ করি - BE HAPPY IN YOUR LIFE.
জীবনে এই প্রথম শ্বশুরালয়ে যাইতেছ বলে আমি তোমাকে কতিপয় উপদেশ দিলাম। ইচ্ছা করলে মেনে চলিও । স্বামীকে দেবতার আসনে স্হান দিবে।শ্বশুরকে নিজের পিতা এবং শাশুড়ীকে নিজের মাতা মনে করবে। দেবর কে ছোট ভাই মনে করে আদর করিও। যত সুশ্রী ও সুপুরুষ হোক স্বামী ছাড়া অন্য কারো প্রতি কুনজর দিও না। কথায় কথায় বাপের বাড়ীর কোন ব্যক্তি ও বিষয় নিয়ে অহংকার করো না। সবার শেষে ঘুমাতে যাবে এবং সবার আগে ঘুম থেকে জাগবে। মনে রাখবে, শ্বশুরবাড়ীই তোমার শেষ আশ্রয়স্থল। ফিরে আসার কথা কখনো মাথায় এনো না। সবার মন জয় করে চলতে চেষ্টা করবে, কারণ তুমি ভাল আচরণ করলে অন্যরাও তোমার প্রতি ভাল আচরণ করবে। খাবার এর পছন্দ -অপছন্দ নিয়ে কোন কথা বলবে না এবং সবসময় শালীন পোশাক পড়বে ও শালীন কথা বলবে।স্বামী - সন্তান নিয়ে কখনো একা থাকার চেষ্টা করোনা। কারণ যৌথ পরিবারেই প্রকৃত সুখ। সময় ও মন বুঝে স্বামীকে মনের কথা বলবে, কারণ অসময়ে অনেক ভাল কথার ও আশানুরুপ ফল পাওয়া যায় না। কারো কথায় বা আচরণে মনে কষ্ট পেলে সাথে সাথে জবাব দিয়ে দিও না, ভেবে চিন্তে সময়বুঝে বিষয়টি স্বামীকে বলিও। যা করার বা বলার তিনিই বলবেন। ধর্ম-কর্ম থেকে মোটেও বিচ্যুত হয়ো না, কারণ ধর্ম- কর্ম তোমাকে পাপ থেকে মুক্তি দিবে।বাপের বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য স্বামী ও শ্বাশুড়ীর অনুমতি নিবে। কখনো স্বামীকে ঠকাতে চেষ্টা করো না। কারণ, যে ঠকে সেই বোকা নয়, বিশ্বাসী ছিল। সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা তুমি করেছ। এমন কোন কাজ করো না, যাতে তোমার বাপের বাড়ীর সুনাম ক্ষুন্ন হয় এবং বাপের বাড়ীর অর্জিত জ্ঞান শ্বশুরবাড়ীতে প্রয়োগ করবে। তোমার বাবা - মার যেসব দূর্বলতা আছে সেগুলো গোপন রেখো, জানাজানি হয়ে গেলে তোমার ক্ষতি হবে। কথা বলার সময় খুব সাবধানে ও হুশিয়ারে বলবে। মনে রেখো, বন্দুকের গুলি ও মুখের বুলি একবার বের হলে তা আর ফিরে আসে না। নিজেকে সর্ব জান্তা মনে করিও না। সবাই কে বলবে আমি জানি না, আমাকে শেখান। স্বামীর স্বজন দের নিজের আপন জন মনে করো। মনে রাখবে, তোমার সুখ-দু্ঃখ প্রায় সম্পূর্ণ তোমার আচরণ এর উপর নির্ভর করবে তবে কিছুটা নিয়তি।তুচ্ছ বিষয় গুলোকে এড়িয়ে চলবে এবং যতটুকু সম্ভব সহ্য করবে। কারণ, সহ্যের গুণ আছে। মনে রাখবে মানুষের সব আশা পুরণ হয় না, সব আশা পূরণ হলে মানুষ কখনো ভগবান কে ডাকতো না। তোমার স্বামী তোমাকে অন্ধভাবে ভালবেসে জমি কিনে দিতে পারে, দোকান কিনে দিতে পারে, ব্যাংক ব্যালেন্স দিতে পারে। তুমি তোমার বাবার প্ররোচনায় এগুলো বিক্রি করে দিও না। এই রকম করলে বাকি জীবন স্বামীর সাথে না কাটিয়ে বাবার সাথে কাটাতে হবে।তুমি আত্মসাৎ করে আনলেও তোমার বাবা সেগুলো তোমাকে ভোগ করতে দিবে না। সেগুলো দিয়ে তোমার বোন আর একটা বিয়ে দিবে আর তোমকে ভিলেন বানিয়ে ব্রাক এ চাকরি করতে বলবে নতুবা বাধন বিউটি পার্লারে গিয়ে মানুষের চুল কাটতে দিবে । সবশেষে বলব - সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে।
[Collected]

Tuesday, November 13, 2018

সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -০২

১. শীতের সকাল
ছয়টি ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ। ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্য রকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে শীতের সকাল। শীতের সকালে কুয়াশার চাদর পরিবেশকে করে মনোরম। যখন এই কুয়াশার চাদর ভেদ করে চারদিকে রুপালি আলো ছড়িয়ে পড়ে, তখন বাড়িঘর, গাছপালা ও প্রকৃতি ঝলমল করে ওঠে। শীতের সকালে নানা ধরনের পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। সকাল বেলার রোদে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ, তা সব আনন্দকেই ছাড়িয়ে যায়। এই আনন্দ চারপাশে উত্সবের সমারোহ তৈরি করলেও শীতের সকাল বেলাটা মানুষ লেপ-কাঁথার নিচেই কাটাতে ভালোবাসে। শীতের সকাল অলস আর উত্সবের আমেজে উপভোগ্য হলেও গরিবদের জন্য তা ঠিকই কষ্টের। সূর্যের আলোর তীব্রতা বাড়লে দূর হয় শীতের সকালের আমেজ। শীতের সকাল প্রকৃতিকে এক পবিত্র সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে, যা ছড়িয়ে থাকে সারা বেলা।
২. একুশে ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত সর্ববৃহত্ আন্দোলনের নাম। মহান একুশে ফেব্রুয়ারির বেদনা, স্মৃতি, আনন্দ ও মহিমা আমাদের জাতীয় চেতনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এ চেতনা আমাদের ভাষা আন্দোলনের চেতনা। ব্রিটিশ দুঃশাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয় দুটি রাষ্ট্রে। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকেরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে প্রথমেই আমাদের বাংলা ভাষাকে নিয়ে চক্রান্ত শুরু করে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন। এ দেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে ছাত্রসমাজের দুর্বার আন্দোলনের ফলে পাকিস্তানিরা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু দুর্জয় ছাত্রসমাজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করলে পাকিস্তানি শাসকেরা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। হত্যা করে সালাম, বরকত, রফিক, শফিকসহ নাম না জানা আরও অনেককে। জীবনের বিনিময়ে বাংলা ভাষাকে তাঁরা রক্ষা করেন। ফলে বাংলা ভাষা ১৯৫৬ সালে মর্যাদা পায় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে। এর পর থেকে এ দিনটির স্মরণে একুশ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এই বিরল ঘটনাকে সম্মান দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয়। এখন প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বের প্রতিটি দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মুক্তির চেতনা।

৩. বাংলা নববর্ষ:
পয়লা বৈশাখ বাঙালির নববর্ষ উত্সব। সম্রাট আকবরের সর্বপ্রথম বাংলা সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষের যাত্রা শুরু হয়। ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই উত্সব সব বাঙালি উদ্যাপন করে থাকে প্রবল উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। একসময় জমিদার ও নবাবেরা নববর্ষে পুণ্যাহ আয়োজন করতেন। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নববর্ষ উদ্যাপন করায় সে আয়োজন দেশময় ছড়িয়ে পড়ে। নববর্ষে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, ঘোড়দৌড় এবং বিভিন্ন লোকমেলার আয়োজন করে সাধারণ মানুষ। সংস্কৃতি সংগঠন ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে নববর্ষে রমনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ধারাবাহিকতায় আমরা আজও নববর্ষ উত্সব মন ও মননে লালন করছি। চারুকলা প্রতিবছর আয়োজন করে মঙ্গল শোভাযাত্রার। এই দিনে ছেলেরা পাজামা-পাঞ্জাবি ও মেয়েরা নানা রঙের শাড়ি পরে পরিবেশ বর্ণিল করে তোলেন। এটি আমাদের জাতীয় উত্সব, সেহেতু আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এ উত্সবের গুরুত্ব ঠিকমতো বোঝা।
৪. কম্পিউটার:
আভিধানিক অর্থে কম্পিউটার হলো এক ধরনের যন্ত্র । কিন্থ আজকাল কম্পিউটারকে কেবল গণনাকারী বলা চলে না। এখন তা এমন এক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে র ধারণা দেয় যা অগণিত তথ্য বা উপাত্ত গ্রহণ করে অত্যন্থ দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সংরণ, গণনা বিশ্লেষণ ইত্যাদি করতে পারে। কম্পিউটার যন্ত্রে র মূল আবিষ্কারক চার্লস ব্যাবেজ। মানুষ যেমন মগজে রাখা, স্মৃতি অভিজ্ঞতা, তথ্য ও তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান করে কম্পিউটারের কাজ ও তেমনি। কম্পিউটার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার-যা ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে মহাশূন্য গবেষণায় কাজ করছে। কম্পিউটার জীবনের সর্বেেত্র সাড়া জাগিয়েছে। রোগীর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে এবং পুস্তক প্রকাশনায় কম্পিউটার বিস্ময়কর অবদান রাখতে সম হয়েছে। আজকাল পরীার খাতাও দেখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটার মানুষের বিচিত্র কর্মকার যে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধন করছে তার সুফল অবশ্যই জাতির জন্য সম্প্রসারণ করতে হবে। ১৯৫২ সালে আমেরিকার বিজ্ঞানী জনডন নিউম্যান সর্বপ্রথম কম্পিউটারের আবিস্কারের পরিকল্পনা করেন। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কম্পিউটার তৈরীর কাজ ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে।আধুনিক কম্পিউটারের জনক হচ্ছেন চার্লস ব্যাবেজ। কম্পিউটার মানব জীবনের নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে সর্বাধুনিক কল-কারখানা ও পারমানবিক চুল্লি কম্পিউটারের সাহায্যে নিয়ন্ত্রি ত হচ্ছে। কম্পিউটারের সাহায্যে বর্তমানে বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা ইত্যাদি কম্পোজ ও মুদ্রণের কাজ নির্ভুল এবং দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন। আমাদের দেশেও কম্পিউটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলছে। মানুষ হয়ে পড়ছে কম্পিউটার নির্ভর।

৫. স্বাধীনতা দিবস:
স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে বিশেষ একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এ দেশের সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম। এ দিনটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদার অংশ। ১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল। কিন্তু গণমানুষের রায়কে উপেক্ষা করে পাকিস্তানি সরকার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে। এ দেশের মানুষ তা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি আন্দোলন শুরু করে। এ দেশের মানুষের আন্দোলনে ভীত হয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর আক্রমণ চালায়। দেশব্যাপী হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ নানা ধরনের বর্বরতা চালায়। এ দেশের সাহসী বাঙালিও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। প্রতিবছর এ দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরবের ও মর্যাদার।



বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর মনে রাখার সহজ টেকনিক

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর মনে রাখুন খুব সহজে"
.............................................
১) জেনেভা,সুইজারল্যান্ড:
ক) যে সংস্থার নাম প্রথমে I/W এবং শেষে U/R/Oআছে তাদের সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: WHO, WTO, ILO, ISO, WIPO, IPU, ITU
WHO = World Health Organisation.
WTO = World Trade Organisation.
ILO = International Labour Organisation.

খ) SARRC এবং CIRDAP ব্যতিত ‘R’ যুক্ত সকল সংস্থার দপ্তর এখানে।
যেমন: OHCHR, UNHCR, UNHRC, ICRM, UNITAR, UNRISD, RED CROSS.
গ) অন্যান্য: কোন সংস্থার নামের সাথে T এবং C যুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNCTAD, ITC.
.
২) ওয়াশিংটস ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র:

‘I’ শুরু এবং A/B/C/D/E দিয়ে শেষ হলে সদর দপ্তর এখানে।
IMF, IFC, IDA, IDB, IBRD, ICSID ব্যাতিক্রম: MIGA, OAS.
.
৩) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র:
কোন সংস্থার নামের সাথে UN এর সাথে E/Fযুক্ত থাকলে সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: UNIFEM.UNICEF, UNFPA
ব্যতিক্রম: UN,UNDP
.
৪) রোম, ইতালি:
যে সকল সংস্থার নামের মাধ্যমে খাদ্য নির্দেশ করে সেগুলোর সদর দপ্তর এখানে।
যেমন: IFAD, WEP, FAO.

Monday, November 12, 2018

বয়স তখন ২৯।সরকারি চাকরি ধরার সময় আর মাত্র এক বছর।সরকারের ভাষ্যে এক বছর পর আমি বুড়ো হয়ে যাব।আমি আর সরকারি চাকরি করার মোটেও যোগ্যতা থাকবে না।এদিকে প্রতি রাতে নীল ভিড়িও দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।যেন এ বছরেই বিয়ে না করলে আমি আমার যৌবন শক্তিকেই হারিয়ে ফেলব।এরকম তীব্র হয়ে উঠেছিল রমণী বাসনা।যেন সে বাসনা পূর্ণ না হলেই হয়ে পড়বে অকেজো যৌবন।তাই ভাবলাম,আগে বিয়েটা করে ফেলি, তারপর সরকারি চাকরি ধরব।লোকে বলে বিয়ে করলে নাকি মন স্থির হয়।ফলে পড়া হবে ভালোই, চাকরি হবে সুলভ।সে বাসনায় বাসনা করলাম আগে বিয়েই করে ফেলব।
তারপর শুরু হলো মেয়ে দেখাদেখি।প্রথমে একটা মেয়েকে নিজে নিজে পছন্দ করলাম,মায়ের পছন্দ হয়নি ও মা এ মুহূর্তে আমাকে বিয়ে করাতে আগ্রহী নয় বলে মেয়েটাকে না করে দিল।
তারপর মাকে বললাম,আমার পছন্দের মেয়ে যখন পছন্দ হচ্ছে না,তবে তুমি একটা পছন্দ করে দাও।মা দেখে বিয়ে করার ক্ষেত্রে আমি ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিয়েছি,তাই মাও অবশেষে মেয়ে দেখা শুরু করল।কিন্তু মায়ের পছন্দগুলো আমার পছন্দ হচ্ছে না।অবশেষে নিজে আরেকটি মেয়েক। পছন্দ করলাম।মায়েরও সে মেয়েটাকে পছন্দ হলো।অবশেষে বিয়ে হলো।
আমরা যৌথ পরিবার।মা,বড় ভাই,বড় ভাবি,ছোট বোন ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়েই বসবাস।এদিকে চট্টগ্রামের বিয়ে বলে কথা।বরের টাকা না থাকলেও ঘাড় মটকাইয়া খরচ করে বংশের মান ও সামাজিক কুসংস্কার মানিয়ে চলতে হয়,আর মেয়ের বাবার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে খরচ করতে হয়।বিয়ের সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে আমাকে আশি হাজার টাকা মতো কর্জ করতে হয়।
বিয়ের পর ভেবেছিলাম দুজনে ক

ঈদের নামাযের নিয়ম

ঈদের নামাযের নিয়ম:
বছরে মাত্র দুইবার ঈদের নামায পড়তে হয়।তাই অনেকে আমরা ঈদের নামাযের নিয়ম জানা সত্ত্বেও ভুলে যাই এবং ভুল করি।নিম্নে এর নিয়ম দেওয়া হলো::::
অনেকের ধারণা নামাজের নিয়ত আরবিতে করা জরুরি। এমনটি ঠিক নয়। যে কোনো ভাষাতেই নামাজের নিয়ত করা যায়। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট। ঈদের দিন ইমামের পেছনে কিবলামুখী দাঁড়িয়ে মনে এই নিয়ত করে নিবে—‘আমি অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করছি।’ এরপর
১. উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বেধে নিবে। হাত বাঁধার পর ছানা অর্থাত্ ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা’ শেষ পর্যন্ত পড়ে নেবে।
২. এরপর আল্লাহু আকবার বলে হাত কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দেবে।
৩. দ্বিতীয়বারও একই নিয়মে তাকবির বলে হাত ছেড়ে দেতে হবে।
৪. ইমাম সাহেব তৃতীয়বার তাকবির বলে হাত বেঁধে আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য যে কোনো সূরা তিলাওয়াত করবেন। এ সময় মুক্তাদিরা নীরবে দাঁড়িয়ে থাকবেন।
৫. এরপর ইমাম সাহেব নিয়মমত রুকু-সিজদা সেরে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবেন। মুক্তাদিরা ইমাম সাহেবের অনুসরণ করবেন।
৬. দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব প্রথমে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সূরা পড়বেন।
৭. এরপর আগের মতো তিন তাকবির বলতে হবে। প্রতি তাকবিরের সময়ই উভয় হাত কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
৮. চতুর্থ তাকবির বলে হাত না ওঠিয়েই রুকুতে চলে যেতে হবে।
৯. এরপর অন্যান্য নামাজের নিয়মেই নামাজ শেষ করে সালাম ফেরাতে হবে।
১০. ঈদের নামাজ শেষে ইমাম সাহেব খুতবা পাঠ করবেন। জুমার খুতবার মতো এই খুতবা শোনা মুসল্লিদের জন্য ওয়াজিব। খুতবার সময় কথাবার্তা বলা, চলাফেলা করা, নামাজ পড়া সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১১. কারও ঈদের নামাজ ছুটে গেলে কিংবা যে কোনো কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় একাকী তা আদায় বা কাজা করার কোনো সুযোগ নেই।
১২. তবে চার বা তার অধিক লোকের ঈদের নামাজ ছুটে গেলে তাদের জন্য ঈদের নামাজ পড়ে নেয়া ওয়াজিব।
বি:দ্র: জানাযা ও ঈদের নামাযের মধ্যে অন্যতম পার্থক্য হলো ঈদের নামাযে তকবির বলার সময় হাত উঠাতে হয়,জানাযায় হাত উঠাতে হয় না।

Tuesday, November 6, 2018

আইনের প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজি শব্দ

আইনের প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজি শব্দ যা ভাইবা প্রস্তুতির জন্যও খুবই প্রয়োজন:

অর্ডিনান্স (Ordinance): গৃহনির্মাণ, নিরাপত্তা, জোনিং ইত্যাদি বিষয়ক ব্যাপারে যে-সব বিধি কর্পোরেশন, সরকার বা অন্যান্য অধিকারিক সংস্থা জারী করে।

আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।

আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত।

এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।

ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য।

উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র।

ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা।

একস্‌ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।

এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্যায় কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

এফ.আই.আর. (F.I.R.): এটি ফাস্র্ট ইন্ফরমেশন রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পর উত্পীড়িত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।

এফিডেভিট (Affidevit): হলফপত্র বা শপথনামা: শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা।

এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ: বিশ্বাসভরে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাত করা।

ওয়ারেণ্ট (Warrant): সাধারণ ভাবে কাউকে আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ করতে হয়।

কনটেমপ্ট অফ কোর্ট (Contempt of Court) বা আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।

কনভেয়্যান্স (Conveyance): কোনও জমির সত্ব এক বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার দলিল।

করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti): যার ওপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।

কুইড প্রো কো (Quid pro quo): এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য কিছু'। অর্থাত্, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।

কোডিসিল (Codicil): উইল বা ইচ্ছাপত্রের সংশোধন।

ক্যাপিটল ক্রাইম (Capital crime): যে অপরাধের দণ্ড হল মৃত্যু।

ক্রিমিন্যাল ইনস্যানিটি (Criminal insanity): ভালো ও মন্দের তফাত্ বোঝার অক্ষমতা; কোনও কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক অক্ষমতা।

ক্লাশ একশন (Class action): যে মামলা এক বা একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে আনে।

জয়েণ্ট এণ্ড সেভারেল লায়াবিলিটি (Joint and several liability): আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদা ভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অসমর্থ হয়।

জয়েন্ট টেনানসি(Joint tenancy): যুগ্মভাবে সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে 'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো মালিকানা পায়।

জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারি ভাবে প্রকাশ করেন।

জুভেনাইল ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile delinquency): বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।

ডমিসাইল (Domicile): স্থায়ী বাসস্থান।

ডিফামেশন (Defamation): মানহানি।

ডিসকভারি (Discovery): মামলা শুরু হবার আগে তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার উপায়গুলি।

ডিসমিস্যাল (Dismissal): মামলার খারিজ।

নেগলিজেন্স (Negligence): সাধারণভাবে একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।

নোটারি পাবলিক (Notary Public): সরকারী কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো, স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা, ইত্যাদি।

পেটেণ্ট (Patent): উদ্ভাবকদের দেয় অধিকার - যার বলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর উদ্ভাবন বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ তৈরী, ব্যবহার বা বিক্রি করে লাভবান হতে পারে না।

প্লি (Plea): আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের স্বপক্ষে প্রথম উচ্চারিত কথা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তরে সে নিজেকে, 'দোষী' বা 'নির্দোষী' বলতে পারবে।

প্লি বার্গেইনিং (Plea bargaining): ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরকারী পক্ষের একটা সমঝোতায় আসার জন্য আলোচনা। এর উদ্দেশ্য দীর্ঘ-স্থায়ী মামলা (যার ফল অনিশ্চিত) না চালিয়ে দুপক্ষেরই সময় ও অর্থের সাশ্রয় করা। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম অপরাধের জন্য নিজেকে দোষী বলে স্বীকার করে ও সরকার তার অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু বিচারক এই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে মামলা চালাবার নির্দেশ দিতে পারেন।

পাওয়ার অফ এটোর্নি (Power of attorney): একটি দলিল - যার ভিত্তিতে একজনের হয়ে দলিলে উল্লেখিত বিভিন্ন কাজ অন্য কেউ করতে পারে।

প্রাইমা ফেসি (Prima Facie Evidence): যে প্রমাণ অন্য কোন ভাবে খণ্ডিত না হলে ঘটনার সত্যতা প্রতিষ্ঠা করার পক্ষে যথেষ্ঠ।

প্রাইমা ফেসি কেস (Prima Facie Case): যে মামলা এতই সম্পূর্ণ যে বিচার-কার্যের জন্য ন্যুনতম প্রমাণ দাখিলের প্রয়োজন হয়।

প্রোবেট (Probate): আদালতের যে কার্যবলীর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাপত্র (উইল) বৈধ বা অবৈধ ধার্য করা হয়। সাধারণভাবে প্রোবেট কথাটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয় - ইচ্ছাপত্র-সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যগুলিকেও এর মধ্যে ধরা হয়। যেমন, ধনসম্পত্তির একত্রিকরণ, ঋণ পরিশোধ, সরকারি কর দেওয়া ও ইচ্ছাপত্র অনুসারে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার মধ্যে সম্পত্তির বণ্টন।

প্রোবেট কোর্ট (Probate Court): যে আদালতের তত্বাবধানে ধনসম্পত্তি-র ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়।

ফ্রড (Fraud): ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সত্য ঘটনাকে মিথ্যা করে বলা।

ফ্রী অন এ পারসন্স ওউন রেকগনিজেন্স (Free on a person's own recognizance): যখন জামিন বা মুচলেকা ছাড়া সাময়িক ভাবে কাউকে মুক্তি দেওয়া হয় তাঁর ব্যক্তিগত পরিচিতির জন্য এবং আদালতে তিনি হাজিরা দেবেন এই প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে।

বেইল (Bail) বা জামিন: আদালতকে টাকা বা মুচলেকা দিয়ে আটক ব্যক্তিকে স্বল্প-মেয়াদের জন্য খালাস করানো এবং আদালতে আটক ব্যক্তির হাজিরার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেওয়া।

বেইল বন্ড (Bail Bond): অভিযুক্ত আদালতে হাজির হবে বলে যে শপথপত্রে সই করে। সময়মত হাজিরা না দিতে পারলে শপথপত্র অনুযায়ী অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দিতে হয়।

এন্টিসিপেটরি (Anticipatory bail): এন্টিসিপেটরি বেইল হল আদালত প্রদত্ত নির্দেশ যাতে বলা হয় ব্যক্তি বিশেষকে জামিন দিতে। সেই ব্যক্তি গ্রেফ্তার হবার আগেই এই নির্দেশ জারী করা হয়।কোন ব্যক্তি যদি সন্দেহ করে যে, তাকে মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফ্তার করা হবে, সেক্ষেত্রে সে আদালতের কাছে এন্টিসিপেটরি বেইল-এর জন্য আবেদন করতে পারে।

বাই-লস (By-laws): কোনও এসোসিয়েশন বা কর্পোরেশন যে বিধি বা নিয়ম মেনে চলবে বলে ঠিক করে।

মার্ডার (Murder) বা খুন: বে-আইনীভাবে হত্যার জন্য মানুষের জীবনহানি করা। যদি খুনটি পূর্ব-পরিকল্পিত হয়, তাহলে তাকে 'মার্ডার অফ দ্য ফাস্র্ট ডিগ্রি' বলা হয়। যদি হঠাত্ মুহূর্তের ইচ্ছাবশত খুন বা মরুক বাঁচুক তোয়াক্কা না করে আঘাত করা হয় - তাহলে সেই খুনকে বলা হবে 'মার্ডার অফ দ্য সেকেণ্ড ডিগ্রি'।

মিটিগেটিং সারকামস্ট্যান্সেস (Mitigating circumstances) : যে পারিপাশ্র্বিক অবস্থার বিচারে অন্যায়ের ভার কিছুটা লাঘব হয়।

মিসট্রায়াল (Mistrial): কোন অপরিহার্য বিষয়ে ত্রুটি ঘটায় যে মামলা খারিজ হয়।

ম্যালপ্রাক্টিস (Malpractice): পেশার কাজে অবৈধ আচরণ।

রিট (Writ): রিট হল মানুষের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা দানের জন্য সাংবিধানিক আদেশ। রিট পাঁচ রকম: হেবিয়াস কর্পাস, ম্যাণ্ডেমাস, প্রহিবিশন, কো ওয়ারেণ্টো এবং সার্টিওযারি। সংবিধানের ৩২ নং অধ্যায়ের ক্ষমতায় সুপ্রিম কোর্ট এবং ২২৬ নং অধ্যায়ের ক্ষমতায় হাইকোর্ট রিট জারি করতে পারে।

লারসেনি (Larceny): মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বা ধোঁকা দিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা।

লায়াব্ল (Liable) : আইনত দায়ী।

সমন (Summon): সমন হল কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট দিনে ও নির্দিষ্ট সময় আদালতে হাজিরা দেবার জন্য আদালত প্রদত্ত আদেশ।

সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স (Circumstantial evidence): প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ছাড়া অন্য যে-কোন প্রমাণ (যেমন, আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া - যা থেকে কারোর উপস্থিতি সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্তে আসা যায়)

সার্টিওরারি (Certiorari): উচ্চ আদালতকে দিয়ে নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের চেষ্টা।

স্ট্যাচুট অফ লিমিটেশন (Statute of Limitation): এই সংবিধি অনুসারে - যে-ঘটনার জন্য মামলার প্রশ্ন উঠছে, সেটি ঘটে যাবার পর একটি নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলে বাদীর মামলা আনার কোন অধিকার থাকে না।

হস্টাইল উইটনেস (Hostile witness) বা সাক্ষী-বিপরীত: যে সাক্ষীর বিবৃতি যে-পক্ষ তাকে সাক্ষী দেওয়াতে আনছে তাদের বিপক্ষে যায়।

হিয়ারসে (Hearsay) বা জনশ্রুতি, কানাঘুষো: কোনও সাক্ষীর বিবৃতি যে, আসল ঘটনা নিজে ঘটতে দেখে নি, কিন্তু অন্যের কাছ থেকে শুনেছে। হিয়ারসে আদালতে সাধারণ ভাবে গ্রাহ্য করা হয় না।

হেবিয়াস কর্পাস (Habeas corpus): কোন ব্যক্তি যদি মনে করে তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, তাহলে সে হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন করতে পারে। সেই আবেদন গ্রাহ্য হলে আদালত কারাগার-কর্তৃপক্ষকে হুকুম (রিট অফ হেবিয়াস কর্পাস) দেবে কয়েদীকে আদালতে নিয়ে আসতে - যাতে আদালত বিচার করে দেখতে পারে যে, তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে কিনা। হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন কারারুদ্ধ ব্যক্তি নিজে অথবা অন্য কেউ তার জন্য করতে পারে। এই আবেদনে দেখাতে হবে যে, আদালত কারারুদ্ধ ব্যক্তিকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বা আইনের অপপ্রয়োগ করে কারাদণ্ড দিয়েছে। অনেক সময়ে কোন বিচারক কাউকে আদালত-অবমাননার দায়ে জেলে পাঠাতে চাইলে, সেই ব্যক্তি হেবিয়াস কর্পাস-এর জন্য আবেদন জানাতে পারে।

ম্যাণ্ডেমাস (Mandamus): ল্যাটিন অর্থ 'আমরা হুকুম দিচ্ছি'। বস্তুত এটি কোনও সরকারি সংস্থাকে দেওয়া একটি আদেশ। সরকারি সংস্থা যখন আইন অনুসারে কোনও কাজ করায় গাফিলতি করছে, তখন তাকে আইন অনুযায়ী কাজ করার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া।

রিট অফ সার্টিওরারি (Writ of certiorari): সুপ্রিম কোর্টের নিম্ন আদালত থেকে আসা আপীল শুনানী করার সিদ্ধান্ত।

কো ওয়ারাণ্টো (quo warranto): কথাটির ল্যাটিন অর্থ 'কোন ওয়ারেণ্টের বলে?'। এটি যাঁকে পাঠানো হয় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া তিনি যে কাজ করার অধিকার আছে বলে দাবী করছেন, সেই অধিকার কোথা থেকে তাঁর উপর বর্তেছে|

রিট অফ প্রহিবিশন (Writ of Prohibition): উচ্চ আদালত (সাধারণতঃ সুপ্রিম কোর্ট) থেকে নিম্ন আদালতের উপর হুকুম যে, মামলার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া - কারণ সেই মামলা নিম্ন আদালতের এক্তিয়ার বহির্ভূত।

Monday, November 5, 2018

ধ্বনি ও বর্ণ

★বাংলা_ব্যাকরণ
ধ্বনি_ও_বর্ণ
* পৃথিবীতে ভাষার সংখ্যা - সাড়ে তিন হাজারের উপরে।
* বাংলা ভাষার অবস্থান - চতুর্থ।
* ভাষার পরিবর্তন ঘটে - দেশ,কাল ও পরিবেশ ভেদে।
* ভাষার রুপ হচ্ছে - ২টি।
১. ভাষার/শব্দের ক্ষুদ্রতম একক/অংশ"ধ্বনি"।
২. ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।
৩. বাক্যের মৌলিক উপদান শব্দ।
৪. ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি।
৫. মাত্রাহীন বর্ণ--১০টি(স্বর বর্ণ ৪টি=এ, ঐ, ও, ঔ,
ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি→ঙ,ঞ,ৎ,ং, ঃ, ঁ,
৬. অর্ধমাত্রা--০৮টি(স্বরবর্ণে ১টি →ঋ, ব্যঞ্জনবর্ণে
৭টি→খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)
৭. পূর্ণমাত্রা--৩২টি(স্বরবর্ণে ৬টি,ব্যঞ্জনবর্ণে ২৬টি)
৮. মৌলিক স্বরবর্ণ ৭টি(উ,ই,এ,ও,অ্যা,অ,আ) দ্বি-স্বর ২টি ঐ ও ঔ। ঐ=অ/ও+ই, ঔ=ও+উ।
৯. স্পৃষ্ট বা বর্গীয় বর্ণ ২৫টি
১০. যৌগিক স্বরবর্ণ ২৫টি
১১. হ্রস্বস্বর-৪টি(অ,ই,উ,ঋ)
১২. দীর্ঘস্বর-৭টি(আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)
১৩. কার ১০টি(অ ব্যতিত)
১৪. ফলা ৬টি(য,র,ন,ণ,ম,ব ফলা)
১৫. উষ্মধ্বনি ৪টি(শ,ষ,স,হ---"হ"ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি)
১৬. নাসিক্য বর্ণ ৫টি(ঙ,ঞ,ণ,ন,ম)
১৭. অঘোষ বর্ণ বর্গের ১ম ২টি(ক,খ) এবং বর্গের ১ ও ৩ নং বর্ণ অল্পপ্রাণ(ক,গ)।
১৮. ঘোষ বর্গের শেষ ৩টি(গ,ঞ,ঙ) বর্ণ এবং ২য় ও ৩য় বর্ণটি মহাপ্রাণ(খ,ঘ)
১৯. পরাশ্রয়ী বর্ণ বা ধ্বনি ৩টি(ং,ঃ,ঁ)
২০. কম্পনজাত বর্ণ : র।
২১. পাশ্বিক বর্ণ : ল
২২. তাড়নজাত ধ্বনি :ড়,ঢ়।
২৩. শুদ্ধ উচ্চারণ→প্রোতিকখা,আওভায়ক্


Sunday, November 4, 2018

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা প্রথম মডেল টেস্ট

মডেল টেস্ট - ০১
বিষয় : বাংলা প্রথম পত্র
শ্রেণি : ষষ্ঠ 
পূর্ণমান -৭০+৩০
নিচের উদ্দীপকগুলো পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও যে কোন সাতটি [ প্রতিটি বিভাগ খেকে কমপক্ষে দুইটি করে দিতে হবে।]
গদ্যাংশ
১। ফাতিমা সুমন সাহেবের বাসায় কাজ করে। বয়স মাত্র ১০ বছর বলে কোনো কাজই সে ভালো করে করতে
পারে না। সে জন্য গৃহকর্ত্রী হোসনে আরা তাকে পছন্দ করে না। মাঝেমধ্যে বাসনকোসন ধুতে গিয়ে সে ভেঙে
ফেলে। হোসনে আরা তাই বিরক্ত হয়ে ফাতিমাকে তাড়িয়ে দিয়ে বড় কাজের মেয়ে রাখে।
(ক) আকাশ বাসী শব্দের অর্থ কী?
(খ) মিনু তার শত্রুকে কিভাবে শাস্তি দেয়?
(গ) উদ্দীপকে ফাতিমার সঙ্গে মিনুর অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) ফাতিমার পরিণতি আর মিনু গল্পের মিনুর পরিণতি ভিন্ন উক্তিটি বিচার করো।
২. রহিমা খাতুন নিজের বাসগৃহে প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষর জ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই
তিনি এ কাজ করেন। ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহিমা সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী
মহিলাকে পুরস্কার দেন। এতে উৎসাহী হয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। নিজের ছোট গণ্ডির মধ্যে দায়িত্ববোধ ও
মানবসেবার লক্ষ্যে তিনি এই মহৎ কাজ চালিয়ে যান।
ক) সেবাকাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ) মাদার তেরেসা গাউন ছেড়ে শাড়ি পরেছিলেন কেন?
গ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে 'মাদার তেরেসা'র কোন ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে-
বর্ণনা করো।
ঘ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদাম তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক; কিন্তু তাঁদের
লক্ষ্য ছিল অভিন্ন- কথাটির সত্যতা যাচাই করো।
৩. গোলাম মওলা একজন শিল্পপতি। তিনি মাটির তৈরি ফুলদানি, নৌকা, গরুর গাড়ি, ফলমূল ও বিভিন্ন
মনীষীর প্রতিকৃতি দিয়ে তার বাড়ির ড্রইংরুম সাজিয়েছেন। তিনি মনে করেন, লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা
প্রত্যেকেরই কর্তব্য।
ক. শ্যেন চোখে মানে কী?
খ. পালমশাই একজন জাত শিল্পী। এখানে পালমশাইকে জাত শিল্পী বলার কারণ কী?
গ. মাওলা সাহেবের ড্রইংরুমে সজ্জিত মাটির জিনিসপত্র দ্বারা 'কত দিকে কত কারিগর'- রচনার কোন দিকটি
ইঙ্গিত করে, ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মাওলা সাহেবের বক্তব্যের সঙ্গে তুমি কি একমত? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
১.  দিনের বেলা আকাশ সচরাচর থাকে নীল। আবার কখনো সাদা বা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশে কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা। কখনো বা সারা আকাশ ভেসে যায় লাল আলোতে। আকাশের নীল চাঁদোয়াটা গ্যাসভর্তি ফাঁকা জায়গা। সেখানে আছে গ্যাস, বাষ্প ও ধূলিকণা।
ক. আব্দুল্লাহ আল মুুতী কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
খ. আকাশে বিভিন্ন সময় রং খেলা করে কেন?
গ. আকাশ নীল দেখার কারণগুলো বর্ণনা করো।
ঘ. ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশে কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা— ‘উদ্দীপক’ ও ‘আকাশ’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

২. রহিমা খাতুন নিজের বাসগৃহে প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষর জ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই তিনি এ কাজ করেন। ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহিমা সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী মহিলাকে পুরস্কার দেন। এতে উৎসাহী হয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। নিজের ছোট গণ্ডির মধ্যে দায়িত্ববোধ ও মানবসেবার লক্ষ্যে তিনি এই মহৎ কাজ চালিয়ে যান।
ক) সেবাকাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ) মাদার তেরেসা গাউন ছেড়ে শাড়ি পরেছিলেন কেন?
গ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে মাদার তেরেসার কোন ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে- বর্ণনা করো।
ঘ) উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদাম তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক; কিন্তু তাঁদের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন- কথাটির সত্যতা যাচাই করো।

পদ্যাংশ
৪.ক) পাহাড়টাকে হাত বুলিয়ে লাল দিঘির ঐপার
এগিয়ে দেখি জোনাকিদের বসেছে দরবার
আমায় দেখে কলকলিয়ে দিঘির কালো জল বললো,এসো আমরা সবাই না-ঘুমানোর দল।
খ।)বাঁশ বাগানের আধখানা চাঁদ / থাকবে ঝুলে একা,
ঝোপে ঝাড়ে বাতির মতো / জোনাক যাবে দেখা।
ক) পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা পাঠের উদ্দেশ্য কী?
খ) কবি আল মাহমুদের দৃষ্টিতে প্রকৃতির সঙ্গে মানুুষের সম্পর্ক বর্ণনা করো।
গ) কবিতাংশ দুটিতে পল্লী প্রকৃতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ) কবিতাংশ দুটিতে নিসর্গপ্রীতি ফুটে উঠেছে উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
৫.খাল-বিল, নদী-নালা আর পুকুরে ভরা এই দেশ। ছোটবেলায় সাঁতার কাটা শিখেছিলেন নাজির সাহেব।
সন্তানদের নিয়ে তিনি এখন শহরে থাকছেন। গ্রামের বাড়িতেও আগের সেই খাল-বিল, পুকুর নেই। সন্তানদের
সাঁতার কাটা শেখাতে পারছেন না। নাজির সাহেব আক্ষেপ করে বলেন, এভাবে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটলে
আমাদের আগেকার জীবনযাত্রা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কেবল কাগজে-কলমেই থাকবে।
ক. প্রতিদিন কে আলোর খেলা খেলছে?
খ. কাজল বিলে পানকৌড়িকে নাইতে দেওয়ার আহ্বান দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ. উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে বাঁচতে দাও কবিতার শিশুর কাজটির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে বাঁচতে দাও কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে। মন্তব্যটি
প্রমাণ করো।
৬.মধুমতি একটি অবহেলিত গ্রাম। জনসংখ্যা কম নয়। তবু শিক্ষার হার কম হওয়ায় এগোতে পারছে না
গ্রামটি। রশিদ সাহেব গ্রামের অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য গ্রামবাসীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ
হলেন। গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত করলেন। রশিদ সাহেব আজ নেই, তবু মধুমতি গ্রামের প্রতিটি
মানুষ তাঁকে তাঁর কীর্তির জন্য শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
ক. চির শিশু শব্দের অর্থ কী?
খ. মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়-এই বাক্যের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
গ. বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে মুজিব কবিতার ভাবগত দিক তুলে ধরো।
ঘ. মধুমতি গ্রামটি যেন মুজিব কবিতার স্বাধীন বাংলার কথাটির সার্থকতা প্রমাণ করে।
৭. ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ
দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ?
বরকতের রক্ত।
হাজার যুগের সূর্যতাপে
জ্বলবে এমন লাল যে,
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে
কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে !
ক) কান্নারা সব কোথায় ডুকরে ওঠে?
খ) ফাগুন মাস সবুজ আগুন জ্বলে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ) উদ্দীপকের সাথে 'ফাগুন মাস'- কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ অংশটুকু ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকের ভাবার্থটি যেন 'ফাগুন মাস'- কবিতার ভাবার্থেরই প্রতিচ্ছবি উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
আনন্দপাঠ
৮। বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। আর এই মহান যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে মকসুদ আলি
বীরের আসনে আসীন করে নিজে চিরদিনের জন্য শ্রদ্ধার পাত্র হওয়ার গর্ববোধ করেন।
ক) 'কাঠের পা'- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
খ) মুক্তিযোদ্ধারা কেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান?
গ) উদ্দীপকের মকসুদ আলির সঙ্গে নয়নের বাবার কী কী বৈসাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকের বীর মুক্তিযোদ্ধা মকসুদ আলি কি নয়নের বাবার প্রতিফলন? আলোচনা কর।
৯. একাত্তরের আত্মারা আজ শ্লোগান তুলেছে মঞ্চে
'তুই রাজাকার ','তুই রাজাকার '
লুকিয়ে থেকে পার পাবিনা হাটে মাঠে গঞ্জে।
আলোর মশাল বাঙালির হাতে জেগেছে স্বদেশ
আত্মারা তাই কণ্ঠ মিলায় সাবাশ বাংলাদেশ।
ক) তৈলচিত্রটি কোথায় ছিল?
খ) রাজা দুর্ভাগ্য এড়াতে পারেননি কেন?
গ) উদ্দীপকে 'অমি ও আইসক্রিম অলা'- গল্পের ফুটে ওঠা দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকে 'অমি ও আইসক্রিম অলা'- গল্পের চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে কী-- তোমার মতামত দাও।
১০. গাহি সাম্যের গান-
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান।
............................................................
তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্র খুঁজে পাবে সখা, খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
ক) কসমোপলিটান শব্দের অর্থ কী?
খ) লন্ডন সবার তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে কেন?
গ) উদ্দীপকে প্রতিফলিত দিকটি 'ওকিং মসজিদে ঈদের জামাত'- গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকে 'ওকিং মসজিদে ঈদের জামাত'- গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র '- তোমার মতামত দাও।
১১. হযরত মুহাম্মদ (স) সভ্যতার আলো দিয়ে মানবমুক্তির পথ দেখান এবং আল্লাহর একত্ববাদ প্রচার
করেন।আরবভূমি যখন ভয়াবহ অন্ধকার অজ্ঞতার কবলে নিপতিত ঠিক সে সময়েই হযরত মুহাম্মদ (স) এর
আবির্ভাব।
ক) সৌদি আরবের শ্রেষ্ঠ সম্পদ কী?
খ) কাকে এবং কেন 'মরুসূর্য 'উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
গ) উদ্দীপক ও 'রসুলের দেশে '- রচনাটি এক ও অভিন্ন" - উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ) মহামানব হযরত মুহাম্মদ (স) কে অনুসরণ করে আদর্শে পরিণত হয়েছিলেন আব্দুল আজিজ'- মূল্যায়ন
করো।

নৈর্ব্যক্তিক অংশ - ৩০ টি
১। প্রাচীনকালে বাঙালির প্রিয় মাছ ছিল—
ক. রুই. খ. কাতল গ. পাবদা ঘ. ইলিশ
২। বেশির ভাগ লোকজনের কাঁচা বাড়িতে বসবাসের কারণ কী ছিল?
ক. অর্থের অভাব খ. গৃহ সরঞ্জামের অভাব
গ. রুচিবোধের অভাব। ঘ. অন্যের অনুকরণ
৩। সাধারণ লোক জুতা পরত না। কারণ তা তাদের—
ক. ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ছিল না খ. অপছন্দ ছিল
গ. কাছে বোঝা মনে হতো ঘ. ব্যবহারে রাষ্ট্রের নিষেধ ছিল
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও
দেওয়ান সুজা একজন রাজা ছিলেন। তাঁর রাজ্য তিনটি পরগনায় বিভক্ত ছিল। প্রতিটি পরগনার শাসনভার
তাঁর অনুগত একজন নায়েবের ওপর ন্যস্ত ছিল। তিনি পশ্চিম ভারতীয় পোশাক পরতে ও মোগলাই খাবার
খেতে বেশি পছন্দ করতেন।
৪। দেওয়ান সুজার রাজ্যে নায়েবদের পরিচয় কী?
ক. জমিদার খ. সামন্ত গ. ভূস্বামী ঘ. সুবেদার
৫। দেওয়ান সুজার স্বভাবের মধ্যে ফুটে উঠেছে—
i. আধুনিকতা ii. অনুকরণপ্রিয়তা iii. প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i খ. ii গ. iii ঘ. ii ও iii
৬. মাদার তেরেসা কখন ঢাকায় আসেন?
ক. ভাষা আন্দোলনের সময় খ. মুক্তিযুদ্ধকালে
গ. স্বাধীনতার পরে ঘ. স্বাধীনতার পূর্বে
৭. নিচের কোনটি মাদার তেরেসার পারিবারিক পদবি?
ক. বোজাঝিউ খ. বার্নাই। গ. নিকোলাস ঘ. তেরেসা
৮. মাদার তেরেসাকে পরিবার থেকে কোন নামটি দেওয়া হয়?
ক. অ্যাগনেস গোনজা বোজাঝিউ। খ. দ্রাণাফিল গোনজা বোজাঝিউ

গ. অ্যানেস বার্নাই বোজাঝিউ। ঘ. দ্রাণাফিল বার্নাই বোজাঝিউ
৯. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কোনটি?
ক. ১৯১০-১৯১৪ সালে
খ. ১৯১৪-১৯১৮ সালে
গ. ১৯২০-১৯২৪ সালে ঘ. ১৯২৪-১৯২৮ সালে
১০ বায়ুমণ্ডলে কয়টি বর্ণহীন গ্যাস রয়েছে?
ক) দশটি খ) বারোটি গ) বিশটি ঘ) তেরোটি
১১. হরহামেশা '- অর্থ কী?
১২. 'মিশেল'- অর্থ কী?
১৩. পৃথিবীর উপরের অংশকে কী বলে?
১৪. মিশনারী শব্দের অর্থ কী?
১৫. মাদার তেরেসা কত সালে ঢাকায় আসে?
১৬. সৈয়দ শামসুল হক এর পেশা কি ছিল?
১৭. . সৈয়দ শামসুল হক কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
১৮. জয়নুল আবেদিন কে ছিলেন?
১৯. আনিসুজ্জামান এর জন্ম কত সালে?
২০. শীর্ণ শব্দের অর্থ কী?
২১. মখমলের কাপড় কারা ব্যবহার করতো?
২২. প্রাচীনকালে এদেশে যাতায়াতের প্রধান উপায় কি ছিল?
২৩. মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য কে ডাকবে?
২৪. স্বাধীন বাংলার স্থপতি কে?
২৫. শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
২৬. 'নাইতে '- বলতে কি বুঝ?
২৭. ব্যাবিলনের বর্তমান নাম কী?
২৮. বেঁচে থাকার প্রধান আশ্রয় কি?
২৯. আল মাহমুদের প্রকৃত নাম কী?
৩০. ওকিং মসজিদে খোতবা পড়া হয়েছিল কোন ভাষায়?
বাংলা - ১০
৩১. 'বাঁচতে দাও'- কবিতায় নীল আকাশে কে মেলছে পাখা?
৩২. কবি শামসুর রাহমান এর পেশা কি ছিল?
৩৩. বাঁচতে দাও'- কবিতায় নরম রোদে কোন পাখি নাচ জুড়েছে?
৩৪. গহিন'-শব্দের অর্থ কী?
৩৫. সুজন মাঝি কোথায় নৌকা বাইছে?
৩৬. শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
৩৭. বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় --------------- বছরের।
৩৮ সেকালে মেয়েরা কোথায় চড়তো?
৩৯. 'পল্লব' ও 'কৃশ'- শব্দের অর্থ কী?
৪০. সামন্ত '- অর্থ কী?

The Population of Bangladesh, ch-12

The Population of Bangladesh.
Chapter - 12
Class - Three.

★Give long Answer :
1. How does over-population affect transport?
Ans: Transport along with schools,markets and bazar,roads and streets,etc are over-crowded due to over population.The pressure of too many passengers in buses,trains and launches often causes serious accidents.
2. How does over-population affect the environment?
Ans: Over-population creats problems on environment.The effect of over population on environment are given below :
1. To create more waste and trash.
2. Different kinds of diseases are spread out.
3. People make houses on playing grounds,cultivable land and destroy trees.
4. Slums are built on the sides of the roads or open spaces.
3. Why is Bangladesh called an over populated country?
Ans : In comparison to many other countries,too many people live in too small area in Bangladesh.This is why it is called an over-populated country.
★Give Short Answer :
1. What is the population density of Bangladesh?
Ans: The density of population of Bangladesh is 1015 people per square kilometre.
2. How many countries have a larger population than Bangladesh?
Ans: 7 countries have a larger population than Bangladesh.
3. Among men and women, who are more in number in Bangladesh?
Ans: Men are more in number among men and women in Bangladesh, 50.01% men and 49.99% women.
4. Name one advantage of a small family.
Ans: Everyone's needs can be made in a small family.
5. What basic needs may not be met in a large family?
Ans: Food, shelter(housing), clothing, treatment and education ---all the five basic needs are not possible to meet up when a family large in size.
★Fill in the Blanks:
1. Our country is very ----------------- in land (small)
2. In our country many people ----------------- in small area.(live)
3. The ----------------- of our country is increasing rapidly. ( population)
4. Population is a ----------------- problem of our country. (severe)
5. In area,Bangladesh is ----------------- in the world. (90th)
6. In population, Bangladesh is ----------------- in the world. (8th)
7. The large family may run short of many ----------------- needs. (basic)
8. In small family,everyone's need can be----------------. (met).
9. More people need more -----------------. (housing)
10. Over population is the main ----------------- for our country.(problem)
★Choose the correct Answer :
1. Unemployment problem relates ----------------- .Ans: Population problem.
2. What is the expected number of members of a family? ------- .Ans: four.
3. What is the number one problem in Bangladesh? ----------------- .Ans: Over-population.
4. How many times has population increased in 2011 in relation to 1974?----------------- .Ans: Two times.
5.What is the position of Bangladesh among all countries of the world in respect to population?----------------- .Ans: 8th.
6. How many people live per square kilometre in Bangladesh? ----------------- .Ans:1015
7. Out of total population 49.99% are ----------------- .Ans: women.
8. Family members of large family may not get ----------------- .Ans: enough food,enough clothes

Our History and culture, ch-11

Our History and Culture.
Chapter - 11
Class - Three

★Give long Answer :
1. How do we celebrate Independence Day?
Ans: 26 March is our Independence Day.It is our National Day.On this day people go National Martyrs Memorial which was built in Savar in memory of the martyrs of the liberation war.There people respect with flowers.
2. Describe one social festival.
Ans: One social festival describes below :
Poushmela is a rural festival in Bangladesh. It is held in the month of Poush in the Bengali calendar. Winter cakes and sweets are made and celebrations continue for several days.There are fairs, song and dance festivals and folk dramas.
3. How do we observe Bengali New Year?
Ans : We observe the Bangla New Year Day attending 'Baishakhi' fairs and musical events.We take part in boat races and enjoy different sports, merry -go - round and puppet dance. The artisans ans businessmen offer sweetss to their customers.
★Give Short Answer :
1. What was the demand of language movement?
Ans: The demand of language movement was the right to speak in their mother tongue,Bangla.
2.What happened between Independence Day and Victory Day?
Ans: Liberation was happened between Independence Day and Victory Day.
3. Who surrendered in December, 1971?
Ans: Pakistan Army surrendered in December 1971.
4. Name two rural festivals?
Ans: Poushmela and Boishakhi Mela are two rural festival.
5. What is 21 February known as?
Ans: 21 February is known as International Mother Language Day.
★Fill in the Blanks:
1. International Mother Language Day is...................... (21st February)
2. A National Memorial built in.....................( Savar.)
3. Halkhata is a programme of......................... (1st Baishakh.)
4. In the month of Aghrahayon rural people celebrate..............( Nobanno)
5. .........................is our main social celebration.(1st Baishakh)
6. 1st Baishakh is the main............... festival for Bengalis.(social)
7. Our Independence Day is on..............................( 26 March)
8. We observe our national days with................... respect.(special)
★Choose the correct Answer :
1. Martyrs Day is observed on.............................. Ans : 21 st February.
2. Where is the National Martyr's Memorial situated ............. Ans : Savar.
3. What kind of a festival is Nobanno? ........... Ans : for harvesting crops.
4. 1st Baishakh is our .............................. Ans : main social festival.
5. Independence Day is observed on ............................. Ans : 26th March.
6. Who wrote the song "Amar bhaier rokte rangano "?
.Ans : Abdul Gaffar Chowdhury.
7. Victory Day is observed on .............................. Ans : 16th December.
8. Which year the Language Movement took place in? ............ Ans : 1952

Wednesday, October 31, 2018

শুদ্ধ ও অশুদ্ধির প্রয়োগ-০১

শব্দ ও বাক্যে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণ ঠিক রাখলে ভাষার অপ্রয়োগ হয় না। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। বিভিন্ন কারণে ভাষার অপপ্রয়োগ ঘটতে পারে। যেমন : বানান, শব্দ রূপান্তর, শব্দদ্বিত্ব, বচনজাত, নির্দেশক, সন্ধি, সমাস, উপসর্গ, বিভক্তি, প্রত্যয়,চিহ্ন, পক্ষ, কারক, বাচ্য, বাগধারা ইত্যাদি।
১.বিশেষ্য ও বিশেণের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

১. অ: লোকটা নির্দোষী।
শু: লোকটা নির্দোষ।
২. অঃ- সদা সর্বদা তোমার উপস্থিত প্রার্থনীয়।
শুঃ- সদাসর্বদা তোমার উপস্থিতি প্রার্থনীয়।
৩. দুর্বলবশত তিনি আসিতে পারেন নাই।
শুঃ- দুর্বলতাবশত তিনি আসিতে পারেন নাই।


২. সাধু চলিত ভাষারীতির মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

১. তাহার কথা মতো চলা ঠিক নয়।
শুদ্ধবাক্য : তার কথা মতো চলা ঠিক নয়।
২. যা বলিব সত্যবলিব।
শুদ্ধবাক্য : যাহা বলিব সত্য বলিব/ যা বলব সত্য বলব।
৩. তাহাকে কলেজে যাইতে হবে।
শুদ্ধবাক্যঃ-  তাকে কলেজে যেতে হবে।
৪. তাহারে যেন সবাই ভূল করিবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
শুদ্ধবাক্যঃ- তারা যেন সবাই ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।


৩.বানানের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

১. পাষান হৃদয়ও ভালোবাসায় গলে যায়।
শুদ্ধবাক্য : পাষাণ হৃদয়ও ভালোবাসায় গলে যায়।
 ২. নিরোগ লোক প্রকৃত সুখী।
শুঃ- নীরোগ লোক প্রকৃত সুখী।
৩. অভাবগ্রস্থ ছাত্রটি তাহার দুরাবস্থার কথা অশ্রুপূর্ণ নয়নে বর্ণনা করিল।
শুঃ- অভাবগ্রস্ত ছাত্রটি তাহার দুরবস্থার কথা অশ্রুপূর্ণ নয়নে বর্ণনা করিল।
৪. অতিরিক্ত খাটুনিতে তার স্বাস্থ ভেঙে গেছে। 
শুঃ- অতিরিক্ত খাটুনিতে তার স্বাস্থ্য ভেঙে গেছে। 
৫. অল্পজ্ঞান লোক বিপদজনক। 
শুঃ- অল্পজ্ঞান লোক বিপজ্জনক। 
৬.আজ অপরাহ্নে ঢাকা ষ্টেডিয়ামে ইরান ও জার্মানের মধ্যে প্রতিযোগীতা হবে।
শুঃ- আজ অপরাহ্ণে ঢাকা স্টেডিয়ামে ইরান ও জার্মানির মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে।
৭. আমার এ কাজে মনযোগ নেই।
শুঃ- আমার এ কাজে মনোযোগ নেই।
৮. আদ্যান্ত শুনিয়া তিনি চমকিয়া উঠিলেন।
শুঃ- আদ্যন্ত শুনিয়া তিনি চমকিয়া উঠিলেন।
৯. তাহাকে শান্তনা দেওয়ার সামর্থ আমার নেই।
শুঃ- তাহাকে সান্ত্বনা দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই।
১০. দারিদ্রতা আমদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য। 
শুঃ- দরিদ্রতা/দারিদ্র্য আমাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য। 


৪. অতিশায়নের মাধ্যমে ভাষায় অশুদ্ধ প্রয়োগ:
১. রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠতম/তর।
শুদ্ধ : রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠ।
২. শুনেছি আপনি স্বস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
শুদ্ধ:শুনেছি আপনি সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ ঢাকায় থাকেন।
৩. বাসের ধাক্কায় তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।
শুদ্ধ : বাসের ধাক্কায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।
৪. শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত।
শুদ্ধ : শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত।
৫. সে ক্যান্সারজনিত কারণে মারা গিয়েছে।
শুদ্ধ : সে ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে মারা গিয়েছে।

৬. বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।

শুঃ- বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

৭. সমগ্র জেলার মধ্যে বগুড়ার চাউল ভালো।

শুঃ- সমগ্র জেলার মধ্যে বগুড়ার চাউল শ্রেষ্ঠ।


৫.বচনের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

১. সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছে জনতা।
শুদ্ধয : সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর/যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছে জনতা।
২. লক্ষ লক্ষ জনতারা সব সভায় উপস্থিত হয়েছিল।
শুদ্ধ: লক্ষ লক্ষ জনতা সভায় উপস্থিত হয়েছিল।
৩. যেসব ছাত্রদের নিয়ে কথা তারা বখাটে।
শুদ্ধ : যেসব ছাত্রকে নিয়ে কথা তারা বখাটে।
৪ আমরা এমন কিছু মানুষদের চিনি, যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে।
শু : আমরা এমন কিছু মানুষকে চিনি যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে।
৫. কিছু কিছু মানুষ আছে যে অন্যের ভালো দেখতে পারে না।
শু: কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না।
৬. নতুন নতুন ছেলেগুলো কলেজে বড়ো উৎপাত করে।
শুঃ- নতুন ছেলেগুলো কলেজে বড়ো উৎপাত করে।
৭. সব মাছগুলোর দাম কত?
শুঃ- সব মাছের দাম কত?
৮. যাবতীয় লোকসমূহ সভায় উপস্থিত ছিল।
শুঃ- যাবতীয় লোক সভায় উপস্থিত ছিল।


৬.নির্দেশকের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
টা/টি/খানা/খানিব্যবহার করে শব্দকে নির্দিষ্ট করলে তার আগে এইবা ব্যবহার করে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন :
১. ঐ লোকটি খুব সৎ।
শুদ্ধবাক্য : লোকটি খুব সৎ।
২. আমি এই মানুষটিকে চিনি।
শুদ্ধবাক্য : আমি এই মানুষকে চিনি।/আমি মানুষটিকে চিনি।

৭.সন্ধির মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাস্কর।
শুদ্ধবাক্য : ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জা কর বা লজ্জাজনক।
৩. এবারের ইলেকশান করে আপনে নাকি খুব দুরাবস্থায় আছেন।
শুদ্ধবাক্য : এবারের ইলেকশান করে আপনে নাকি খুব দুরবস্থায় আছেন।
৪. ইত্যাবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে।
শুদ্ধবাক্য : ইত্যবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে।

৮.সমাসের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. ঘি মাখা ভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা।
শুদ্ধবাক্য : ঘিভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা।
২. আগে সিংহচিহ্নিত আসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন।
শুদ্ধবাক্য : আগে সিংহাসনে বসেরাজা দেশ চালাতেন।
৩. রীতিকে অতিক্রম না করেও যথারীতি সে বড়লোক।
শুদ্ধবাক্য : রীতিকে অতিক্রম না করেও সে বড়লোক।

৯.বিভক্তির মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

বহুবচনজাতীয় শব্দে কেবসে না। যেমন: তাদেরকে, আমাদেরকে, পাগোলগুলোকে। 
১. ভিক্ষুকদেরকে ভিক্ষা দাও।
শুদ্ধবাক্য : ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও।/ ভিক্ষুকদের ভিক্ষা দাও।
২. তাদেরকে দিয়ে একাজ করিও না। 

আবার এক শব্দে দুটি বিভক্তি বসলে শব্দের গুণ হারায়। যেমন: বুকেতে, চোখেতে। 

বস্তুবাচক বা প্রাণিবাচক শব্দের কে, রেবসে না। যেমন: ঘড়িকে, কলমকে, ছগলকে, বইকে, পাখিরা, মেঘরা, গানকে, সাপকে, মাছকে। 

তবুও বিভক্তির মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন :

শুদ্ধবাক্য : তাদের দিয়ে একাজ করিও না।
৩. ভর দুপুর একটু ঘুমোয়।
শুঃ- ভর দুপুরে একটু ঘুমোয়।
৪. তাহার কথা বিশ্বাস কী?
শুঃ- তাহার কথায় বিশ্বাস কী? 
৫. বাঁশ ঝাড়ে রাতে জোনাকী জ্বলে।
শুঃ- বাঁশের ঝাড়ে রাতে জোনাকি জ্বলে।

১০.প্রত্যয়ের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন :
১. দারিদ্র কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে।
শুদ্ধবাক্য : দারিদ্র্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে।
২. বিকার লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে।
শুদ্ধবাক্য : বিকৃত লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে।


১১.উপসর্গের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. ফুল দিয়ে তাঁকে সুস্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য।
শুদ্ধবাক্য : ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য।
২. অক্লান্তিহীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে।
শুদ্ধবাক্য : ক্লান্তিহীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে।
চিহ্নের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. রহিমা খুব সুন্দরী।
শুদ্ধবাক্য : রহিমা খুব সুন্দর।
২. সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখিকা।
শুদ্ধবাক্য : সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখক। /সেলিনা হোসেন একজন বিদুষী লেখিকা।
পক্ষের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
পক্ষের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না।
শুদ্ধবাক্য : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করে না।
২. এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হবে না।
শুদ্ধবাক্য : এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হয় না।

 

 

Tuesday, October 30, 2018

শুদ্ধ-অশুদ্ধির প্রয়োগ-০২

 ১১.কারকের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

বস্তুর প্রাণিবাচক শব্দে ‘কে’ বসে না। ব্যক্তির নামের সঙ্গেও ‘কে’ বসে না।কারকের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. সাপুড়ে সাপকে খেলায়।
শুদ্ধবাক্য : সাপুড়ে সাপ খেলায়।
২. একসময় আমের কাননে মিটিং বসেছিল।
শুদ্ধবাক্য : একসময় আম্রকাননে মিটিং বসেছিল।/একসময় আমের বাগানে মিটিং বসেছিল।
১২.সমোচ্চারিত শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
সমোচ্চারিত শব্দের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে।
শুদ্ধবাক্য : তারা আমড়াতলায় বসে আমড়া খাওয়ার সময় মালির তাড়া খেয়েছে।
২. সে ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি বাড়িয়েছে।
শুদ্ধবাক্য : সে ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি বাড়িয়েছে।
১৩.শব্দদ্বিত্বের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
ফলাফল/ফলে শব্দটি ঠিক ব্যবহার কিন্তু এর প্রতিশব্দ হিসেবে লেখা হয় ফলশ্রুতিতে’ তাহলে শব্দটি হবে ভুল। কারণ ‘ফলশ্রুতি’র ‘শ্রবণ’ কোন বিষয়ের ফল নয়। শব্দদ্বিত্বের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. ঘামজলে তার শার্ট ভিজে গেছে।
শুদ্ধবাক্য : ঘামে তার শার্ট ভিজে গেছে।
২. অশ্রুজলে তার কপল ভিজে গেছে।
শুদ্ধবাক্য : অশ্রুতে তার কপল ভিজে গেছে।
৩. ঘরটি ছিমছিমে অন্ধকার।
শুদ্ধবাক্য : ঘরটি ঘুটঘুটে অন্ধকার।

১৪.ভুল শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
শব্দের পরে আরো শব্দ বসে শব্দেকে সঠিক করে অথবা বেশি শব্দ বসালে বাক্যটি ভুল হয়ে যায়। এভাবে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়। যেমন:
১. পরবর্তীতে আপনি আসবেন।
শুদ্ধবাক্য : পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে আপনি আসবেন।
২. আমি অপমান হয়েছি।
শুদ্ধবাক্য : আমি অপমানিত হয়েছি।
৩. সূর্য উদয় হয়নি।
শুদ্ধবাক্য : সূর্য উদিত হয়নি।
৪. সত্য প্রমাণ হোক।
শুদ্ধবাক্য : সত্য প্রমাণিত হোক।
৬ তার কথার মাধুর্যতা নাই।
শুদ্ধবাক্য : তার কথার মাধুর্য/মধুরতা নাই।
৫. রাধা দেখতে খুব সুন্দরী ছিল।
শুদ্ধবাক্য : রাধা দেখতে খুব সুন্দর ছিল।
৬. এটি অপক্ক হাতের কাজ।
শুদ্ধবাক্য : এটি অপটু হাতের কাজ।
৭. স্বল্পবিদ্যা ভয়ংকরী।
শুদ্ধবাক্য : অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী।
৮. অভাবে চরিত্র নষ্ট।
শুদ্ধবাক্য : অভাবে স্বভাব নষ্ট।
৯. বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
শুদ্ধবাক্য : বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
১০. ছেলেটি শুধুমাত্র /কেবলমাত্র ১০টি টাকার জন্য মারামারি করল।
শুদ্ধবাক্য : ছেলেটি শুধু /মাত্র /কেবল ১০টি টাকার জন্য মারামারি করল।
১১. রবীন্দ্রনাথ ভয়ঙ্কর কবি ছিলেন।
শুদ্ধবাক্য : রবীন্দ্রনাথ বিখ্যাত কবি ছিলেন।
১৫. বাচ্যের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:

১. সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়।
শুদ্ধবাক্য : সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়।
২. আপনার কি মনে হয় না, বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
শুদ্ধবাক্য : আপনার কি মনে হয় না, বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
৩. আপনার কাজের জন্য দেশের গৌরব লোপ পেয়েছে।
শুদ্ধবাক্য : আপনার কাজের জন্য দেশের গৌরব লুপ্ত হয়েছে।
১৬.এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. পারলে চারিদিকে প্রদক্ষিণ করো।
শুদ্ধবাক্য : পারলে চারিদিকে ঘোরো।/পারলে প্রদক্ষিণ করো।
১. সে হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে।
শুদ্ধবাক্য : সে হাতেকলমে শিক্ষা গ্রহণ করেছে। /সে ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে।
১৭.প্রবাদের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।
শুদ্ধবাক্য : অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।
২. আমি বাঁচলে বাপের নাম।
শুদ্ধবাক্য : আপনি বাঁচলে বাপের নাম।
৩. অনেক সন্ন্যাসিতে গাজন নষ্ট।
শুদ্ধবাক্য : অধিক সন্ন্যাসিতে গাজন নষ্ট।
৪. বেশি চালাকের গলায় দড়ি।
শুদ্ধবাক্য : অতি চালাকের গলায় দড়ি।
১৮.বাগধারার মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
১. পরীক্ষায় নকল করাও নদী চুরি।
শুদ্ধ : পরীক্ষায় নকল করাও পুকুর চুরি।
২. এমন লেখাপড়া করলে পরীক্ষায় মুরগির ডিম পাবা।
শুদ্ধ : এমন লেখাপড়া করলে পরীক্ষায় ঘোড়ার ডিম পাবা।
৩. গরুর ঘাস কাটো, পরীক্ষায় ভালো করতে পারলে না।
শুদ্ধ: ঘোড়ার ঘাস কাটো, পরীক্ষায় ভালো করতে পারলে না।
৪. একের লাঠি দশের বোঝা। 
শুঃ- দশের লাঠি একের বোঝা।
৫. দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
শুঃ- দশ চক্রে ভগবান ভূত।
৬. ঊনো ভাতে কুনো বল,ভরা পেটে জগদ্দল।
শুঃ- উন ভাতে দুনা বল, ভরা পেটে রসাতল।
৭. আমি তখনই বলেছিলাম যে কাঙালের কথা দেরিতে ফলে।
শুঃ- আমি তখনই বলেছিলাম যে কাঙালের কথা বাসি হলে ফলে।
৮. করিম স্বচ্ছ জলে মাছ শিকার করতে চায়।
শুঃ- করিম ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চায়।
৯. কথায় বলে মোটা বাঁশ ঘুন ধরে।
শুঃ- কথায় বলে কাঁচা বাঁশ ঘুন ধরে।
১০. সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম।
শুঃ- সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম।
১১. মনে রেখো,এক পৌষে শীত যায় না।
শুঃ- মনে রেখো, এক মাঘে শীত যায় না।

Friday, October 26, 2018

দলিলের সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরুপ

দলিলের সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরুপঃ
পিং = পিতা
জং = স্বামী
গং = সকল
সাং = ঠিকানা
বিতং = বিস্তারিত
মং = মকাম
হেবা = দান
তোক = ভাগ
নোনাবাড়ি = বসতবাড়ি
রায়ত = দখলি প্রজা
জোতদার = জমির মালিক
এওয়াজা = বিনিময়
চৌঃ = চারিদিকে সীমানা
খারিজ = বাতিল

সুচি আর বিচি...???

সুচিত্রা আর বিচিত্রা দুই বোন।সুচিত্রার স্বামী সুচিত্রাকে আদর করে ডাকে সুচি বলে।আর বিচিত্রার স্বামী বিচিত্রাকে আদর করে ডাকে.............
.................
................
....... চিত্রা বলে।
হা হা হা....

Thursday, October 18, 2018

Bangladesh and Global Studies Model Test -01

Model Test -01
Class : Three
Time : 2 hours 30 minutes Total Marks: 100
[Source:eyh-'18,3c,hc-1-6]
1. Answer Any five answer from following Questions : 5*10= 50
a) Why is it good to keep your home clean and tidy?
b) Which human qualities allow us to do good deeds?
c) Why should we respect people in all occupations?
d) What is the difference between rights and responsibilities?
e) What is the basic right? Name two basic child rights?
f) Why do we need to help each other in the classroom?
g) What is the importance of schools for our social environment?
2. Answer any five from the following Questions. 5*5=25
a) What does society means?
b) Name some different ethenic groups in Bangladesh?
c) What are our basic needs?
d) What is a definition of occupation?
e) What does a teacher do for us?
f) Who is moral man?
g) If you find money on the road what should you do?
3. Fill in the blanks. 10*1= 10
a) Everyone in a family has some daily........................
b) We shall help our teacher .......................
c) Man has some ....................... which makes him different from other .......................
d) To be little others are ....................... deeds.
e) Majority of the villagers are .......................
f) Physician ....................... and ....................... us.
g) To respect parents is a child's .......................
h) Beside our rights, we have some ....................... towards our family.
i) We will not ....................... between boys and child.
j) We respect all ....................... of the society.
4. Write the correct answer in your answer script. 15*1= 15
i), The elements that we see around us is called .......................
a) society b) family c) nature d) environment
ii) Which one is an element of social environment?
a)school b) soil c) water d) tree
iii) Which environment is beyond the control of mankind?
a) Social b) Political c) Natural d) Economical
iv) How do we live with other people in the society?
a) separately b) in group c) in religious groups d) in harmony
v) Which is observed by people of every religion?
a) Eid b) Puja c) Pahela Baishakh d) None of these
vi) How many Eids do Muslims observe in a year?
a) four b) three c) two d) one
vii) What kind of right is 'right to food '?
a) Child right b) right to family c) basic right d) personal right
vii) Which one does a child get from family?
a) a name b) love and affection c) food d) all of these
ix) Where do we grow up?
a) In society b) In the road c) In Madrasah d)In the family
x) When do we observe the ' World Children Day'?
a) 1st Monday of October b) 2nd Monday of October
c) 3rd Monday of October d) 4th Monday of October
xi) The work by which man earns money is called..........
a) labourer b) Farmer c) Occupation d) Teacher
xii) The man who makes dress with cloth is called.......
a) weaver b) tailor c) garments worker d) fashion designer
xiii) Who builds houses with brick,cement, sand and ironrods,etc?
a) Mason b) Blacksmith c) Hawker d) Tailor
xiv) Why man is different from other animal?
a) for man's special qualities b) for man's strength
c) for man's wealth d) for man's fashion
xv) Who behave well with others?
a) A good person b) A man of ethics h c) An honest person d) All of them.

Wednesday, October 10, 2018

Yes & Yeah, Hi & Hello এর মধ্যে পার্থক্য

প্রায়ই দেখি Viva Board এ পরীক্ষার্থী খুব smartly yeah, yeah শব্দটি ব্যবহার করে চলেছেন অথচ তিনি জানেনা এমন একটি Formal Situation-এ 'yeah' শব্দটি ব্যবহার করার ফলে তিনি negative marking এ পড়ে যাচ্ছেন। হয়তো পাওয়া চাকরিটিও হারিয়ে ফেলছেন।

'Yes' এবং 'yeah' এর মধ্যে পার্থক্য।
ইংরেজিতে দুটি situation আছে
১। Formal situation (অফিস, আদালত, মৌখিক পরীক্ষা ও বয়জেষ্ঠদের সাথে যে ভাষায় কথা বলা হয়)
২। Informal situation (বন্ধু, বান্ধব ও আড্ডাবাজিতে যে ভাষায় কথা বলা হয়)

*Yes = Formal situation এ ব্যবহৃত ভাষা।
*Yeah = Informal situation এ ব্যবহৃত ভাষা।

*বয়োজেষ্ঠদের সাথে ও অফিস আদালতে 'yes'ব্যবহার করুন।
*বন্ধুদের সাথে চাইলে 'yeah' ব্যবহার করতে পারেন।
একইভাবে,
চেনা নেই জানা নেই মেসেন্জারে Hi বলে বসি।এখানেও একই ভুল করি।
Formal situation এ Hello এবং
Informal situation এ Hi.
[Collected from fb]

Saturday, October 6, 2018

The Continent and Oceans.,Ch -08

The Continent and Oceans.
Chapter - 08.
Class - Three
★Give Long Answer :
1. Name different animals living in different continents.
Ans: Different animals living in different continents are given below :
a) Africa : Lion,Elephant, Cape buffalo, Leopard, Rhinoceros.
b) North America : Bear,Moose,Bison, Wolf.
c) South America : Jaguar, Caiman,poison dart frog,Ocelot,Anaconda.
d) Asia: Royal Bengal Tiger,Panda,Snow Leopard,King cobra,Elephant.
e) Australia:Kangaroo,Komodo dragon,birds of paradise, Crocodile.
f) Europe: Reindeer, Lynx,Wolf,Bear,Fox.
g) Antarctica : Blue whale,White shark,Manta ray,Cuttlefish,Dolphin.
2. Describe our national flag.
Ans: Our national flag is coloured green and red.The shape is rectangle
with a circle just left of centre.If the length is 10 inches, the width is 6
inches.The ratio is 10:6.The radius of the circle is one fifth of the length
of The flag.
★Give Short Answer :
1. How many continents are there?
Ans: There are seven continents in the world.They are
Asia,Europe,Africa,North America,South America,Australia & Antarctica.
2. How many oceans are there?
Ans: There are five oceans in the world.The Pacific ocean,The Atlantic
Ocean, The Indian Ocean,The Arctic Ocean and The South Ocean.
3. Which is the smallest ocean?
Ans: Arctic ocean is the smallest ocean.
4. Which continent is situated in south the pole?
Ans: Antarctica is situated in the south pole.
5. In which continent is Bangladesh?
Ans: Bangladesh is in the continent of Asia.
6. Which ocean lies south of Bangladesh?
Ans: Indian ocean lies in the south of Bangladesh.
★Fill in the blanks:
1. One-querter of the earth is( land.)
2. The smallest continent is (Australia.)
3. The number of continents is (seven.)
4. The large sea is (Ocean.)
5. The continents are divided into (countries.)
6.Earth is one of the (planet) of the Sun.
7. One-fourth of the earth is( land) and rest( three-fourth ) is water.
8. The smallest continent is( Australia) also known as (Oceania.)
9. Asia is the ( largest) continents in the world.
10. Bangladesh is situated on the south of (Asia)
★Choose the Correct Answer :
1. What is the shape of the earth?
Ans: Orange - like.
2. How much of the earth is watered?
Ans : Three-quartered.
3. Which is the largest continent in the world?
Ans: Asia.
4. Which ocean divides America and Europe?
Ans: The Atlantic.
5. Which is the smallest continent in the world?
Ans: Australia .
6. Which is the smallest ocean in the world?
Ans : The Arctic Ocean.
7. Which is the largest ocean in the world?
Ans: The Pacific Ocean.
8. Which continent is situated on the very south of the world?
Ans : Antarctica.

#######

Our Bangladesh, Ch -09

Our Bangladesh
Chapter - 09
Class - Three.
★Give Long Answer :
1. Which are our most important natural resources?
Ans: Our country is rich in natural resources. Natural gas is one of the most important resources. We use gas for cooking and fuel our cars and vehicles.We also have many minerals, which are dug out of the ground.These include coal,limestone,chinamati,silica sand, mineral sand and hard rock.
2. Why do we need trees?
Ans: The trees around us are extremely important and have always been necessary for improving the human condition -both during its life and after harvest. The importance of trees are given below :
1. Trees produce oxygen and absorb carbon-di-oxide for living bodies.
2. Trees produce food for us.
3. Trees clean the soil by absorbing of dangerous chemicals and other
pollutants that have entered the soil.
3. How many Division are there in Bangladesh? Write their name
Ans: There are eight division in Bangladesh. They are --Dhaka,Chittagong,
Rajshahi,Rangpur, Sylhet,Khulna, Barishal and Mymensingh.
★Give Short Answer :
1. What is the area of Bangladesh?
Ans: The area of Bangladesh is 1,47,570 square kilometres.
2. Which country apart from India has borders with Bangladesh?
Ans: Myanmar apart from India has border with Bangladesh .
3. Where do the rivers of Bangladesh meet the sea?
Ans: The rivers of Bangladesh meet the Bay of Bengal.
4. Where can the Royal Bengal tiger be found?
Ans: Royal Bengal Tiger can be found in Sunderban.
5. Which are our cash crops?
Ans: Jute and tea are cash crops of Bangladesh.
6. Write the five main rivers in Bangladesh.
Ans: The five main rivers in Bangladesh are Brahmaputra,
Jamuna,Karnaphuli, Meghna and Padma.
★Fill in the blanks:
1. Our motherland is(Bangladesh.)
2. Bangladesh is situated in (Asia.)
3. Bangladeshi is divided into( eight ) division.
4. (Chittagong) is the largest division in Bangladesh.
5. Each division is named after its( main ) city.
6. Dhaka lies at the( centre) of the country.
7. The land area of Bangladesh is( 1,47,570) square kilometres.
8. Using water for agriculture is called( irrigation.)
9. We also use the rivers for( transport.)
10. Upper part of map is (north.)
11. We got our national flag through( liberation war.)
★Choose the Correct Answer :
1. The right side of the map is the......... Ans: east.
2. Which one is a cash crop?........Ans : Jute.
3. Which is the largest division of Bangladesh?........ Ans: Chittagong.
4. Which country surrounds Bangladesh on three sides?......Ans: India.
5. Which is the smallest division of Bangladesh?........... Ans: Sylhet.
6.How many years ago was city of Dhaka founded?........ Ans : 400 years.
7. What does Bangladesh export?.......................Ans: Jute and tea.
8. Royal Bengal Tiger is found in..............Ans : Sunderban.

#######

Thursday, September 27, 2018

ষষ্ঠ শ্রেণির ক্যাডেট ভর্তি টেস্ট-০২


বাংলা-১০
১. যারা মাটি দিয়ে পুতুল, পাত্র,প্রতিমা তৈরি করা যাদের পেশা, তাদের --------------------------বলা হয়।
২. 'নূরলদীনের সারাজীবন '- কার লেখা ও কি ধরনের গ্রন্থ?---উত্তর:
৩. প্রাচীনকালে কাঠের খড়ম কারা পরতো?উত্তর:
৪. সেকালের পুরুষরা কি প্রিয় ছিল?---উত্তর:
৫. শানকি ' কিসের তৈরি? --উত্তর :
৬. স্নানস্নিগ্ধদ'- শব্দের অর্থ কী?...উত্তর:
৭. পল্লব শব্দের অর্থ কী?--উত্তর:
৮. কত বছর আগে এদেশে রাজা আসে?---উত্তর:
৯. হাতির দাঁতের পালকি কোথায় থাকত?।।উত্তর:
১০. লেখক আনিসুজ্জামানের জন্ম কোথায়?উত্তর:
১১. 'লাল নীল দীপাবলি ' ও 'কত নদী সরোবর ' কার লেখা?
১২. 'দস্যি মাস' ও 'দুখী মাস' কোনটি?
১৩. নিসর্গ'- শব্দের অর্থ কী?
১৪. 'লোক-লোকান্তর' ও 'সোনালি কাবিন'- কার লেখা কাব্যগ্রন্থ?
১৫. কবি ঠাণ্ডা ও গোলগাল চাঁদ কোথায় দেখেছে?
১৬. 'দাদা ভাই'- নামে পরিচিত কোন কবি?
১৭. কবি আল-মাহমুদের জন্ম কত সালে?
১৮. ফাগুন মাসে কাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়?


বহুনির্বাচনী প্রশ্ন--- 
১. 'বাঙ্গালা শব্দের বানানের নিয়ম'- কখন প্রকাশিত হয়?
ক) ১৯৩৫        খ) ১৯৩৬                 গ) ১৯৩৭           ঘ) ১৯৩৮
২. বাংলা বানানের নিয়ম ঠিক করতে প্রথম উদ্যোগ নেয় কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
ক) বাংলা একাডেমি               খ) বাংলাদেশ টেক্সট বুক বোর্ড 
গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়              ঘ) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. 'বিটপী '- শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক) স্বর্গ                   খ) পুষ্প             গ) বৃক্ষ             ঘ) পদ্ম।
৪. 'সমুদ্র'- শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
ক) অর্ণব              খ) পারাবার          গ) রত্নাকর             ঘ) স্রোতস্বিনী
৫. 'বন্ধুর'- শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
ক) শত্রুর              খ) মসৃণ              গ) অমসৃণ          ঘ) সমতল।
৬. বাংলা শব্দের শেষে কী হয়?
ক) ঋ-কার              খ) ঊ-কার                  গ) ই-কার          ঘ) ঈ-কার।
৭. চোখ'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি নয়?
ক) আঁখি              খ) নেত্র          গ) লোচন              ঘ) লেচন
৮. কোনটি বিবৃতিমূলক বাক্য?
ক) তুমি বলতে চাও কি              খ) পরীক্ষায় সফল হও 
 গ) তোমার মঙ্গল হোক              ঘ) সে আজ যাবে।
৯. বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্যে সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকে কী বলে?
ক) পূর্ণতা              খ) আসত্তি              গ)যোগ্যতা                 ঘ) আকাঙক্ষা।
১০. বাক্যের ক্ষুদ্রতম অংশ কী?
ক) কারক              খ) বিভক্তি              গ) উপসর্গ                  ঘ) শব্দ।
১১. প্রথম পুরুষকে কী বলা হয়?
ক) উত্তম পুরুষ              খ) মধ্যম পুরুষ              গ) নাম পুরুষ                      ঘ) সবকটি।
১২.ভাষা বিচারে বাক্যের কয়টি গুণ থাকা আবশ্যক?
ক) ২টি                      খ) ৩টি                      গ) ৪টি                          ঘ) ৬টি
১৩. তৎসম উপসর্গ কয়টি?
ক) আঠারোটি                 খ) উনিশটি                 গ) কুড়িটি                 ঘ) একুশটি
১৪.'উপসর্গের কাজ কী?
ক) নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করা।                খ) নতুন বাক্য গঠন করা।
গ) বাক্যকে সৌন্দর্যমমণ্ডিত করা।                     ঘ) বাক্যের অলংকার বৃদ্ধি করা।
১৫.'দ্রষ্টব্য '- শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
ক) দৃশ+তব্য।                 খ) দৃশ্য + তব্য।                 গ) দৃ+তব্য                     ঘ) দৃশ+ ত।
১৬.বিপদ ও দু:খ এক সময়ে আসে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
ক) সরল।             খ) যৌগিক৷             গ) মিশ্র বাক্য         ঘ) জটিল বাক্য
১৭.'শকুনি মামা'- অর্থে কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়?
ক) গম্ভীর প্রকৃতির             খ) নিষ্কিয় দর্শক             গ) কুচক্রী লোক         ঘ) কপটচারী 
১৮. কোন বানানগুচ্ছটি শুদ্ধ?
ক) চরন,ভাষণ,জাগরণ।                     খ) ঘর্ষণ,সাজোয়ান,ঋণ
গ) নয়ণ,দীর্ণ,লক্ষণ।                             ঘ) ঘণ্টা,দূষণ,বরণ




রচনামূলক অংশ -৭০
১. সারমর্ম 
★★★পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও।
তার মত সুখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।
পরের কারণে মরণেও সুখ,
সুখ সুখ করি কেঁদো না আর;
যতই কাঁদিবে ততই ভাবিবে
ততই বাড়িবে হৃদয়-ভার।
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
★★★আসিতেছে শুভ দিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।
হাতুড়ি-শাবল-গাইতি চালায়ে ভাঙ্গিল যারা পাহাড়,
পাহাড় কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,
তোমারে সেবিতে হইল যাহারা মজুর, মুটে ও কুলি,
তোমারে সেবিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগল ধূলি,
তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,
তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।

'অথবা '- সারাংশ লেখো
সময় ও স্রোত কাহারও জন্য অপেক্ষায় বসিয়া থাকে না, চিরকাল চলিতে থাকে। সময়ের নিকট অনুনয় কর, ইহাকে ভয় দেখাও- ভ্রুক্ষেপও করিবে না। সময় চলিয়া যাইবে, আর ফিরিবে না। নষ্ট স্বাস্থ্য ও হারানো ধন পুনঃপ্রাপ্ত হওয়া যায়। কিন্তু সময় একবার গত হইয়া গেলে আর ফিরিয়া আসে না। গত সময়ের জন্য অনুশোচনা করা নিষ্ফল। যতই কাঁদো না কেন, গত সময় কখনো ফিরিয়া আসিবে না।

৫.প্রবন্ধ রচনা লেখো - (যে কোন একটি)
ক) আমাদের গ্রাম
ঘ) শহিদ মিনার
ঙ) সুন্দরবন
চ) তোমার দেখা একটি মেলা

সাধারণ জ্ঞান:
১। ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?-উত্তর :
২. । ষাট গম্বুজ মসজিদটির গম্বুজের সংখ্যা--
৩. রিকশা’ কোন ভাষার শব্দ? উত্তর:
৪. বাংলার মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
৫. কোন সংস্থা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়?--
৬. জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তির ন্যূনতম বয়স হতে হবে----
৭. RAB,ATM এর এলাবোরেশন কি লেখো?
৮. IMF,বাসস এর এলাবোরেশন কি লেখো?
৯. ইতিহাসের জনক কে?
১০. কারবালা কোথায় অবস্থিত?
১১. জাতিসংঘ দিবস কখন?
১২. ভারতের সীমান্তে বাংলাদেশর কয়টি জেলা আছে?
১৩. বাংলাদেশ ও মায়ানমার এর মধ্যে মধ্যবর্তী নদীর নাম কী?
১৪. হিটলার কত সালে জার্মানের চ্যান্সেলর হন?
১৫. জাপানের নাগাসাকি তে ফেলা পারমানবিক বোমাটির নাম কি?
১৬. কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
১৭. "এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়"-এ উক্তি কার?
১৮. OIC কখন গঠিত হয়?
১৯. CommonWealth এর পূর্ব নাম কি?
২০. SAARC এর সদর দপ্তর কোথায়?
২১. ভ্যাটিকান সিটির আয়তন কত?
২২. মুজিবনগর সরকার কখন গঠিত হয়?
২৩.  রাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাস কারী অধিবাসীকে কী বলে?
২৪. এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কি?
২৫. আমেরিকায় চালু আছে নাগরিকের কোন পদ্ধতি?
২৬. কবি চণ্ডিদাস কোন আমলের কবি?
২৭. রাষ্ট্র গঠনের উপাদান কয়টি?
২৮. প্রাচীন এশিয়ার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কোনটি?
২৯. নাগরিকত্ব লাভের পদ্ধতি কয়টি?
৩০. বাংলাদেশের পূর্বে কোন দেশ রয়েছে?
৩১. SAARC '-কত সালে কোন মাসে গঠিত হয়?
৩২. কত সালে বাংলাদেশ OIC এর সদস্যপদ লাভ করেন?

ক্যাডেট ভর্তি সাধারণ জ্ঞান -০১

১. ‘Impossible is a word to be found in the dictionary of fools’- উক্তিটি - নেপোলিয়ানের
২। মার্শাল টিটো কোন দেশের নাগরিক?--- যুগোস্লাভিয়া
৩। চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম------বরিশাল।
৪. কারবালা ইরাকরের ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত।
৫। জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তির ন্যূনতম বয়স হতে হবে----২৫ বছর
৬। বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে?----১৯৭৪ সালে
৭। ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?------সিসমোগ্রাফ
৮। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত সালে স্বীকৃতি পায়?-----. ১৯৯৯ সালে
৯। জাতিসংঘের উদ্দেশ্য------আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
১০। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী কত সালে ‘বঙ্গ’ বিজয় করেন?-----১২০৪ সালে
১১। সেন্ট হেলেনা '- দ্বীপ কোথায় অবস্থিত - ভারত মহাসাগরে।
১২। Mein Kemp - এর রচয়িতা - হিটলার।
১৩। কবে থেকে ঢাকার অদূরে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়?----- ১৯৫৭ সাল
১৪। নেলসন ম্যান্ডেলা এর ডাক নাম - মাদিবা।
১৫। কবি চণ্ডীদাস কোন আমলের কবি?------সুলতানি।
১৬। কিন ব্রিজ কোন নদীর ওপর অবস্থিত? :-----সুরমা
১৭। কোন সংস্থা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা
দেয়?--ইউনেস্কো     
১৮। কোকাকোলা কোন ধরনের দ্রবণ?----- গ্যাসীয়
১৯। ২০১১ সালের তথ্য মতে, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা কয়টি?-------১৯৩টি
২০। বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরনো নিদর্শন কী?-----চর্যাপদ
২১। A Long walk to freedom '- এর লেখক- নেলসন ম্যান্ডেলা।
২২। জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক?----- পর্তুগাল।
২৩। www এর জনক - টিম বার্নার্স লি।
২৪।পারমাণবিক বোমার জনক - ওপেন হেইমার।
২৫। কোথায় বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়?----মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।
২৬। মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়------১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
২৭। এশিয়া ও ইউরোপকে একত্রে কী বলা হয়?------ : ইউরেশিয়া
২৮। শৈবাল কোন জাতীয় উদ্ভিদ?--------স্বভোজী
২৯। জাতিসংঘের পতাকার রং কী?-----হালকা নীল
৩০। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত সালে স্বীকৃতি পায়?------১৯৯৯ সালে
৩১। ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?------সিসমোগ্রাফ
৩২। বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?---- ১৯৭৪ সালে
৩৩। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আরেক নাম কী? ----- নারিকেল জিঞ্জিরা।
৩৪। বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম রাষ্ট্রের নাম কী?-----ভারত
৩৫।.রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক - এরিস্টটল।
৩৬। ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ কোন দেশে অবস্থিত?-----লাইবেরিয়ায়
৩৭। কোন ভাষা থেকে Education শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?------লাতিন
৩৮। ই-৮ কী?--------পরিবেশ দূষণকারী ৮টা দেশ
৩৯। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি যিনি ‘নাইট’ উপাধি লাভ করেন-ফজলে হাসান আবেদ
৪০। ষাট গম্বুজ মসজিদটির গম্বুজের সংখ্যা-------৮১টি
৪১। লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ করেন?------শায়েস্তা খান
৪২। ‘প্রাচীন’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?----অর্বাচীন
৪৩। বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?----ভোলা
৪৪। ইতিহাসের জনক - হেরোডোটাস।
৪৫। বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী নয়-----রোহিঙ্গা
৪৬। বরিশালের প্রাচীন নাম-----বাকলা
৪৭। ইউরিয়া সারের কাঁচামাল----মিথেন গ্যাস
৪৮। বেহেস্ত’ কোন ভাষার শব্দ?---ফারসি
৪৯। কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?---পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
৫০। বৈশ্বিক গ্রাম এর ইংরেজি - Global Village.
৫১। কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত?--- সিলেট
৫২। সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?--ফ্যাদোমিটার
৫৪। ‘রিকশা’ কোন ভাষার শব্দ? --জাপানি
৫৫. বাংলাদেশ জাতি সংঘের সদস্য পদ লাভ করেন - ১৯৭৪.
৫৬. জাতিসংঘ শিশু অধিকারে ধারা আছে - ৫৪ টি
৫৭. SAARC =South Asian Association for Regional Co-operation.
৫৮. কার উদ্যোগে সার্ক গঠিত হয়? - বাংলাদেশের।
৫৯. সার্ক গঠিত হয় - ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে।
৬০. SAARC এর বর্তমান সদস্য - ৮ টি।
৬১. সার্কের সদর দপ্তর অবস্থিত - নেপালের রাজধানী কাঠমণ্ডুতে।
৬২. সার্কের মূল লক্ষ্য হলো - অর্থনৈতিক সহযোগিতা
৬৩. ASEAN =Association of South East Asian Nations.
৬৪. ASEAN গঠিত হয় - ১৯৬৭ সালের ৮ই আগস্ট।
৬৫. ASEAN এর সদস্য রাষ্ট্র - ১০ টি।
৬৬. ASEAN এর সদর দপ্তর - ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।
৬৭.EU এর নিজস্ব মুদ্রার নাম কি? -- ইউরো।
৬৮. EU এর সদর দপ্তর - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস।
৬৯. G-7 এর সদস্য রাষ্ট্র হলো - যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মান,ফ্রান্স,জাপান, কানাডা ও ইতালি।
৭০. OIC এর পূর্ণরুপ - Organization of Islamic Cooperation.
৭১. বাংলাদেশ OIC এর সদস্য হয় - ১৯৭৪ সালে।
৭২. NAM এর পূর্ণরুপ - Non-Aligned Movement.
৭৩. কত বছরের নিচে সবাই শিশু - ১৮ বছরের নিচে।
৭৪. IMF=International Monetary Fund.
৭৫. SIM=Subscriber Identification Number.
৭৬. SMS=Short Message Service.
৭৭. RAB =Rapid Action Battalion.
৭৮. VAT = Value Added Tax.
৭৯. CMH = Combined Military Hospital.
৮০. BBC =British Broadcasting Corporation.
৮১. NB = Nota Bene.
৮২. TIN =Taxpayer Identification Number.
৮৩. OMR = Optical Mark Reader.
৮৪. ATM = Automated Teller Machine.
৮৫. আধুনিক= আমরা ধূমপান নিবারণ করি।
৮৬. বাসস = বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৮৭. রাজউক = রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
৮৮. কাবিখা = কাজের বিনিময়ে খাদ্য।
৮৯. জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ গৃহিত হয় - ১৯৮৯ সনের ২০ নভেম্বর।
৯০ মুক্ত বাজার অর্থনীতিকে ইংরেজিতে বলে- Open Market Economy.

Monday, September 24, 2018

অন্ত - 'অ' ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখো।

উত্তর :

১। বংলা ভাষায় ব্যবহৃত বেশ কিছু দ্বিরুক্ত শব্দের অন্ত 'অ' এর উচ্চারণ 'ও' এর মত হয়।
        যেমন : বড় বড় >বড়ো বড়ো, কাঁদ কাঁদ >কাঁদো কাঁদো ইত্যাদি।

২। ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের শেষে 'অ' এর উচ্চারণ 'ও' এর মত হয়।যেমন: এগার>এগারো,বার>বারো,সতের>শতেরো ইত্যাদি।

৩। 'ত' এবং 'ইত' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দের শেষে 'অ' এর উচ্চারণ 'ও' এর মত হয়।যেমন: চলিত>চলিতো,জ্ঞাত>জ্ঞাতো ইত্যাদি।

৪। বিশেষ্য শব্দের শেষে 'হ' থাকলে 'অ' এর উচ্চারণ 'ও' এর মত হয়।যেমন: দেহ >দেহো,বিবাহ >বিবাহো ইত্যাদি।

৫। 'তর' ও 'তম' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দের শেষে 'অ' এর উচ্চারণ 'ও' এর মত হয়।যেমনঃ-দীর্ঘতর>দীর্ঘতরো, বৃহত্তর >বৃহততরো ইত্যাদি।

৬। দুই অক্ষর বিশিষ্ট কোন শব্দের শেষ বর্ণ 'অ'- ধ্বনি থাকলে উক্ত 'অ'- এর উচ্চারণ সংবৃত হয়।যেমন: কাল>কালো,মত>মতো, এত>এতো ইত্যাদি।

৭। শব্দের শেষ অক্ষর যুক্ত ব্যঞ্জন হলে, অন্ত -অ সংবৃত হয়।যেমনঃ- অভিজ্ঞ>ওভিগগো,নম্র>নমরো ইত্যাদি

Sunday, September 23, 2018

‘মধ্য-অ’ ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর :

নিচে মধ্য-অ ধ্বনির পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ দেওয়া হলো—

ক.  মধ্য ‘অ’-এর পরে ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনি থাকলে সেই অ-এর উচ্চারণ সংবৃত বা ও-এর মতো হয়।           যেমন—কাকলি > কাকোলি, জলধি > জলোধি, সকরুণ > শকোরুন্।

খ.  মধ্য অ-এর পরের ধ্বনিতে ঋ-কার থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—লোকনৃত্য >  লোকোনৃতেতা, উপবৃত্ত  > উপোবৃতেতা।

গ.  মধ্য ‘অ’ এর পরের ধ্বনিতে য-ফলা থাকলে সেই অ-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমন—অদম্য > অদোমেমা, অসহ্য > অশোজেঝা, অগম্য > অগোমেমা ইত্যাদি।

ঘ.  মধ্য ‘অ’ এর পরে ক্ষ, জ্ঞ-এর দুটো যুক্ত ব্যঞ্জনের যেকোনো একটি থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—অদক্ষ> অদোকেখা, অবজ্ঞা > অবোগ্গাঁ, বিশেষজ্ঞ >  বিশেশোগেগাঁ।

ঙ.  মধ্য অ-এর আগে অ, আ, এ, ও—এই চারটি স্বরধ্বনির যেকোনোটি থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—কমল > কমোল্, কানন > কানোন্, বেতন > বেতোন্, ওজন > ওজোন্

Saturday, September 22, 2018

Our Rights and Responsibility,Chapter -03

Bangladesh and Global Studies.
Class : Three.
Chapter -03
Our Rights and Responsibility.
★Give long Answer :
1. Give an example of how girls and boys should be given equal treatment?
Ans: On rights there are no differences between girls and boys.In our constitution, society and family give equal rights both girls and boys.Just like both girls and boys have to right to get education and go to school.
2. What is the difference between rights and responsibilities?
Ans: As a children we have some special rights from family, it is called rights. Such as - the right to birth registration,right to be loved and get affection.On the other hand, we also have some duties towards our family such as- abide by family rules, respect parents and elders, etc. are called responsibilities.
★ Give short answer :
1. What are our basic needs?
Answer : Our basic needs are --
a) Food;
b) Cloth ;
c) Home ;
d) Healthcare;
e) Education ;
f) Safety.
2. Give an example of your right to Healthcare.
Ans: To take Polio veccine regularly is an example of my right to Healthcare.
3. When is International Children's Day celebrated?
Ans: International Children's Day is celebrated on the first Monday of October.
4. To whom do you owe your responsibilities?
Ans: I owe my responsibilities to my family members.
5. What is a basic right? Name two basic child rights.
Ans: We are human being. There are some rights for the people of all ages,religious and nations in the world. These rights are known as basic rights.
Two basic rights of a child are given below :
1. Right to get sufficient food.
2. Right to get clothes.
★ Fill in the blanks :
i. Besides our rights, we have some duties towards our parents.
ii. We live and grow up in a family.
iii. In a family all children have some rights.
iv. To abide by family rules is our duty to family.
v. Right to safety is a basic child right.
vi. Child rights are essential to grow up in healthy and beautiful way.
vii. To respect parents is a child's duty.
viii. With education we shall grow as able human being.
ix. In a society, everyone has the right to live.
x. Right to name is a special right of a child.
★Choose the correct answer from the below /MCQ
1. What kind of right is 'right to food'?
Ans : basic right.
2. Which one is needed for existence of child?
Ans: Food.
3. What day is observed on first Monday of October?
Ans: World Child Day.
4. What is essential facilities in children's life?
Ans: Rights.
5. Which one is the fundamental right of a Child?
Ans: Right to get education.
6. Where do we grow up?
Ans: in the family.
7. Which is the duty of a child to his family?
Ans: To behave well with all.
8. Both brothers and sisters have equal --------------- in a family.
Ans: rights
9. Which one does a child get from family?
Ans: Love and affection.
10. When do we observe the ' World's children Day'?
Ans: 1st Monday of October.
#######

Most Popular Post